বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পূর্ব ভুতেরদিয়া দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুস সালাম সভাপতি এবং কুমারিয়ারপীঠ জাহিদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনোয়ার হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও কমিটির নির্বাহী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ আমিনা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ভুতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নাসির উদ্দিন।
গত ৩ আগস্ট বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীনের যৌথ স্বাক্ষরিত এক অনুমোদন পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির বিদায়ী সভাপতি জাহিদুর রহমান সিকদার এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমেদ সম্প্রতি চাকুরিজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করায় গত ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এক ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি চূড়ান্ত করে তা অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সোমবার কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সম্পাদকের অনুমোদনের পরে ওই নবকমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসাঃ আলেয়া ববিতা, কাজী এনায়েত হোসেন, নীলিমা আক্তার, সহ-সভাপতি হানিফ উদ্দিন খান, মঞ্জুর কবির, মঞ্জুয়ারা বেগম, জাহানারা আরজু, হাসিনা আক্তার, নির্বাহী সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক এবায়দুল হক, ইসরাত জাহান, যুগ্ম-সম্পাদক নুসরাত জাহান, নজরুল ইসলাম, আমিনা আক্তার তনু, সহ-সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, দবির হোসেন, কহিনুর আক্তার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান, মহিলা সম্পাদক রেবেকা সুলতানা, সহ-মহিলা সম্পাদক নাজনীন সুলতানা, অর্থ সম্পাদক আব্দুল হক, সহ-অর্থ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম,
দপ্তর সম্পাদক আবু তালেব, শিক্ষা সম্পাদক মাইনুল হাসান, সাহিত্য সম্পাদক মুরাদ হাসান, ধর্ম সম্পাদক উমর ফারুক, সংস্কৃতি ও বিনোদন সম্পাদক মোঃ ইমরান, যোগাযোগ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তানভীর হাসান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সিমা আক্তার, সমবায় সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক তন্ময় চন্দ্র রায়, আইসিটি সম্পাদক সুব্রত, ক্রীড়া সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমুন নাহার সুখী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক তাপতুন, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিপাশা হাই লুনা, কল্যাণ ট্রাস্ট সম্পাদক চৈতালি রানী দাস, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, নাট্য সম্পাদক মোসাঃ মানসুরা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক কাজল রেখা, কাব স্কাউটিং সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস, পরিকল্পনা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য দিলরুবা আক্তার, আসমা আক্তার এবং মোসাঃ তিবা।
নবনির্বাচিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা আগামী ৩ বছর দায়িত্ব পালন করবেন। নবকমিটির সাধারণ সম্পাদক কুমারিয়ারপীঠ জাহিদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ার হোসেন বলেন, 'অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সর্বসম্মতিক্রমে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি চূড়ান্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনের পরে আজ তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আমরা শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা, সাংগঠনিক ঐক্য এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে একযোগে কাজ করবো।' #

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৮
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে আছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।
এ প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা সেটা পুলিশ দেখবা। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সাথে সংগতি পূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে আছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।
এ প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা সেটা পুলিশ দেখবা। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সাথে সংগতি পূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া বাজার এলাকায় রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিচে সরকারি দুস্থদের জন্য বরাদ্দ শত শত কম্বল পড়ে থাকার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হলেও টানা বৃষ্টিতে কম্বলগুলো ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের উত্তর পাশে রাস্তার ধারে বিপুল পরিমাণ কম্বল পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৃত বাদশা হাওলাদারের ছেলে শাওন সজলের ব্যবহৃত একটি গোডাউন থেকে কম্বলগুলো বের করে সেখানে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, কম্বলগুলোর গায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম এবং সরকারি সিল থাকায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে শাওন সজল বলেন, “ঘরটি আমার ছোট ভাই আতিকুরের। তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন ঘরটি পরিত্যক্ত ছিল। স্থানীয় একটি ক্লাবের সংস্কারকাজ চলাকালে ক্লাবের সদস্যরা সেখানে কম্বলগুলো রেখেছিলেন। সম্প্রতি ঘরটি ভাড়া দেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা কম্বলগুলো বের করে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখে যান। এগুলোর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, গত বছরের ৫ আগস্টের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার মাধ্যমে কম্বলগুলো সরকারি গুদাম থেকে সরিয়ে ওই গোডাউনে রাখা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।
