
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:০১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) তারা রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৃথকভাবে লিখিত আবেদন করেন।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ এবং মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার আবেদন জমা দেন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং এতে ব্যাপক জনসমর্থন পাচ্ছেন। তার সঙ্গে বিপুলসংখ্যক কর্মী ও সমর্থক সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তবে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আইনানুগ এই গণসংযোগ কার্যক্রমে ভীতি সৃষ্টি ও বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার পুলিশ ন্যাক্কারজনক তৎপরতা চালাচ্ছে।
তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার এক নিরপরাধ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ভুয়া মামলায় কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে কর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তার নির্বাচনী কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গ্রেপ্তারকৃত কর্মী মো. কিয়ামত আলী (৫০) একজন নিরীহ ও এলাকায় জনপ্রিয় ব্যক্তি উল্লেখ করে সিগমা বলেন, তার বিরুদ্ধে আগে কখনো কোনো মামলা বা অভিযোগ ছিল না। ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর দায়ের করা একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে, যেখানে তিনি এজাহারভুক্ত নন। অষ্টগ্রাম থানার কাছেই বসবাস করলেও গত এক বছরে পুলিশ কখনো তার খোঁজ নেয়নি। এসব বিষয় থেকে স্পষ্ট, পরিকল্পিতভাবে তার কর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি অবিলম্বে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও প্রশ্নাতীত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কাজী রেহা কবির সিগমা বলেন, “পুলিশি ভীতির কারণে আমি ও আমার কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এজন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছি।”
অন্যদিকে, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) তারা রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৃথকভাবে লিখিত আবেদন করেন।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ এবং মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার আবেদন জমা দেন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং এতে ব্যাপক জনসমর্থন পাচ্ছেন। তার সঙ্গে বিপুলসংখ্যক কর্মী ও সমর্থক সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তবে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আইনানুগ এই গণসংযোগ কার্যক্রমে ভীতি সৃষ্টি ও বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার পুলিশ ন্যাক্কারজনক তৎপরতা চালাচ্ছে।
তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার এক নিরপরাধ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ভুয়া মামলায় কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে কর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তার নির্বাচনী কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গ্রেপ্তারকৃত কর্মী মো. কিয়ামত আলী (৫০) একজন নিরীহ ও এলাকায় জনপ্রিয় ব্যক্তি উল্লেখ করে সিগমা বলেন, তার বিরুদ্ধে আগে কখনো কোনো মামলা বা অভিযোগ ছিল না। ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর দায়ের করা একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে, যেখানে তিনি এজাহারভুক্ত নন। অষ্টগ্রাম থানার কাছেই বসবাস করলেও গত এক বছরে পুলিশ কখনো তার খোঁজ নেয়নি। এসব বিষয় থেকে স্পষ্ট, পরিকল্পিতভাবে তার কর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি অবিলম্বে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও প্রশ্নাতীত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কাজী রেহা কবির সিগমা বলেন, “পুলিশি ভীতির কারণে আমি ও আমার কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এজন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছি।”
অন্যদিকে, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরেন।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৩
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:৪৩
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #

২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৮
দেশের ১৮ তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, যিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ব্যাপক নির্যাতন-হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই আলোচিত আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি আজ বুধবার (২৫ মার্চ) জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ওই সময় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।
দেশের ১৮ তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, যিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ব্যাপক নির্যাতন-হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই আলোচিত আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি আজ বুধবার (২৫ মার্চ) জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ওই সময় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