
০২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১০
বরিশালে এজলাস ভাঙচুরের আলোচিত মামলায় ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনকে জামিন আদেশ দিয়েছেন দ্রুত বিচার আদালত। বাকি এক আসামির জামিন বাতিল করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে দ্রুত বিচার আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম রাসেলের আদালত এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দ্রুত বিচার আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম রাসেলের কোর্টে জামিন শুনানি হয়। শুনানি শেষে ১২ জন আইনজীবীর মধ্যে ১১ জনকে ২০০ টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হলেও নম্বর আসামি মিজানুর রহমান সাঈদের জামিন বাতিল করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এই মামলায় আসামি পক্ষের অন্যতম আইনজীবী কে এম জুবায়ের জানান, আদালত সবকিছু বিশ্লেষণ করে একজন বাদে সবার জামিন মঞ্জুর করেছেন।
এর আগে দেশব্যাপী আলোচিত এই মামলার প্রধান আসামি সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ আগেই গ্রেপ্তার করে। অন্য আসামিরা হাজিরা দিয়ে জামিন প্রার্থনার সময় আদালতে একজন বাদে আর সবাইকে জামিন দেয়। এদিকে আসামির জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে জেলা জজ আদালতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। শত শত পুলিশের আদালত প্রাঙ্গণে সতর্ক অবস্থান দেখতে পাওয়া যায়।
বরিশালে আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন দেওয়ায় আইনজীবীদের আদালত বর্জনবরিশালে আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন দেওয়ায় আইনজীবীদের আদালত বর্জন উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, তালুকদার মো. ইউনূসকে জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।
এই ঘটনায়, ওইদিনই, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে প্রধান আসামি এবং আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার।
এই ঘটনায় গত মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার আইনজীবী সমিতির আদালত বর্জনের ঘোষণায় কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। সর্বশেষ রোববার থেকে আদালতের কার্যক্রম আবারও শুরু হয়।
বরিশালে এজলাস ভাঙচুরের আলোচিত মামলায় ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনকে জামিন আদেশ দিয়েছেন দ্রুত বিচার আদালত। বাকি এক আসামির জামিন বাতিল করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে দ্রুত বিচার আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম রাসেলের আদালত এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দ্রুত বিচার আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম রাসেলের কোর্টে জামিন শুনানি হয়। শুনানি শেষে ১২ জন আইনজীবীর মধ্যে ১১ জনকে ২০০ টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হলেও নম্বর আসামি মিজানুর রহমান সাঈদের জামিন বাতিল করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এই মামলায় আসামি পক্ষের অন্যতম আইনজীবী কে এম জুবায়ের জানান, আদালত সবকিছু বিশ্লেষণ করে একজন বাদে সবার জামিন মঞ্জুর করেছেন।
এর আগে দেশব্যাপী আলোচিত এই মামলার প্রধান আসামি সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ আগেই গ্রেপ্তার করে। অন্য আসামিরা হাজিরা দিয়ে জামিন প্রার্থনার সময় আদালতে একজন বাদে আর সবাইকে জামিন দেয়। এদিকে আসামির জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে জেলা জজ আদালতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। শত শত পুলিশের আদালত প্রাঙ্গণে সতর্ক অবস্থান দেখতে পাওয়া যায়।
বরিশালে আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন দেওয়ায় আইনজীবীদের আদালত বর্জনবরিশালে আওয়ামী লীগ নেতাকে জামিন দেওয়ায় আইনজীবীদের আদালত বর্জন উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, তালুকদার মো. ইউনূসকে জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।
এই ঘটনায়, ওইদিনই, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে প্রধান আসামি এবং আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার।
এই ঘটনায় গত মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার আইনজীবী সমিতির আদালত বর্জনের ঘোষণায় কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। সর্বশেষ রোববার থেকে আদালতের কার্যক্রম আবারও শুরু হয়।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০

০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৭
বরিশালে আদালতের এজলাসে হট্টগোল ও বিচারককে হুমকির মামলায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনসহ ১১ আইনজীবীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় আইনজীবী লিংকনকে। এ সময় অভিযুক্ত আরও ১১ আইনজীবী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মিরাজুল ইসলাম রাসেল ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনের জামিন মঞ্জুর করেন।
তবে ওই মামলার আসামি আইনজীবী মিজানুর রহমানের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
মামলায় জামিনপ্রাপ্তরা হলেন: বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ও বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান লিংকন, সাধারণ সম্পাদক মির্জা রিয়াজুল ইসলাম, বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আবুল কালাম আজাদ, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক নাজিমউদ্দিন পান্না, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মহসিন মন্টু, আব্দুল মালেক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি সাঈদ চৌধুরী, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু, মহানগর দায়রা জজ আদালতের এপিপি ও বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক আল ইমরান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন এবং বসিরউদ্দিন সবুজ।
