ভোলা-৪ আসনের মনপুরা উপজেলার নির্বাচন প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে দুইপক্ষ মিলিয়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিএনপির গণি মাঝি ও জামায়াতের ইদ্রিস মাঝিকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকায়ি এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। একই সময়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরাও সেখানে পৌঁছে প্রচারণা চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে দু’দলের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বিতর্কিত স্লোগান বিনিময় শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অধিকাংশকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হলেও গুরুতর দু’জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় আতঙ্ক ও ভিড়ের কারণে এলাকার পরিবেশ এক সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার খবর পেয়ে মনপুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপকে আলাদা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং মারামারি হয়েছে, তবে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি। পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত করতে সক্ষম হয়েছে। আহত দুইজনের অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা একে অপরকে দায়ী করলেও কোন পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতি বা অভিযোগ দাখিল করা হয়নি।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩০
ভোলার তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল গফুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুচিবাড়ির কোনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী বাবুলকে মারধরের ঘটনায় তার স্ত্রী জোছনা বেগম বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুল গফুরসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল গফুর তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে গ্রেপ্তার আব্দুল গফুরকে পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ২৫ মে একই এলাকার ব্যবসায়ী নুর হোসেন মাঝিকে প্রকাশ্যে মারধর ও চাঁদাবাজির মামলায় আব্দুল গফুরকে ভোলা সদর থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
বরিশালটাইমস/এমআর
ভোলার তজুমদ্দিনে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল গফুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুচিবাড়ির কোনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী বাবুলকে মারধরের ঘটনায় তার স্ত্রী জোছনা বেগম বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুল গফুরসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল গফুর তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে গ্রেপ্তার আব্দুল গফুরকে পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ২৫ মে একই এলাকার ব্যবসায়ী নুর হোসেন মাঝিকে প্রকাশ্যে মারধর ও চাঁদাবাজির মামলায় আব্দুল গফুরকে ভোলা সদর থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
বরিশালটাইমস/এমআর

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০২
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫২
ভোলা-৪ আসনের মনপুরা উপজেলার নির্বাচন প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে দুইপক্ষ মিলিয়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিএনপির গণি মাঝি ও জামায়াতের ইদ্রিস মাঝিকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকায়ি এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। একই সময়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরাও সেখানে পৌঁছে প্রচারণা চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে দু’দলের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বিতর্কিত স্লোগান বিনিময় শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অধিকাংশকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হলেও গুরুতর দু’জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় আতঙ্ক ও ভিড়ের কারণে এলাকার পরিবেশ এক সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার খবর পেয়ে মনপুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপকে আলাদা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং মারামারি হয়েছে, তবে বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি। পুলিশ পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত করতে সক্ষম হয়েছে। আহত দুইজনের অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা একে অপরকে দায়ী করলেও কোন পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতি বা অভিযোগ দাখিল করা হয়নি।
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৫২