
১৫ জুন, ২০২৫ ১৮:৪৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় অটোমেটিক ডাস্টবিন উদ্ভাবন করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মোস্তাকিম মাহি নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাতে লালমোহন পৌরসভা গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থী মোস্তাকিম মাহি লালমোহন বাজারের চালের আড়তদার মো. মনির হোসেনের ছেলে এবং লালমোহর সরকারি পলিটেকনিক্যালের নবম শ্রেণির ছাত্র। তার মা পশ্চিম বাউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।
শিক্ষার্থী মোস্তাকিম মাহির খালু মনির হাওলাদার জানান, মাহি পলিটেকনিক্যালে পড়ার কারণে নিজে নিজে নতুন কিছু উদ্ভাবনের চেষ্টা করতো। শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে মাহি তার রুমে বসে মোটর ও ফ্যান দিয়ে অটোমেটিক ডাস্টবিন তৈরির চেষ্টা করছিল।
এ সময় অসতর্কতাবশত বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘরের দেয়ালের কাছে ছিটকে পড়ে যায়। ঘটনার সময় তার বাবা-মা বাজারে ছিল। বাজার থেকে ফিরে তারা মাহিকে দেয়ালের সঙ্গে হেলে পড়ে থাকতে দেখেন।
এরপর দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক মোস্তাকিম মাহিকে মৃত ঘোষণা করেন। লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, শনিবার রাতে ওই শিক্ষার্থীর স্বজনরা তাকে হাসপাতালে আনেন।
তবে এখানে আনার আগেই মারা যায় ওই শিক্ষার্থী। এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় অটোমেটিক ডাস্টবিন উদ্ভাবন করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মোস্তাকিম মাহি নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাতে লালমোহন পৌরসভা গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থী মোস্তাকিম মাহি লালমোহন বাজারের চালের আড়তদার মো. মনির হোসেনের ছেলে এবং লালমোহর সরকারি পলিটেকনিক্যালের নবম শ্রেণির ছাত্র। তার মা পশ্চিম বাউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।
শিক্ষার্থী মোস্তাকিম মাহির খালু মনির হাওলাদার জানান, মাহি পলিটেকনিক্যালে পড়ার কারণে নিজে নিজে নতুন কিছু উদ্ভাবনের চেষ্টা করতো। শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে মাহি তার রুমে বসে মোটর ও ফ্যান দিয়ে অটোমেটিক ডাস্টবিন তৈরির চেষ্টা করছিল।
এ সময় অসতর্কতাবশত বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘরের দেয়ালের কাছে ছিটকে পড়ে যায়। ঘটনার সময় তার বাবা-মা বাজারে ছিল। বাজার থেকে ফিরে তারা মাহিকে দেয়ালের সঙ্গে হেলে পড়ে থাকতে দেখেন।
এরপর দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক মোস্তাকিম মাহিকে মৃত ঘোষণা করেন। লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, শনিবার রাতে ওই শিক্ষার্থীর স্বজনরা তাকে হাসপাতালে আনেন।
তবে এখানে আনার আগেই মারা যায় ওই শিক্ষার্থী। এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

১২ মে, ২০২৬ ১৮:২৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নিজেদের বসতঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সানজিদা (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানজিদা একই বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর মো.আলাউদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বলেও জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার বিকেলে নিহতের মা-বাবা কাজের সুবাদে বাড়ির বাহিরে অবস্থান করায় ঘরেই ছিলেন সানজিদা। পরবর্তীতে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘরে ফেরে সানজিদার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তার রুমে গিয়ে দেখেন সে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলে আছে।
