
০৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:৫৮
বরগুনার তালতলীতে প্রেমিকের অন্যত্র বিয়ে করার খবর পেয়ে প্রেমিকের বাড়ি এসে দুদিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে অনশনের খবর পেয়ে পালিয়ে গেছেন প্রেমিক আলম লস্কারের পরিবারের সদস্যরা। প্রেমিক আলম লস্কার (৩০) একই গ্রামের তনু লস্কারের ছেলে ও তালতলী উপজেলা নির্বাচন অফিসের নাইট গার্ড কর্মচারী।
রোববার (৩ আগস্ট) সকাল থেকে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের জাকিরতবক গ্রামে অনশন করছেন ওই তরুণী। অনশন করা প্রেমিকা বলেন, এক বছর আগে আলম লস্কারের সঙ্গে স্থানীয় ঘটকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। এরপর দুজনের মধ্যে সম্পর্ক হয়। পরে আলম বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে আসছে। পরে গত শুক্রবার (১ আগস্ট) থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
ওই তরুণী আরও বলেন, পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আলম পারিবারিকভাবে গত শুক্রবার (১ আগস্ট) অন্যত্র বিয়ে করেছেন। এটা শুনে আমি রোববার (৩ আগস্ট) সকালে তার বাড়িতে বিয়ের জন্য এসেছি। আজ সোমবার পর্যন্ত অনশন করে যাচ্ছি।
আমাকে আলম বিয়ে না করলে এই বাড়ি থেকে যাব না। এ সময় বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি দেন ওই তরুণী।এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলম লস্কারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। এজন্য তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ছোঠবগী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নীনা বেগম বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে তালতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি, এ বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরগুনার তালতলীতে প্রেমিকের অন্যত্র বিয়ে করার খবর পেয়ে প্রেমিকের বাড়ি এসে দুদিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে অনশনের খবর পেয়ে পালিয়ে গেছেন প্রেমিক আলম লস্কারের পরিবারের সদস্যরা। প্রেমিক আলম লস্কার (৩০) একই গ্রামের তনু লস্কারের ছেলে ও তালতলী উপজেলা নির্বাচন অফিসের নাইট গার্ড কর্মচারী।
রোববার (৩ আগস্ট) সকাল থেকে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের জাকিরতবক গ্রামে অনশন করছেন ওই তরুণী। অনশন করা প্রেমিকা বলেন, এক বছর আগে আলম লস্কারের সঙ্গে স্থানীয় ঘটকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। এরপর দুজনের মধ্যে সম্পর্ক হয়। পরে আলম বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে আসছে। পরে গত শুক্রবার (১ আগস্ট) থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
ওই তরুণী আরও বলেন, পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আলম পারিবারিকভাবে গত শুক্রবার (১ আগস্ট) অন্যত্র বিয়ে করেছেন। এটা শুনে আমি রোববার (৩ আগস্ট) সকালে তার বাড়িতে বিয়ের জন্য এসেছি। আজ সোমবার পর্যন্ত অনশন করে যাচ্ছি।
আমাকে আলম বিয়ে না করলে এই বাড়ি থেকে যাব না। এ সময় বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি দেন ওই তরুণী।এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলম লস্কারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। এজন্য তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ছোঠবগী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নীনা বেগম বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে তালতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি, এ বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১০
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'

০৫ জুন, ২০২৬ ১৩:২১
বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত মহিউদ্দিন (৪০) উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মহিউদ্দিন বাড়ির কাছের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।
সকাল পৌনে দশটার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় একটি বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে কাজ না করা এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য সকলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত মহিউদ্দিন (৪০) উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মহিউদ্দিন বাড়ির কাছের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।
সকাল পৌনে দশটার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় একটি বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে কাজ না করা এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য সকলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.