
১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:২২
ভোলার লালমোহনে বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর আওতাভুক্ত কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় আমানতের অর্থায়নে ক্রয়কৃত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিনা অনুমতিতে নিজেদের মতো প্লান করে সড়ক নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে লালমোহন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে লিখিত ভাবে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের অনুরোধ করেছেন বিআরডিবির সাবেক ৩ চেয়ারম্যান শফিকুল হক, মো. আ: হক ও মো. জহিরুল ইসলাম মাসুদ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, লালমোহন পৌরসভার ওয়েস্টার্ন পাড়া ৮ নং ওয়ার্ডে বিআরডিবির ইউসিসি লিমিটেড ভুক্ত সমবায়ী কৃষকগণ ২ একর ৪০ শতাংশ জমি ক্রয় করে।
উক্ত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভূমির মালিক কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ও আলোচনা ব্যতিত রাস্তা নির্মাণের দরপত্র আহবান পূর্বক কাজ আরম্ভ করে। যাহা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত।
কাজ শুরু করলে উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা বাধা প্রদান করে কাজ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন। এরপর পৌর প্রশাসক বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর ওই জমিতে রাস্তা করার অনুমতির জন্য পত্র প্রেরণ করেন।
বর্তমান লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। গত ৮ বছর ইউসিসির নির্বাচন ব্যতিরেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসিসিকে অকার্যকর রেখে নিজেই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর সমবায় সমিতির প্রতিনিধিদের সাধারণ সভা না ডেকে এবং প্রতিনিধিদের সম্মতি ছাড়া এখতিয়ার বহির্ভূত সমিতির জমি অন্য সংস্থাকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন।
সমবায় সমিতির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যানদের দাবি বিআরডিবির মহাপরিচালক দ্রুত কৃষকদের স্বার্থে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে। জমির মালিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত কিভাবে টেন্ডার আহবান ও কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা তদন্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধ জানান এবং আগামী এক মাসের মধ্যে ইউসিসির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা রিমা আক্তার বলেন, ওই জমিতে আমাদেরকে না জানিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তাছাড়া রাস্তাটি করার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিআরডিবির প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদনে জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ও সেখান থেকে যে নির্দেশনা প্রদান করবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কাজ করা হবে।
লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহ আজিজ এ ব্যাপারে বলেন, কাজটি পাশ করা হয়েছে আমি লালমোহনে যোগদানের পূর্বে।
তখন বিআরডিবি ও সমিতির সাথে আলোচনা হয়েছে কিনা আমার জানানেই। কাজটি শুরু হয়েছে এখন। ঠিকাদার কাজ শুরু করার পর বিআরডিবির লোকজন বাধা দেয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে আমরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। যেভাবে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী
ভোলার লালমোহনে বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর আওতাভুক্ত কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় আমানতের অর্থায়নে ক্রয়কৃত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিনা অনুমতিতে নিজেদের মতো প্লান করে সড়ক নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে লালমোহন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে লিখিত ভাবে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের অনুরোধ করেছেন বিআরডিবির সাবেক ৩ চেয়ারম্যান শফিকুল হক, মো. আ: হক ও মো. জহিরুল ইসলাম মাসুদ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, লালমোহন পৌরসভার ওয়েস্টার্ন পাড়া ৮ নং ওয়ার্ডে বিআরডিবির ইউসিসি লিমিটেড ভুক্ত সমবায়ী কৃষকগণ ২ একর ৪০ শতাংশ জমি ক্রয় করে।
উক্ত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভূমির মালিক কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ও আলোচনা ব্যতিত রাস্তা নির্মাণের দরপত্র আহবান পূর্বক কাজ আরম্ভ করে। যাহা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত।
কাজ শুরু করলে উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা বাধা প্রদান করে কাজ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন। এরপর পৌর প্রশাসক বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর ওই জমিতে রাস্তা করার অনুমতির জন্য পত্র প্রেরণ করেন।
বর্তমান লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। গত ৮ বছর ইউসিসির নির্বাচন ব্যতিরেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসিসিকে অকার্যকর রেখে নিজেই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর সমবায় সমিতির প্রতিনিধিদের সাধারণ সভা না ডেকে এবং প্রতিনিধিদের সম্মতি ছাড়া এখতিয়ার বহির্ভূত সমিতির জমি অন্য সংস্থাকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন।
