Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ মে, ২০২৬ ১৩:০৮
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ডহরী-তালতলা খালে চাঁদা দিয়ে চলছে বালুবাহী বাল্কহেড। প্রশাসন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কয়েকটি চক্র বাল্কহেড চলাচলে সহায়তা করছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খালে শতাধিক বাল্কহেড নিয়মিত চলাচল করছে বলে খালপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন স্থানের খালপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৫ আগস্ট খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পিকনিকের ট্রলার ডুবে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর প্রশাসন এই খালে বাল্কহেড চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু এরপরও চাঁদাবাজ চক্রের সহায়তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করছে বাল্কহেড।
গৌরগঞ্জ-তালতলা-ডহরী খাল নামে পরিচিত খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলায় পড়েছে। পদ্মা নদীর ডহরী থেকে নূরপুর পর্যন্ত খালের দুই পাড় লৌহজং উপজেলায় এবং নূরপুর থেকে সুবচনী বাজার পর্যন্ত খালের পশ্চিম পাড় লৌহজং ও পূর্ব পাড় টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেড চালকরা জানান, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজার এলাকার রাজন মুন্সী, সাজন মুন্সী এবং লৌহজং উপজেলার রুবেল মাদবর, শামুরবাড়ি গ্রামের রিপন ওস্তাকার, আনোয়ার ঢালী, রাহাত চাকলাদার, ওসমান ওস্তাকার, শাকিল ওস্তাকাররা বাল্কহেড পারাপার করে দিচ্ছেন। এজন্য যানপ্রতি তারা এক থেকে দুই হাজার টাকা নেন।
স্থানীয়রা জানান, মূলত অবৈধ বালুখেকো চক্র এ খাল ব্যবহার করে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সহজে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে এ রুট ব্যবহার করা হয়। এ সুযোগে চলে চাঁদাবাজি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য রাহাত চাকলাদার ও দীপু ওস্তাকারকে ডহরী খালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করে লৌহজং থানা পুলিশ। চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলার আসামি রিপন ওস্তাকারকে ১২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির দায়ে রুবেল মাদবরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলার এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তাদের গ্রেপ্তারের পর এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল।
তবে তারা কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আবারও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের নামে লৌহজং, শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা থানায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
খালপাড়ের বাসিন্দাদের ভাষ্য, ডহরী-তালতলা খালে দিন-রাত চলছে বাল্কহেডগুলো। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে খালের দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত বাল্কহেড চলাচলে প্রতিদিন ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা।
আগের ইউএনও এসব বাল্কহেডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে না পারলে একসময় বাপ-দাদার বসত ভিটে হারাতে হবে।
গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা লিটন ও স্বপন জানান, খালে পানি বাড়তে শুরু করায় বাল্কহেড চলাচল বেড়েছে। এতে খালের দুই পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেড চলাচলের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে দুই বছরে আমার বসতবাড়ির অর্ধেক খালে বিলীন হয়ে গেছে। বাল্কহেড চলাচল বন্ধ না হলে অচিরেই পুরো বাড়িটা যাবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য রুবেল বলেন, বাল্কহেড আমরা একা পার করি না, ২০ থেকে ৩০ জন এর সঙ্গে যুক্ত। একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে সব মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমার আন্ডারে বাল্কহেড আসে, সুকানি ভাইরা খুশি হইয়া কিছু টাকা দেয়। কত পত্রিকায় রিপোর্ট করল বাল্কহেড তো থামল না।
লৌহজং ইউএনও ফারাজানা ববি মিতু বলেন, খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলার অংশে রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে বাল্কহেড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ডহরী-তালতলা খালে চাঁদা দিয়ে চলছে বালুবাহী বাল্কহেড। প্রশাসন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কয়েকটি চক্র বাল্কহেড চলাচলে সহায়তা করছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খালে শতাধিক বাল্কহেড নিয়মিত চলাচল করছে বলে খালপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন স্থানের খালপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৫ আগস্ট খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পিকনিকের ট্রলার ডুবে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর প্রশাসন এই খালে বাল্কহেড চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু এরপরও চাঁদাবাজ চক্রের সহায়তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করছে বাল্কহেড।
গৌরগঞ্জ-তালতলা-ডহরী খাল নামে পরিচিত খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলায় পড়েছে। পদ্মা নদীর ডহরী থেকে নূরপুর পর্যন্ত খালের দুই পাড় লৌহজং উপজেলায় এবং নূরপুর থেকে সুবচনী বাজার পর্যন্ত খালের পশ্চিম পাড় লৌহজং ও পূর্ব পাড় টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেড চালকরা জানান, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজার এলাকার রাজন মুন্সী, সাজন মুন্সী এবং লৌহজং উপজেলার রুবেল মাদবর, শামুরবাড়ি গ্রামের রিপন ওস্তাকার, আনোয়ার ঢালী, রাহাত চাকলাদার, ওসমান ওস্তাকার, শাকিল ওস্তাকাররা বাল্কহেড পারাপার করে দিচ্ছেন। এজন্য যানপ্রতি তারা এক থেকে দুই হাজার টাকা নেন।
স্থানীয়রা জানান, মূলত অবৈধ বালুখেকো চক্র এ খাল ব্যবহার করে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সহজে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে এ রুট ব্যবহার করা হয়। এ সুযোগে চলে চাঁদাবাজি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য রাহাত চাকলাদার ও দীপু ওস্তাকারকে ডহরী খালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করে লৌহজং থানা পুলিশ। চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলার আসামি রিপন ওস্তাকারকে ১২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির দায়ে রুবেল মাদবরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলার এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তাদের গ্রেপ্তারের পর এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল।
তবে তারা কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আবারও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের নামে লৌহজং, শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা থানায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
