
১১ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:৫২
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) টিএসসিসি ভবনে শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে এরশাদের সঙ্গে যেমন কোনো আপোষ করা হয়নি, তেমনি রক্তচোষা হাসিনার সঙ্গেও খালেদা জিয়া কোনো আপোষ করেননি। সেই প্রেরণায় আমরা কাজ করছি। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ৫ আগস্টেও তা প্রকাশ পেয়েছিল, যেখানে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। তাই ৭ নভেম্বরকে অল্প পরিসরে বলা যায় না। এই দিনে আমরা সত্যিকারের স্বাধীনতা পেয়েছি। স্বাধীনতার জন্য একজন তূর্যবাদক প্রয়োজন, যিনি নির্ভয়ে সাহসিকতার সঙ্গে স্বাধীনতার যুদ্ধ পরিচালনা করেন। ৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা একে এর প্রমাণ। ঠিক একইভাবে ৭ নভেম্বরও মেজর জিয়া আবার রেডিওতে ‘আমি জিয়া বলছি’ বলে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ৭ নভেম্বরের মূল নায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান।
রিজভী বলেন, রাকসু নির্বাচন হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সহাবস্থান তৈরি হয়েছে, যা পূর্বের ফ্যাসিবাদী আমলে ছিল না। ফ্যাসিবাদ যেখানে জন্মায়, সেখানে গণতন্ত্রের ন্যূনতম স্থানও থাকে না। ফ্যাসিবাদের ছোবলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন, সংবাদপত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আক্রান্ত হয়। তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শেখ হাসিনার শাসন একনায়কতন্ত্র নয়, বরং ফ্যাসিবাদী শাসনের চেয়েও খারাপ ছিল। সেই সময় ক্যাম্পাসে কোনো সহাবস্থান ছিল না। ছাত্রদল নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেনি। নেতাকর্মীরা ক্লাসরুম বা লাইব্রেরিতে স্বাভাবিকভাবে যেতে পারেননি। এই পরিস্থিতি ছাত্রদলকে ১৫-১৬ বছর অতিক্রম করতে হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, জুলাই-আগস্টে অংশগ্রহণের সময় আমাদের ১৪২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে। তবে অনিয়মে ভরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোতে ছাত্রদল প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি। বিভিন্ন অনিয়ম ও ষড়যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও মনে করি ছাত্রদলের আরও ভালো ফলাফল করা উচিত ছিল। ডাকসু এবং জাকসুতে যারা নির্বাচিত হয়েছে, তারা তখন ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে ছাত্রদল বা অন্যান্য সংগঠনের যারা নির্বাচন করেছিল, তারা সেই সময় হলে অবস্থান করতে পারেনি, শুধু ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে থাকার কারণে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দুইটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পর আমি ভাবছিলাম, বাংলাদেশে যতগুলো ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে, নির্বাচিত ভিপি, জিএসদের পেছনে ছাত্রলীগের পদ-পদবী থাকা যেন শর্ত হয়ে যাচ্ছে। হয়তো চারটি নির্বাচনে আমরা পরাজিত হয়েছি, কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগোতে হবে।
রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ শহীদ জিয়াউর রহমানকে বন্দি করেছিলেন। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ সিপাহী জনতা ৭ নভেম্বর তাকে মুক্ত করে এনেছিল। এই দিনটি শুধু একটি সাধারণ তারিখ নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে প্রকাশ করে। বাংলাদেশের সার্বভৌম মর্যাদা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, ফোকলোর বিভাগের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বাবু, শিক্ষক ফোরামের সভাপতি আব্দুল আলিম ও জিয়া পরিষদের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) টিএসসিসি ভবনে শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে এরশাদের সঙ্গে যেমন কোনো আপোষ করা হয়নি, তেমনি রক্তচোষা হাসিনার সঙ্গেও খালেদা জিয়া কোনো আপোষ করেননি। সেই প্রেরণায় আমরা কাজ করছি। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ৫ আগস্টেও তা প্রকাশ পেয়েছিল, যেখানে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। তাই ৭ নভেম্বরকে অল্প পরিসরে বলা যায় না। এই দিনে আমরা সত্যিকারের স্বাধীনতা পেয়েছি। স্বাধীনতার জন্য একজন তূর্যবাদক প্রয়োজন, যিনি নির্ভয়ে সাহসিকতার সঙ্গে স্বাধীনতার যুদ্ধ পরিচালনা করেন। ৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা একে এর প্রমাণ। ঠিক একইভাবে ৭ নভেম্বরও মেজর জিয়া আবার রেডিওতে ‘আমি জিয়া বলছি’ বলে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ৭ নভেম্বরের মূল নায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান।