বরিশাল জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিচারকের কাছে জামিন প্রার্থনা করলে একজন বাদে সবার জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত শনিবার সাধারণ মানুষ ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখতে আদালত বর্জন কর্মসূচি বাতিল করা হয়।’
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসের জামিন মঞ্জুর করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরীয়তউল্লাহ। বিচারকের দেওয়া সেই আদেশকে কেন্দ্র করে বিচারকের কাজে বাধা, এজলাসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ ১২ জন নামধারীসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রটে আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন মঙ্গু কন্যা অধ্যাপক ডা. জাহানারা লাইজু। চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
বর্তমানে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. লাইজু। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদিক (মহিলা বিষয়ক) এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডেশন মেম্বার।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ডা. জাহানারা লাইজু সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মোশাররফ হোসেন মঙুর কন্যা। তার পিতা বরিশাল-৩ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাসাসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
তার স্বামী অধ্যাপক ডা. এস. এম. খালিদ মাহমুদ শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সরাসরি অংশ নেন এবং জাসাসের শিল্পী হিসেবে আন্দোলনে গান পরিবেশন করেন। ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় আহতদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন বলে জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলেও পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন এবং পরে ফার্মাকোলজিতে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। একসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন এবং রবীন্দ্রসংগীতে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেন।
ডা. জাহানারা লাইজু বলেন, আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন রোগীদের সেবা করেছি। আমি দেখেছি, প্রান্তিক মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়া। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মানসম্মত প্রাইমারি হেলথকেয়ার নিশ্চিত করা গেলে হাসপাতালের ওপর চাপ অনেক কমবে।
তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও পুষ্টি সেবাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। আমি সংসদে গেলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, দরিদ্রবান্ধব চিকিৎসা নীতি প্রণয়ন এবং নারীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেব।
তার ভাষায়, স্বাস্থ্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে জনকল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনে শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন বণ্টনে বিএনপি সর্বাধিক সংখ্যক সংরক্ষিত ৩৫টি আসন পাবে।
বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন মঙ্গু কন্যা অধ্যাপক ডা. জাহানারা লাইজু। চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই নেতা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
বর্তমানে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. লাইজু। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদিক (মহিলা বিষয়ক) এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডেশন মেম্বার।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ডা. জাহানারা লাইজু সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মোশাররফ হোসেন মঙুর কন্যা। তার পিতা বরিশাল-৩ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাসাসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
তার স্বামী অধ্যাপক ডা. এস. এম. খালিদ মাহমুদ শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সরাসরি অংশ নেন এবং জাসাসের শিল্পী হিসেবে আন্দোলনে গান পরিবেশন করেন। ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় আহতদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন বলে জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলেও পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন এবং পরে ফার্মাকোলজিতে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। একসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন এবং রবীন্দ্রসংগীতে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেন।
ডা. জাহানারা লাইজু বলেন, আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন রোগীদের সেবা করেছি। আমি দেখেছি, প্রান্তিক মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়া। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মানসম্মত প্রাইমারি হেলথকেয়ার নিশ্চিত করা গেলে হাসপাতালের ওপর চাপ অনেক কমবে।
তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও পুষ্টি সেবাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। আমি সংসদে গেলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, দরিদ্রবান্ধব চিকিৎসা নীতি প্রণয়ন এবং নারীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেব।
তার ভাষায়, স্বাস্থ্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে জনকল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনে শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন বণ্টনে বিএনপি সর্বাধিক সংখ্যক সংরক্ষিত ৩৫টি আসন পাবে।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হলেন বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম (মণি)। সোমবার সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের বরাত দিয়ে ওই নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ আছে। এর আগে বরিশাল বিভাগ থেকে দুজন পূর্ণ মন্ত্রী ও তিনজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নবগঠিত মন্ত্রিসভায়। এবার মন্ত্রীর পদমর্যাদায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিয়োগ পেলেন নুরুল ইসলাম (মণি)। ফলে বরিশাল বিভাগে ঝালকাঠি ছাড়া অন্য পাঁচটি জেলা থেকেই এবার মন্ত্রী হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় দুজন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।
