
১১ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:৫২
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) টিএসসিসি ভবনে শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে এরশাদের সঙ্গে যেমন কোনো আপোষ করা হয়নি, তেমনি রক্তচোষা হাসিনার সঙ্গেও খালেদা জিয়া কোনো আপোষ করেননি। সেই প্রেরণায় আমরা কাজ করছি। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ৫ আগস্টেও তা প্রকাশ পেয়েছিল, যেখানে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। তাই ৭ নভেম্বরকে অল্প পরিসরে বলা যায় না। এই দিনে আমরা সত্যিকারের স্বাধীনতা পেয়েছি। স্বাধীনতার জন্য একজন তূর্যবাদক প্রয়োজন, যিনি নির্ভয়ে সাহসিকতার সঙ্গে স্বাধীনতার যুদ্ধ পরিচালনা করেন। ৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা একে এর প্রমাণ। ঠিক একইভাবে ৭ নভেম্বরও মেজর জিয়া আবার রেডিওতে ‘আমি জিয়া বলছি’ বলে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ৭ নভেম্বরের মূল নায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান।
রিজভী বলেন, রাকসু নির্বাচন হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সহাবস্থান তৈরি হয়েছে, যা পূর্বের ফ্যাসিবাদী আমলে ছিল না। ফ্যাসিবাদ যেখানে জন্মায়, সেখানে গণতন্ত্রের ন্যূনতম স্থানও থাকে না। ফ্যাসিবাদের ছোবলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন, সংবাদপত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আক্রান্ত হয়। তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শেখ হাসিনার শাসন একনায়কতন্ত্র নয়, বরং ফ্যাসিবাদী শাসনের চেয়েও খারাপ ছিল। সেই সময় ক্যাম্পাসে কোনো সহাবস্থান ছিল না। ছাত্রদল নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেনি। নেতাকর্মীরা ক্লাসরুম বা লাইব্রেরিতে স্বাভাবিকভাবে যেতে পারেননি। এই পরিস্থিতি ছাত্রদলকে ১৫-১৬ বছর অতিক্রম করতে হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, জুলাই-আগস্টে অংশগ্রহণের সময় আমাদের ১৪২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে। তবে অনিয়মে ভরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোতে ছাত্রদল প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি। বিভিন্ন অনিয়ম ও ষড়যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও মনে করি ছাত্রদলের আরও ভালো ফলাফল করা উচিত ছিল। ডাকসু এবং জাকসুতে যারা নির্বাচিত হয়েছে, তারা তখন ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে ছাত্রদল বা অন্যান্য সংগঠনের যারা নির্বাচন করেছিল, তারা সেই সময় হলে অবস্থান করতে পারেনি, শুধু ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে থাকার কারণে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দুইটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পর আমি ভাবছিলাম, বাংলাদেশে যতগুলো ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে, নির্বাচিত ভিপি, জিএসদের পেছনে ছাত্রলীগের পদ-পদবী থাকা যেন শর্ত হয়ে যাচ্ছে। হয়তো চারটি নির্বাচনে আমরা পরাজিত হয়েছি, কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগোতে হবে।
রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ শহীদ জিয়াউর রহমানকে বন্দি করেছিলেন। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ সিপাহী জনতা ৭ নভেম্বর তাকে মুক্ত করে এনেছিল। এই দিনটি শুধু একটি সাধারণ তারিখ নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে প্রকাশ করে। বাংলাদেশের সার্বভৌম মর্যাদা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, ফোকলোর বিভাগের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বাবু, শিক্ষক ফোরামের সভাপতি আব্দুল আলিম ও জিয়া পরিষদের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) টিএসসিসি ভবনে শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে এরশাদের সঙ্গে যেমন কোনো আপোষ করা হয়নি, তেমনি রক্তচোষা হাসিনার সঙ্গেও খালেদা জিয়া কোনো আপোষ করেননি। সেই প্রেরণায় আমরা কাজ করছি। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ৫ আগস্টেও তা প্রকাশ পেয়েছিল, যেখানে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। তাই ৭ নভেম্বরকে অল্প পরিসরে বলা যায় না। এই দিনে আমরা সত্যিকারের স্বাধীনতা পেয়েছি। স্বাধীনতার জন্য একজন তূর্যবাদক প্রয়োজন, যিনি নির্ভয়ে সাহসিকতার সঙ্গে স্বাধীনতার যুদ্ধ পরিচালনা করেন। ৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা একে এর প্রমাণ। ঠিক একইভাবে ৭ নভেম্বরও মেজর জিয়া আবার রেডিওতে ‘আমি জিয়া বলছি’ বলে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ৭ নভেম্বরের মূল নায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান।
রিজভী বলেন, রাকসু নির্বাচন হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সহাবস্থান তৈরি হয়েছে, যা পূর্বের ফ্যাসিবাদী আমলে ছিল না। ফ্যাসিবাদ যেখানে জন্মায়, সেখানে গণতন্ত্রের ন্যূনতম স্থানও থাকে না। ফ্যাসিবাদের ছোবলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন, সংবাদপত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আক্রান্ত হয়। তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শেখ হাসিনার শাসন একনায়কতন্ত্র নয়, বরং ফ্যাসিবাদী শাসনের চেয়েও খারাপ ছিল। সেই সময় ক্যাম্পাসে কোনো সহাবস্থান ছিল না। ছাত্রদল নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেনি। নেতাকর্মীরা ক্লাসরুম বা লাইব্রেরিতে স্বাভাবিকভাবে যেতে পারেননি। এই পরিস্থিতি ছাত্রদলকে ১৫-১৬ বছর অতিক্রম করতে হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, জুলাই-আগস্টে অংশগ্রহণের সময় আমাদের ১৪২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে। তবে অনিয়মে ভরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোতে ছাত্রদল প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি। বিভিন্ন অনিয়ম ও ষড়যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও মনে করি ছাত্রদলের আরও ভালো ফলাফল করা উচিত ছিল। ডাকসু এবং জাকসুতে যারা নির্বাচিত হয়েছে, তারা তখন ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে ছাত্রদল বা অন্যান্য সংগঠনের যারা নির্বাচন করেছিল, তারা সেই সময় হলে অবস্থান করতে পারেনি, শুধু ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে থাকার কারণে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দুইটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পর আমি ভাবছিলাম, বাংলাদেশে যতগুলো ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে, নির্বাচিত ভিপি, জিএসদের পেছনে ছাত্রলীগের পদ-পদবী থাকা যেন শর্ত হয়ে যাচ্ছে। হয়তো চারটি নির্বাচনে আমরা পরাজিত হয়েছি, কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগোতে হবে।
রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ শহীদ জিয়াউর রহমানকে বন্দি করেছিলেন। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ সিপাহী জনতা ৭ নভেম্বর তাকে মুক্ত করে এনেছিল। এই দিনটি শুধু একটি সাধারণ তারিখ নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে প্রকাশ করে। বাংলাদেশের সার্বভৌম মর্যাদা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, ফোকলোর বিভাগের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বাবু, শিক্ষক ফোরামের সভাপতি আব্দুল আলিম ও জিয়া পরিষদের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩১
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছোট ভাই বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করেছেন মেঘনা আলম। দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় এই অফার করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পেজে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন মেঘনা আলম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মেঘনা আলম।ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম বলেন, একটু আগে পাটওয়ারী ভাই ফোন দিলেন, শিগগিরই বাসায় আসবেন জানালেন। ইলেকশনের আগেই আসতেন, কিন্তু মিডিয়া পজিটিভ সবকিছুকেও ভিউয়ের জন্য নেগেটিভ করে ফেলে এই ভয়ে আসেননি বললেন। রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এই ধারা সব প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে অব্যাহত থাকুক।