রিজভী বলেন, রাকসু নির্বাচন হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সহাবস্থান তৈরি হয়েছে, যা পূর্বের ফ্যাসিবাদী আমলে ছিল না। ফ্যাসিবাদ যেখানে জন্মায়, সেখানে গণতন্ত্রের ন্যূনতম স্থানও থাকে না। ফ্যাসিবাদের ছোবলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন, সংবাদপত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আক্রান্ত হয়। তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শেখ হাসিনার শাসন একনায়কতন্ত্র নয়, বরং ফ্যাসিবাদী শাসনের চেয়েও খারাপ ছিল। সেই সময় ক্যাম্পাসে কোনো সহাবস্থান ছিল না। ছাত্রদল নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেনি। নেতাকর্মীরা ক্লাসরুম বা লাইব্রেরিতে স্বাভাবিকভাবে যেতে পারেননি। এই পরিস্থিতি ছাত্রদলকে ১৫-১৬ বছর অতিক্রম করতে হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, জুলাই-আগস্টে অংশগ্রহণের সময় আমাদের ১৪২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে। তবে অনিয়মে ভরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোতে ছাত্রদল প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি। বিভিন্ন অনিয়ম ও ষড়যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও মনে করি ছাত্রদলের আরও ভালো ফলাফল করা উচিত ছিল। ডাকসু এবং জাকসুতে যারা নির্বাচিত হয়েছে, তারা তখন ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে ছাত্রদল বা অন্যান্য সংগঠনের যারা নির্বাচন করেছিল, তারা সেই সময় হলে অবস্থান করতে পারেনি, শুধু ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে থাকার কারণে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দুইটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পর আমি ভাবছিলাম, বাংলাদেশে যতগুলো ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে, নির্বাচিত ভিপি, জিএসদের পেছনে ছাত্রলীগের পদ-পদবী থাকা যেন শর্ত হয়ে যাচ্ছে। হয়তো চারটি নির্বাচনে আমরা পরাজিত হয়েছি, কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগোতে হবে।
রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ শহীদ জিয়াউর রহমানকে বন্দি করেছিলেন। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ সিপাহী জনতা ৭ নভেম্বর তাকে মুক্ত করে এনেছিল। এই দিনটি শুধু একটি সাধারণ তারিখ নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে প্রকাশ করে। বাংলাদেশের সার্বভৌম মর্যাদা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, ফোকলোর বিভাগের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বাবু, শিক্ষক ফোরামের সভাপতি আব্দুল আলিম ও জিয়া পরিষদের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৩
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৪৮
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৭
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫২

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
‘বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’—জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কিনা—সেই চিন্তা আমাদের করতে হবে।
তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, সেভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণ ও বিশ্ববাসীর কাছে এই নির্বাচন স্বীকৃত।
দীর্ঘ ১৮ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং আন্তর্জাতিক মহলে এই নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এমন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিয়ে জামাত আমিরের বিতর্কিত মন্তব্য শুধু অনভিপ্রেত নয় বরং এটি সুস্থ চিন্তার পরিপন্থী।’
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্য বিএনপি কেবল প্রত্যাখ্যানই করছে না বরং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ৫ আগস্টের পর আমরা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ পেয়েছি, একটি বিশেষ পক্ষ বারবার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করতে চাইছে। তারা দেশকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দিতে চায় কি না, তা দেশবাসীকে ভেবে দেখতে হবে।’
‘বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’—জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কিনা—সেই চিন্তা আমাদের করতে হবে।
তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, সেভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণ ও বিশ্ববাসীর কাছে এই নির্বাচন স্বীকৃত।
দীর্ঘ ১৮ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং আন্তর্জাতিক মহলে এই নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এমন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিয়ে জামাত আমিরের বিতর্কিত মন্তব্য শুধু অনভিপ্রেত নয় বরং এটি সুস্থ চিন্তার পরিপন্থী।’
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্য বিএনপি কেবল প্রত্যাখ্যানই করছে না বরং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ৫ আগস্টের পর আমরা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ পেয়েছি, একটি বিশেষ পক্ষ বারবার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করতে চাইছে। তারা দেশকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দিতে চায় কি না, তা দেশবাসীকে ভেবে দেখতে হবে।’