এরপর তাদের ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু দায়ের হয়েছে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নিজেদের বসতঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সানজিদা (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানজিদা একই বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর মো.আলাউদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বলেও জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার বিকেলে নিহতের মা-বাবা কাজের সুবাদে বাড়ির বাহিরে অবস্থান করায় ঘরেই ছিলেন সানজিদা। পরবর্তীতে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘরে ফেরে সানজিদার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তার রুমে গিয়ে দেখেন সে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলে আছে।
এরপর তাদের ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু দায়ের হয়েছে।

১২ মে, ২০২৬ ১২:৫৩
ভোলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বিক্রির উদ্দেশে ২২ মণ ওজনের ‘কালাচান’ ও ১৮ মণ ওজনের ‘সাদাচান’ নামে দুটি গরু প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। যা আশপাশের লোকজনের মধ্যে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরমনোষা গ্রামের বেপারি বাড়িতে দুলাল বেপারি আসন্ন ঈদকে ঘিরে তার খামারে পরমযত্নে দেশীয় পদ্ধতিতে মোট ১০টি গরু লালন-পালন করছেন। এরমধ্যেই রয়েছে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের কালাচান ও সাদাচান।
কালাচানের দাম হাঁকাচ্ছেন ৮ লাখ টাকা ও সাদাচানের দাম ৭ লাখ টাকা। প্রতিটি গরুকে ভিন্নভাবে দৈনিক দুই বেলায় খাওয়ানো হয় ৯ কেজি করে ১৮ কেজি দাদানার খাবার। এ ছাড়া, খামারটির ছোট সাইজের আরও সাতটি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
সরেজমিনে খামারটি ঘুরে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি। এতে জড়িত রয়েছেন খামারির স্ত্রী ও ছেলে। এ যেন নিজেদের পরিবারেরই সদস্যে পরিণত হয়েছে গরুগুলো।
খামারি জানান, স্থানীয় মালেরহাট এলাকার একটি খামার থেকে কালাচান ও সাদাচানের মাকে ক্রয় করেন তিনি।
বাচ্চা প্রসবের পর পুনরায় প্রজনন ক্ষমতা হারানোয় হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের সেসব গরু বিক্রি করে বাচ্চা দুটিকে লালন-পালন শুরু করেন। বর্তমানে কালাচান ও সাদাচানের বয়স প্রায় তিন বছর।
খামারি দুলাল বেপারি বলেন, আমি পেশায় একজন গরুর বেপারী, কেনাবেচা করি। আমার খামারের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি গাভীর বাচ্চা হচ্ছে কালাচান আর সাদাচান।
গত তিন বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করতেছি। কালাচানের ওজন প্রায় ২২ মণ আর সাদাচানের ওজন প্রায় ১৮ মণ। কালাচানের দাম নির্ধারণ করেছি ৮ লাখ আর সাদাচানের দাম ৭ লাখ। মোট ১৫ লাখ টাকার কমে গরু দুটি বিক্রি করলে ক্ষতি হবে।
তিনি আরও বলেন, কালাচান আর সাদাচান আমার অনেক শখের গরু। গরুগুলোকে সন্তানের মতো আদর-যত্নে বড় করেছি। প্রতিটি গরুকে সকাল-বিকেল ৯ কেজি করে দানাদার খাবার খাওয়াই, এরমধ্যে রয়েছে ২ কেজি মিস্টি কুমড়া, ১ কেজি আলু, ১ কেজি গরুর ফিড, আড়াই কেজি ভুট্টার ভূসি ও আড়াই কেজি গমের ভূসি। এ ছাড়া, প্রতিদিন দুপুরে ৫ কেজি করে খেতে উৎপাদিত জার্মান ঘাস (নল ঘাস) খাওয়াই।
প্রতি শুক্রবারে ১ কেজি করে আপেল অথবা কমলা খাওয়াই। আসলে গত দেড় বছর ধরে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ভূসির দাম বেড়েছে প্রকারভেদে ২৫০-৪০০ টাকা, এতে বেড়েছে উৎপাদন খরচ।
খামারি দুলাল বেপারি আরও বলেন, আমি গরু দুটির আকাশছোঁয়া দাম নির্ধারণ করেনি, ১৫ লাখ টাকার কমে বিক্রি করলে আমার মূলধন উঠবে না, খরচ হয়েছে বেশি। এর কমে হলে গরুগুলো বিক্রি করবো না, খামারে রেখে আরও একবছর পালবো।
