বরিশালের বাকেরগঞ্জে নলুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাদক মামলায় আজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কালামকে গ্রেফতার করেছে বরিশার র্যাব-৮ এর সদস্যরা। দীর্ঘ ১৮ বছর পলাতক থাকার পর আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নলুয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, দুই বারের নির্বাচিত নলুয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কালাম মাদক ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকায় বসবাসরত অবস্থায় ২০০৮ সালে সবুজবাগ এলাকায় বিপুল পরিমান মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
এরপর মাদক মামলায় দীর্ঘদিন আদালতে হাজির না হয়ে ইউপি সদস্য বাদল পালাতক থাকেন। ওই মামলায় আদালত রায় ঘোষণা করলে বাদলের যাবজ্জীবন সাজা হয়। আদালত কর্তৃক আজীবন সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এরপর বাকেরগঞ্জের নলুয়া নিজ এলাকায় নাম পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩০
জাতীয় পার্টি বরিশালের নেতা মহশিন উল ইসলাম হাবুলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনের আগমুহূর্তে তাকে সদর রোড থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কায় মহশিন উল ইসলাম হাবুলকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হল।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মহশিন উল ইসলাম হাবুল তাদের হেফাজতে আছেন। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনার আলোকে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে নিয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে, জানান ওসি।’
জাতীয় পার্টি বরিশালের নেতা মহশিন উল ইসলাম হাবুলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনের আগমুহূর্তে তাকে সদর রোড থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কায় মহশিন উল ইসলাম হাবুলকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হল।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মহশিন উল ইসলাম হাবুল তাদের হেফাজতে আছেন। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনার আলোকে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে নিয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে, জানান ওসি।’

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:১৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অবৈধভাবে আটক এবং তিন বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক রাজমিস্ত্রি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক সৈয়দ আবিদুল হক এ আদেশ দেন। মামলার বাদী বানারীপাড়া উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের ফকিরবাড়ির বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি জালিছ মাহমুদ।
মামলায় বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদকে সুনির্দিষ্ট আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জালিছ মাহমুদ তাঁর স্ত্রী পপি আক্তারকে তালাক দেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সিআর ৪২৩/২০২৫ নম্বরে মামলা করেন পপি। ওই মামলায় বকেয়া খোরপোষ ও দেনমোহরসহ সব টাকা পরিশোধের পর বিচার শেষে খালাস পান জালিছ।
জালিছ ও পপি আক্তারের দাম্পত্য জীবনে হুমায়রা জান্নাত নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। শিশুটির বয়স প্রায় তিন বছর। তালাকের পর পপি অন্যত্র বিয়ে করলে শিশুটি দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে ওসির নির্দেশে এসআই জাহিদ চার-পাঁচজন পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্যকে নিয়ে জালিছকে আটক করতে যান। এ সময় বাড়ির সামনের রাস্তায় তাঁকে পেয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। অন্য পুলিশ সদস্যরা তাঁকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, সাবেক স্ত্রীর দায়ের করা মামলার কথা বলে জালিছকে জোরপূর্বক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে থানায় দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাঁর অনুমতি ছাড়াই ওসির নির্দেশে কন্যাসন্তানকে সাবেক স্ত্রী পপির জিম্মায় দেওয়া হয়।
থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর জালিছ বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পরে তিনি আদালতে মামলা করেন। মামলায় আইনগত অধিকার লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বাদী।
তবে মামলায় আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, শিশুটির বয়স দুই বছর আট মাস এবং সে খুব অসুস্থ। মাতৃস্নেহে ও চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুটির সুস্থ হওয়া প্রয়োজন। এ কারণে তাকে চিকিৎসা করিয়ে মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের বানারীপাড়ায় মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অবৈধভাবে আটক এবং তিন বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক রাজমিস্ত্রি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক সৈয়দ আবিদুল হক এ আদেশ দেন। মামলার বাদী বানারীপাড়া উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের ফকিরবাড়ির বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি জালিছ মাহমুদ।