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন রনি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা দলটিতে যোগ দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
সূত্রে জানা গেছে, ইসহাক সরকারকে এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এই লক্ষ্যে বর্তমান আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ পদত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
ইসহাক সরকার ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তিন শতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি মামলায় আদালত থেকে তিনি খালাসও পান।
সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন ইসহাক সরকার। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
একই অনুষ্ঠানে এনসিপিতে যোগ দেয়া মহিউদ্দিন রনি রেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। অন্যদিকে নুরুজ্জামান কাফি তার জনপ্রিয় সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিত মুখ। নতুন রাজনৈতিক এই প্ল্যাটফর্মে তাদের অন্তর্ভুক্তি এনসিপিকে আরও চাঙা করবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।’
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন রনি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা দলটিতে যোগ দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
সূত্রে জানা গেছে, ইসহাক সরকারকে এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এই লক্ষ্যে বর্তমান আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ পদত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
ইসহাক সরকার ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তিন শতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি মামলায় আদালত থেকে তিনি খালাসও পান।
সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন ইসহাক সরকার। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
একই অনুষ্ঠানে এনসিপিতে যোগ দেয়া মহিউদ্দিন রনি রেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। অন্যদিকে নুরুজ্জামান কাফি তার জনপ্রিয় সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিত মুখ। নতুন রাজনৈতিক এই প্ল্যাটফর্মে তাদের অন্তর্ভুক্তি এনসিপিকে আরও চাঙা করবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৯
তেজগাঁও থানায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম ও তার শিশু সন্তান জামিন পেয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। এদিকে ওই নেত্রীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে নিতে তার সহকর্মীরা সকাল থেকেই কারাগার ফটকে অপেক্ষা করেন৷
তেজগাঁও এলাকার শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি আমাদের এলাকার বড় বোন। একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। তার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল, তা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের কারণে আদালত মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন দেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
কারা ফটকে শিল্পী বেগম বলেন, আমাকে পুলিশ ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু কোনো পদ-পদবি নেই৷ আমাকে মুক্তি দিয়েছে এজন্য আমি আইনের প্রতি কৃতজ্ঞ৷
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে মঙ্গলবার রাতে শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরানকে সঙ্গে নিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান।
তেজগাঁও থানায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম ও তার শিশু সন্তান জামিন পেয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। এদিকে ওই নেত্রীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে নিতে তার সহকর্মীরা সকাল থেকেই কারাগার ফটকে অপেক্ষা করেন৷
তেজগাঁও এলাকার শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি আমাদের এলাকার বড় বোন। একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। তার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল, তা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের কারণে আদালত মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন দেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
কারা ফটকে শিল্পী বেগম বলেন, আমাকে পুলিশ ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু কোনো পদ-পদবি নেই৷ আমাকে মুক্তি দিয়েছে এজন্য আমি আইনের প্রতি কৃতজ্ঞ৷
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে মঙ্গলবার রাতে শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরানকে সঙ্গে নিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.