
১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:০৯
তজুমদ্দিন থেকে বিভিন্ন রুটে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনা নদীর ডেঞ্জার জোনে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান। প্রতিদিন এসব রুটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিচ্ছেন হাজার মানুষ।
ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারের কারণে নৌ দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন অবৈধ নৌযান বন্ধ করতে পারছে না। যার ফলে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই উত্তাল মেঘনা নদীতে যাত্রীরা পারাপার করছে ছোট ছোট ট্রলার ও লঞ্চে করে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যান্ত আট মাস ভোলার মেঘনার ১৯০ কিলোমিটার এলাকাকে ডেঞ্জার জোন হিসেবে চিহ্নিত করা রয়েছে। সি- সার্ভে ছাড়া সকল ধরনের অনিরাপদ নৌযান চলাচলে নিশেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভোলা জেলার উপক‚লের বিভিন্ন এলাকায় দিয়ে চলছে ফিটনেস ও অনুমোদনবিহীন ছোট ছোট লঞ্চ ও ইঞ্জিন চালিত ট্রলার। দু’একটি রুটে সি-ট্রাক কিংবা সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রাপ্ত লঞ্চ থাকলেও বেশিরভাগ রুটেই ফিটনেসবিহীন লঞ্চ আর ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে যাত্রীদের চলাচল করতে হচ্ছে।
বিশেষ করে তজুমদ্দিন উপজেলার চৌমুহনী লঞ্চঘাট থেকে প্রতিদিন একটি ফিটনেসবিহীন ও সি-সার্ভেন ছাড়া ও ইঞ্জিন চালিত একটি ছোটট্রলার মনপুরার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এছাড়াও দৌলতখান-মির্জাকালু থেকে চর জহিরুদ্দিনে ছোট কাঠের ইঞ্জিন চালিত ও সি-সার্ভের প্রত্যয়ন ছাড়া একাধিক ট্রলারে সাধারণ যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অন্যদিক মহিষখালী মাছঘাট, চৌমুহনী লঞ্চঘাট, শশীগঞ্জ সুইসঘাট থেকে প্রতিনিদি চরজহিরুদ্দিন, চরমোজাম্মেল, চর নাসরিন, চরলাদেন, চরফাজানা, নাগর পাটওয়ারীর চর, সিকদারচর ও মনপুরা উপজেলার কলাতলীর চরে প্রতিদিন ছোট ছোট ফিটনেসবিহীন কাঠের নৌকা চলাচল করলেও সেসব দেখার যেন কেউ নেই।
আর এ সুযোগে এধরনের অসাধু নৌযান ব্যবসায়ীরা এরুটে চলাচল করা মানুষের জীবন নিয়ে করছেন হালিখেলা। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবর-নভেম্বর মাস প্রচুর প্রাকৃতিক দূর্যোগপূর্ণ আবহওয়ার মৌসুম হলেও তজুমদ্দিন থেকে মনপুরাসহ সকল নৌরুটে সি-সার্ভেহীন ফিটনেস বিহীন নৌযান চলাচল করলেও তা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা করেনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। প্রশাসনের নিরবতায় বড় ধরনের নৌ দূর্ঘটনার আশংকা করছে সাধারণ যাত্রীরা। এসব অবৈধ নৌযানের মালিকপক্ষ ও ষ্টার্ফরা জোড়পূর্বক তাদের ফিটনেসহীন নৌযানে তুলে নেয় যাত্রীদের। নৌদূর্ঘটনায় এসব যাত্রীদের দায় নেবে কে ?। গতকাল সরজমিনে আলাপকালে জানা যায়, তজুমদ্দিন মনপুরা নৌরুটে চলাচলকারী একমাত্র সরকারি নৌযান সিট্রাকের টিসি মাষ্টার এরশাদ মিজি ও লস্কর মোঃ শাহিন বলেন, যেহেতু মেঘনা নদীটি ডেঞ্জার জোনের আওতায় সেহেতু বিআইডবিøউটিএ-এর সি-সার্ভে রিপোর্ট ব্যতীত কোন নৌযান এরুটে চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু