উপজেলায় উন্নিত হওয়ার ৩২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ২৪ ঘন্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপ জেলা ভোলার আরেকটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'মনপুরা' উপজেলার দেড় লাখ মানুষ।
দিন-রাত মিলিয়ে মাত্র ৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন এই দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দারা। ওজোপাডিকো'র (ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবুশন কোম্পানী) দুটি জেনারেটরের মাধ্যমে মাত্র ৬০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম। যেখানে কমপক্ষে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।
নদীভাঙ্গন রোধ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও বিদ্যুতের তেমন কোন উন্নয়ন ঘটেনি চারদিকে মেঘনাবেষ্টিত এই উপকূলে। বিদ্যুতের দাবীতে এ উপজেলার বাসিন্দারা দফায় দফায় বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও বড় পরিসরে আন্দোলন করলেও ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার মাঝেও সম্প্রতি বিদ্যুৎ নিয়ে আশার আলো দেখছে মনপুরার দেড় লাখ মানুষ।
ইতোমধ্যে বৈদ্যুতিক অবকাঠামোর পূর্ণ উপযোগিতা নিশ্চিৎ করনের বিষয়ে কারিগরি দিক, সুবিধাদি ও চ্যালেঞ্জসমূহ বিবেচনা করে মনপুরা উপজেলাকে জাতীয় গ্রীডের আওতায় আনতে মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অবশেষে বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সচিব পর্যায়ের একটি টিম মনপুরায় পরিদর্শনে আসেন। এ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজ ও গণমাধমকর্মিদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফজলে রাব্বির সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ'র (পরিকল্পনা) অতিরিক্ত সচিব নূর আহমদ।বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব কে.এম আলী রেজা।
এসময় অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ওজোপাডিকো'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জাকিরুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক (ওজোপাডিকো) প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান, পরিচালক মনিরুজ্জামান, পরিচালক মোঃ আবদুল আজিজ, উপসচিব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী নুর মোহাম্মদ ও সিনিয়র সহকারি সচিব হাসান সাদী।
সভায় বক্তারা বলেন, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে মনপুরার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। আধুনিক সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হবে এই অবহেলিত জনপদ। শিঘ্রই নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডের সাথে সংযুক্ত করে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে মনপুরা উপজেলাকে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিদ্যুৎ বিভাগ'র (পরিকল্পনা) অতিরিক্ত সচিব নুর আহমদ বলেন, মনপুরার মানুষ যেন ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সুবিধা পায় সেই জন্য দুইটি টেকনিক্যাল রুট বিবেচনায় আছে। একটি তজুমুদ্দিন উপজেলা থেকে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে চর কলাতলী হয়ে মনপুরা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা। অপরটি হলো, চরফ্যাসন উপজেলা থেকে নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সরাসরি মনপুরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা। তাছাড়া এখানে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের উপযোগিতা অনিশ্চিৎ। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে মনপুরায় ২৪ ঘন্টা জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ চালু হবে।
এসময় স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান মিলন মাতাব্বর, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী'র আমীর মাওলানা আমীমুল ইহসান জসীম, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন ও প্রেসক্লাব সভাপতি অহিদুর রহমান প্রমূখ।

২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২০
ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশে মজুত করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. মো. সালমান বিন শওকত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উম্মেদ ইউনিয়নের গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার দুইটি গোডাউনে তল্লাশি করে ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
