
০৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পিরোজপুরের কাউখালীতে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় প্রথম শ্রেণির নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র। কিন্তু এটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে গণপূর্ত বিভাগ ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। কেন্দ্রটি নির্মাণে ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হলেও অফিসের যন্ত্রপাতির হিসেব এখনো অজানাই রয়ে গেছে।
মূল ভবনের নির্মাণ শেষ হয় ২০১২ সালে এবং হস্তান্তর করা হয় ২০১৬ সালে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে কিছু সীমিত জনবল নিয়োগ দেওয়া হলেও তারা নিয়মিত অফিসে আসেন না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। নির্মাণের ৫ বছর পর আনসার নিয়োগ দেওয়া হলেও ছয় বছরেও প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো কার্যকর জনবল নিয়োগ হয়নি। এমনকি যে আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারও দেখা মেলে না নিয়মিত।
সম্প্রতি সরেজমিনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রটির মূল ফটকে তালা ঝুলছে। পাশের পকেট গেট থেকে অফিসে প্রবেশ করে দেখা যায় অফিস থাকলেও নেই সেবা, নেই কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রমের কোনো চিহ্ন। অফিস কক্ষগুলোতে বসার টেবিল সরিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিছানা, আর অফিসের আসবাবপত্র রাখা হয়েছে বাইরে। অফিস কক্ষে দড়ি টানিয়ে শুকানো হচ্ছে জামা কাপড়, চলছে রান্নাবান্নাও।
অফিস কক্ষগুলো যেন রীতিমতো একটি আবাসিক হোটেলে রূপ নিয়েছে। যেসব যন্ত্রপাতি প্রাথমিকভাবে বসানো হয়েছিল, সেগুলো এখন অব্যবহৃত।
সরকারি দপ্তরের এমন দায়সারা মনোভাব এবং অনিয়মের কারণে এই কেন্দ্রটি কার্যকারিতার বাইরে চলে গেছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, অফিসটির কর্মচারীদের দেখা যায় ‘কালেভদ্রে’। তাদের দাবি, অবিলম্বে কেন্দ্রটি সক্রিয় করে নৌরুটে যাতায়াতকারীদের সঠিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মারুফ হোসেন বলেন, ‘সাত থেকে আট বছর ধরে আমি এখানে বসবাস করছি। কিন্তু আমি কখনো সামনের গেট পর্যন্ত খুলতে দেখি নাই। মাঝে মধ্যে দুজন আনসারকে দেখা যায়। আবহাওয়া অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আমার চোখে পরে নাই।’
রিয়াদুল ইসলাম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘এই পথে প্রতিদিন যাতায়াত করি। কখনো এই অফিসের কোনো কার্যক্রম দেখি নাই। পিরোজপুর জেলার একমাত্র আবহাওয়া অফিসটি আমাদের খুব প্রয়োজন।’
ব্যবসায়ী সোয়াইব সিদ্দিক বলেন, ‘পিরোজপুর জেলা মূলত একটি উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীবেষ্টিত এলাকা। এখানে একটি আবহাওয়া অফিস আছে, কিন্তু আমরা কখনো এর কোনো সুফল পাইনি। এই অফিসে কোনো কার্যক্রম হয় না, কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আসে না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে অনতিবিলম্বে অফিসটির কার্যক্রম শুরু করা হয়।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ঢাকা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কাউখালী একটি কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। এখান থেকে দুটি নদী দুই রুটে বিভক্ত হয়েছে। একটি বরিশাল হয়ে ঢাকা এবং অন্যটি স্বরূপকাঠী হয়ে সন্ধ্যা নদী দিয়ে ঢাকা। ফলে এই জায়গাটিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র থাকার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে নির্মিত অফিসটির এমন বেহাল অবস্থা দেখে হতাশ স্থানীয়রা বলছেন, সরকার কোটি টাকা ব্যয় করলেও বাস্তবে কোনো সেবা মেলে না এখানে। বরং অফিসটা যেন এক পরিত্যক্ত ভবন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজেদুল হক বলেন, ‘আগের বিষয়ে কিছু জানি না। তবে, গতবছরের নভেম্বরের ৫ তারিখ থেকে আমি এখানে যোগদানের পর থেকে নিয়মিত অফিস চলছে। যত রকমের যন্ত্রপাতি আছে, সেগুলো নিয়মিত সংগ্রহ করছি। তবে কিছু কিছু যন্ত্রপাতি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ আছে। সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
অফিস কক্ষে বিছানা রাখার বিষয়ে মাজেদুল হক বলেন, ‘আমাদের যেহেতু ২৪ ঘণ্টা অফিস করতে হয়। সেজন্য রাতে যে থাকবেন, তার বিশ্রামের জন্য এটা তৈরি করা হয়েছে। তার বাইরে কিছু নয়।’
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পিরোজপুরের কাউখালীতে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় প্রথম শ্রেণির নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র। কিন্তু এটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে গণপূর্ত বিভাগ ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। কেন্দ্রটি নির্মাণে ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হলেও অফিসের যন্ত্রপাতির হিসেব এখনো অজানাই রয়ে গেছে।
মূল ভবনের নির্মাণ শেষ হয় ২০১২ সালে এবং হস্তান্তর করা হয় ২০১৬ সালে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে কিছু সীমিত জনবল নিয়োগ দেওয়া হলেও তারা নিয়মিত অফিসে আসেন না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। নির্মাণের ৫ বছর পর আনসার নিয়োগ দেওয়া হলেও ছয় বছরেও প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো কার্যকর জনবল নিয়োগ হয়নি। এমনকি যে আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারও দেখা মেলে না নিয়মিত।