সমবায় সমিতির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যানদের দাবি বিআরডিবির মহাপরিচালক দ্রুত কৃষকদের স্বার্থে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে। জমির মালিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত কিভাবে টেন্ডার আহবান ও কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা তদন্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধ জানান এবং আগামী এক মাসের মধ্যে ইউসিসির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা রিমা আক্তার বলেন, ওই জমিতে আমাদেরকে না জানিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তাছাড়া রাস্তাটি করার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিআরডিবির প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদনে জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ও সেখান থেকে যে নির্দেশনা প্রদান করবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কাজ করা হবে।
লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহ আজিজ এ ব্যাপারে বলেন, কাজটি পাশ করা হয়েছে আমি লালমোহনে যোগদানের পূর্বে।
তখন বিআরডিবি ও সমিতির সাথে আলোচনা হয়েছে কিনা আমার জানানেই। কাজটি শুরু হয়েছে এখন। ঠিকাদার কাজ শুরু করার পর বিআরডিবির লোকজন বাধা দেয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে আমরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। যেভাবে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫৪
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জেলার পাঁচটি অভ্যন্তরীণ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাস শ্রমিক ইউনিয়ন।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়। হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট রুটের যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। জরুরি কাজে বের হওয়া অনেক যাত্রীকে বিকল্প যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা শহরে সিএনজি চালকরা তাদের শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় একটি বাস ও বাস কাউন্টারে ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে দুপুর ১টা থেকে জেলার পাঁচটি রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা।
সরেজমিনে ভোলা সদরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, বাস শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ রেখে বাসস্ট্যান্ডের সামনে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
বিস্তারিত পড়ুন
পরে পুলিশ এসে সড়ক থেকে গাছের গুঁড়ি সরিয়ে অন্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। এ সময় সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশা পেলেই সেগুলো থামিয়ে বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে ঢুকিয়ে রাখতে দেখা যায় শ্রমিকদের।
ভোলা জেলা বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, চরফ্যাশন উপজেলা শহরে সিএনজি স্ট্যান্ড করে যাত্রী ওঠানামা করছিল চালকরা। আজ দুপুরে হঠাৎ সিএনজি শ্রমিকরা আমাদের বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি বাস ও কাউন্টারে ভাঙচুর করে।
এর প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে পাঁচটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোলা জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল গনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেছে। তবে বাস চলাচল এখনও বন্ধ রয়েছে। বাস চলাচল স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জেলার পাঁচটি অভ্যন্তরীণ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাস শ্রমিক ইউনিয়ন।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়। হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট রুটের যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। জরুরি কাজে বের হওয়া অনেক যাত্রীকে বিকল্প যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা শহরে সিএনজি চালকরা তাদের শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় একটি বাস ও বাস কাউন্টারে ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে দুপুর ১টা থেকে জেলার পাঁচটি রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা।
সরেজমিনে ভোলা সদরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, বাস শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ রেখে বাসস্ট্যান্ডের সামনে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
বিস্তারিত পড়ুন
পরে পুলিশ এসে সড়ক থেকে গাছের গুঁড়ি সরিয়ে অন্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। এ সময় সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশা পেলেই সেগুলো থামিয়ে বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে ঢুকিয়ে রাখতে দেখা যায় শ্রমিকদের।
ভোলা জেলা বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, চরফ্যাশন উপজেলা শহরে সিএনজি স্ট্যান্ড করে যাত্রী ওঠানামা করছিল চালকরা। আজ দুপুরে হঠাৎ সিএনজি শ্রমিকরা আমাদের বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি বাস ও কাউন্টারে ভাঙচুর করে।
এর প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে পাঁচটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোলা জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল গনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেছে। তবে বাস চলাচল এখনও বন্ধ রয়েছে। বাস চলাচল স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৮
ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা একটি চরে গরু চড়াতে গিয়ে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ভোলারচরে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন রাজাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নাসির সর্দারের ছেলে।
আহত ও তার স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বেশ কয়েক বছর আগে মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠে ‘ভোলারচর’ নামক চরটি।
এরপর সেখানে চরের প্রকৃত ভূমি মালিক নিজেরা এবং কেউ কেউ তাদের জমি নগদ খাজনায় চাষিদের কাছে লিজ দেন। এভাবে চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি সেখানের প্রায় ২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে চরটি দখল ও চাষিদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল একদল স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র।
আজ সকালে আহত সুমনসহ তার চাচাতো ভাইয়েরা চরে গরু চড়াতে গেলে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ সুমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এর আগে, গতকাল চরটি দখলের আশঙ্কায় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই মো. রুবেল ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চর পরিদর্শন করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
আহত সুমন অভিযোগ করে বলেন, চরে আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের জমি রয়েছে। নিজেরা সেখানে চাষাবাদ করছি এবং অন্যান্য জমি মালিকদের থেকে নগদ খাজনায় জমি লিজ নিয়ে সেখানে চাষিরা তরমুজের চাষ করেছেন।
এখন তরমুজ কাটার সময় হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ অন্যান্যরা আমাদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
আজ ভোরে আমিসহ আমার অন্যান্য চাচাতো ভাইয়েরা ফয়সাল, রিয়াজ জুয়েল, সিরাজ রিপন একত্রিত হয়ে চরে গরু চড়াতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা
আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাদের ওপর গুলি চালায়। তাদের গুলি ছোড়া দেখে আমরা একেকজন একেকদিকে দৌড় দিলে আমার শরীরে ৪টি গুলি লাগে। আমি এর বিচার চাই।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি চরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন ছররা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। জমিজমা বিরোধের অবসান হলে এসব বিরোধ থাকবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গতকাল পুলিশকে জানানো হয়েছিল চরে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন অবস্থান নিয়েছে- এমন খবরে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তবে গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা একটি চরে গরু চড়াতে গিয়ে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ভোলারচরে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন রাজাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নাসির সর্দারের ছেলে।
আহত ও তার স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বেশ কয়েক বছর আগে মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠে ‘ভোলারচর’ নামক চরটি।
এরপর সেখানে চরের প্রকৃত ভূমি মালিক নিজেরা এবং কেউ কেউ তাদের জমি নগদ খাজনায় চাষিদের কাছে লিজ দেন। এভাবে চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি সেখানের প্রায় ২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে চরটি দখল ও চাষিদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল একদল স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র।
আজ সকালে আহত সুমনসহ তার চাচাতো ভাইয়েরা চরে গরু চড়াতে গেলে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ সুমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এর আগে, গতকাল চরটি দখলের আশঙ্কায় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই মো. রুবেল ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চর পরিদর্শন করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
আহত সুমন অভিযোগ করে বলেন, চরে আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের জমি রয়েছে। নিজেরা সেখানে চাষাবাদ করছি এবং অন্যান্য জমি মালিকদের থেকে নগদ খাজনায় জমি লিজ নিয়ে সেখানে চাষিরা তরমুজের চাষ করেছেন।
এখন তরমুজ কাটার সময় হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ অন্যান্যরা আমাদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
আজ ভোরে আমিসহ আমার অন্যান্য চাচাতো ভাইয়েরা ফয়সাল, রিয়াজ জুয়েল, সিরাজ রিপন একত্রিত হয়ে চরে গরু চড়াতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা
আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাদের ওপর গুলি চালায়। তাদের গুলি ছোড়া দেখে আমরা একেকজন একেকদিকে দৌড় দিলে আমার শরীরে ৪টি গুলি লাগে। আমি এর বিচার চাই।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি চরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন ছররা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। জমিজমা বিরোধের অবসান হলে এসব বিরোধ থাকবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গতকাল পুলিশকে জানানো হয়েছিল চরে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন অবস্থান নিয়েছে- এমন খবরে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তবে গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১