
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫২
ভোলা-৪ আসনের মনপুরা উপজেলার নির্বাচন প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে দুইপক্ষ মিলিয়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিএনপির গণি মাঝি ও জামায়াতের ইদ্রিস মাঝিকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকায়ি এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। একই সময়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরাও সেখানে পৌঁছে প্রচারণা চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে দু’দলের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বিতর্কিত স্লোগান বিনিময় শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অধিকাংশকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হলেও গুরুতর দু’জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় আতঙ্ক ও ভিড়ের কারণে এলাকার পরিবেশ এক সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার খবর পেয়ে মনপুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপকে আলাদা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং মারামারি হয়েছে, তবে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি। পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত করতে সক্ষম হয়েছে। আহত দুইজনের অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা একে অপরকে দায়ী করলেও কোন পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতি বা অভিযোগ দাখিল করা হয়নি।
ভোলা-৪ আসনের মনপুরা উপজেলার নির্বাচন প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে দুইপক্ষ মিলিয়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিএনপির গণি মাঝি ও জামায়াতের ইদ্রিস মাঝিকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকায়ি এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। একই সময়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরাও সেখানে পৌঁছে প্রচারণা চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে দু’দলের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বিতর্কিত স্লোগান বিনিময় শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অধিকাংশকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হলেও গুরুতর দু’জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় আতঙ্ক ও ভিড়ের কারণে এলাকার পরিবেশ এক সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার খবর পেয়ে মনপুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপকে আলাদা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং মারামারি হয়েছে, তবে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি। পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত করতে সক্ষম হয়েছে। আহত দুইজনের অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা একে অপরকে দায়ী করলেও কোন পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতি বা অভিযোগ দাখিল করা হয়নি।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সমর্থনে জোরালো গণসংযোগ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে পেশাজীবী প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অ্যাবে’র একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আই.ই.বি ঢাকা সেন্টারের সম্মানী সম্পাদক ও অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নুর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিস্তৃতভাবে গণসংযোগ চালায়। এ সময় তারা ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মসূচিকে ঘিরে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ ও সাড়া দেখা গেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও স্থানীয় পেশাজীবীদের অনেকেই প্রকৌশলীদের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। গণসংযোগ কার্যক্রমে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ জরুরি।
কর্মসূচি চলাকালে অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নু বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” পাশাপাশি তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে বিজয়ী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এই গণসংযোগে অ্যাবে’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মোঃ আহসানুল রাসেলসহ অর্ধশতাধিক প্রকৌশলী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ রনি, প্রকৌশলী রবিউল আলম উজ্জ্বল, প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী ইকবাল আব্দুল্লাহ, প্রকৌশলী তৈহিদুর রহমান জুয়েল, প্রকৌশলী অনোয়ার হোসেন শামীম, মোঃ আবু সাঈদ বাদশা, প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান সোহাগ এবং শাহ মোঃ ছাব্বির।
দিনব্যাপী গণসংযোগ শেষে প্রতিনিধি দলটি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নির্বাচনী পরিবেশ, স্থানীয় সমস্যা, অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং প্রচার কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে চরফ্যাশন-মনপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদীভাঙন ও উন্নয়ন প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকৌশলীদের মতো পেশাজীবী গোষ্ঠীর সরাসরি মাঠপর্যায়ে অংশগ্রহণ ভোলা-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এতে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আগ্রহ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সমর্থনে জোরালো গণসংযোগ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে পেশাজীবী প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অ্যাবে’র একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আই.ই.বি ঢাকা সেন্টারের সম্মানী সম্পাদক ও অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নুর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিস্তৃতভাবে গণসংযোগ চালায়। এ সময় তারা ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মসূচিকে ঘিরে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ ও সাড়া দেখা গেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও স্থানীয় পেশাজীবীদের অনেকেই প্রকৌশলীদের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। গণসংযোগ কার্যক্রমে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ জরুরি।
কর্মসূচি চলাকালে অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নু বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” পাশাপাশি তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে বিজয়ী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এই গণসংযোগে অ্যাবে’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মোঃ আহসানুল রাসেলসহ অর্ধশতাধিক প্রকৌশলী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ রনি, প্রকৌশলী রবিউল আলম উজ্জ্বল, প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী ইকবাল আব্দুল্লাহ, প্রকৌশলী তৈহিদুর রহমান জুয়েল, প্রকৌশলী অনোয়ার হোসেন শামীম, মোঃ আবু সাঈদ বাদশা, প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান সোহাগ এবং শাহ মোঃ ছাব্বির।
দিনব্যাপী গণসংযোগ শেষে প্রতিনিধি দলটি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নির্বাচনী পরিবেশ, স্থানীয় সমস্যা, অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং প্রচার কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে চরফ্যাশন-মনপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদীভাঙন ও উন্নয়ন প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকৌশলীদের মতো পেশাজীবী গোষ্ঠীর সরাসরি মাঠপর্যায়ে অংশগ্রহণ ভোলা-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এতে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আগ্রহ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৯
ভোলার লালমোহন উপজেলায় অর্ধশতাধিক কর্মী নিয়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি হিসেবে পরিচিত মো. মোখলেছুর রহমান বকসি।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমোহন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন। সভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুজিবুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে মোখলেছুর রহমানকে দলে বরণ করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে আসা প্রায় ৭০ জন কর্মীও জামায়তে যোগদান করেন। তাদেরকেও দলটির পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়।