সম্প্রতি সরেজমিনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রটির মূল ফটকে তালা ঝুলছে। পাশের পকেট গেট থেকে অফিসে প্রবেশ করে দেখা যায় অফিস থাকলেও নেই সেবা, নেই কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রমের কোনো চিহ্ন। অফিস কক্ষগুলোতে বসার টেবিল সরিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিছানা, আর অফিসের আসবাবপত্র রাখা হয়েছে বাইরে। অফিস কক্ষে দড়ি টানিয়ে শুকানো হচ্ছে জামা কাপড়, চলছে রান্নাবান্নাও।
অফিস কক্ষগুলো যেন রীতিমতো একটি আবাসিক হোটেলে রূপ নিয়েছে। যেসব যন্ত্রপাতি প্রাথমিকভাবে বসানো হয়েছিল, সেগুলো এখন অব্যবহৃত।
সরকারি দপ্তরের এমন দায়সারা মনোভাব এবং অনিয়মের কারণে এই কেন্দ্রটি কার্যকারিতার বাইরে চলে গেছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, অফিসটির কর্মচারীদের দেখা যায় ‘কালেভদ্রে’। তাদের দাবি, অবিলম্বে কেন্দ্রটি সক্রিয় করে নৌরুটে যাতায়াতকারীদের সঠিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মারুফ হোসেন বলেন, ‘সাত থেকে আট বছর ধরে আমি এখানে বসবাস করছি। কিন্তু আমি কখনো সামনের গেট পর্যন্ত খুলতে দেখি নাই। মাঝে মধ্যে দুজন আনসারকে দেখা যায়। আবহাওয়া অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আমার চোখে পরে নাই।’
রিয়াদুল ইসলাম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘এই পথে প্রতিদিন যাতায়াত করি। কখনো এই অফিসের কোনো কার্যক্রম দেখি নাই। পিরোজপুর জেলার একমাত্র আবহাওয়া অফিসটি আমাদের খুব প্রয়োজন।’
ব্যবসায়ী সোয়াইব সিদ্দিক বলেন, ‘পিরোজপুর জেলা মূলত একটি উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীবেষ্টিত এলাকা। এখানে একটি আবহাওয়া অফিস আছে, কিন্তু আমরা কখনো এর কোনো সুফল পাইনি। এই অফিসে কোনো কার্যক্রম হয় না, কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আসে না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে অনতিবিলম্বে অফিসটির কার্যক্রম শুরু করা হয়।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ঢাকা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কাউখালী একটি কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। এখান থেকে দুটি নদী দুই রুটে বিভক্ত হয়েছে। একটি বরিশাল হয়ে ঢাকা এবং অন্যটি স্বরূপকাঠী হয়ে সন্ধ্যা নদী দিয়ে ঢাকা। ফলে এই জায়গাটিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র থাকার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে নির্মিত অফিসটির এমন বেহাল অবস্থা দেখে হতাশ স্থানীয়রা বলছেন, সরকার কোটি টাকা ব্যয় করলেও বাস্তবে কোনো সেবা মেলে না এখানে। বরং অফিসটা যেন এক পরিত্যক্ত ভবন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজেদুল হক বলেন, ‘আগের বিষয়ে কিছু জানি না। তবে, গতবছরের নভেম্বরের ৫ তারিখ থেকে আমি এখানে যোগদানের পর থেকে নিয়মিত অফিস চলছে। যত রকমের যন্ত্রপাতি আছে, সেগুলো নিয়মিত সংগ্রহ করছি। তবে কিছু কিছু যন্ত্রপাতি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ আছে। সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
অফিস কক্ষে বিছানা রাখার বিষয়ে মাজেদুল হক বলেন, ‘আমাদের যেহেতু ২৪ ঘণ্টা অফিস করতে হয়। সেজন্য রাতে যে থাকবেন, তার বিশ্রামের জন্য এটা তৈরি করা হয়েছে। তার বাইরে কিছু নয়।’
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৮
পিরোজপুর ২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন আপন ছোট ভাই জাতীয় পার্টির (জেপি) ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সভাপতি মাহিবুল হোসেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন লড়বেন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। অন্যদিকে তার ভাই জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে লড়বেন।
পিরোজপুর ২ আসনে জেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হাসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই আসনের দুই প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং মাহিবুল হোসেন তার চাচাতো ভাই।’
পিরোজপুর ২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন আপন ছোট ভাই জাতীয় পার্টির (জেপি) ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সভাপতি মাহিবুল হোসেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন লড়বেন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। অন্যদিকে তার ভাই জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে লড়বেন।
পিরোজপুর ২ আসনে জেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হাসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই আসনের দুই প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং মাহিবুল হোসেন তার চাচাতো ভাই।’

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক সাইফ মিজান স্মৃতি সভা কক্ষ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রার্থীবৃন্দ।
এ সময় পিরোজপুর জেলার রিটানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পিরোজপুর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে ২ জন দলীয় প্রার্থী, পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনসহ ৬ জন ও পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুজ্জামানসহ ৬জন, এই ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক সাইফ মিজান স্মৃতি সভা কক্ষ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রার্থীবৃন্দ।
এ সময় পিরোজপুর জেলার রিটানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পিরোজপুর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে ২ জন দলীয় প্রার্থী, পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনসহ ৬ জন ও পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুজ্জামানসহ ৬জন, এই ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৩
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.