লে. মো. সালমান বিন শওকত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় রবিবার রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক দুইটি গোডাউন তল্লাশি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে মজুতকৃত প্রায় ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট ও গাঁজা সেবন কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৫২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩৪৮ বান্ডেল রোলিং পেপার জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, এর সঙ্গে জড়িতরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়, তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত সিগারেট ও রোলিং পেপারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশে মজুত করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. মো. সালমান বিন শওকত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উম্মেদ ইউনিয়নের গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার দুইটি গোডাউনে তল্লাশি করে ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
লে. মো. সালমান বিন শওকত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় রবিবার রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক দুইটি গোডাউন তল্লাশি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে মজুতকৃত প্রায় ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট ও গাঁজা সেবন কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৫২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩৪৮ বান্ডেল রোলিং পেপার জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, এর সঙ্গে জড়িতরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়, তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত সিগারেট ও রোলিং পেপারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:১২
ভোলার লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার স্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত লালমোহন হেলিপ্যাডের উপরেই এখন ময়লা ফেলা হচ্ছে। পৌর প্রশাসকের নির্দেশেই এই কাজ হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেলিপ্যাডের পুরো এলাকাজুড়ে স্তূপ হয়ে আছে ময়লা। তীব্র দুর্গন্ধে আশপাশের বাসা-বাড়ি ও পথচারীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ময়লার আকর্ষণে প্রতিদিন কয়েক দল কুকুর জড়ো হচ্ছে। গত কয়েকদিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন ৩ জন। আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগীও।
হেলিপ্যাড এলাকার বাসিন্দা মো. শফিউল্যাহ, হাছানোজ্জামান ও রাশেদা বেগম বলেন, যেখানে জরুরি প্রয়োজনে হেলিকপ্টার নামে, সেখানে ময়লা ফেলা কতটা যৌক্তিক? গন্ধে থাকা যায় না। কুকুরের ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়া দায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজু চৌধুরী জানান, "ফজরের নামাজে মসজিদে যেতেও কুকুরের ভয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়।"
তারা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত-মৌখিক অনুরোধ করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও পৌরসভা হেলিপ্যাডের পাশের ব্যস্ত মহাসড়কে ময়লা ফেলছিল। তখন সংবাদ প্রকাশের পর তা বন্ধ হয়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। আমরাও চাই না। কিন্তু পৌরসভার নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশন নেই। বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে এখানে ফেলতে হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ময়লা ফেলার জন্য জমি ক্রয় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব গত মাসে মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল হয়েছে। সরকারি খাসজমি চিহ্নিত করে পুনরায় প্রস্তাব পাঠানোর কাজ চলছে।
প্রথম শ্রেণির লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনের দাবি জানিয়ে আসছে পৌরবাসী। সাবেক প্রশাসক মো. শাহ আজিজ এ বিষয়ে জমি কেনার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলা বন্ধ ও স্তূপকৃত ময়লা অপসারণ এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌরসভার জন্য স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্ধারণ করা জরুরি ।
ভোলার লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার স্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত লালমোহন হেলিপ্যাডের উপরেই এখন ময়লা ফেলা হচ্ছে। পৌর প্রশাসকের নির্দেশেই এই কাজ হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেলিপ্যাডের পুরো এলাকাজুড়ে স্তূপ হয়ে আছে ময়লা। তীব্র দুর্গন্ধে আশপাশের বাসা-বাড়ি ও পথচারীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ময়লার আকর্ষণে প্রতিদিন কয়েক দল কুকুর জড়ো হচ্ছে। গত কয়েকদিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন ৩ জন। আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগীও।
হেলিপ্যাড এলাকার বাসিন্দা মো. শফিউল্যাহ, হাছানোজ্জামান ও রাশেদা বেগম বলেন, যেখানে জরুরি প্রয়োজনে হেলিকপ্টার নামে, সেখানে ময়লা ফেলা কতটা যৌক্তিক? গন্ধে থাকা যায় না। কুকুরের ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়া দায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজু চৌধুরী জানান, "ফজরের নামাজে মসজিদে যেতেও কুকুরের ভয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়।"
