বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভোলা থেকে ১৫টি লঞ্চ রিজার্ভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ১৫টি লঞ্চ ছাড়াও ভোলা-ঢাকা রুটে নিয়মিত চলাচল করা লঞ্চ ও সড়কপথে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাচ্ছেন। ভোলা থেকে দুই লাখ বিএনপির নেতাকর্মী তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট ও চরফ্যাশনের বেতুয়া লঞ্চঘাট থেকে একাধিক লঞ্চ বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। পর্যায়ক্রমে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোলা জেলার বিভিন্ন ঘাট থেকে রিজার্ভ লঞ্চগুলো ছেড়ে যাবে।
দীর্ঘ ১৮ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে এক প্রকার বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে দ্বীপজেলা ভোলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই এখন তারেক রহমানের দেশে ফেরার আলাপ। তাদের প্রিয় নেতাকে বরণ করতে ভোলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন জেলার প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক বিএনপি নেতাকর্মী।
ভোলা জেলা ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে জেলার ৭ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা ঢাকার ৩০০ ফিটের জনসভায় উপস্থিত হওয়ার লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। লঞ্চযোগে কেউ কেউ ইতিমধ্যে নিজ উদ্যোগে ঢাকায় পৌঁছেছেন, আবার কেউ কেউ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দলবদ্ধভাবে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন এবং ২৫ ডিসেম্বর সকালে একত্রিত হয়ে জনসভায় উপস্থিত হয়ে জনসভা শেষে তারা একই লঞ্চে ভোলায় ফিরবেন।
১৫টি লঞ্চের মধ্যে ভোলা সদর উপজেলা থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে ৪টি লঞ্চ, দৌলতখান থেকে ১টি, বোরহানউদ্দিন থেকে ২টি, লালমোহন থেকে ২টি, তজুমদ্দিন থেকে ১টি, চরফ্যাশন থেকে ৪টি ও মনপুরা উপজেলা থেকে ১টি।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ঢাকায় রওনা হওয়া বিএনপি কর্মী মো. হোসাইন ও সিদ্দীকুল্লাহ বলেন, ‘গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েও বিএনপির রাজনীতি ত্যাগ করিনি।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করেছি। আগামী ২৫ ডিসেম্বর শহীদ জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তাকে একনজর দেখতে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চযোগে যাত্রা করেছি।’
ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপি মনোনীত ভোলা-১ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর বলেন, ‘আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, গত ৫ আগস্ট দেশ দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীন হয়েছে। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বহুল কাঙ্ক্ষিত। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তিনি দেশে ফিরছেন, এটা আমাদের জন্য আনন্দের।
আমাদের নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে জেলার ৭ উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকা যাবেন। স্থানীয় উপজেলা বিএনপির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।

২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:৪৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভোলা থেকে ১৫টি লঞ্চ রিজার্ভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ১৫টি লঞ্চ ছাড়াও ভোলা-ঢাকা রুটে নিয়মিত চলাচল করা লঞ্চ ও সড়কপথে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাচ্ছেন। ভোলা থেকে দুই লাখ বিএনপির নেতাকর্মী তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট ও চরফ্যাশনের বেতুয়া লঞ্চঘাট থেকে একাধিক লঞ্চ বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। পর্যায়ক্রমে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোলা জেলার বিভিন্ন ঘাট থেকে রিজার্ভ লঞ্চগুলো ছেড়ে যাবে।
দীর্ঘ ১৮ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে এক প্রকার বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে দ্বীপজেলা ভোলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই এখন তারেক রহমানের দেশে ফেরার আলাপ। তাদের প্রিয় নেতাকে বরণ করতে ভোলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন জেলার প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক বিএনপি নেতাকর্মী।
ভোলা জেলা ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে জেলার ৭ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা ঢাকার ৩০০ ফিটের জনসভায় উপস্থিত হওয়ার লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। লঞ্চযোগে কেউ কেউ ইতিমধ্যে নিজ উদ্যোগে ঢাকায় পৌঁছেছেন, আবার কেউ কেউ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দলবদ্ধভাবে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন এবং ২৫ ডিসেম্বর সকালে একত্রিত হয়ে জনসভায় উপস্থিত হয়ে জনসভা শেষে তারা একই লঞ্চে ভোলায় ফিরবেন।
১৫টি লঞ্চের মধ্যে ভোলা সদর উপজেলা থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে ৪টি লঞ্চ, দৌলতখান থেকে ১টি, বোরহানউদ্দিন থেকে ২টি, লালমোহন থেকে ২টি, তজুমদ্দিন থেকে ১টি, চরফ্যাশন থেকে ৪টি ও মনপুরা উপজেলা থেকে ১টি।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ঢাকায় রওনা হওয়া বিএনপি কর্মী মো. হোসাইন ও সিদ্দীকুল্লাহ বলেন, ‘গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েও বিএনপির রাজনীতি ত্যাগ করিনি।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করেছি। আগামী ২৫ ডিসেম্বর শহীদ জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তাকে একনজর দেখতে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চযোগে যাত্রা করেছি।’
ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপি মনোনীত ভোলা-১ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর বলেন, ‘আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, গত ৫ আগস্ট দেশ দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীন হয়েছে। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বহুল কাঙ্ক্ষিত। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তিনি দেশে ফিরছেন, এটা আমাদের জন্য আনন্দের।
আমাদের নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে জেলার ৭ উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকা যাবেন। স্থানীয় উপজেলা বিএনপির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।’