
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৩১
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

২৩ মে, ২০২৬ ২০:০২
পটুয়াখালীর দশমিনায় মোসা. সালমা পারভীন (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) সকালে উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূনী এলাকায় নিজ বাসার শয়নকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সালমা পারভীন মালয়েশিয়া প্রবাসী বশির বেপারীর স্ত্রী এবং দুমকি উপজেলার নুর ইসলাম হাওলাদারের মেয়ে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সকালে তিনি কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জানালা দিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।
পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় মোসা. সালমা পারভীন (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) সকালে উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূনী এলাকায় নিজ বাসার শয়নকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সালমা পারভীন মালয়েশিয়া প্রবাসী বশির বেপারীর স্ত্রী এবং দুমকি উপজেলার নুর ইসলাম হাওলাদারের মেয়ে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সকালে তিনি কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জানালা দিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।
পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৩ মে, ২০২৬ ১৮:৪৬
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ৫০ (পঞ্চাশ) গ্রাম গাঁজাসহ মোঃ শফিকুল ইসলাম (৩৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২২ মে ) রাত ৮টা ১০ মিনিটের সময় মির্জাগঞ্জ থানাধীন কালিকাপুর এলাকার একটি বেড়িবাঁধের ওপর থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত শফিকুল ইসলাম মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কালিকাপুর গ্রামের মোঃ খালেক রাড়ীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মির্জাগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) সুবর্ন চন্দ্র দে, এএসআই মোঃ আরিফ হোসেন এবং এএসআই মোঃ মজনু মিয়া সহ একটি টিম এলাকায় মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করছিলেন।
এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, কালিকাপুর এলাকার রুহুল আমিনের চায়ের দোকানের দক্ষিণ পাশে বেড়িবাঁধের ওপর এক ব্যক্তি মাদকদ্রব্য সহ অবস্থান করছে।
সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পুলিশ টিম রাত ৭টা ৫৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন শফিকুল। পরে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় পুলিশ তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আসামির পরিহিত লুঙ্গির কোঁচড় থেকে খবরের কাগজে মোড়ানো অবস্থায় ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "আসামির বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ৫০ (পঞ্চাশ) গ্রাম গাঁজাসহ মোঃ শফিকুল ইসলাম (৩৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২২ মে ) রাত ৮টা ১০ মিনিটের সময় মির্জাগঞ্জ থানাধীন কালিকাপুর এলাকার একটি বেড়িবাঁধের ওপর থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত শফিকুল ইসলাম মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কালিকাপুর গ্রামের মোঃ খালেক রাড়ীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মির্জাগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) সুবর্ন চন্দ্র দে, এএসআই মোঃ আরিফ হোসেন এবং এএসআই মোঃ মজনু মিয়া সহ একটি টিম এলাকায় মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করছিলেন।
এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, কালিকাপুর এলাকার রুহুল আমিনের চায়ের দোকানের দক্ষিণ পাশে বেড়িবাঁধের ওপর এক ব্যক্তি মাদকদ্রব্য সহ অবস্থান করছে।
সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পুলিশ টিম রাত ৭টা ৫৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন শফিকুল। পরে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় পুলিশ তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আসামির পরিহিত লুঙ্গির কোঁচড় থেকে খবরের কাগজে মোড়ানো অবস্থায় ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "আসামির বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.