এই বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে আলোচনায় এলে উপজেলা প্রশাসন তা গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়।
উজিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, “বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা পেলে পুলিশ তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বলেন, ‘গত ৫ আগস্টের আগে কার মাধ্যমে বা কী কারণে কম্বলগুলো ওই গোডাউনে রাখা হয়েছিল এবং পরে কেন সেগুলো রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। সরকারি সম্পদ দ্রুত উদ্ধার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া বাজার এলাকায় রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিচে সরকারি দুস্থদের জন্য বরাদ্দ শত শত কম্বল পড়ে থাকার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হলেও টানা বৃষ্টিতে কম্বলগুলো ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের উত্তর পাশে রাস্তার ধারে বিপুল পরিমাণ কম্বল পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৃত বাদশা হাওলাদারের ছেলে শাওন সজলের ব্যবহৃত একটি গোডাউন থেকে কম্বলগুলো বের করে সেখানে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, কম্বলগুলোর গায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম এবং সরকারি সিল থাকায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে শাওন সজল বলেন, “ঘরটি আমার ছোট ভাই আতিকুরের। তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন ঘরটি পরিত্যক্ত ছিল। স্থানীয় একটি ক্লাবের সংস্কারকাজ চলাকালে ক্লাবের সদস্যরা সেখানে কম্বলগুলো রেখেছিলেন। সম্প্রতি ঘরটি ভাড়া দেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা কম্বলগুলো বের করে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখে যান। এগুলোর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, গত বছরের ৫ আগস্টের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার মাধ্যমে কম্বলগুলো সরকারি গুদাম থেকে সরিয়ে ওই গোডাউনে রাখা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।
এই বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে আলোচনায় এলে উপজেলা প্রশাসন তা গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়।
উজিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, “বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা পেলে পুলিশ তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বলেন, ‘গত ৫ আগস্টের আগে কার মাধ্যমে বা কী কারণে কম্বলগুলো ওই গোডাউনে রাখা হয়েছিল এবং পরে কেন সেগুলো রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। সরকারি সম্পদ দ্রুত উদ্ধার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫১
বরিশালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজ সংসদের ১৯তম সম্মেলন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে কাজী মারজানকে সভাপতি, অর্ণব রায়কে সাধারণ সম্পাদক এবং তন্নি দাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে ১৩ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) "নব নবীণের লাগি, প্রদীপ ধরিয়া আধারের বুকে আমরা রয়েছি জাগি" স্লোগানকে ধারণ করে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
কাউন্সিল অধিবেশনের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সমাবেশের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিষা ওয়াহিদ। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষকনেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উন্মেষ রায়।
এ সময়ে বক্তারা বলেন, শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণের ফলে এটি একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির পণ্যে পরিণত হয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে একই ধারার বিজ্ঞানভিত্তিক, গণমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। তারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষার সাম্প্রদায়িকীকরণ চলছে এবং দেশে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সমাজের অগ্রসর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে কাজী মারজান, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অর্ণব রায় এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তন্নি দাস নির্বাচিত হন।
নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাবরিনা মমতাজ, কোষাধ্যক্ষ সাদমান ইশরাক, দপ্তর সম্পাদক হাসিবুল হাসান, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেবুবুল বাশার নিভান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অর্পিতা দেবনাথ এবং সদস্য তরিকুল ইসলাম শোভন এবং সুজয় সরকার। কমিটির দুটি সদস্যপদ কো-অপ্টের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা সংসদের সভাপতি সুজয় সরকার নবনির্বাচিত নেতাদের শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ শেষে নবনির্বাচিত নেতারা বৈষম্যমূলক, অগণতান্ত্রিক ও সাম্প্রদায়িক শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বরিশালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজ সংসদের ১৯তম সম্মেলন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে কাজী মারজানকে সভাপতি, অর্ণব রায়কে সাধারণ সম্পাদক এবং তন্নি দাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে ১৩ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) "নব নবীণের লাগি, প্রদীপ ধরিয়া আধারের বুকে আমরা রয়েছি জাগি" স্লোগানকে ধারণ করে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
কাউন্সিল অধিবেশনের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সমাবেশের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিষা ওয়াহিদ। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষকনেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উন্মেষ রায়।
এ সময়ে বক্তারা বলেন, শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণের ফলে এটি একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির পণ্যে পরিণত হয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে একই ধারার বিজ্ঞানভিত্তিক, গণমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। তারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষার সাম্প্রদায়িকীকরণ চলছে এবং দেশে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সমাজের অগ্রসর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে কাজী মারজান, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অর্ণব রায় এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তন্নি দাস নির্বাচিত হন।
নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাবরিনা মমতাজ, কোষাধ্যক্ষ সাদমান ইশরাক, দপ্তর সম্পাদক হাসিবুল হাসান, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেবুবুল বাশার নিভান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অর্পিতা দেবনাথ এবং সদস্য তরিকুল ইসলাম শোভন এবং সুজয় সরকার। কমিটির দুটি সদস্যপদ কো-অপ্টের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা সংসদের সভাপতি সুজয় সরকার নবনির্বাচিত নেতাদের শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ শেষে নবনির্বাচিত নেতারা বৈষম্যমূলক, অগণতান্ত্রিক ও সাম্প্রদায়িক শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

০৫ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৪১
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পূর্ব ভুতেরদিয়া দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুস সালাম সভাপতি এবং কুমারিয়ারপীঠ জাহিদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনোয়ার হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও কমিটির নির্বাহী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ আমিনা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ভুতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নাসির উদ্দিন।
গত ৩ আগস্ট বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীনের যৌথ স্বাক্ষরিত এক অনুমোদন পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির বিদায়ী সভাপতি জাহিদুর রহমান সিকদার এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমেদ সম্প্রতি চাকুরিজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করায় গত ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এক ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি চূড়ান্ত করে তা অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সোমবার কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সম্পাদকের অনুমোদনের পরে ওই নবকমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসাঃ আলেয়া ববিতা, কাজী এনায়েত হোসেন, নীলিমা আক্তার, সহ-সভাপতি হানিফ উদ্দিন খান, মঞ্জুর কবির, মঞ্জুয়ারা বেগম, জাহানারা আরজু, হাসিনা আক্তার, নির্বাহী সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক এবায়দুল হক, ইসরাত জাহান, যুগ্ম-সম্পাদক নুসরাত জাহান, নজরুল ইসলাম, আমিনা আক্তার তনু, সহ-সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, দবির হোসেন, কহিনুর আক্তার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান, মহিলা সম্পাদক রেবেকা সুলতানা, সহ-মহিলা সম্পাদক নাজনীন সুলতানা, অর্থ সম্পাদক আব্দুল হক, সহ-অর্থ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম,
দপ্তর সম্পাদক আবু তালেব, শিক্ষা সম্পাদক মাইনুল হাসান, সাহিত্য সম্পাদক মুরাদ হাসান, ধর্ম সম্পাদক উমর ফারুক, সংস্কৃতি ও বিনোদন সম্পাদক মোঃ ইমরান, যোগাযোগ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তানভীর হাসান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সিমা আক্তার, সমবায় সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক তন্ময় চন্দ্র রায়, আইসিটি সম্পাদক সুব্রত, ক্রীড়া সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমুন নাহার সুখী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক তাপতুন, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিপাশা হাই লুনা, কল্যাণ ট্রাস্ট সম্পাদক চৈতালি রানী দাস, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, নাট্য সম্পাদক মোসাঃ মানসুরা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক কাজল রেখা, কাব স্কাউটিং সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস, পরিকল্পনা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য দিলরুবা আক্তার, আসমা আক্তার এবং মোসাঃ তিবা।
নবনির্বাচিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা আগামী ৩ বছর দায়িত্ব পালন করবেন। নবকমিটির সাধারণ সম্পাদক কুমারিয়ারপীঠ জাহিদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ার হোসেন বলেন, 'অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সর্বসম্মতিক্রমে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি চূড়ান্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনের পরে আজ তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আমরা শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা, সাংগঠনিক ঐক্য এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে একযোগে কাজ করবো।' #
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৪১
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৭
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৮
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৬