Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১২
শনিবার মধ্যরাত থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের ওপর দীর্ঘ দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে।
ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। এসময় মাছ আহরণের পাশাপাশি পরিবহন, বাজারজাত ও ক্রয়-বিক্রয়ের ওপরও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী থেকে তীরে ফিরেছেন জেলেরা। দীর্ঘ দুই মাসের এই নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ভোলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে দ্রুত চাল বিতরণের পাশাপাশি দুই মাসের জন্য এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও মেঘনা নদীর জেলে মো. আকবর মাঝি ও মো. মহিউদ্দিন মাঝি জানান, ১ মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। তাই আগেভাগেই নদী থেকে ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে এসেছেন। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে দুই মাস পর আবার নদীতে গিয়ে মাছ ধরবেন।
একই এলাকার রুহুল আমিন মাঝি, শাকিল মাঝি ও মো. মনির মাঝি জানান, সরকার প্রতি বছরই ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নদীতে অভিযান চালায়। কিন্তু জেলেদের এনজিওর কিস্তি থাকে, যা বন্ধ হয় না। ফলে অনেক জেলে কিস্তির চাপে গোপনে নদীতে গিয়ে মাছ ধরেন।
তারা জানান, সরকার যদি এ বছর দুই মাসের অভিযান শতভাগ সফল করতে চায়, তাহলে এই সময়ের জন্য এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে হবে। তাহলে জেলেরা নদীতে যাবে না এবং কেউ মাছ ধরবে না— তবেই অভিযানের সফলতা আসবে।
একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলার খাল এলাকার জেলে মো. জাকির হোসেন মাঝি ও মো. নোমান মাঝি জানান, সরকার জাটকা সংরক্ষণের জন্য চাল দেয়, কিন্তু প্রতি বছর অভিযানের শেষের দিকে তা বিতরণ করা হয়। এবার রোজা ও সামনে ঈদ থাকায় তারা আগেভাগে চাল বিতরণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি চালের সঙ্গে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ারও দাবি জানান তারা।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, ইলিশের অভয়াশ্রমের জন্য আলাদাভাবে চাল দেওয়া হয় না; তবে জাটকা সংরক্ষণের জন্য প্রতি জেলের নামে চার মাসে মোট ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। এ বছরও ভোলার নিবন্ধিত ১ লাখ ৬৮ হাজার জেলের মধ্যে প্রায় ৯০ হাজার জেলেকে চাল দেওয়া হবে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই তা বিতরণের চেষ্টা করা হবে।
প্রথমবারের মতো এ বছর ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভোলার সাত উপজেলার ১৩ হাজার ৬০০ জেলের মাঝে আটা, ডাল, তেল, আলু, চিনি ও লবণ বিতরণ করা হবে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জাটকা সংরক্ষণের চাল জেলেদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
শনিবার মধ্যরাত থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের ওপর দীর্ঘ দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে।
ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। এসময় মাছ আহরণের পাশাপাশি পরিবহন, বাজারজাত ও ক্রয়-বিক্রয়ের ওপরও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী থেকে তীরে ফিরেছেন জেলেরা। দীর্ঘ দুই মাসের এই নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ভোলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে দ্রুত চাল বিতরণের পাশাপাশি দুই মাসের জন্য এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও মেঘনা নদীর জেলে মো. আকবর মাঝি ও মো. মহিউদ্দিন মাঝি জানান, ১ মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। তাই আগেভাগেই নদী থেকে ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে এসেছেন। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে দুই মাস পর আবার নদীতে গিয়ে মাছ ধরবেন।
একই এলাকার রুহুল আমিন মাঝি, শাকিল মাঝি ও মো. মনির মাঝি জানান, সরকার প্রতি বছরই ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নদীতে অভিযান চালায়। কিন্তু জেলেদের এনজিওর কিস্তি থাকে, যা বন্ধ হয় না। ফলে অনেক জেলে কিস্তির চাপে গোপনে নদীতে গিয়ে মাছ ধরেন।
তারা জানান, সরকার যদি এ বছর দুই মাসের অভিযান শতভাগ সফল করতে চায়, তাহলে এই সময়ের জন্য এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে হবে। তাহলে জেলেরা নদীতে যাবে না এবং কেউ মাছ ধরবে না— তবেই অভিযানের সফলতা আসবে।
একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলার খাল এলাকার জেলে মো. জাকির হোসেন মাঝি ও মো. নোমান মাঝি জানান, সরকার জাটকা সংরক্ষণের জন্য চাল দেয়, কিন্তু প্রতি বছর অভিযানের শেষের দিকে তা বিতরণ করা হয়। এবার রোজা ও সামনে ঈদ থাকায় তারা আগেভাগে চাল বিতরণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি চালের সঙ্গে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ারও দাবি জানান তারা।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, ইলিশের অভয়াশ্রমের জন্য আলাদাভাবে চাল দেওয়া হয় না; তবে জাটকা সংরক্ষণের জন্য প্রতি জেলের নামে চার মাসে মোট ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। এ বছরও ভোলার নিবন্ধিত ১ লাখ ৬৮ হাজার জেলের মধ্যে প্রায় ৯০ হাজার জেলেকে চাল দেওয়া হবে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই তা বিতরণের চেষ্টা করা হবে।
প্রথমবারের মতো এ বছর ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভোলার সাত উপজেলার ১৩ হাজার ৬০০ জেলের মাঝে আটা, ডাল, তেল, আলু, চিনি ও লবণ বিতরণ করা হবে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জাটকা সংরক্ষণের চাল জেলেদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৯
ভোলার বোরহানউদ্দিনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ব্যবসায়ীসহ তার পরিবারের সাত সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহতের পর বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনাটি জানাজনির পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ হামলার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন—হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন মুন্সি (৪৬), তার মা মাজেদা বেগম (৭৫), স্ত্রী সাথী বেগম (৩৫), ভাই আমানুল্লাহ মুন্সি (৫৫), ভাতিজা মাসুম প্রিন্স (২৬), মো. আবির (২৩) ও আশিক হাওলাদার।
আহতদের মধ্যে বিল্লাল, সাথী ও প্রিন্সকে নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন স্বজনরা। এ ছাড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবির আশিক নামে দুজন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্যবসায়ী বিল্লাল ও তার বড় ভাই দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সির বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে একদল অস্ত্রধারী হামলা করে। তারা বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে আমানুল্লাহর বসতঘরের বাইরের ছিটকিনি লাগিয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ী বিল্লালের বসতঘরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় বিল্লাল ও তার ঘরে থাকা লোকজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে অস্ত্রধারীরা। এরপর তাদের ডাক-চিৎকারে আমানুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন পেছনের দরজা থেকে বেরিয়ে তাদেরকে প্রতিহতের চেষ্টা করলে তাদের ওপরও হামলা চালায়। একপর্যায়ে বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় দৃর্বৃত্তরা।
তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, এরপর তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করার। সেখান থেকে ব্যবসায়ী বিল্লাল, তার স্ত্রী সাথী ও ভাতিজা প্রিন্সকে ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। এর আগেও ব্যবসায়ী বিল্লালের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও দুই দফায় তার ভাইয়ের গরু চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় হামলার শিকার ব্যবসায়ী বিল্লালের বড় ভাই আকবর মুন্সি অভিযোগ করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত বলেই মনে করি। সম্প্রতি আমার ছোট ভাই বিল্লালের স্থানীয় মজমবাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা, এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। হামলাকারীরা আমার ভাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশেই ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে এবং অন্যদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। অন্য ঘরে থাকা আমার বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পাওয়ার পর ঘর থেকে বের হওয়ায় তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধরের পর সন্ত্রাসীরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে।
হামলায় নারী পুরুষসহ সাতজনকে আহত করা হয়েছে। তিনজনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমরা বিচার চাই। আমাদের লোকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা শুধু আমার মায়ের কানের একজোড়া সোনার দুল নিতে পেরেছে।
দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপরেও হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে, কাউকে চিহ্নিত করতে পারিনি। তারা ৫-৬ জনের একটা দল ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশাল টাইমসকে বলেন, ঘটনাটি শোনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি, তদন্ত চলছে। তবে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি।
বরিশাল টাইমস
ভোলার বোরহানউদ্দিনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ব্যবসায়ীসহ তার পরিবারের সাত সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহতের পর বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনাটি জানাজনির পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ হামলার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন—হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন মুন্সি (৪৬), তার মা মাজেদা বেগম (৭৫), স্ত্রী সাথী বেগম (৩৫), ভাই আমানুল্লাহ মুন্সি (৫৫), ভাতিজা মাসুম প্রিন্স (২৬), মো. আবির (২৩) ও আশিক হাওলাদার।
আহতদের মধ্যে বিল্লাল, সাথী ও প্রিন্সকে নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন স্বজনরা। এ ছাড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবির আশিক নামে দুজন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্যবসায়ী বিল্লাল ও তার বড় ভাই দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সির বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে একদল অস্ত্রধারী হামলা করে। তারা বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে আমানুল্লাহর বসতঘরের বাইরের ছিটকিনি লাগিয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ী বিল্লালের বসতঘরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় বিল্লাল ও তার ঘরে থাকা লোকজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে অস্ত্রধারীরা। এরপর তাদের ডাক-চিৎকারে আমানুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন পেছনের দরজা থেকে বেরিয়ে তাদেরকে প্রতিহতের চেষ্টা করলে তাদের ওপরও হামলা চালায়। একপর্যায়ে বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় দৃর্বৃত্তরা।
তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, এরপর তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করার। সেখান থেকে ব্যবসায়ী বিল্লাল, তার স্ত্রী সাথী ও ভাতিজা প্রিন্সকে ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। এর আগেও ব্যবসায়ী বিল্লালের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও দুই দফায় তার ভাইয়ের গরু চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় হামলার শিকার ব্যবসায়ী বিল্লালের বড় ভাই আকবর মুন্সি অভিযোগ করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত বলেই মনে করি। সম্প্রতি আমার ছোট ভাই বিল্লালের স্থানীয় মজমবাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা, এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। হামলাকারীরা আমার ভাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশেই ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে এবং অন্যদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। অন্য ঘরে থাকা আমার বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পাওয়ার পর ঘর থেকে বের হওয়ায় তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধরের পর সন্ত্রাসীরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে।
হামলায় নারী পুরুষসহ সাতজনকে আহত করা হয়েছে। তিনজনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমরা বিচার চাই। আমাদের লোকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা শুধু আমার মায়ের কানের একজোড়া সোনার দুল নিতে পেরেছে।
দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপরেও হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে, কাউকে চিহ্নিত করতে পারিনি। তারা ৫-৬ জনের একটা দল ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশাল টাইমসকে বলেন, ঘটনাটি শোনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি, তদন্ত চলছে। তবে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি।
বরিশাল টাইমস

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:০৭
ইলিশের অভয়াশ্রম রক্ষায় শনিবার (১মার্চ) মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। এতে বেকার হয়ে পড়বেন উপকূলের দুই লাখের অধিক জেলে।
যে কারণে অভাব অনাটন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন জেলেরা। যদিও জেলে পুর্ণবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ দেয়া হলেও সে চাল সঠিক সময়ে সবার ভাগ্যে জুটেনা। তাই নিষেধাজ্ঞা সময়কালেই জেলেদের মাঝে পুর্নবাসনের চাল এবং এনজিও কিস্তি বন্ধ রাখার দাবী জেলেদের।
জেলেরা জানান, গত মৌসুমে পুরো সময় জুড়ে ইলিশ সংকট থাকায় এ বছরের শুরুটা ভালো যায়নি ভোলার জেলেদের। নদীতে ইলিশ শূন্যতায় বার বার আর্থিকভাবে ধাক্কা খেতে হয়েছে তাদের। এমন সংকটের মধ্যে আবার চলে আসছে ইলিশ ধরায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। এতে কর্মহীন হয়ে চরম অভাব অনাটনে পড়েছেন জেলেরা।
জেলে আবুল কালাম, হাবিব ও কামাল জানান, ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা মানতে গেলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। কারন, জেলে পেশা এবং মাছ ধরার উপর আমাদের জীবিকা। কিভাবে নিষেধাজ্ঞা সময় কাটাবো সে চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
এদিকে, জেলেদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋন আর ধারদেনা করে জাল নৌকা গড়েছেন তবে নিষেধাজ্ঞাকালিন সময় জেলে পুর্নবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ হলে সে চাল পৌছায়না অনেকের ভাগ্যে। তাই এনজিও কিস্তি পরিষোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তারা। এমন বাস্তবতায় কিস্তি বন্ধ রাখার পাশাপাশি যথাসময়ে পুর্ণ বাসনের চাল বিতরণের দাবী তাদের।
জেলে মাইনুদ্দিন ও সবুজ বলেন, দুই মাসের জন্য কিস্তি তোলা বন্ধ রাখা হলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো, সরকারের কাছে জেলেদের কথা বিবেচনা করা হয় এবং দ্রুত বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ করা হয়।
মৎস্য আড়ৎদার আলাউদ্দিন বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকার খবরে জেলে পাড়ায় তৈরী হয়েছে সংকট। শুধু জেলে নয়, একই অবস্থা মাছ ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা বান্তবায়নে ভোলার বিভিন্ন মৎস্যঘাটে জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা করেছে মৎস্যবিভাগ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা সময়ে এনজিও বিস্তি বন্ধ রাখার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি, তবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তবে যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
বরিশাল টাইমস
ইলিশের অভয়াশ্রম রক্ষায় শনিবার (১মার্চ) মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। এতে বেকার হয়ে পড়বেন উপকূলের দুই লাখের অধিক জেলে।
যে কারণে অভাব অনাটন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন জেলেরা। যদিও জেলে পুর্ণবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ দেয়া হলেও সে চাল সঠিক সময়ে সবার ভাগ্যে জুটেনা। তাই নিষেধাজ্ঞা সময়কালেই জেলেদের মাঝে পুর্নবাসনের চাল এবং এনজিও কিস্তি বন্ধ রাখার দাবী জেলেদের।
জেলেরা জানান, গত মৌসুমে পুরো সময় জুড়ে ইলিশ সংকট থাকায় এ বছরের শুরুটা ভালো যায়নি ভোলার জেলেদের। নদীতে ইলিশ শূন্যতায় বার বার আর্থিকভাবে ধাক্কা খেতে হয়েছে তাদের। এমন সংকটের মধ্যে আবার চলে আসছে ইলিশ ধরায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। এতে কর্মহীন হয়ে চরম অভাব অনাটনে পড়েছেন জেলেরা।
জেলে আবুল কালাম, হাবিব ও কামাল জানান, ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা মানতে গেলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। কারন, জেলে পেশা এবং মাছ ধরার উপর আমাদের জীবিকা। কিভাবে নিষেধাজ্ঞা সময় কাটাবো সে চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
এদিকে, জেলেদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋন আর ধারদেনা করে জাল নৌকা গড়েছেন তবে নিষেধাজ্ঞাকালিন সময় জেলে পুর্নবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ হলে সে চাল পৌছায়না অনেকের ভাগ্যে। তাই এনজিও কিস্তি পরিষোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তারা। এমন বাস্তবতায় কিস্তি বন্ধ রাখার পাশাপাশি যথাসময়ে পুর্ণ বাসনের চাল বিতরণের দাবী তাদের।
জেলে মাইনুদ্দিন ও সবুজ বলেন, দুই মাসের জন্য কিস্তি তোলা বন্ধ রাখা হলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো, সরকারের কাছে জেলেদের কথা বিবেচনা করা হয় এবং দ্রুত বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ করা হয়।
মৎস্য আড়ৎদার আলাউদ্দিন বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকার খবরে জেলে পাড়ায় তৈরী হয়েছে সংকট। শুধু জেলে নয়, একই অবস্থা মাছ ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা বান্তবায়নে ভোলার বিভিন্ন মৎস্যঘাটে জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা করেছে মৎস্যবিভাগ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা সময়ে এনজিও বিস্তি বন্ধ রাখার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি, তবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তবে যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
বরিশাল টাইমস

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৭
ভোলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মহিউদ্দিন (৪০) নামের ডাকাতদলের এক সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে চাইনিজ কুড়াল, বগি দা ও ছুরিসহ প্রায় ১০টি বিভিন্ন রকমের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে একই ইউনিয়ানের চর ইলিশা গ্রামের সবুজ হাওলাদারের সুপারি বাগান থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গুপ্তমুন্সি এলাকার মো. খোকনের ছেলে। পুলিশ জানায়, মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় ভোলা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ নিয়মিত বিভিন্ন ইউনিয়নের অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিমের একটি টিম সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নে অভিযান চালায়।
এ সময় ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর ইলিশা গ্রামের সবুজ হাওলাদারের সুপারি বাগানের ভিতর থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মহিউদ্দিন নামের এক ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয়।
এ সময় মহিউদ্দিনের কাছ থেকে ১টি লোহার হাতল যুক্ত চাইনিজ কুড়াল, ১টি লোহার পাইপ রেইঞ্চ, ২টি কাঠের হাতলযুক্ত ধারালো বগিদা, ২টি ধারালো ছুরি, ১টি লোহার গেজি, ১টি লোহার শাবল, ১টি লোহার রড ও ২টি প্লাস্টিকের পাইপ উদ্ধার করা হয়।
ভোলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. ইকবাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আটক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মানুষের জান-মাল রক্ষায় ডিবি পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভোলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মহিউদ্দিন (৪০) নামের ডাকাতদলের এক সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে চাইনিজ কুড়াল, বগি দা ও ছুরিসহ প্রায় ১০টি বিভিন্ন রকমের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে একই ইউনিয়ানের চর ইলিশা গ্রামের সবুজ হাওলাদারের সুপারি বাগান থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গুপ্তমুন্সি এলাকার মো. খোকনের ছেলে। পুলিশ জানায়, মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় ভোলা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ নিয়মিত বিভিন্ন ইউনিয়নের অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিমের একটি টিম সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নে অভিযান চালায়।
এ সময় ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর ইলিশা গ্রামের সবুজ হাওলাদারের সুপারি বাগানের ভিতর থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মহিউদ্দিন নামের এক ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয়।
এ সময় মহিউদ্দিনের কাছ থেকে ১টি লোহার হাতল যুক্ত চাইনিজ কুড়াল, ১টি লোহার পাইপ রেইঞ্চ, ২টি কাঠের হাতলযুক্ত ধারালো বগিদা, ২টি ধারালো ছুরি, ১টি লোহার গেজি, ১টি লোহার শাবল, ১টি লোহার রড ও ২টি প্লাস্টিকের পাইপ উদ্ধার করা হয়।
ভোলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. ইকবাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আটক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মানুষের জান-মাল রক্ষায় ডিবি পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।