বরিশালের বাকেরগঞ্জে রহস্যজনক বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম (৫০) অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনেছেন। ৯ দিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
গত ৩ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ হন শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাতি ফাহিম।
স্থানীয়রা প্রথমে তাদের বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, এবং সেখান থেকেও পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয় তিনজনকেই।
চিকিৎসায় ইতি ও ফাহিম সুস্থ হয়ে উঠলেও হনুফা বেগমের অবস্থা ক্রমশ সংকটাপন্ন হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বুধবার বিকেলে তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার জানান, হনুফার জামাতা সুজনের মাধ্যমে তিনি মৃত্যুর খবর পান। আহতদের চিকিৎসার পুরো ব্যয় বহন করছে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন, একই সঙ্গে মরদেহ বরিশালে ফিরিয়ে আনার খরচও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নিজে হাসপাতালে গিয়ে আহতদের অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে হনুফাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।
এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) পলাশ চন্দ্র সরকার বরিশালটাইমসকে জানান, রহস্যজনক এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং ঢাকা থেকে আসা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন।’

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৩৩
১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রের কার্যাদেশ বাতিল, প্রশাসক শিরিনের উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষায় বিসিসির পদক্ষেপ
বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। একই সঙ্গে নগরীর ১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রের কার্যাদেশ বাতিল এবং এসব কেন্দ্রের চুক্তির মেয়াদ আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা ও নগরবাসীর বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের নির্দেশনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিসিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারের সই করা এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রকে এক বছরের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। এসব কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বালু সরবরাহ করা হতো।
বিসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাইপলাইনের মাধ্যমে বালু সরবরাহ করতে গিয়ে অনেক জলাশয় অবৈধভাবে ভরাটের পাশাপাশি পরিবেশ ও কৃষিজমির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সড়কের নিচ দিয়ে বোরিং করে পাইপলাইন নেওয়ায় রাস্তার ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর দিয়ে পাইপ নেওয়ায় দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয় নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পরিবেশবিদ ও সাধারণ মানুষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বালু অবতরণ কেন্দ্রগুলোর কার্যাদেশ বাতিল ও চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
একই সঙ্গে কার্যাদেশপ্রাপ্তদের বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নগরবাসীর সেবা ও পরিবেশ রক্ষায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে তাঁর দপ্তর।
প্রশাসকের প্রেসসচিব সাকলাইন মোস্তাক জানান, পাইপের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাশয় ভরাটের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নগরীর পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসক শিরিন এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
বিসিসির এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে নগরীর জলাশয় রক্ষা, সড়কের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং পাইপলাইনের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

১২ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:০২
বরিশালের বাকেরগঞ্জে রহস্যজনক বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম (৫০) অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনেছেন। ৯ দিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
গত ৩ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ হন শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাতি ফাহিম।
স্থানীয়রা প্রথমে তাদের বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, এবং সেখান থেকেও পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয় তিনজনকেই।
চিকিৎসায় ইতি ও ফাহিম সুস্থ হয়ে উঠলেও হনুফা বেগমের অবস্থা ক্রমশ সংকটাপন্ন হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বুধবার বিকেলে তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার জানান, হনুফার জামাতা সুজনের মাধ্যমে তিনি মৃত্যুর খবর পান। আহতদের চিকিৎসার পুরো ব্যয় বহন করছে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন, একই সঙ্গে মরদেহ বরিশালে ফিরিয়ে আনার খরচও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নিজে হাসপাতালে গিয়ে আহতদের অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে হনুফাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।
এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) পলাশ চন্দ্র সরকার বরিশালটাইমসকে জানান, রহস্যজনক এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং ঢাকা থেকে আসা বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন।’
১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রের কার্যাদেশ বাতিল, প্রশাসক শিরিনের উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষায় বিসিসির পদক্ষেপ
বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। একই সঙ্গে নগরীর ১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রের কার্যাদেশ বাতিল এবং এসব কেন্দ্রের চুক্তির মেয়াদ আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা ও নগরবাসীর বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের নির্দেশনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিসিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারের সই করা এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রকে এক বছরের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। এসব কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বালু সরবরাহ করা হতো।
বিসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাইপলাইনের মাধ্যমে বালু সরবরাহ করতে গিয়ে অনেক জলাশয় অবৈধভাবে ভরাটের পাশাপাশি পরিবেশ ও কৃষিজমির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সড়কের নিচ দিয়ে বোরিং করে পাইপলাইন নেওয়ায় রাস্তার ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর দিয়ে পাইপ নেওয়ায় দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয় নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পরিবেশবিদ ও সাধারণ মানুষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বালু অবতরণ কেন্দ্রগুলোর কার্যাদেশ বাতিল ও চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
একই সঙ্গে কার্যাদেশপ্রাপ্তদের বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নগরবাসীর সেবা ও পরিবেশ রক্ষায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে তাঁর দপ্তর।
প্রশাসকের প্রেসসচিব সাকলাইন মোস্তাক জানান, পাইপের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাশয় ভরাটের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নগরীর পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসক শিরিন এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
বিসিসির এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে নগরীর জলাশয় রক্ষা, সড়কের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং পাইপলাইনের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৮
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৭
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪০