
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
ভোলায় টিকাদান কেন্দ্রে যাওয়ার পথে মায়ের কোলে থাকা তিন মাসের এক শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের মালের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে নিয়মিত টিকা দেয়ার জন্য মা সুমাইয়া তার তিন মাস বয়সী কন্যা শিশু জিদনিকে নিয়ে মালের হাট টিকাকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন।
পথে মালের হাট ব্রিজের ওপর পৌঁছালে দুই অজ্ঞাতনামা মহিলা তার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে। প্রথমে তারা সাধারণভাবে আলাপ জুড়ে দেয়, এরপর কৌশলে সুমাইয়ার হাতে ২০০ টাকার একটি নোট দিয়ে জানতে চায় সেটি জাল কি না।
সুমাইয়া নোটটি হাতে নেয়ার পরপরই মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে ব্রিজের ওপর পড়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, নোটটির সঙ্গে কোনো অজ্ঞানকারী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। সুমাইয়া জ্ঞান হারানোর সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার কোলে থাকা শিশু জিদনিকে নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
কিছু সময় পর স্থানীয়দের সহায়তায় সুমাইয়ার জ্ঞান ফেরে। জ্ঞান ফিরে তিনি দেখেন, তার কোলে থাকা শিশু আর নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ব্রিজ ও আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
শিশুটির বাবা আবদুর রব (৩৫) পেশায় একজন বিল্ডিং সাব-কন্ট্রাক্টর। তিনি তিন সন্তানের জনক। চুরি হওয়া শিশু জিদনি তাদের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। পরিবারের অন্য দুই সন্তানের মধ্যে রয়েছে ৭ বছর বয়সী ছেলে জিহাদ ও ৩ বছর বয়সী মেয়ে জিন্নাত। ছোট্ট শিশুটিকে হারিয়ে বাবা-মা ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
শিশুটির চাচা জসিম চাকলাদার বলেন, দুইজন মহিলা আমার ভাবির সঙ্গে কথা বলে ব্রিজের ওপর দাঁড় করায়। তারা ২০০ টাকার একটি নোট দেয়। নোট হাতে নেয়ার কিছুক্ষণ পরই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর দেখা যায় শিশুটি নেই। আমরা আশপাশের সব জায়গায় খুঁজছি, কিন্তু কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ হতে পারে। স্থানীয়রা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও শিশুটিকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জিয়া উদ্দীন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং সম্ভাব্য সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি জানান।
এদিকে শিশুটির পরিবার প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি শিশুটির সন্ধান পেয়ে থাকেন, তাহলে ০১৭২৯৯৩০১৬২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
ভোলায় টিকাদান কেন্দ্রে যাওয়ার পথে মায়ের কোলে থাকা তিন মাসের এক শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের মালের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে নিয়মিত টিকা দেয়ার জন্য মা সুমাইয়া তার তিন মাস বয়সী কন্যা শিশু জিদনিকে নিয়ে মালের হাট টিকাকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন।
পথে মালের হাট ব্রিজের ওপর পৌঁছালে দুই অজ্ঞাতনামা মহিলা তার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে। প্রথমে তারা সাধারণভাবে আলাপ জুড়ে দেয়, এরপর কৌশলে সুমাইয়ার হাতে ২০০ টাকার একটি নোট দিয়ে জানতে চায় সেটি জাল কি না।
সুমাইয়া নোটটি হাতে নেয়ার পরপরই মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে ব্রিজের ওপর পড়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, নোটটির সঙ্গে কোনো অজ্ঞানকারী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। সুমাইয়া জ্ঞান হারানোর সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার কোলে থাকা শিশু জিদনিকে নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
কিছু সময় পর স্থানীয়দের সহায়তায় সুমাইয়ার জ্ঞান ফেরে। জ্ঞান ফিরে তিনি দেখেন, তার কোলে থাকা শিশু আর নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ব্রিজ ও আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
শিশুটির বাবা আবদুর রব (৩৫) পেশায় একজন বিল্ডিং সাব-কন্ট্রাক্টর। তিনি তিন সন্তানের জনক। চুরি হওয়া শিশু জিদনি তাদের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। পরিবারের অন্য দুই সন্তানের মধ্যে রয়েছে ৭ বছর বয়সী ছেলে জিহাদ ও ৩ বছর বয়সী মেয়ে জিন্নাত। ছোট্ট শিশুটিকে হারিয়ে বাবা-মা ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
শিশুটির চাচা জসিম চাকলাদার বলেন, দুইজন মহিলা আমার ভাবির সঙ্গে কথা বলে ব্রিজের ওপর দাঁড় করায়। তারা ২০০ টাকার একটি নোট দেয়। নোট হাতে নেয়ার কিছুক্ষণ পরই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর দেখা যায় শিশুটি নেই। আমরা আশপাশের সব জায়গায় খুঁজছি, কিন্তু কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ হতে পারে। স্থানীয়রা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও শিশুটিকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জিয়া উদ্দীন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং সম্ভাব্য সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি জানান।
এদিকে শিশুটির পরিবার প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি শিশুটির সন্ধান পেয়ে থাকেন, তাহলে ০১৭২৯৯৩০১৬২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০০
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২৯
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৮

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৩
ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোলা জেলার বাসিন্দা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।
এর আগে ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে সংশ্লিষ্টদের কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলেন এই আইনজীবী।
আবেদনে বলা হয়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা ভোলা, যার জনসংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১৮ লাখ, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে।
ভৌগোলিক অবস্থান বিচ্ছিন্ন, নদী ও সাগরবেষ্টিত হওয়ায় বরিশাল বা ঢাকায় গিয়ে জরুরি চিকিৎসা গ্রহণ করা অধিকাংশ সময়েই কষ্টসাধ্য, ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ হয়ে পড়ে। ফলে বহু রোগী সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাচ্ছেন, কিংবা স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও মানবিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।
স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি ভোলা জেলার স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন সাধিত হয়নি। জেলার একমাত্র সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল, জনবল সংকটপূর্ণ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি জনস্বার্থে গভীরভাবে চিন্তা ও উদ্বেগের।
ভোলার ভৌগোলিক অবস্থান বিচ্ছিন্ন এবং নদী ও সাগরবেষ্টিত হওয়ায় এই জেলার জনগণের জন্য চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য, ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। বরিশাল বা ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতে গিয়ে বহু রোগী সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করছেন কিংবা চিকিৎসা না পেয়ে স্থায়ী অসুস্থতাকে জীবনের সঙ্গী করে নিচ্ছেন।
জেলার একমাত্র সদর হাসপাতাল ও উপজেলা ভাতা কমপ্লেক্সগুলো প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল, জনবল সংকটপূর্ণ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
এছাড়াও জরুরি চিকিৎসা নিতে বরিশাল মেডিকেল কলেজে পৌঁছাতে ৪/৫ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এছাড়াও স্থল পথে যাতায়াতের কোনো ব্যবস্থা নেই।
এছাড়া, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) ও ৩২ অনুচ্ছেদে স্বাস্থ্যসেবা একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। অথচ ভোলার জনগণ এই অধিকার থেকে নিয়মিতভাবে বঞ্চিত প্রয়োজন, যা রাষ্ট্রের নীতিগত অঙ্গীকারের পরিপন্থি।
এই প্রেক্ষাপটে, ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও আধুনিক হাসপাতাল স্থাপন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী।
আইনজীবী বলেন, লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পরও ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করবো।
ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোলা জেলার বাসিন্দা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।
এর আগে ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে সংশ্লিষ্টদের কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলেন এই আইনজীবী।
আবেদনে বলা হয়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা ভোলা, যার জনসংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১৮ লাখ, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে।
ভৌগোলিক অবস্থান বিচ্ছিন্ন, নদী ও সাগরবেষ্টিত হওয়ায় বরিশাল বা ঢাকায় গিয়ে জরুরি চিকিৎসা গ্রহণ করা অধিকাংশ সময়েই কষ্টসাধ্য, ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ হয়ে পড়ে। ফলে বহু রোগী সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাচ্ছেন, কিংবা স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও মানবিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।
স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি ভোলা জেলার স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন সাধিত হয়নি। জেলার একমাত্র সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল, জনবল সংকটপূর্ণ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি জনস্বার্থে গভীরভাবে চিন্তা ও উদ্বেগের।
ভোলার ভৌগোলিক অবস্থান বিচ্ছিন্ন এবং নদী ও সাগরবেষ্টিত হওয়ায় এই জেলার জনগণের জন্য চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য, ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। বরিশাল বা ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতে গিয়ে বহু রোগী সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করছেন কিংবা চিকিৎসা না পেয়ে স্থায়ী অসুস্থতাকে জীবনের সঙ্গী করে নিচ্ছেন।
জেলার একমাত্র সদর হাসপাতাল ও উপজেলা ভাতা কমপ্লেক্সগুলো প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল, জনবল সংকটপূর্ণ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
এছাড়াও জরুরি চিকিৎসা নিতে বরিশাল মেডিকেল কলেজে পৌঁছাতে ৪/৫ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এছাড়াও স্থল পথে যাতায়াতের কোনো ব্যবস্থা নেই।
এছাড়া, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) ও ৩২ অনুচ্ছেদে স্বাস্থ্যসেবা একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। অথচ ভোলার জনগণ এই অধিকার থেকে নিয়মিতভাবে বঞ্চিত প্রয়োজন, যা রাষ্ট্রের নীতিগত অঙ্গীকারের পরিপন্থি।
এই প্রেক্ষাপটে, ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও আধুনিক হাসপাতাল স্থাপন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী।
আইনজীবী বলেন, লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পরও ভোলা জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করবো।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্তন শুনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক সন্তানের জননী ও বাকপ্রতিবন্ধী এক নারী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।
ভুক্তভোগী নারীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সে বাকপ্রতিবন্ধী নারী একসন্তানের জননী। তিনি গতকাল রবিবার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে যান।
রাত ৯টার দিকে স্থানীয় অটোরিকশা চালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোতে তুলে নিয়ে যায়। অটোরিকশাটি কীর্তনের নিকটস্থ ধোপাবাড়ির দরজায় পৌঁছালে সেখানে তিনজন মিলে ভুক্তভোগী নারীর মুখ চেপে ধরে সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে একের পর এক পালাক্রমে রাতভর ধর্ষণ করে।
শেষ রাতে চেতনা ফিরলে আহাজারি করতে শুরু করেনে ভুক্তভোগী নারী। এসময় তাকে ফেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
তজুমদ্দিন হাসপাতালের আরএমও ডা. সামছুল আলম সোহেল বলেন, ধর্ষণের শিকার যুবতীকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসলে তখনও তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্তন শুনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক সন্তানের জননী ও বাকপ্রতিবন্ধী এক নারী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।
ভুক্তভোগী নারীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সে বাকপ্রতিবন্ধী নারী একসন্তানের জননী। তিনি গতকাল রবিবার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে যান।
রাত ৯টার দিকে স্থানীয় অটোরিকশা চালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোতে তুলে নিয়ে যায়। অটোরিকশাটি কীর্তনের নিকটস্থ ধোপাবাড়ির দরজায় পৌঁছালে সেখানে তিনজন মিলে ভুক্তভোগী নারীর মুখ চেপে ধরে সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে একের পর এক পালাক্রমে রাতভর ধর্ষণ করে।
শেষ রাতে চেতনা ফিরলে আহাজারি করতে শুরু করেনে ভুক্তভোগী নারী। এসময় তাকে ফেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
তজুমদ্দিন হাসপাতালের আরএমও ডা. সামছুল আলম সোহেল বলেন, ধর্ষণের শিকার যুবতীকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসলে তখনও তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে ইয়াবাসহ নাসরুল হাওলাদার (২৮) নামে ছাত্রদলের এক সাবেক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া মাদরাসার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার নাসরুল হাওলাদার নলছিটি জেডএ ভুট্টো ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব ও পূর্ব কামদেবপুর এলাকার বেলায়েত হাওলাদারের ছেলে। পুলিশ জানায়, অভিযান চালিয়ে ৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হবে। নলছিটি উপজেলা ছাত্র দলের সদস্য সচিব সুজন খান বলেন,নাসরুল সাবেক কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব ছিলেন।
বর্তমানে ছাত্রদলের সাথে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। সে বিবাহিত তার বাচ্চাও রয়েছে। এ বিষয়ে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে ইয়াবাসহ নাসরুল হাওলাদার (২৮) নামে ছাত্রদলের এক সাবেক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া মাদরাসার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার নাসরুল হাওলাদার নলছিটি জেডএ ভুট্টো ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব ও পূর্ব কামদেবপুর এলাকার বেলায়েত হাওলাদারের ছেলে। পুলিশ জানায়, অভিযান চালিয়ে ৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হবে। নলছিটি উপজেলা ছাত্র দলের সদস্য সচিব সুজন খান বলেন,নাসরুল সাবেক কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব ছিলেন।
বর্তমানে ছাত্রদলের সাথে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। সে বিবাহিত তার বাচ্চাও রয়েছে। এ বিষয়ে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.