
০৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:১০
বরগুনায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এক কাপড় ব্যবসায়ীর ওপর হামলা করেছে সিনহা রহমান নামে এক যুবক ও তার সহযোগীরা। শনিবার (২ আগস্ট) রাত পৌনে ১০টার দিকে বরগুনার বঙ্গবন্ধু সড়কের সারা শাড়িঘর কাপড়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, জসিম তার শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে খাবার কেনার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় ইয়াসমিন তানিয়া নামে এক নারী পথচারীর সঙ্গে ওই শিশুটির ধাক্কা লাগলে শিশুটি সিটকে পড়ে যায়।
পরে বিষয়টি নিয়ে জসিম এবং ওই নারীর মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি বাজারের অন্য বস্ত্র ব্যবসায়ী ও সমিতির নেতাদের নজরে এলে তাৎক্ষণিক সমাধান করতে উভয়পক্ষকে ডাকেন তারা। এ সময় ইয়াসমিন তানিয়ার ছেলে সিনহা রহমান নিজেকে সমন্বয়ক দাবি করে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন।
পরে উভয়পক্ষের কথোপকথনের একপর্যায়ে সিনহা উত্তেজিত হয়ে ব্যবসায়ী জসিমের ওপর হামলা ও মারধর করেন। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হলে তৎক্ষণিক আশপাশের সব দোকান বন্ধ করে ফেলেন তারা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার আড়াই বছরের সন্তানকে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার পথে আমার সন্তানের সঙ্গে এক নারীর ধাক্কা লেগে আমার শিশুসন্তানটি পড়ে গিয়ে কান্না শুরু করে। পরে আমি ওই নারীকে বলি, আপনি দেখেশুনে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারেন না? এই বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে আমি ওই নারীকে বললাম, আমার যদি অপরাধ হয় তা আমি মেনে নিলাম, আপনি চলে যান। এই কথা বলে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে বাসায় চলে যাই। পরে বাজার থেকে আমাকে ফোন দিয়েছে, ২০ থেকে ২৫ জন ছেলে সমন্বয়ক দাবি করে আমার দোকানপাট বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে।
বিষয়টি তাৎক্ষণিক আমাদের ব্যবসায়ী সমিতির কাছে বলি। পরে তারা মীমাংসার জন্য বিষয়টি নিয়ে বসেন। একপর্যায়ে মীমাংসা চলাকালীন সময়ে আমার ওপর হামলা শুরু করেন সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী সিনহা সহ তার সঙ্গীরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন হুমকির মুখে। যতক্ষণ পর্যন্ত এর বিচার না হবে ততক্ষণে আমরা দোকানপাট খুলবো না।’
এ বিষয়ে বাজারের বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ বলেন, ‘জসিমের সঙ্গে এক নারী পথচারীর বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার একপর্যায়ে ওই নারীর ছেলে ও সঙ্গে আরেকজন দোকানে উঠে জসিমকে মারধর শুরু করে।
এ সময় আমরা যারা উপস্থিত ছিলাম সবাই মিলে তাদেরকে থামাতে এবং দোকান লুটের হাত থেকে রেহাই পেয়েছি। এ ঘটনার পরপরই আমরা ব্যবসায়ীরা সব দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ ঘটনায় উপযুক্ত বিচার না হলে আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।’
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে লিখিত কোনও অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরগুনায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এক কাপড় ব্যবসায়ীর ওপর হামলা করেছে সিনহা রহমান নামে এক যুবক ও তার সহযোগীরা। শনিবার (২ আগস্ট) রাত পৌনে ১০টার দিকে বরগুনার বঙ্গবন্ধু সড়কের সারা শাড়িঘর কাপড়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, জসিম তার শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে খাবার কেনার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় ইয়াসমিন তানিয়া নামে এক নারী পথচারীর সঙ্গে ওই শিশুটির ধাক্কা লাগলে শিশুটি সিটকে পড়ে যায়।
পরে বিষয়টি নিয়ে জসিম এবং ওই নারীর মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি বাজারের অন্য বস্ত্র ব্যবসায়ী ও সমিতির নেতাদের নজরে এলে তাৎক্ষণিক সমাধান করতে উভয়পক্ষকে ডাকেন তারা। এ সময় ইয়াসমিন তানিয়ার ছেলে সিনহা রহমান নিজেকে সমন্বয়ক দাবি করে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন।
পরে উভয়পক্ষের কথোপকথনের একপর্যায়ে সিনহা উত্তেজিত হয়ে ব্যবসায়ী জসিমের ওপর হামলা ও মারধর করেন। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হলে তৎক্ষণিক আশপাশের সব দোকান বন্ধ করে ফেলেন তারা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার আড়াই বছরের সন্তানকে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার পথে আমার সন্তানের সঙ্গে এক নারীর ধাক্কা লেগে আমার শিশুসন্তানটি পড়ে গিয়ে কান্না শুরু করে। পরে আমি ওই নারীকে বলি, আপনি দেখেশুনে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারেন না? এই বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে আমি ওই নারীকে বললাম, আমার যদি অপরাধ হয় তা আমি মেনে নিলাম, আপনি চলে যান। এই কথা বলে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে বাসায় চলে যাই। পরে বাজার থেকে আমাকে ফোন দিয়েছে, ২০ থেকে ২৫ জন ছেলে সমন্বয়ক দাবি করে আমার দোকানপাট বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে।
বিষয়টি তাৎক্ষণিক আমাদের ব্যবসায়ী সমিতির কাছে বলি। পরে তারা মীমাংসার জন্য বিষয়টি নিয়ে বসেন। একপর্যায়ে মীমাংসা চলাকালীন সময়ে আমার ওপর হামলা শুরু করেন সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী সিনহা সহ তার সঙ্গীরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন হুমকির মুখে। যতক্ষণ পর্যন্ত এর বিচার না হবে ততক্ষণে আমরা দোকানপাট খুলবো না।’
এ বিষয়ে বাজারের বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ বলেন, ‘জসিমের সঙ্গে এক নারী পথচারীর বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার একপর্যায়ে ওই নারীর ছেলে ও সঙ্গে আরেকজন দোকানে উঠে জসিমকে মারধর শুরু করে।
এ সময় আমরা যারা উপস্থিত ছিলাম সবাই মিলে তাদেরকে থামাতে এবং দোকান লুটের হাত থেকে রেহাই পেয়েছি। এ ঘটনার পরপরই আমরা ব্যবসায়ীরা সব দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ ঘটনায় উপযুক্ত বিচার না হলে আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।’
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে লিখিত কোনও অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১