খালপাড়ের বাসিন্দাদের ভাষ্য, ডহরী-তালতলা খালে দিন-রাত চলছে বাল্কহেডগুলো। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে খালের দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত বাল্কহেড চলাচলে প্রতিদিন ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা।
আগের ইউএনও এসব বাল্কহেডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে না পারলে একসময় বাপ-দাদার বসত ভিটে হারাতে হবে।
গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা লিটন ও স্বপন জানান, খালে পানি বাড়তে শুরু করায় বাল্কহেড চলাচল বেড়েছে। এতে খালের দুই পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেড চলাচলের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে দুই বছরে আমার বসতবাড়ির অর্ধেক খালে বিলীন হয়ে গেছে। বাল্কহেড চলাচল বন্ধ না হলে অচিরেই পুরো বাড়িটা যাবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য রুবেল বলেন, বাল্কহেড আমরা একা পার করি না, ২০ থেকে ৩০ জন এর সঙ্গে যুক্ত। একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে সব মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমার আন্ডারে বাল্কহেড আসে, সুকানি ভাইরা খুশি হইয়া কিছু টাকা দেয়। কত পত্রিকায় রিপোর্ট করল বাল্কহেড তো থামল না।
লৌহজং ইউএনও ফারাজানা ববি মিতু বলেন, খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলার অংশে রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে বাল্কহেড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:৫১
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একটি বাড়ির খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিভলবার উদ্ধার করেছে বেলকুচি থানা পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের চাঁদ মেটুয়ানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া রিভলবারটি প্রথম দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাজু সরকারের ১০ বছর বয়সি ছেলে ছোয়াদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাজু সরকারের স্ত্রী খাদিজা বেগম খড় রোদে শুকাতে দিলে শিশু ছোয়াদ সেখানে একটি বস্তু দেখতে পেয়ে খেলনা মনে করে মায়ের কাছে নিয়ে আসে। পরে সেটি রিভলবার বলে শনাক্ত হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে বেলকুচি সার্কেলের নেতৃত্বে বেলকুচি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুপুর ২টার দিকে খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রিভলবারটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বলেন, মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিভলবারটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে রাজু সরকারের পরিবারের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার তিন ভাইয়ের মধ্যে দুইজন প্রবাসে এবং একজন ঢাকায় কর্মরত বলে জানান তিনি।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:৩৫
শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্র ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

০৮ মে, ২০২৬ ০১:৩৪
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় রাজু নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রেশমি আক্তার নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাতে থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত রাজুর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। তিনি নগরীর রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে এ হামলার শিকার হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা রাজু গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় পথচারী শিশু রেশমি আক্তারও গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আবদুল করিম। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমি আক্তারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির ভাই ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। আমি দোকান করি। আমাদের বাসা রৌফাবাদ এলাকায়। আমার ছোট বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শুনেছি, আম্মু তাকে একটি কাজে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন সে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। বর্তমানে আমার বোন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একটি বাড়ির খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিভলবার উদ্ধার করেছে বেলকুচি থানা পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের চাঁদ মেটুয়ানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া রিভলবারটি প্রথম দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাজু সরকারের ১০ বছর বয়সি ছেলে ছোয়াদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাজু সরকারের স্ত্রী খাদিজা বেগম খড় রোদে শুকাতে দিলে শিশু ছোয়াদ সেখানে একটি বস্তু দেখতে পেয়ে খেলনা মনে করে মায়ের কাছে নিয়ে আসে। পরে সেটি রিভলবার বলে শনাক্ত হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে বেলকুচি সার্কেলের নেতৃত্বে বেলকুচি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুপুর ২টার দিকে খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রিভলবারটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বলেন, মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিভলবারটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে রাজু সরকারের পরিবারের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার তিন ভাইয়ের মধ্যে দুইজন প্রবাসে এবং একজন ঢাকায় কর্মরত বলে জানান তিনি।
শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্র ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় রাজু নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রেশমি আক্তার নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাতে থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত রাজুর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। তিনি নগরীর রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে এ হামলার শিকার হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা রাজু গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় পথচারী শিশু রেশমি আক্তারও গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আবদুল করিম। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমি আক্তারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির ভাই ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। আমি দোকান করি। আমাদের বাসা রৌফাবাদ এলাকায়। আমার ছোট বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শুনেছি, আম্মু তাকে একটি কাজে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন সে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। বর্তমানে আমার বোন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৩
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