সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে মামলা, কারাগারে প্রেরণ।
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বরিশাল শহরের রূপাতলীতে গোপন বৈঠক করার প্রাক্কালে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতন ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের আটক করা হয়। অবশ্য মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের অভিযানের আগেই ভবনটির অভ্যন্তরে ছাত্রলীগ নেতা মইদুর রহমান বাকীসহ সকলকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গভীর রাতে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতনে চিল্লা-চিল্লির আওয়াজ পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের ভেতরের একটি ফ্ল্যাটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইদুর রহমান বাকী এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান রনিসহ কজনকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এনিয়ে সেখানে উত্তেজনা দেখা দিলে উৎসুক জনতা ভবনটির চারদিকে অবস্থান নিয়ে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম গিয়ে সেখান থেকে ছাত্রলীগ নেতা বাকী এবং রনিসহ অন্তত ৫জনকে আটক করে থানায় নেয়।
বাকী ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রলীগ ছেড়ে আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় তার প্রতি জুলাইযোদ্ধাদের সহানুভূতি রয়েছে। ফলে বাকীসহ সকলকে ছাড়িয়ে নিতে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের তরফ থেকে সুপারিশ রাখা হয়। এনিয়ে রাতভর থানায় উত্তপ্ত থাকলেও শেষ পর্যন্ত ছাত্রদল নেতাদের চাপের মুখে বাকীদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এবং শনিবার আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন ভবনটির ফ্ল্যাটে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী বৈঠক করতেছিল। এবং এই ভবনটি থেকে আগেও একাধিকবার অনুরূপ বৈঠক করা হয়। পাশাপাশি এখানে মাদক-বাণিজ্যও চলে। এই অভিযোগ তুলে ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং সেই বৈঠকটি হচ্ছে রূপাতলীর হাউজিংয়ের আলোচিত ছায়া নিকেতনে, এমন খবর পেয়ে সেখানে গেলে ঘটনার সত্যতা মেলে। তখন তাদের হাতেনাতে ধরে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
তবে ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ গ্রেপ্তার ৫ জনই দাবি করেছেন, ছায়া নিকেতনে কোনো সরকারবিরোধী বৈঠক হয়নি। তাদের মধ্যেকার শুভ নামের একজনের পারিবারিক কলহ নিয়ে তমাল এবং ইমনের বাসায় আয়োজিত বৈঠকে অংশ নিয়ে ছিলেন। কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে মব করে। এবং ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল, কিন্তু সেই টাকা না দেওয়ায় বেইজ্জতি করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মইদুর রহমান বাকী জানান, তমাল নামে যাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে জুলাই আগস্টে ছাত্র আন্দোলন করে গ্রেপ্তার হয়েছিল। এছাড়া তিনি আগে ছাত্রলীগ করলেও সেই আন্দোলনে অংশ নেন এবং পর্যাপ্ত ভূমিকাও রাখেন। সঙ্গত কারণে ছাত্রদল এবং পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন বাকী।
তবে বরিশাল মহানগর কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, সরকারবিরোধী বৈঠক হচ্ছিল এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাকী-রনি-ইমনসহ ৫ জনকে আটক করা হয়। এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ জনকে শনিবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৮
সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে মামলা, কারাগারে প্রেরণ।
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বরিশাল শহরের রূপাতলীতে গোপন বৈঠক করার প্রাক্কালে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতন ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের আটক করা হয়। অবশ্য মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের অভিযানের আগেই ভবনটির অভ্যন্তরে ছাত্রলীগ নেতা মইদুর রহমান বাকীসহ সকলকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গভীর রাতে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতনে চিল্লা-চিল্লির আওয়াজ পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের ভেতরের একটি ফ্ল্যাটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইদুর রহমান বাকী এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান রনিসহ কজনকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এনিয়ে সেখানে উত্তেজনা দেখা দিলে উৎসুক জনতা ভবনটির চারদিকে অবস্থান নিয়ে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম গিয়ে সেখান থেকে ছাত্রলীগ নেতা বাকী এবং রনিসহ অন্তত ৫জনকে আটক করে থানায় নেয়।
বাকী ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রলীগ ছেড়ে আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় তার প্রতি জুলাইযোদ্ধাদের সহানুভূতি রয়েছে। ফলে বাকীসহ সকলকে ছাড়িয়ে নিতে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের তরফ থেকে সুপারিশ রাখা হয়। এনিয়ে রাতভর থানায় উত্তপ্ত থাকলেও শেষ পর্যন্ত ছাত্রদল নেতাদের চাপের মুখে বাকীদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এবং শনিবার আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন ভবনটির ফ্ল্যাটে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী বৈঠক করতেছিল। এবং এই ভবনটি থেকে আগেও একাধিকবার অনুরূপ বৈঠক করা হয়। পাশাপাশি এখানে মাদক-বাণিজ্যও চলে। এই অভিযোগ তুলে ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং সেই বৈঠকটি হচ্ছে রূপাতলীর হাউজিংয়ের আলোচিত ছায়া নিকেতনে, এমন খবর পেয়ে সেখানে গেলে ঘটনার সত্যতা মেলে। তখন তাদের হাতেনাতে ধরে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
তবে ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ গ্রেপ্তার ৫ জনই দাবি করেছেন, ছায়া নিকেতনে কোনো সরকারবিরোধী বৈঠক হয়নি। তাদের মধ্যেকার শুভ নামের একজনের পারিবারিক কলহ নিয়ে তমাল এবং ইমনের বাসায় আয়োজিত বৈঠকে অংশ নিয়ে ছিলেন। কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে মব করে। এবং ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল, কিন্তু সেই টাকা না দেওয়ায় বেইজ্জতি করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মইদুর রহমান বাকী জানান, তমাল নামে যাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে জুলাই আগস্টে ছাত্র আন্দোলন করে গ্রেপ্তার হয়েছিল। এছাড়া তিনি আগে ছাত্রলীগ করলেও সেই আন্দোলনে অংশ নেন এবং পর্যাপ্ত ভূমিকাও রাখেন। সঙ্গত কারণে ছাত্রদল এবং পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন বাকী।
তবে বরিশাল মহানগর কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, সরকারবিরোধী বৈঠক হচ্ছিল এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাকী-রনি-ইমনসহ ৫ জনকে আটক করা হয়। এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ জনকে শনিবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।’
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