
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ইরানের ইসফাহান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২ হাজার পাউন্ড (প্রায় ৯০৭ কেজি) ওজনের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা ব্যবহার করে ইসফাহান শহরের একটি গোলাবারুদের ডিপো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
বাঙ্কার বাস্টার বোমা হলো বিশেষ ধরনের শক্তিশালী পেনিট্রেটর অস্ত্র, যা মাটির গভীরে বা পুরু কংক্রিটের নিচে থাকা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার জন্য তৈরি। সাধারণ বোমার মতো এটি মাটির ওপর বিস্ফোরিত হয় না; বরং প্রথমে লক্ষ্যবস্তুর ভেতরে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌঁছানোর পর বিস্ফোরিত হয়। এই বোমাগুলোর শক্ত ধাতব আবরণ কংক্রিট ও পাথর ভেদ করতে সক্ষম এবং এতে এমন ফিউজ ব্যবহার করা হয়, যা নির্দিষ্ট সময় বা গভীরতা অতিক্রম করার পর বিস্ফোরণ ঘটায়।
প্রায় ৯০০ কেজি ওজনের এই ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা এত মারাত্মক হওয়ার প্রধান কারণ হলো এর গভীর ভেদক্ষমতা এবং ভেতরে বিস্ফোরণের ক্ষমতা। এটি কয়েক মিটার পুরু কংক্রিট বা মাটির স্তর ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুর গভীরে পৌঁছে যায়। ফলে বিস্ফোরণটি ভেতরে ঘটায় প্রচণ্ড চাপ, তাপ এবং শকওয়েভ সীমাবদ্ধ স্থানে আটকে থেকে বহুগুণ বেশি ধ্বংস সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বাঙ্কার, অস্ত্রাগার, কমান্ড সেন্টার বা সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংসে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম এবং কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখতে জটিল ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ও বাঙ্কার নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। এই ধরনের অবকাঠামো সাধারণ বোমা দিয়ে ধ্বংস করা কঠিন হওয়ায় বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো সাধারণত আকাশ হামলা থেকে নিরাপদ থাকে, কিন্তু এই বিশেষ বোমা সেই নিরাপত্তা ভেঙে দিতে সক্ষম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে বিশাল বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হামলাটি ইসফাহান শহরের বাইরে মাউন্ট সোফেহ-সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত হয়েছে, যেখানে সামরিক স্থাপনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কথিতভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-এর অংশ, যেখানে মার্কিন বিমান বাহিনীর বি-২ স্পিরিট স্টেলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করা হয়।
ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের ব্যবহার নতুন নয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে বাঙ্কার নির্মাণ করা হয়েছিল। জার্মানির বার্লিনে অ্যাডলফ হিটলারের শেষ অবস্থানও ছিল একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এসব বাঙ্কার আরও জটিল ও শক্তিশালী হয়েছে, ফলে সেগুলো ধ্বংস করতে ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমার ব্যবহারও বেড়েছে।
বলা হয়, ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা আধুনিক যুদ্ধের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও ভয়ংকর অস্ত্র, যা বিশেষভাবে ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইরানের মতো দেশগুলো যখন তাদের সামরিক অবকাঠামো ভূগর্ভে স্থানান্তর করছে, তখন এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহারও বাড়ছে, যা যুদ্ধকে আরও জটিল ও বিধ্বংসী করে তুলছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গত ১৭ মার্চ ইরানের উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
ছবি- সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ইরানের ইসফাহান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২ হাজার পাউন্ড (প্রায় ৯০৭ কেজি) ওজনের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা ব্যবহার করে ইসফাহান শহরের একটি গোলাবারুদের ডিপো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
বাঙ্কার বাস্টার বোমা হলো বিশেষ ধরনের শক্তিশালী পেনিট্রেটর অস্ত্র, যা মাটির গভীরে বা পুরু কংক্রিটের নিচে থাকা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার জন্য তৈরি। সাধারণ বোমার মতো এটি মাটির ওপর বিস্ফোরিত হয় না; বরং প্রথমে লক্ষ্যবস্তুর ভেতরে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌঁছানোর পর বিস্ফোরিত হয়। এই বোমাগুলোর শক্ত ধাতব আবরণ কংক্রিট ও পাথর ভেদ করতে সক্ষম এবং এতে এমন ফিউজ ব্যবহার করা হয়, যা নির্দিষ্ট সময় বা গভীরতা অতিক্রম করার পর বিস্ফোরণ ঘটায়।
প্রায় ৯০০ কেজি ওজনের এই ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা এত মারাত্মক হওয়ার প্রধান কারণ হলো এর গভীর ভেদক্ষমতা এবং ভেতরে বিস্ফোরণের ক্ষমতা। এটি কয়েক মিটার পুরু কংক্রিট বা মাটির স্তর ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুর গভীরে পৌঁছে যায়। ফলে বিস্ফোরণটি ভেতরে ঘটায় প্রচণ্ড চাপ, তাপ এবং শকওয়েভ সীমাবদ্ধ স্থানে আটকে থেকে বহুগুণ বেশি ধ্বংস সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বাঙ্কার, অস্ত্রাগার, কমান্ড সেন্টার বা সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংসে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম এবং কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখতে জটিল ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ও বাঙ্কার নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। এই ধরনের অবকাঠামো সাধারণ বোমা দিয়ে ধ্বংস করা কঠিন হওয়ায় বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো সাধারণত আকাশ হামলা থেকে নিরাপদ থাকে, কিন্তু এই বিশেষ বোমা সেই নিরাপত্তা ভেঙে দিতে সক্ষম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে বিশাল বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হামলাটি ইসফাহান শহরের বাইরে মাউন্ট সোফেহ-সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত হয়েছে, যেখানে সামরিক স্থাপনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কথিতভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-এর অংশ, যেখানে মার্কিন বিমান বাহিনীর বি-২ স্পিরিট স্টেলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করা হয়।
ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের ব্যবহার নতুন নয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে বাঙ্কার নির্মাণ করা হয়েছিল। জার্মানির বার্লিনে অ্যাডলফ হিটলারের শেষ অবস্থানও ছিল একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এসব বাঙ্কার আরও জটিল ও শক্তিশালী হয়েছে, ফলে সেগুলো ধ্বংস করতে ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমার ব্যবহারও বেড়েছে।
বলা হয়, ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা আধুনিক যুদ্ধের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও ভয়ংকর অস্ত্র, যা বিশেষভাবে ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইরানের মতো দেশগুলো যখন তাদের সামরিক অবকাঠামো ভূগর্ভে স্থানান্তর করছে, তখন এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহারও বাড়ছে, যা যুদ্ধকে আরও জটিল ও বিধ্বংসী করে তুলছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গত ১৭ মার্চ ইরানের উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
২৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১৪