নুরুল ইসলাম বরগুনা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অষ্টম জাতীয় সংসদে তিনি বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর আগে এই বিভাগ থেকে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হয়েছিলেন বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ।
নুরুল ইসলাম মণি ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০১ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের প্রার্থীকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন।
বরিশাল বিভাগে প্রায় ৪৬ বছর পর নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বিএনপি। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে এবার বিএনপি ও জোটের প্রার্থীরা ১৮টিতে জয় পেয়েছেন। এর আগে ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি বরিশাল বিভাগে ১৮টি আসনে জয়ী হয়েছিল।
বরিশাল বিভাগ থেকে বিএনপি ও মিত্রজোটের পাঁচজন গত ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠিত মন্ত্রীসভায় স্থান পান। এদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এ ছাড়া বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, পিরোজপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর এবং পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির মিত্র জোট গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হলেন বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম (মণি)। সোমবার সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের বরাত দিয়ে ওই নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ আছে। এর আগে বরিশাল বিভাগ থেকে দুজন পূর্ণ মন্ত্রী ও তিনজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নবগঠিত মন্ত্রিসভায়। এবার মন্ত্রীর পদমর্যাদায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিয়োগ পেলেন নুরুল ইসলাম (মণি)। ফলে বরিশাল বিভাগে ঝালকাঠি ছাড়া অন্য পাঁচটি জেলা থেকেই এবার মন্ত্রী হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় দুজন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।
নুরুল ইসলাম বরগুনা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অষ্টম জাতীয় সংসদে তিনি বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর আগে এই বিভাগ থেকে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হয়েছিলেন বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ।
নুরুল ইসলাম মণি ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০১ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের প্রার্থীকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন।
বরিশাল বিভাগে প্রায় ৪৬ বছর পর নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বিএনপি। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে এবার বিএনপি ও জোটের প্রার্থীরা ১৮টিতে জয় পেয়েছেন। এর আগে ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি বরিশাল বিভাগে ১৮টি আসনে জয়ী হয়েছিল।
বরিশাল বিভাগ থেকে বিএনপি ও মিত্রজোটের পাঁচজন গত ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠিত মন্ত্রীসভায় স্থান পান। এদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এ ছাড়া বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, পিরোজপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর এবং পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির মিত্র জোট গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।
বরিশালে আদালতের এজলাসে হট্টগোল ও বিচারককে হুমকির মামলায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনসহ ১১ আইনজীবীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় আইনজীবী লিংকনকে। এ সময় অভিযুক্ত আরও ১১ আইনজীবী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মিরাজুল ইসলাম রাসেল ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনের জামিন মঞ্জুর করেন।
তবে ওই মামলার আসামি আইনজীবী মিজানুর রহমানের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
মামলায় জামিনপ্রাপ্তরা হলেন: বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ও বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান লিংকন, সাধারণ সম্পাদক মির্জা রিয়াজুল ইসলাম, বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আবুল কালাম আজাদ, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক নাজিমউদ্দিন পান্না, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মহসিন মন্টু, আব্দুল মালেক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি সাঈদ চৌধুরী, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু, মহানগর দায়রা জজ আদালতের এপিপি ও বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক আল ইমরান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন এবং বসিরউদ্দিন সবুজ।
বরিশাল জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিচারকের কাছে জামিন প্রার্থনা করলে একজন বাদে সবার জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত শনিবার সাধারণ মানুষ ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখতে আদালত বর্জন কর্মসূচি বাতিল করা হয়।’
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসের জামিন মঞ্জুর করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরীয়তউল্লাহ। বিচারকের দেওয়া সেই আদেশকে কেন্দ্র করে বিচারকের কাজে বাধা, এজলাসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ ১২ জন নামধারীসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রটে আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার।
বরিশাল টাইমস
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