আমার গরুর কোনো ঝুঁকি নেই, কোনো অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা করিনি। এ ছাড়া, আমার খামারের ১০টি গরুর মধ্যে ৯টি গরু বিক্রি করবো, পরবর্তীতে আবার কিনবো। মূলত গরু পালন করার উদ্দেশ হলো- প্রতিদিন অল্পঅল্প করে বিনিয়োগ করি, পরবর্তীতে গরু বিক্রি করলে একসঙ্গে টাকা পাই। তবে আশা করছি, এ বছর ন্যায্য দামে আমার গরুগুলো বিক্রি করতে পারবো, এতে লাভবান হবো।
খামারির ছেলে মো. আমিন বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে লালন-পালন করতে করতে কালাচান ও সাদাচান আমাদের পরিবারের সদস্যে পরিণত হয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি খামারে গরুর যত্ন নেই। এতবড় গরু, অথচ আমাদের সঙ্গে শিশুর মতো আচরণ করে, গরুগুলো বিক্রির কথা মাথায় আসলে মন খারাপ হয়ে যায়।
ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুল আজিজুল ও সালাম বেপারি ঢাকা পোস্টকে বলেন, কালাচান ও সাদাচানের মতো এত বড় গরু আমাদের গ্রামে আর নেই। গরুগুলো দেখতে দূরদূরান্তের মানুষজন আসেন। সময় পেলেই আমরা গরুগুলো দেখতে যাই। আমাদেরও ইচ্ছে আছে দুলাল বেপারির মতো গরুর খামার দেব এবং বড় বড় গরু পালবো।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন বলেন, খামারি দুলাল বেপারি আমাদের সঙ্গে সার্বিক পরামর্শ করে প্রাকৃতিক উপায়ে কালাচান ও সাদাচানকে লালন-পালন করছেন। আশা করছি তিনি কাঙ্খিত দামে গরুগুলো বিক্রি করতে পারবেন এবং তিনি লাভবান হবেন। খামারিরা যেন লাভবান হতে পারেন সেজন্য আমরা তাদেরকে প্রযুক্তিগত অন্যান্য পরামর্শ প্রদান করছি।
ভোলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বিক্রির উদ্দেশে ২২ মণ ওজনের ‘কালাচান’ ও ১৮ মণ ওজনের ‘সাদাচান’ নামে দুটি গরু প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। যা আশপাশের লোকজনের মধ্যে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরমনোষা গ্রামের বেপারি বাড়িতে দুলাল বেপারি আসন্ন ঈদকে ঘিরে তার খামারে পরমযত্নে দেশীয় পদ্ধতিতে মোট ১০টি গরু লালন-পালন করছেন। এরমধ্যেই রয়েছে হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের কালাচান ও সাদাচান।
কালাচানের দাম হাঁকাচ্ছেন ৮ লাখ টাকা ও সাদাচানের দাম ৭ লাখ টাকা। প্রতিটি গরুকে ভিন্নভাবে দৈনিক দুই বেলায় খাওয়ানো হয় ৯ কেজি করে ১৮ কেজি দাদানার খাবার। এ ছাড়া, খামারটির ছোট সাইজের আরও সাতটি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
সরেজমিনে খামারটি ঘুরে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি। এতে জড়িত রয়েছেন খামারির স্ত্রী ও ছেলে। এ যেন নিজেদের পরিবারেরই সদস্যে পরিণত হয়েছে গরুগুলো।
খামারি জানান, স্থানীয় মালেরহাট এলাকার একটি খামার থেকে কালাচান ও সাদাচানের মাকে ক্রয় করেন তিনি।
বাচ্চা প্রসবের পর পুনরায় প্রজনন ক্ষমতা হারানোয় হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের সেসব গরু বিক্রি করে বাচ্চা দুটিকে লালন-পালন শুরু করেন। বর্তমানে কালাচান ও সাদাচানের বয়স প্রায় তিন বছর।
খামারি দুলাল বেপারি বলেন, আমি পেশায় একজন গরুর বেপারী, কেনাবেচা করি। আমার খামারের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি গাভীর বাচ্চা হচ্ছে কালাচান আর সাদাচান।
গত তিন বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করতেছি। কালাচানের ওজন প্রায় ২২ মণ আর সাদাচানের ওজন প্রায় ১৮ মণ। কালাচানের দাম নির্ধারণ করেছি ৮ লাখ আর সাদাচানের দাম ৭ লাখ। মোট ১৫ লাখ টাকার কমে গরু দুটি বিক্রি করলে ক্ষতি হবে।