মেঘনা লেখেন, আমার কাছে শিখতে চান জানালেন, আমিও এনসিপির ছোট ভাই-বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করলাম। তিনি অ্যারেঞ্জমেন্ট করবেন আশ্বাস দিলেন। যারা ফিল্ড পলিটিক্স ও গণজাগরণের মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে সম্পৃক্ত হয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা আর আমার মতো যারা জন্ম থেকেই রাজনৈতিক পরিবেশে বড় হয়েছে, আন্তর্জাতিক ইনস্টিটিউট থেকে শিখেছেন, তাদের জ্ঞান, দুই পক্ষের শক্তি এক হলে প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন ও সম্মানিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
মেঘনা আলম বলেন, আমার ছোট ভাই পাটওয়ারীর জন্য অনেক স্নেহ। যদি ও জিতলে জামায়াত ক্ষমতায় আসার সুযোগ না থাকত, তাহলে মেঘনা আলম বিএনপিকে সামনে এগোতে দিয়ে নিজের প্রচার ও পোলিং এজেন্ট সরিয়ে নিত না জানালাম। যে দল নারীর নেতৃত্ব অবমূল্যায়ন করে, তাদের ক্ষমতায় চাই না। ভবিষ্যতে যদি আদর্শের পরিবর্তন হয়, সেটা ভিন্ন বিষয়।
শেষে মেঘনা আলম লেখেন, মেঘনা আলম বিভেদের, শত্রুতার রাজনীতি চায় না। আল্লাহ আমাদের নিরাপদ রাখুক, আমাদের যাদের দেশ বদলানোর প্রত্যয় আছে তাদের নিয়ত পরিষ্কার ও অটুট রাখুক, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনে সব রাজনীতিবিদদের আবদ্ধ রাখুক। আমিন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছোট ভাই বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করেছেন মেঘনা আলম। দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় এই অফার করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পেজে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন মেঘনা আলম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মেঘনা আলম।ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম বলেন, একটু আগে পাটওয়ারী ভাই ফোন দিলেন, শিগগিরই বাসায় আসবেন জানালেন। ইলেকশনের আগেই আসতেন, কিন্তু মিডিয়া পজিটিভ সবকিছুকেও ভিউয়ের জন্য নেগেটিভ করে ফেলে এই ভয়ে আসেননি বললেন। রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এই ধারা সব প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে অব্যাহত থাকুক।
মেঘনা লেখেন, আমার কাছে শিখতে চান জানালেন, আমিও এনসিপির ছোট ভাই-বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করলাম। তিনি অ্যারেঞ্জমেন্ট করবেন আশ্বাস দিলেন। যারা ফিল্ড পলিটিক্স ও গণজাগরণের মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে সম্পৃক্ত হয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা আর আমার মতো যারা জন্ম থেকেই রাজনৈতিক পরিবেশে বড় হয়েছে, আন্তর্জাতিক ইনস্টিটিউট থেকে শিখেছেন, তাদের জ্ঞান, দুই পক্ষের শক্তি এক হলে প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন ও সম্মানিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
মেঘনা আলম বলেন, আমার ছোট ভাই পাটওয়ারীর জন্য অনেক স্নেহ। যদি ও জিতলে জামায়াত ক্ষমতায় আসার সুযোগ না থাকত, তাহলে মেঘনা আলম বিএনপিকে সামনে এগোতে দিয়ে নিজের প্রচার ও পোলিং এজেন্ট সরিয়ে নিত না জানালাম। যে দল নারীর নেতৃত্ব অবমূল্যায়ন করে, তাদের ক্ষমতায় চাই না। ভবিষ্যতে যদি আদর্শের পরিবর্তন হয়, সেটা ভিন্ন বিষয়।
শেষে মেঘনা আলম লেখেন, মেঘনা আলম বিভেদের, শত্রুতার রাজনীতি চায় না। আল্লাহ আমাদের নিরাপদ রাখুক, আমাদের যাদের দেশ বদলানোর প্রত্যয় আছে তাদের নিয়ত পরিষ্কার ও অটুট রাখুক, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনে সব রাজনীতিবিদদের আবদ্ধ রাখুক। আমিন।
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১