নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও কৌশলগত কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত ও দলের নির্দেশনার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। নিজের নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা বজায় রেখে জোটের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন।
এর আগে, উপজেলা সদরে অনুষ্ঠিত ১০ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে হান্নান মাসউদকে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাস্টার বোরহানুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন জামায়াত মনোনীত হাতিয়া পৌরসভা মেয়র প্রার্থী শাব্বির আহমেদ তাফসীর।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন হাতিয়া উপজেলা খেলাফত আন্দোলনের সদস্য সচিব মুফতি ইছমাইল হোসাইন, খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মাওলানা ইউনুছ সাঈফী, এনসিপির উপজেলা আহ্বায়ক শামছল তিব্রীজ, এলডিপির প্রার্থী আবুল হোসেন বাবুল, জামায়াত প্রার্থী মাহফুজ ও ১০ দলীয় জোট প্রার্থী হান্নান মাসউদ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, অতীতে ভোটাধিকার হরণের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি এখনও নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে সক্রিয়। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন যেন এই ধরনের ব্যক্তিরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব না পান।
এলডিপির আবুল হোসেন বাবুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ ছিল না। নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভোট উৎসবমুখর হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যা নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি এলডিপির পক্ষ থেকে হান্নান মাসউদকে পূর্ণ সমর্থন দেন।
শাহ মাহফুজুল হক বলেন, গত ১৭ বছরে মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার হরণ করে বিরোধী কণ্ঠ রোধ করা হয়েছে। এখন ১০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাঠে নামেছে।
১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হান্নান মাসউদ বলেন, জোট ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করছে। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একত্রিত হয়ে শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও আধুনিক হাতিয়া গড়ার আহ্বান জানান। এ ছাড়া, অতীতে অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত না থাকা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের জন্য স্বাগত জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা শাহ মিজানুল হক, জাতীয় যুবশক্তির উপজেলা আহ্বায়ক ইউসুফ রেজা, ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক নেয়ামত উল্লাহ নিরবসহ ১০ দলীয় জোটের বিভিন্ন শরিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২২
রাজধানীর উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসা থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বরগুনা-২ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ওই বাসায় কী কারণে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তাদের পরিচয় ও তারা ছাত্রলীগের কোন পর্যায়ের নেতাকর্মী তা তাৎক্ষণিকভাবে বলেনি পুলিশ।
ওই সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা রিমন বাসায় ছিলেন না।
রিমন ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
গেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরার ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়। এসময় সেখানে অবস্থানরত ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।
রাজধানীর উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসা থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বরগুনা-২ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ওই বাসায় কী কারণে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তাদের পরিচয় ও তারা ছাত্রলীগের কোন পর্যায়ের নেতাকর্মী তা তাৎক্ষণিকভাবে বলেনি পুলিশ।
ওই সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা রিমন বাসায় ছিলেন না।
রিমন ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
গেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরার ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়। এসময় সেখানে অবস্থানরত ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
‘২ কোটি টাকার কমে নড়ব না’, ‘সব সই করে দেব’—আর্থিক লেনদেন নিয়ে এমন বিস্ফোরক কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভিডিওটি গণমাধ্যমে প্রচারের পর লক্ষ্মীপুরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পিডিবির তদন্ত ও শৃঙ্খলা পরিদপ্তরের এক দপ্তরাদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির কয়েকটি অংশে মো. নুরুল আমিনকে বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি দুই কোটি টাকা থেকে নড়ব না। দুই কোটি টাকার কমে নড়ব না। চেয়ারম্যানের কাছে যেতে হলে যাব। দেখি চেয়ারম্যান কী কয়।”
কথোপকথনের আরেক অংশে একটি বিলের বিপরীতে দুই কোটি টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। এ সময় তিন লাখ টাকার কাজের বিপরীতে ৩০ লাখ টাকার মালামাল লাগার কথা উল্লেখ করে পাঁচ কোটি টাকার মালামাল আত্মসাতের হিসাবের কথাও বলতে শোনা যায় তাঁকে। ওই অর্থ থেকে দুই কোটি টাকা দেওয়ার বিনিময়ে সবকিছুতে সই করে দেওয়ার কথাও উঠে আসে ভিডিওতে।