তারা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত-মৌখিক অনুরোধ করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও পৌরসভা হেলিপ্যাডের পাশের ব্যস্ত মহাসড়কে ময়লা ফেলছিল। তখন সংবাদ প্রকাশের পর তা বন্ধ হয়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। আমরাও চাই না। কিন্তু পৌরসভার নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশন নেই। বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে এখানে ফেলতে হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ময়লা ফেলার জন্য জমি ক্রয় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব গত মাসে মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল হয়েছে। সরকারি খাসজমি চিহ্নিত করে পুনরায় প্রস্তাব পাঠানোর কাজ চলছে।
প্রথম শ্রেণির লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনের দাবি জানিয়ে আসছে পৌরবাসী। সাবেক প্রশাসক মো. শাহ আজিজ এ বিষয়ে জমি কেনার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলা বন্ধ ও স্তূপকৃত ময়লা অপসারণ এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌরসভার জন্য স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্ধারণ করা জরুরি ।

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪০
ভরা মৌসুমেও ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কয়েক হাজার জেলে। দিনের পর দিন নদীতে জাল ফেলেও কাক্সিক্ষত মাছ না পাওয়ায় অনেক জেলে পরিবারে দেখা দিয়েছে অভাব-অনটন। আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকের দিন কাটছে অর্ধাহার-অনাহারে।
উপজেলার শশীগঞ্জ, চৌমুহনী, গুরিন্দা ও মেঘনা তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাট ঘুরে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার শুরু থেকেই নদীতে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। যে অল্প কিছু মাছ ধরা পড়ছে, তা দিয়ে ট্রলারের জ্বালানি, বরফ ও নৌকার মাল্লাদের খরচই উঠছে না। ফলে ধার-দেনা করে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন উপজেলার অধিকাংশ জেলে পরিবার।
শশীগঞ্জ এলাকার জেলে নাসির উদ্দিন, মজির উদ্দিন, জেবল হকসহ কয়েকজন বলেন, সারাদিন নদীতে থেকেও জালে তেমন ইলিশ উঠছে না। যা পাই, তা বিক্রি করে নৌকার খরচও ওঠে না। পরিবারের খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিয়ে নদীতে নামছি। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় ঋণ শোধ করতে পারছি না। সংসারে অভাব লেগেই আছে। এমতাবস্থায় পেশা পরিবর্তন করা ছাড়া আর কোন পথ দেখছি না।
শশীগঞ্জ মাছঘাটের আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন খোকন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঘাটে ইলিশের আমদানি কম। এতে জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীÑসবাই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রতিদিন আড়তের খরচ পর্যন্ত হচ্ছে না মাছ বেচা-কেনা করে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, নদীর পরিবেশগত পরিবর্তন, স্রোতের তারতম্য ও আবহাওয়ার প্রভাবের কারণে অনেক সময় ইলিশের বিচরণে পরিবর্তন আসে। প্রচুর বর্ষা ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে আগামী দিনগুলোতে মেঘনা নদীতে ইলিশের আহরণ বাড়তে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের দাবি, দুর্দিনে নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলে পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত খাদ্য সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে মেঘনাপাড়ের হাজারো জেলে পরিবারের জীবিকা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।
ভরা মৌসুমেও ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কয়েক হাজার জেলে। দিনের পর দিন নদীতে জাল ফেলেও কাক্সিক্ষত মাছ না পাওয়ায় অনেক জেলে পরিবারে দেখা দিয়েছে অভাব-অনটন। আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকের দিন কাটছে অর্ধাহার-অনাহারে।
উপজেলার শশীগঞ্জ, চৌমুহনী, গুরিন্দা ও মেঘনা তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাট ঘুরে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার শুরু থেকেই নদীতে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। যে অল্প কিছু মাছ ধরা পড়ছে, তা দিয়ে ট্রলারের জ্বালানি, বরফ ও নৌকার মাল্লাদের খরচই উঠছে না। ফলে ধার-দেনা করে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন উপজেলার অধিকাংশ জেলে পরিবার।
শশীগঞ্জ এলাকার জেলে নাসির উদ্দিন, মজির উদ্দিন, জেবল হকসহ কয়েকজন বলেন, সারাদিন নদীতে থেকেও জালে তেমন ইলিশ উঠছে না। যা পাই, তা বিক্রি করে নৌকার খরচও ওঠে না। পরিবারের খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিয়ে নদীতে নামছি। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় ঋণ শোধ করতে পারছি না। সংসারে অভাব লেগেই আছে। এমতাবস্থায় পেশা পরিবর্তন করা ছাড়া আর কোন পথ দেখছি না।
