
০৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:১০
বরগুনায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এক কাপড় ব্যবসায়ীর ওপর হামলা করেছে সিনহা রহমান নামে এক যুবক ও তার সহযোগীরা। শনিবার (২ আগস্ট) রাত পৌনে ১০টার দিকে বরগুনার বঙ্গবন্ধু সড়কের সারা শাড়িঘর কাপড়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, জসিম তার শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে খাবার কেনার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় ইয়াসমিন তানিয়া নামে এক নারী পথচারীর সঙ্গে ওই শিশুটির ধাক্কা লাগলে শিশুটি সিটকে পড়ে যায়।
পরে বিষয়টি নিয়ে জসিম এবং ওই নারীর মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি বাজারের অন্য বস্ত্র ব্যবসায়ী ও সমিতির নেতাদের নজরে এলে তাৎক্ষণিক সমাধান করতে উভয়পক্ষকে ডাকেন তারা। এ সময় ইয়াসমিন তানিয়ার ছেলে সিনহা রহমান নিজেকে সমন্বয়ক দাবি করে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন।
পরে উভয়পক্ষের কথোপকথনের একপর্যায়ে সিনহা উত্তেজিত হয়ে ব্যবসায়ী জসিমের ওপর হামলা ও মারধর করেন। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হলে তৎক্ষণিক আশপাশের সব দোকান বন্ধ করে ফেলেন তারা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার আড়াই বছরের সন্তানকে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার পথে আমার সন্তানের সঙ্গে এক নারীর ধাক্কা লেগে আমার শিশুসন্তানটি পড়ে গিয়ে কান্না শুরু করে। পরে আমি ওই নারীকে বলি, আপনি দেখেশুনে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারেন না? এই বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে আমি ওই নারীকে বললাম, আমার যদি অপরাধ হয় তা আমি মেনে নিলাম, আপনি চলে যান। এই কথা বলে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে বাসায় চলে যাই। পরে বাজার থেকে আমাকে ফোন দিয়েছে, ২০ থেকে ২৫ জন ছেলে সমন্বয়ক দাবি করে আমার দোকানপাট বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে।
বিষয়টি তাৎক্ষণিক আমাদের ব্যবসায়ী সমিতির কাছে বলি। পরে তারা মীমাংসার জন্য বিষয়টি নিয়ে বসেন। একপর্যায়ে মীমাংসা চলাকালীন সময়ে আমার ওপর হামলা শুরু করেন সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী সিনহা সহ তার সঙ্গীরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন হুমকির মুখে। যতক্ষণ পর্যন্ত এর বিচার না হবে ততক্ষণে আমরা দোকানপাট খুলবো না।’
এ বিষয়ে বাজারের বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ বলেন, ‘জসিমের সঙ্গে এক নারী পথচারীর বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার একপর্যায়ে ওই নারীর ছেলে ও সঙ্গে আরেকজন দোকানে উঠে জসিমকে মারধর শুরু করে।
এ সময় আমরা যারা উপস্থিত ছিলাম সবাই মিলে তাদেরকে থামাতে এবং দোকান লুটের হাত থেকে রেহাই পেয়েছি। এ ঘটনার পরপরই আমরা ব্যবসায়ীরা সব দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ ঘটনায় উপযুক্ত বিচার না হলে আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।’
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে লিখিত কোনও অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরগুনায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এক কাপড় ব্যবসায়ীর ওপর হামলা করেছে সিনহা রহমান নামে এক যুবক ও তার সহযোগীরা। শনিবার (২ আগস্ট) রাত পৌনে ১০টার দিকে বরগুনার বঙ্গবন্ধু সড়কের সারা শাড়িঘর কাপড়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, জসিম তার শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে খাবার কেনার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় ইয়াসমিন তানিয়া নামে এক নারী পথচারীর সঙ্গে ওই শিশুটির ধাক্কা লাগলে শিশুটি সিটকে পড়ে যায়।
পরে বিষয়টি নিয়ে জসিম এবং ওই নারীর মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি বাজারের অন্য বস্ত্র ব্যবসায়ী ও সমিতির নেতাদের নজরে এলে তাৎক্ষণিক সমাধান করতে উভয়পক্ষকে ডাকেন তারা। এ সময় ইয়াসমিন তানিয়ার ছেলে সিনহা রহমান নিজেকে সমন্বয়ক দাবি করে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন।
পরে উভয়পক্ষের কথোপকথনের একপর্যায়ে সিনহা উত্তেজিত হয়ে ব্যবসায়ী জসিমের ওপর হামলা ও মারধর করেন। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হলে তৎক্ষণিক আশপাশের সব দোকান বন্ধ করে ফেলেন তারা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার আড়াই বছরের সন্তানকে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার পথে আমার সন্তানের সঙ্গে এক নারীর ধাক্কা লেগে আমার শিশুসন্তানটি পড়ে গিয়ে কান্না শুরু করে। পরে আমি ওই নারীকে বলি, আপনি দেখেশুনে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারেন না? এই বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে আমি ওই নারীকে বললাম, আমার যদি অপরাধ হয় তা আমি মেনে নিলাম, আপনি চলে যান। এই কথা বলে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে বাসায় চলে যাই। পরে বাজার থেকে আমাকে ফোন দিয়েছে, ২০ থেকে ২৫ জন ছেলে সমন্বয়ক দাবি করে আমার দোকানপাট বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে।
বিষয়টি তাৎক্ষণিক আমাদের ব্যবসায়ী সমিতির কাছে বলি। পরে তারা মীমাংসার জন্য বিষয়টি নিয়ে বসেন। একপর্যায়ে মীমাংসা চলাকালীন সময়ে আমার ওপর হামলা শুরু করেন সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী সিনহা সহ তার সঙ্গীরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন হুমকির মুখে। যতক্ষণ পর্যন্ত এর বিচার না হবে ততক্ষণে আমরা দোকানপাট খুলবো না।’
এ বিষয়ে বাজারের বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ বলেন, ‘জসিমের সঙ্গে এক নারী পথচারীর বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার একপর্যায়ে ওই নারীর ছেলে ও সঙ্গে আরেকজন দোকানে উঠে জসিমকে মারধর শুরু করে।
এ সময় আমরা যারা উপস্থিত ছিলাম সবাই মিলে তাদেরকে থামাতে এবং দোকান লুটের হাত থেকে রেহাই পেয়েছি। এ ঘটনার পরপরই আমরা ব্যবসায়ীরা সব দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ ঘটনায় উপযুক্ত বিচার না হলে আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।’
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে লিখিত কোনও অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১০
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'

০৫ জুন, ২০২৬ ১৩:২১
বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত মহিউদ্দিন (৪০) উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মহিউদ্দিন বাড়ির কাছের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।
সকাল পৌনে দশটার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় একটি বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে কাজ না করা এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য সকলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত মহিউদ্দিন (৪০) উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মহিউদ্দিন বাড়ির কাছের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।
সকাল পৌনে দশটার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় একটি বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে কাজ না করা এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য সকলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