জামায়াতে ইসলামীর লালমোহন উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুল হক বলেন, মোখলেছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ছিলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দুই দলের সময়েই তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এক বছর পর্যবেক্ষণে রাখার পর দলীয়ভাবে সন্তোষজনক পরিবর্তন দেখেই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে নেয়া হয়েছে।
এদিকে মোখলেছুর রহমান বকসি বলেন, তিনি লালমোহন বাজারের একজন ব্যবসায়ী এবং ছোট থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপির উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক থাকাকালে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েন এবং একাধিক হামলা-মামলার শিকার হন। তার অভিযোগ, ২০১৬ সালে চাপের মুখে তাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। পরে ২০২৩ সালে তাকে কৃষকলীগের উপজেলা সভাপতি করা হলেও ছয় মাস পর তিনি সেই পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগে থাকলেও তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন হামলা-মামলা থেকে সহায়তা করেছেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনেও আওয়ামী লীগবিরোধী কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। তার অভিযোগ, গত ৫ আগস্টের পর বিএনপির লোকজন তার প্রায় দুই কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতি করেছে এবং ‘আওয়ামী লীগ ট্যাগ’ দিয়ে তার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
মোখলেছুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েই আমি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছি। বাকি জীবন এই দলের হয়ে কাজ করতে চাই।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় অর্ধশতাধিক কর্মী নিয়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি হিসেবে পরিচিত মো. মোখলেছুর রহমান বকসি।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমোহন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন। সভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুজিবুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে মোখলেছুর রহমানকে দলে বরণ করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে আসা প্রায় ৭০ জন কর্মীও জামায়তে যোগদান করেন। তাদেরকেও দলটির পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়।
জামায়াতে ইসলামীর লালমোহন উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুল হক বলেন, মোখলেছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ছিলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দুই দলের সময়েই তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এক বছর পর্যবেক্ষণে রাখার পর দলীয়ভাবে সন্তোষজনক পরিবর্তন দেখেই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে নেয়া হয়েছে।
এদিকে মোখলেছুর রহমান বকসি বলেন, তিনি লালমোহন বাজারের একজন ব্যবসায়ী এবং ছোট থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপির উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক থাকাকালে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েন এবং একাধিক হামলা-মামলার শিকার হন। তার অভিযোগ, ২০১৬ সালে চাপের মুখে তাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। পরে ২০২৩ সালে তাকে কৃষকলীগের উপজেলা সভাপতি করা হলেও ছয় মাস পর তিনি সেই পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগে থাকলেও তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন হামলা-মামলা থেকে সহায়তা করেছেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনেও আওয়ামী লীগবিরোধী কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। তার অভিযোগ, গত ৫ আগস্টের পর বিএনপির লোকজন তার প্রায় দুই কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতি করেছে এবং ‘আওয়ামী লীগ ট্যাগ’ দিয়ে তার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
মোখলেছুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েই আমি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছি। বাকি জীবন এই দলের হয়ে কাজ করতে চাই।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৭
ভোলার তজুমদ্দিনে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার হামলায় এক ব্যক্তি আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত দিনমজুর ওই ব্যক্তি তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। এঘটনায় তিনি আইনগত সহায়তা নিবেন বলে জানান।
আহত ও হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের কোড়ালমারা ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ নাজিমকে শম্ভুপুর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবকলীগের দপ্তর সম্পাদক আইয়ুব নবী তার জমিতে কাজ করতে বলেন।
কিন্তু তার জমিতে কাজ করতে না যাওয়ায় মঙ্গবার সন্ধ্যায় নাজিম স্থানীয় দোকানের কাছে গেলে আইয়ুব নবী হঠাৎ রড নিয়ে নাজিমের উপর হামলা চালায়। হামলায় নাজিম গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে আসে।
হামলার নাজিমের শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলা জখমের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি তজুমদ্দিন হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের ১নং বেডে ভর্তি রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আহত নাজিম উদ্দিন জানান, শম্ভুপুর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আমাকে তার জমিতে কাজ করতে বলছিলেন। আমি তার জমিতে কাজ না করায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি দোকানে গেলে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আইয়ুব নবী পিছন থেকে রড দিয়ে আমার উপর হামলা করে। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে।
এঘটনায় তিনি আইনগত সহায়তা নিবেন বলেও জানান। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত আইয়ুব নবী জানান নাজিমের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাজিম আমাকে মারে আমিও নাজিমকে মারি।
ভোলার তজুমদ্দিনে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার হামলায় এক ব্যক্তি আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত দিনমজুর ওই ব্যক্তি তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। এঘটনায় তিনি আইনগত সহায়তা নিবেন বলে জানান।
আহত ও হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের কোড়ালমারা ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ নাজিমকে শম্ভুপুর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবকলীগের দপ্তর সম্পাদক আইয়ুব নবী তার জমিতে কাজ করতে বলেন।
কিন্তু তার জমিতে কাজ করতে না যাওয়ায় মঙ্গবার সন্ধ্যায় নাজিম স্থানীয় দোকানের কাছে গেলে আইয়ুব নবী হঠাৎ রড নিয়ে নাজিমের উপর হামলা চালায়। হামলায় নাজিম গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে আসে।
হামলার নাজিমের শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলা জখমের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি তজুমদ্দিন হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের ১নং বেডে ভর্তি রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আহত নাজিম উদ্দিন জানান, শম্ভুপুর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আমাকে তার জমিতে কাজ করতে বলছিলেন। আমি তার জমিতে কাজ না করায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি দোকানে গেলে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আইয়ুব নবী পিছন থেকে রড দিয়ে আমার উপর হামলা করে। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে।
এঘটনায় তিনি আইনগত সহায়তা নিবেন বলেও জানান। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত আইয়ুব নবী জানান নাজিমের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাজিম আমাকে মারে আমিও নাজিমকে মারি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩০
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৪
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