তিনি আরও বলেন, কালাচান আর সাদাচান আমার অনেক শখের গরু। গরুগুলোকে সন্তানের মতো আদর-যত্নে বড় করেছি। প্রতিটি গরুকে সকাল-বিকেল ৯ কেজি করে দানাদার খাবার খাওয়াই, এরমধ্যে রয়েছে ২ কেজি মিস্টি কুমড়া, ১ কেজি আলু, ১ কেজি গরুর ফিড, আড়াই কেজি ভুট্টার ভূসি ও আড়াই কেজি গমের ভূসি। এ ছাড়া, প্রতিদিন দুপুরে ৫ কেজি করে খেতে উৎপাদিত জার্মান ঘাস (নল ঘাস) খাওয়াই।
প্রতি শুক্রবারে ১ কেজি করে আপেল অথবা কমলা খাওয়াই। আসলে গত দেড় বছর ধরে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ভূসির দাম বেড়েছে প্রকারভেদে ২৫০-৪০০ টাকা, এতে বেড়েছে উৎপাদন খরচ।
খামারি দুলাল বেপারি আরও বলেন, আমি গরু দুটির আকাশছোঁয়া দাম নির্ধারণ করেনি, ১৫ লাখ টাকার কমে বিক্রি করলে আমার মূলধন উঠবে না, খরচ হয়েছে বেশি। এর কমে হলে গরুগুলো বিক্রি করবো না, খামারে রেখে আরও একবছর পালবো।
আমার গরুর কোনো ঝুঁকি নেই, কোনো অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা করিনি। এ ছাড়া, আমার খামারের ১০টি গরুর মধ্যে ৯টি গরু বিক্রি করবো, পরবর্তীতে আবার কিনবো। মূলত গরু পালন করার উদ্দেশ হলো- প্রতিদিন অল্পঅল্প করে বিনিয়োগ করি, পরবর্তীতে গরু বিক্রি করলে একসঙ্গে টাকা পাই। তবে আশা করছি, এ বছর ন্যায্য দামে আমার গরুগুলো বিক্রি করতে পারবো, এতে লাভবান হবো।
খামারির ছেলে মো. আমিন বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে লালন-পালন করতে করতে কালাচান ও সাদাচান আমাদের পরিবারের সদস্যে পরিণত হয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি খামারে গরুর যত্ন নেই। এতবড় গরু, অথচ আমাদের সঙ্গে শিশুর মতো আচরণ করে, গরুগুলো বিক্রির কথা মাথায় আসলে মন খারাপ হয়ে যায়।
ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুল আজিজুল ও সালাম বেপারি ঢাকা পোস্টকে বলেন, কালাচান ও সাদাচানের মতো এত বড় গরু আমাদের গ্রামে আর নেই। গরুগুলো দেখতে দূরদূরান্তের মানুষজন আসেন। সময় পেলেই আমরা গরুগুলো দেখতে যাই। আমাদেরও ইচ্ছে আছে দুলাল বেপারির মতো গরুর খামার দেব এবং বড় বড় গরু পালবো।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন বলেন, খামারি দুলাল বেপারি আমাদের সঙ্গে সার্বিক পরামর্শ করে প্রাকৃতিক উপায়ে কালাচান ও সাদাচানকে লালন-পালন করছেন। আশা করছি তিনি কাঙ্খিত দামে গরুগুলো বিক্রি করতে পারবেন এবং তিনি লাভবান হবেন। খামারিরা যেন লাভবান হতে পারেন সেজন্য আমরা তাদেরকে প্রযুক্তিগত অন্যান্য পরামর্শ প্রদান করছি।

১১ মে, ২০২৬ ২০:৪৩
ভোলার লালমোহন উপজেলায় চরের ভূমিহীনদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেলে ভূমিহীনদের পক্ষ থেকে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া পশ্চিম বাজারে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এ সময় ভূমিহীনদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলেনে বক্তব্য রাখেন আব্দুল কাদের নামে এক ভুক্তভোগী।
তিনি বলেন, পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়মের চরকচুয়াখালীর পাশে ভুতুম চর অবস্থিত। গত বছর ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্পিকার মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে তার ছেলে শাহরুখ হাফিজ ডিকো ওই চরের খাস জমি সাড়ে চারশত ভূমিহীনদের দখল বুঝিয়ে দেন। এরপর ভূমিহীনরা ওইসব জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন।
তবে সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কচুয়াখালী এলাকার বাসিন্দা মহসীন হাওলাদার, কাশেম, জাফর হাজী, মোশারফ হাওলাদার, মিজান পিটারের নেতৃত্বে অন্তত অর্ধশত সন্ত্রাসী ভুতুম চরে গিয়ে ভূমিহীনদের দখলে থাকা ওইসব জমি দখলের চেষ্টা চালায়।