তারপরও একটি পক্ষ জেলা পরিষদ থেকে একটি ডাকের মাধ্যমে ফিটনেসবিহীন ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে জোড়পূর্বক যাত্রী আনা-নেয়া করছে। আমরা চাই প্রশাসন সরকারের নিয়ম মেনে এসব অবৈধ নৌযানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যাত্রী আঃ মতিন কেরানি, মাহাবুব, রুবেলসহ অনেক যাত্রী জানান, মনপুরা- তজুমদ্দিন নৌরুটে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌপথ হওয়ায় প্রয়োজনের তাগিদে নদী পথেই যাতায়াত করতে হয় যাত্রীদের। কিন্তু মনপুরায় একইঘাটে সরকারি সিট্রাক ও ছোট নৌকাটি ঘাট করায় আমরা নৌকায় উঠতে না চাইলেও ষ্টার্ফরা যাত্রীদের জোড়পূর্বক তুলে নেয়। তখন বাধ্য হয়ে যাত্রীরা ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার, ইঞ্জিন নৌকা, ফিটনেসবিহীন ছোট ছোট লঞ্চে মেঘনা নদীর জেঞ্জার জোন পারি দিচ্ছে। সিট্রাকের ইজারাদার মোঃ নুরুদ্দিন মিয়া বলেন, যেহেতু মেঘনা সারাবছরই ডেঞ্জারজোন সেহেতু ফিটনেসহীন এসব ছোট ট্রলার এরুটে চলাচল করার বৈধতা নেই। তবুও প্রতিপক্ষ তার লোকজন জোড়পূর্বক মনপুরা থেকে যাত্রী তুলে নিয়ে যায়।
যে কারণে গত প্রায় এক বছরে আমি প্রায় ৯ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ। এভাবে চলতে থাকলে আমি সিট্রাক বন্ধ করা ছাড়া অন্য কোন পথ থাকবে না। তখন যাত্রীদের দূর্ভোগ আরো বেশি হবে। জেলা প্ররিষদের সাব-ইজারাদার মোঃ বাপ্পি বলেন, আমি জেলা পরিষদের সাব ইজারাদার হিসেবে ট্রলারে যাত্রী পারাপার করছি। তবে জোড়ের কোন বিষয় নেই মানুষ তার ইচ্ছেমত পারাপার হচ্ছে।
তবে তিনি তার সি-সার্ভের রিপোর্ট রয়েছে দাবী করলেও তা প্রমাণ দিতে পারেনি। এব্যাপারে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শুভ দেবনাথ বলেন, যেহেতু বিআইডবিøউটিএ ও জেলা পরিষদ দুটিই সরকারি প্রতিষ্ঠান। সেহেতু বিআইডবিøউটিএ অফিসিয়ালি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে তখন সমন্বয় করে আমরা আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
তজুমদ্দিন থেকে বিভিন্ন রুটে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনা নদীর ডেঞ্জার জোনে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান। প্রতিদিন এসব রুটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিচ্ছেন হাজার মানুষ।
ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারের কারণে নৌ দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন অবৈধ নৌযান বন্ধ করতে পারছে না। যার ফলে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই উত্তাল মেঘনা নদীতে যাত্রীরা পারাপার করছে ছোট ছোট ট্রলার ও লঞ্চে করে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যান্ত আট মাস ভোলার মেঘনার ১৯০ কিলোমিটার এলাকাকে ডেঞ্জার জোন হিসেবে চিহ্নিত করা রয়েছে। সি- সার্ভে ছাড়া সকল ধরনের অনিরাপদ নৌযান চলাচলে নিশেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভোলা জেলার উপক‚লের বিভিন্ন এলাকায় দিয়ে চলছে ফিটনেস ও অনুমোদনবিহীন ছোট ছোট লঞ্চ ও ইঞ্জিন চালিত ট্রলার। দু’একটি রুটে সি-ট্রাক কিংবা সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রাপ্ত লঞ্চ থাকলেও বেশিরভাগ রুটেই ফিটনেসবিহীন লঞ্চ আর ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে যাত্রীদের চলাচল করতে হচ্ছে।