শশীগঞ্জ মাছঘাটের আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন খোকন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঘাটে ইলিশের আমদানি কম। এতে জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীÑসবাই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রতিদিন আড়তের খরচ পর্যন্ত হচ্ছে না মাছ বেচা-কেনা করে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, নদীর পরিবেশগত পরিবর্তন, স্রোতের তারতম্য ও আবহাওয়ার প্রভাবের কারণে অনেক সময় ইলিশের বিচরণে পরিবর্তন আসে। প্রচুর বর্ষা ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে আগামী দিনগুলোতে মেঘনা নদীতে ইলিশের আহরণ বাড়তে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের দাবি, দুর্দিনে নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলে পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত খাদ্য সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে মেঘনাপাড়ের হাজারো জেলে পরিবারের জীবিকা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।

১১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৫৯
উপজেলায় উন্নিত হওয়ার ৩২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ২৪ ঘন্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপ জেলা ভোলার আরেকটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'মনপুরা' উপজেলার দেড় লাখ মানুষ।
দিন-রাত মিলিয়ে মাত্র ৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন এই দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দারা। ওজোপাডিকো'র (ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবুশন কোম্পানী) দুটি জেনারেটরের মাধ্যমে মাত্র ৬০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম। যেখানে কমপক্ষে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।
নদীভাঙ্গন রোধ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও বিদ্যুতের তেমন কোন উন্নয়ন ঘটেনি চারদিকে মেঘনাবেষ্টিত এই উপকূলে। বিদ্যুতের দাবীতে এ উপজেলার বাসিন্দারা দফায় দফায় বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও বড় পরিসরে আন্দোলন করলেও ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার মাঝেও সম্প্রতি বিদ্যুৎ নিয়ে আশার আলো দেখছে মনপুরার দেড় লাখ মানুষ।
ইতোমধ্যে বৈদ্যুতিক অবকাঠামোর পূর্ণ উপযোগিতা নিশ্চিৎ করনের বিষয়ে কারিগরি দিক, সুবিধাদি ও চ্যালেঞ্জসমূহ বিবেচনা করে মনপুরা উপজেলাকে জাতীয় গ্রীডের আওতায় আনতে মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অবশেষে বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সচিব পর্যায়ের একটি টিম মনপুরায় পরিদর্শনে আসেন। এ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজ ও গণমাধমকর্মিদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফজলে রাব্বির সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ'র (পরিকল্পনা) অতিরিক্ত সচিব নূর আহমদ।বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব কে.এম আলী রেজা।
এসময় অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ওজোপাডিকো'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জাকিরুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক (ওজোপাডিকো) প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান, পরিচালক মনিরুজ্জামান, পরিচালক মোঃ আবদুল আজিজ, উপসচিব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী নুর মোহাম্মদ ও সিনিয়র সহকারি সচিব হাসান সাদী।
সভায় বক্তারা বলেন, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে মনপুরার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। আধুনিক সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হবে এই অবহেলিত জনপদ। শিঘ্রই নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডের সাথে সংযুক্ত করে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে মনপুরা উপজেলাকে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিদ্যুৎ বিভাগ'র (পরিকল্পনা) অতিরিক্ত সচিব নুর আহমদ বলেন, মনপুরার মানুষ যেন ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সুবিধা পায় সেই জন্য দুইটি টেকনিক্যাল রুট বিবেচনায় আছে। একটি তজুমুদ্দিন উপজেলা থেকে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে চর কলাতলী হয়ে মনপুরা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা। অপরটি হলো, চরফ্যাসন উপজেলা থেকে নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সরাসরি মনপুরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা। তাছাড়া এখানে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের উপযোগিতা অনিশ্চিৎ। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে মনপুরায় ২৪ ঘন্টা জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ চালু হবে।
এসময় স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান মিলন মাতাব্বর, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী'র আমীর মাওলানা আমীমুল ইহসান জসীম, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন ও প্রেসক্লাব সভাপতি অহিদুর রহমান প্রমূখ।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