
২০ মে, ২০২৬ ২০:৩০
বরগুনার সদর উপজেলায় হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ছয় সদস্য। এ ঘটনায় মূল আসামিসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার গভীর রাতে সদর উপজেলার জাকিরতবক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্র জানায়, একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি জহিরুলকে ধরতে ডিবির একটি দল অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় আসামির স্বজন ও সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ডিবির এক এএসআই ও পাঁচ কনস্টেবল আহত হন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন— এএসআই অনিক এবং কনস্টেবল প্রিন্স, মাহমুদ, অমিত, আব্দুল্লাহ ও সবুজ। পরে তাদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৭ অক্টোবর জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং গুলিবিদ্ধ হন পুলিশ সদস্য লিটন ফরাজী, তার বাবা আব্দুর রশিদ ফরাজী ও ভাই রাব্বি ফরাজী। গুরুতর আহত আব্দুর রশিদ ফরাজী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার দিন পর মারা যান। পরে এ ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়।
সেই মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদে মঙ্গলবার রাতে তাকে ধরতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। হামলার ঘটনার পর সদর থানা ও পুলিশ লাইন থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, “পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূল আসামিসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।”
বরগুনা ডিবির ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেপ্তার হওয়া জহিরুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও ডাকাতির সঙ্গেও জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরগুনার সদর উপজেলায় হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ছয় সদস্য। এ ঘটনায় মূল আসামিসহ মোট পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার গভীর রাতে সদর উপজেলার জাকিরতবক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্র জানায়, একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি জহিরুলকে ধরতে ডিবির একটি দল অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় আসামির স্বজন ও সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ডিবির এক এএসআই ও পাঁচ কনস্টেবল আহত হন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন— এএসআই অনিক এবং কনস্টেবল প্রিন্স, মাহমুদ, অমিত, আব্দুল্লাহ ও সবুজ। পরে তাদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৭ অক্টোবর জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং গুলিবিদ্ধ হন পুলিশ সদস্য লিটন ফরাজী, তার বাবা আব্দুর রশিদ ফরাজী ও ভাই রাব্বি ফরাজী। গুরুতর আহত আব্দুর রশিদ ফরাজী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার দিন পর মারা যান। পরে এ ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়।
সেই মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদে মঙ্গলবার রাতে তাকে ধরতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। হামলার ঘটনার পর সদর থানা ও পুলিশ লাইন থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, “পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূল আসামিসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।”
বরগুনা ডিবির ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেপ্তার হওয়া জহিরুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও ডাকাতির সঙ্গেও জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

২০ মে, ২০২৬ ২০:৪০
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১৭ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ১২ জেলের নাম পাওয়া গেলেও ৫ জনের নাম জানা যায়নি।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যের কোন এক সময় এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। তবে কোন বাহিনী অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
অপহনকৃত জেলেরা হলো, ট্রলার মালিক মো. মাসুম, মো. ইব্রাহিম (৩৮). ইয়াসিন (২৪), মো. হোসেন, তাওহীদ (২২), মো. সেলিম, মো. ইয়াসিন (১৮), মো. জাকির মুন্সি (৫৫), মো. হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪), সুমন (৩০)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর এক জেলের নাম জানা যায়নি। তবে সকল জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত জেলেদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২ থেকে ৩ দিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে (আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে) সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ভেবে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১৭ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
কোস্টগার্ডের মুঠোফোন থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, অপহরণের খবর আমরা জানতে পেরেছি আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১৭ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ১২ জেলের নাম পাওয়া গেলেও ৫ জনের নাম জানা যায়নি।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যের কোন এক সময় এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। তবে কোন বাহিনী অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
অপহনকৃত জেলেরা হলো, ট্রলার মালিক মো. মাসুম, মো. ইব্রাহিম (৩৮). ইয়াসিন (২৪), মো. হোসেন, তাওহীদ (২২), মো. সেলিম, মো. ইয়াসিন (১৮), মো. জাকির মুন্সি (৫৫), মো. হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪), সুমন (৩০)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর এক জেলের নাম জানা যায়নি। তবে সকল জেলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত জেলেদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২ থেকে ৩ দিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি ৩টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে (আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে) সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোতে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ভেবে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১৭ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে বলে আশা করছেন তারা।
কোস্টগার্ডের মুঠোফোন থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস পাল বলেন, অপহরণের খবর আমরা জানতে পেরেছি আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।