বিশেষ করে তজুমদ্দিন উপজেলার চৌমুহনী লঞ্চঘাট থেকে প্রতিদিন একটি ফিটনেসবিহীন ও সি-সার্ভেন ছাড়া ও ইঞ্জিন চালিত একটি ছোটট্রলার মনপুরার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এছাড়াও দৌলতখান-মির্জাকালু থেকে চর জহিরুদ্দিনে ছোট কাঠের ইঞ্জিন চালিত ও সি-সার্ভের প্রত্যয়ন ছাড়া একাধিক ট্রলারে সাধারণ যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অন্যদিক মহিষখালী মাছঘাট, চৌমুহনী লঞ্চঘাট, শশীগঞ্জ সুইসঘাট থেকে প্রতিনিদি চরজহিরুদ্দিন, চরমোজাম্মেল, চর নাসরিন, চরলাদেন, চরফাজানা, নাগর পাটওয়ারীর চর, সিকদারচর ও মনপুরা উপজেলার কলাতলীর চরে প্রতিদিন ছোট ছোট ফিটনেসবিহীন কাঠের নৌকা চলাচল করলেও সেসব দেখার যেন কেউ নেই।
আর এ সুযোগে এধরনের অসাধু নৌযান ব্যবসায়ীরা এরুটে চলাচল করা মানুষের জীবন নিয়ে করছেন হালিখেলা। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবর-নভেম্বর মাস প্রচুর প্রাকৃতিক দূর্যোগপূর্ণ আবহওয়ার মৌসুম হলেও তজুমদ্দিন থেকে মনপুরাসহ সকল নৌরুটে সি-সার্ভেহীন ফিটনেস বিহীন নৌযান চলাচল করলেও তা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা করেনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। প্রশাসনের নিরবতায় বড় ধরনের নৌ দূর্ঘটনার আশংকা করছে সাধারণ যাত্রীরা। এসব অবৈধ নৌযানের মালিকপক্ষ ও ষ্টার্ফরা জোড়পূর্বক তাদের ফিটনেসহীন নৌযানে তুলে নেয় যাত্রীদের। নৌদূর্ঘটনায় এসব যাত্রীদের দায় নেবে কে ?। গতকাল সরজমিনে আলাপকালে জানা যায়, তজুমদ্দিন মনপুরা নৌরুটে চলাচলকারী একমাত্র সরকারি নৌযান সিট্রাকের টিসি মাষ্টার এরশাদ মিজি ও লস্কর মোঃ শাহিন বলেন, যেহেতু মেঘনা নদীটি ডেঞ্জার জোনের আওতায় সেহেতু বিআইডবিøউটিএ-এর সি-সার্ভে রিপোর্ট ব্যতীত কোন নৌযান এরুটে চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু তারপরও একটি পক্ষ জেলা পরিষদ থেকে একটি ডাকের মাধ্যমে ফিটনেসবিহীন ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে জোড়পূর্বক যাত্রী আনা-নেয়া করছে। আমরা চাই প্রশাসন সরকারের নিয়ম মেনে এসব অবৈধ নৌযানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যাত্রী আঃ মতিন কেরানি, মাহাবুব, রুবেলসহ অনেক যাত্রী জানান, মনপুরা- তজুমদ্দিন নৌরুটে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌপথ হওয়ায় প্রয়োজনের তাগিদে নদী পথেই যাতায়াত করতে হয় যাত্রীদের। কিন্তু মনপুরায় একইঘাটে সরকারি সিট্রাক ও ছোট নৌকাটি ঘাট করায় আমরা নৌকায় উঠতে না চাইলেও ষ্টার্ফরা যাত্রীদের জোড়পূর্বক তুলে নেয়। তখন বাধ্য হয়ে যাত্রীরা ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার, ইঞ্জিন নৌকা, ফিটনেসবিহীন ছোট ছোট লঞ্চে মেঘনা নদীর জেঞ্জার জোন পারি দিচ্ছে। সিট্রাকের ইজারাদার মোঃ নুরুদ্দিন মিয়া বলেন, যেহেতু মেঘনা সারাবছরই ডেঞ্জারজোন সেহেতু ফিটনেসহীন এসব ছোট ট্রলার এরুটে চলাচল করার বৈধতা নেই। তবুও প্রতিপক্ষ তার লোকজন জোড়পূর্বক মনপুরা থেকে যাত্রী তুলে নিয়ে যায়।