ভিডিওর এসব বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট কাজের হিসাব, বিল অনুমোদন এবং কথিত আর্থিক লেনদেন নিয়ে। তবে ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা ও পূর্ণ প্রেক্ষাপট এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওর আরেকটি অংশে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ টাকা গ্রহণের দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে টাকার পরিমাণ নিয়ে কথোপকথনও শোনা যায়।
একপর্যায়ে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে ৩৫ স্যার।’ জবাবে নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলতে শোনা যায়, ‘এক লাখ ৩৫।’ পরে ওই ব্যক্তি আগে এক লাখ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
তবে ভিডিওতে যাঁদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করতে দেখা গেছে, তাঁদের মুখ স্পষ্ট নয়। তাঁদের পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পিডিবির দপ্তরাদেশে বলা হয়েছে, আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত কথোপকথনের ভিডিও গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালা, ১৯৮২-এর ১৪১(১) বিধি অনুযায়ী মো. নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই বিধি অনুসারে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভিডিওটির বিষয়ে জানার পরপরই তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চেয়ারম্যান বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার পর তাঁর চাকরির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “প্রতিষ্ঠানের ভেতরে থাকা কোনো অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিডিবি পিছপা হবে না।”
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর এখন মূল প্রশ্ন—কথোপকথনে উঠে আসা কোটি টাকার হিসাবের সঙ্গে বাস্তব কোনো অনিয়মের যোগসূত্র রয়েছে কি না, কথিত লেনদেনের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং সংশ্লিষ্ট কাজের বিল ও মালামালের হিসাব কতটা সঠিক।
এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে তদন্তের মাধ্যমে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।'
‘২ কোটি টাকার কমে নড়ব না’, ‘সব সই করে দেব’—আর্থিক লেনদেন নিয়ে এমন বিস্ফোরক কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভিডিওটি গণমাধ্যমে প্রচারের পর লক্ষ্মীপুরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পিডিবির তদন্ত ও শৃঙ্খলা পরিদপ্তরের এক দপ্তরাদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির কয়েকটি অংশে মো. নুরুল আমিনকে বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি দুই কোটি টাকা থেকে নড়ব না। দুই কোটি টাকার কমে নড়ব না। চেয়ারম্যানের কাছে যেতে হলে যাব। দেখি চেয়ারম্যান কী কয়।”
কথোপকথনের আরেক অংশে একটি বিলের বিপরীতে দুই কোটি টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। এ সময় তিন লাখ টাকার কাজের বিপরীতে ৩০ লাখ টাকার মালামাল লাগার কথা উল্লেখ করে পাঁচ কোটি টাকার মালামাল আত্মসাতের হিসাবের কথাও বলতে শোনা যায় তাঁকে। ওই অর্থ থেকে দুই কোটি টাকা দেওয়ার বিনিময়ে সবকিছুতে সই করে দেওয়ার কথাও উঠে আসে ভিডিওতে।
ভিডিওর এসব বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট কাজের হিসাব, বিল অনুমোদন এবং কথিত আর্থিক লেনদেন নিয়ে। তবে ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা ও পূর্ণ প্রেক্ষাপট এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওর আরেকটি অংশে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ টাকা গ্রহণের দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে টাকার পরিমাণ নিয়ে কথোপকথনও শোনা যায়।
একপর্যায়ে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে ৩৫ স্যার।’ জবাবে নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলতে শোনা যায়, ‘এক লাখ ৩৫।’ পরে ওই ব্যক্তি আগে এক লাখ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
তবে ভিডিওতে যাঁদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করতে দেখা গেছে, তাঁদের মুখ স্পষ্ট নয়। তাঁদের পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পিডিবির দপ্তরাদেশে বলা হয়েছে, আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত কথোপকথনের ভিডিও গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালা, ১৯৮২-এর ১৪১(১) বিধি অনুযায়ী মো. নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই বিধি অনুসারে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভিডিওটির বিষয়ে জানার পরপরই তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চেয়ারম্যান বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার পর তাঁর চাকরির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “প্রতিষ্ঠানের ভেতরে থাকা কোনো অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিডিবি পিছপা হবে না।”
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর এখন মূল প্রশ্ন—কথোপকথনে উঠে আসা কোটি টাকার হিসাবের সঙ্গে বাস্তব কোনো অনিয়মের যোগসূত্র রয়েছে কি না, কথিত লেনদেনের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং সংশ্লিষ্ট কাজের বিল ও মালামালের হিসাব কতটা সঠিক।
এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে তদন্তের মাধ্যমে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।'