১৬ মে, ২০২৬ ১৪:৫৫
বরগুনার বেতাগীতে একটি বসতঘরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতের গুলিতে ওই বাড়ির মালিক মো. রিমন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। তবে এ ঘটনার পরপরই জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশীদ হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে বেতাগী উপজেলার কিসমত করুনা নামক এলাকার বেইলি ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে বেতাগীর বাসিন্দা রিমনের বাড়িতে হানা দেয় ডাকাত দেলের সদস্যরা। এ সময় ঘরের দরজার নিচ থেকে গুলি করলে বাড়ির মালিক রিমনের পায়ে গুলি লাগে।
পরে চার থেকে পাঁচজন ডাকাত সদস্য ঘরে প্রবেশ করে রিমনের মায়ের গলায় থাকা একটি স্বর্ণালংকার নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দিয়ে রিমনকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
বেতগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশীদ হাওলাদার বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার পরপরই জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
বরগুনার বেতাগীতে একটি বসতঘরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতের গুলিতে ওই বাড়ির মালিক মো. রিমন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। তবে এ ঘটনার পরপরই জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশীদ হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে বেতাগী উপজেলার কিসমত করুনা নামক এলাকার বেইলি ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে বেতাগীর বাসিন্দা রিমনের বাড়িতে হানা দেয় ডাকাত দেলের সদস্যরা। এ সময় ঘরের দরজার নিচ থেকে গুলি করলে বাড়ির মালিক রিমনের পায়ে গুলি লাগে।
পরে চার থেকে পাঁচজন ডাকাত সদস্য ঘরে প্রবেশ করে রিমনের মায়ের গলায় থাকা একটি স্বর্ণালংকার নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দিয়ে রিমনকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
বেতগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশীদ হাওলাদার বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার পরপরই জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

১৪ মে, ২০২৬ ১৭:২৮
এলাকার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, প্রশাসনের আন্তরিকতা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বুধবার (১৪ মে) বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হলরুমে নির্বাচনীয় ইশতেহার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
চিফ হুইপের ভাষ্য, ‘বরগুনাসহ বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় অঞ্চলের জেলাগুলো প্রতিনিয়ত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। এতে সাধারণ মানুষকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। এসব দুর্যোগ মোকাবিলা ও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে উপকূলীয় জেলাগুলোকে নিয়ে পৃথক ‘উপকূলীয় মন্ত্রণালয়’ গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।’
তিনি জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বরগুনায় ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা, উপকূলীয় বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সুন্দরবন থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত পরিকল্পিত পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা এবং গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ। এ ছাড়া মাছ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা তৈরি, জাহাজভাঙা শিল্প গড়ে তুলতে তালতলী ও পাথরঘাটা এলাকায় জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, মৎস্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র এবং আধুনিক আবহাওয়া অফিস স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করা জেলেদের সঙ্গে উপকূলের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান চিফ হুইপ। মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, বরগুনাকে মাদকমুক্ত করতে সর্বোচ্চ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। নতুন প্রজন্ম যাতে মাদকে আসক্ত না হয়, সে জন্য বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে।
এলাকার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, প্রশাসনের আন্তরিকতা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বুধবার (১৪ মে) বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হলরুমে নির্বাচনীয় ইশতেহার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
চিফ হুইপের ভাষ্য, ‘বরগুনাসহ বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় অঞ্চলের জেলাগুলো প্রতিনিয়ত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। এতে সাধারণ মানুষকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। এসব দুর্যোগ মোকাবিলা ও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে উপকূলীয় জেলাগুলোকে নিয়ে পৃথক ‘উপকূলীয় মন্ত্রণালয়’ গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।’
তিনি জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বরগুনায় ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা, উপকূলীয় বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সুন্দরবন থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত পরিকল্পিত পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা এবং গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ। এ ছাড়া মাছ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা তৈরি, জাহাজভাঙা শিল্প গড়ে তুলতে তালতলী ও পাথরঘাটা এলাকায় জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, মৎস্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র এবং আধুনিক আবহাওয়া অফিস স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করা জেলেদের সঙ্গে উপকূলের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান চিফ হুইপ। মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, বরগুনাকে মাদকমুক্ত করতে সর্বোচ্চ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। নতুন প্রজন্ম যাতে মাদকে আসক্ত না হয়, সে জন্য বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.