যে কারণে গত প্রায় এক বছরে আমি প্রায় ৯ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ। এভাবে চলতে থাকলে আমি সিট্রাক বন্ধ করা ছাড়া অন্য কোন পথ থাকবে না। তখন যাত্রীদের দূর্ভোগ আরো বেশি হবে। জেলা প্ররিষদের সাব-ইজারাদার মোঃ বাপ্পি বলেন, আমি জেলা পরিষদের সাব ইজারাদার হিসেবে ট্রলারে যাত্রী পারাপার করছি। তবে জোড়ের কোন বিষয় নেই মানুষ তার ইচ্ছেমত পারাপার হচ্ছে।
তবে তিনি তার সি-সার্ভের রিপোর্ট রয়েছে দাবী করলেও তা প্রমাণ দিতে পারেনি। এব্যাপারে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শুভ দেবনাথ বলেন, যেহেতু বিআইডবিøউটিএ ও জেলা পরিষদ দুটিই সরকারি প্রতিষ্ঠান। সেহেতু বিআইডবিøউটিএ অফিসিয়ালি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে তখন সমন্বয় করে আমরা আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০১:১৪
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে ১৬ বছর ক্ষমতায় রেখেছে। পতনের পর আবার তারা সেই মাসির দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত আমাদের গোলাম হিসেবে রাখতে চায়। তবে খেয়ে থাকি, আর না খেয়ে থাকি আমরা ভারতের গোলামী করবো না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নবীনগর বাজারে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্যায় ও অবৈধভাবে শেখ হাসিনা ১৫ বছর দেশকে শাসন করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করতো তাদের আয়না ঘরে বন্দি করা হতো। সেখানে চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপির এতে আপত্তি ছিল। তবে নির্বাচনে ঠিকমতো না হওয়ার শঙ্কায় বিএনপি অনিচ্ছা শর্তেও রাজি হয়েছে। নির্বাচনের পর এটি আবার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র সভাপতি মো. মারুফের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে ১৬ বছর ক্ষমতায় রেখেছে। পতনের পর আবার তারা সেই মাসির দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত আমাদের গোলাম হিসেবে রাখতে চায়। তবে খেয়ে থাকি, আর না খেয়ে থাকি আমরা ভারতের গোলামী করবো না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নবীনগর বাজারে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্যায় ও অবৈধভাবে শেখ হাসিনা ১৫ বছর দেশকে শাসন করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করতো তাদের আয়না ঘরে বন্দি করা হতো। সেখানে চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপির এতে আপত্তি ছিল। তবে নির্বাচনে ঠিকমতো না হওয়ার শঙ্কায় বিএনপি অনিচ্ছা শর্তেও রাজি হয়েছে। নির্বাচনের পর এটি আবার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র সভাপতি মো. মারুফের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০১:১২
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দু’জন সম্পর্কে আপন শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওয়ানা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ভোলাগামী যাত্রীবাহী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দু’জন সম্পর্কে আপন শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওয়ানা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ভোলাগামী যাত্রীবাহী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