এ সময় চরে গিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা চালায় সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ভূমিহীনরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে মহসীন ও কাশেমের নেতৃত্বে থাকা সন্ত্রাসীরা চর থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। আমরা ওইসব সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।
সংবাদ সম্মেলন শেষে গাজারিয়া বাজারে ভুতুম চরের প্রায় শতাধিক ভূমিহীন বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন আব্দুল কাদের, আব্দুস সহিদ, মহিউদ্দিন, আবুল কালাম, সফিজল হক, আকবর, রফিক, সেলিম, ভুট্টো, জামাল মাঝি, শাহে আলম মাঝি, আব্দুল মালেকসহ আরো অনেকে। বিক্ষোভ মিছিলে চর দখল করতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিচার চেয়ে শ্লোগান দেন তারা।
অভিযোগের ব্যাপারে মহসীন হাওলাদার জানান, যারা সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা জোর করে জমি দখল করে আছে। আমাদের যাদের কাগজপত্র রয়েছে তারা চরে গিয়েছি জমি দেখতে, দখল করতে নয়। কিন্তু আমরা চরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জোর করে দখলকারীরা আমাদেরকে কুপিয়ে আহত করেছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো.অলিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় চরের ভূমিহীনদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেলে ভূমিহীনদের পক্ষ থেকে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া পশ্চিম বাজারে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এ সময় ভূমিহীনদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলেনে বক্তব্য রাখেন আব্দুল কাদের নামে এক ভুক্তভোগী।
তিনি বলেন, পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়মের চরকচুয়াখালীর পাশে ভুতুম চর অবস্থিত। গত বছর ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্পিকার মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে তার ছেলে শাহরুখ হাফিজ ডিকো ওই চরের খাস জমি সাড়ে চারশত ভূমিহীনদের দখল বুঝিয়ে দেন। এরপর ভূমিহীনরা ওইসব জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন।
তবে সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কচুয়াখালী এলাকার বাসিন্দা মহসীন হাওলাদার, কাশেম, জাফর হাজী, মোশারফ হাওলাদার, মিজান পিটারের নেতৃত্বে অন্তত অর্ধশত সন্ত্রাসী ভুতুম চরে গিয়ে ভূমিহীনদের দখলে থাকা ওইসব জমি দখলের চেষ্টা চালায়।
এ সময় চরে গিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা চালায় সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ভূমিহীনরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে মহসীন ও কাশেমের নেতৃত্বে থাকা সন্ত্রাসীরা চর থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। আমরা ওইসব সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।
সংবাদ সম্মেলন শেষে গাজারিয়া বাজারে ভুতুম চরের প্রায় শতাধিক ভূমিহীন বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন আব্দুল কাদের, আব্দুস সহিদ, মহিউদ্দিন, আবুল কালাম, সফিজল হক, আকবর, রফিক, সেলিম, ভুট্টো, জামাল মাঝি, শাহে আলম মাঝি, আব্দুল মালেকসহ আরো অনেকে। বিক্ষোভ মিছিলে চর দখল করতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিচার চেয়ে শ্লোগান দেন তারা।
অভিযোগের ব্যাপারে মহসীন হাওলাদার জানান, যারা সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা জোর করে জমি দখল করে আছে। আমাদের যাদের কাগজপত্র রয়েছে তারা চরে গিয়েছি জমি দেখতে, দখল করতে নয়। কিন্তু আমরা চরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জোর করে দখলকারীরা আমাদেরকে কুপিয়ে আহত করেছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো.অলিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.