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩০
গাজীপুরে আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে বিস্ফোরক মামলার আসামি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে অবহেলা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান। তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিটিএসবির উপকমিশনার মহিউল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার আদালতে হাজিরা শেষে ৩০ আসামিকে নিয়ে কাশিমপুর কারাগারে ফিরছিল প্রিজন ভ্যানটি। বিকেলে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে রাজা টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে চিৎকার শুরু করেন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে টয়লেটে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর পুলিশ সদস্যরা তাকে আটকের চেষ্টা করলেও ল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকার ময়লার ভাগাড়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাজা বিস্ফোরক আইনের মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ বন্দি ছিলেন।
জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, তদন্তে দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
গাজীপুরে আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে বিস্ফোরক মামলার আসামি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে অবহেলা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান। তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিটিএসবির উপকমিশনার মহিউল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার আদালতে হাজিরা শেষে ৩০ আসামিকে নিয়ে কাশিমপুর কারাগারে ফিরছিল প্রিজন ভ্যানটি। বিকেলে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে রাজা টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে চিৎকার শুরু করেন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে টয়লেটে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর পুলিশ সদস্যরা তাকে আটকের চেষ্টা করলেও ল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকার ময়লার ভাগাড়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাজা বিস্ফোরক আইনের মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ বন্দি ছিলেন।
জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, তদন্তে দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।

২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:০৭
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও কৌশলগত কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত ও দলের নির্দেশনার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। নিজের নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা বজায় রেখে জোটের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন।
এর আগে, উপজেলা সদরে অনুষ্ঠিত ১০ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে হান্নান মাসউদকে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাস্টার বোরহানুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন জামায়াত মনোনীত হাতিয়া পৌরসভা মেয়র প্রার্থী শাব্বির আহমেদ তাফসীর।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন হাতিয়া উপজেলা খেলাফত আন্দোলনের সদস্য সচিব মুফতি ইছমাইল হোসাইন, খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মাওলানা ইউনুছ সাঈফী, এনসিপির উপজেলা আহ্বায়ক শামছল তিব্রীজ, এলডিপির প্রার্থী আবুল হোসেন বাবুল, জামায়াত প্রার্থী মাহফুজ ও ১০ দলীয় জোট প্রার্থী হান্নান মাসউদ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, অতীতে ভোটাধিকার হরণের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি এখনও নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে সক্রিয়। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন যেন এই ধরনের ব্যক্তিরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব না পান।
এলডিপির আবুল হোসেন বাবুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ ছিল না। নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভোট উৎসবমুখর হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যা নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি এলডিপির পক্ষ থেকে হান্নান মাসউদকে পূর্ণ সমর্থন দেন।
শাহ মাহফুজুল হক বলেন, গত ১৭ বছরে মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার হরণ করে বিরোধী কণ্ঠ রোধ করা হয়েছে। এখন ১০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাঠে নামেছে।
১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হান্নান মাসউদ বলেন, জোট ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করছে। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একত্রিত হয়ে শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও আধুনিক হাতিয়া গড়ার আহ্বান জানান। এ ছাড়া, অতীতে অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত না থাকা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের জন্য স্বাগত জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা শাহ মিজানুল হক, জাতীয় যুবশক্তির উপজেলা আহ্বায়ক ইউসুফ রেজা, ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক নেয়ামত উল্লাহ নিরবসহ ১০ দলীয় জোটের বিভিন্ন শরিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৫২