মামলায় বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদকে সুনির্দিষ্ট আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জালিছ মাহমুদ তাঁর স্ত্রী পপি আক্তারকে তালাক দেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সিআর ৪২৩/২০২৫ নম্বরে মামলা করেন পপি। ওই মামলায় বকেয়া খোরপোষ ও দেনমোহরসহ সব টাকা পরিশোধের পর বিচার শেষে খালাস পান জালিছ।
জালিছ ও পপি আক্তারের দাম্পত্য জীবনে হুমায়রা জান্নাত নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। শিশুটির বয়স প্রায় তিন বছর। তালাকের পর পপি অন্যত্র বিয়ে করলে শিশুটি দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে ওসির নির্দেশে এসআই জাহিদ চার-পাঁচজন পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্যকে নিয়ে জালিছকে আটক করতে যান। এ সময় বাড়ির সামনের রাস্তায় তাঁকে পেয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। অন্য পুলিশ সদস্যরা তাঁকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, সাবেক স্ত্রীর দায়ের করা মামলার কথা বলে জালিছকে জোরপূর্বক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে থানায় দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাঁর অনুমতি ছাড়াই ওসির নির্দেশে কন্যাসন্তানকে সাবেক স্ত্রী পপির জিম্মায় দেওয়া হয়।
থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর জালিছ বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পরে তিনি আদালতে মামলা করেন। মামলায় আইনগত অধিকার লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বাদী।
তবে মামলায় আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, শিশুটির বয়স দুই বছর আট মাস এবং সে খুব অসুস্থ। মাতৃস্নেহে ও চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুটির সুস্থ হওয়া প্রয়োজন। এ কারণে তাকে চিকিৎসা করিয়ে মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:১৭
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মো. মনিরুজ্জামান মিয়া (৪৫) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হাওরে নৌকায় থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত মনিরুজ্জামান মিয়া বরিশালের গৌরনদী পৌরসভা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য। তিনি গৌরনদী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোতালেব হোসেন মিয়ার ছেলে।
মনিরুজ্জামানের সফরসঙ্গী আগৈলঝাড়া উপজেলার বাসিন্দা জামাল সিকদার জানান, গত ১২ অক্টোবর গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার প্রায় ৩০ জনের একটি দল সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যান। ওই দলের সদস্য ছিলেন মনিরুজ্জামান।
জামাল সিকদার বলেন, বুধবার সকালে হাওরে নৌকার মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন মনিরুজ্জামান। পরে তাঁকে দ্রুত তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মনিরুজ্জামানের পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর মরদেহ নিয়ে সফরসঙ্গীরা গৌরনদীর উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন।’
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মো. মনিরুজ্জামান মিয়া (৪৫) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হাওরে নৌকায় থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত মনিরুজ্জামান মিয়া বরিশালের গৌরনদী পৌরসভা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য। তিনি গৌরনদী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোতালেব হোসেন মিয়ার ছেলে।
মনিরুজ্জামানের সফরসঙ্গী আগৈলঝাড়া উপজেলার বাসিন্দা জামাল সিকদার জানান, গত ১২ অক্টোবর গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার প্রায় ৩০ জনের একটি দল সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যান। ওই দলের সদস্য ছিলেন মনিরুজ্জামান।
জামাল সিকদার বলেন, বুধবার সকালে হাওরে নৌকার মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন মনিরুজ্জামান। পরে তাঁকে দ্রুত তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মনিরুজ্জামানের পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর মরদেহ নিয়ে সফরসঙ্গীরা গৌরনদীর উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন।’

০৬ মে, ২০২৬ ১৮:১৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে নলুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাদক মামলায় আজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কালামকে গ্রেফতার করেছে বরিশার র্যাব-৮ এর সদস্যরা। দীর্ঘ ১৮ বছর পলাতক থাকার পর আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নলুয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, দুই বারের নির্বাচিত নলুয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কালাম মাদক ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকায় বসবাসরত অবস্থায় ২০০৮ সালে সবুজবাগ এলাকায় বিপুল পরিমান মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
এরপর মাদক মামলায় দীর্ঘদিন আদালতে হাজির না হয়ে ইউপি সদস্য বাদল পালাতক থাকেন। ওই মামলায় আদালত রায় ঘোষণা করলে বাদলের যাবজ্জীবন সাজা হয়। আদালত কর্তৃক আজীবন সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এরপর বাকেরগঞ্জের নলুয়া নিজ এলাকায় নাম পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩৪
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩১
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৫
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