
২০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৪৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় জাইকার অর্থায়নে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি—প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে দেখানো হচ্ছে কাগুজে অগ্রগতি, অথচ মাঠপর্যায়ের কাজ নিম্নমানের হওয়ায় উপকারভোগীরা ভুগছেন চরম ভোগান্তিতে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) উপজেলার রাস্তা, ড্রেন, কালভার্ট, সেতু ও স্ট্রিট সোলার লাইট স্থাপনের মতো বিভিন্ন কাজে অর্থায়ন করে আসছে। উপজেলা পরিষদ সূত্র অনুযায়ী, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ইউজিডিপি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭৮টি সোলার লাইট, ৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকায় ১০টি ইউ-ড্রেন এবং প্রায় ১০ লাখ টাকায় কৃষক গ্রুপের জন্য পাঁচটি পাওয়ার টিলার সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়।
তবে মাটির বাস্তবতায় এসব প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে নানা অসঙ্গতি উঠে এসেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ঘোষিত ৭৮টি সোলার লাইটের মধ্যে আঙ্গারিয়ায় ২৬টি, লেবুখালীতে ১৩টি, পাঙ্গাশিয়ায় ৯টি, শ্রীরামপুরে ১৭টি এবং মুরাদিয়ার বিভিন্ন স্থানে লাইট বসানো হলেও সেগুলোর অধিকাংশই কয়েক মাসের মধ্যেই বিকল হয়ে গেছে। একইভাবে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি ইউ-ড্রেন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। আর কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা পাঁচটি পাওয়ার টিলার নিয়ে উঠেছে রিকন্ডিশন মেশিন সরবরাহের গুরুতর অভিযোগ।
একাধিক এলাকাবাসী জানিয়েছেন—উপজেলা পরিষদের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ঠিকাদাররা মিলে প্রকল্পের কাজ নিম্নমানেরভাবে সম্পন্ন করেছে। মুরাদিয়ার বাসিন্দা মোজাম্মেল হাওলাদারের অভিযোগ, “রাস্তা নির্মাণের বাজেট দেখানো হলেও বাস্তবে সামান্য কিছু কাজ করে বাকিটা ফাইলেই শেষ বলে দেখানো হয়েছে।” আরেকজন জানান, “নতুন রাস্তা কয়েক মাসেই ফাটল ধরেছে। কাজের মান ছিল একেবারেই নিম্নমানের।”
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “জাইকার পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর বিষয়ে আমি অবগত নই। দায়িত্বপ্রাপ্ত আগের কর্মকর্তাই বিস্তারিত জানেন। তবে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক জানান, তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের আগে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা ও নিয়মিত তদারকি না থাকলে সরকারি প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এতে একদিকে সরকারি অর্থ অপচয় হয়, অন্যদিকে স্থবির হয়ে পড়ে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় জাইকার অর্থায়নে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি—প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে দেখানো হচ্ছে কাগুজে অগ্রগতি, অথচ মাঠপর্যায়ের কাজ নিম্নমানের হওয়ায় উপকারভোগীরা ভুগছেন চরম ভোগান্তিতে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) উপজেলার রাস্তা, ড্রেন, কালভার্ট, সেতু ও স্ট্রিট সোলার লাইট স্থাপনের মতো বিভিন্ন কাজে অর্থায়ন করে আসছে। উপজেলা পরিষদ সূত্র অনুযায়ী, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ইউজিডিপি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭৮টি সোলার লাইট, ৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকায় ১০টি ইউ-ড্রেন এবং প্রায় ১০ লাখ টাকায় কৃষক গ্রুপের জন্য পাঁচটি পাওয়ার টিলার সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়।
তবে মাটির বাস্তবতায় এসব প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে নানা অসঙ্গতি উঠে এসেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ঘোষিত ৭৮টি সোলার লাইটের মধ্যে আঙ্গারিয়ায় ২৬টি, লেবুখালীতে ১৩টি, পাঙ্গাশিয়ায় ৯টি, শ্রীরামপুরে ১৭টি এবং মুরাদিয়ার বিভিন্ন স্থানে লাইট বসানো হলেও সেগুলোর অধিকাংশই কয়েক মাসের মধ্যেই বিকল হয়ে গেছে। একইভাবে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি ইউ-ড্রেন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। আর কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা পাঁচটি পাওয়ার টিলার নিয়ে উঠেছে রিকন্ডিশন মেশিন সরবরাহের গুরুতর অভিযোগ।
একাধিক এলাকাবাসী জানিয়েছেন—উপজেলা পরিষদের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ঠিকাদাররা মিলে প্রকল্পের কাজ নিম্নমানেরভাবে সম্পন্ন করেছে। মুরাদিয়ার বাসিন্দা মোজাম্মেল হাওলাদারের অভিযোগ, “রাস্তা নির্মাণের বাজেট দেখানো হলেও বাস্তবে সামান্য কিছু কাজ করে বাকিটা ফাইলেই শেষ বলে দেখানো হয়েছে।” আরেকজন জানান, “নতুন রাস্তা কয়েক মাসেই ফাটল ধরেছে। কাজের মান ছিল একেবারেই নিম্নমানের।”
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “জাইকার পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর বিষয়ে আমি অবগত নই। দায়িত্বপ্রাপ্ত আগের কর্মকর্তাই বিস্তারিত জানেন। তবে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক জানান, তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের আগে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা ও নিয়মিত তদারকি না থাকলে সরকারি প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এতে একদিকে সরকারি অর্থ অপচয় হয়, অন্যদিকে স্থবির হয়ে পড়ে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:১০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:০৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৮:৫২
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মার্জিয়া নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর সুহুরী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মার্জিয়া (২০) গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা মো. আলতাফ হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে শুক্রবার গলাচিপা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় মার্জিয়ার স্বামী রাসেল হাওলাদার ও রাসেলের বন্ধু লিমনকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।
মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার।
আসামিরা হলেন স্বামী রাসেল হাওলাদার (২৫), রাসেলের বন্ধু লিমন (২৫) রাসেলের বাবা মো. বাচ্চু হাওলাদার (৪৭) ও মা মোসা. মাসুমা বেগম (৪৪)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের মো. রাসেল হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে মার্জিয়ার প্রায় আড়াই বছর আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকেই রাসেলের বাবা বাচ্চু হাওলাদার ও মা মাসুমা বেগম প্রায়ই মার্জিয়াকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। এতে মার্জিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
এদিকে, মার্জিয়ার স্বামী রাসেল ও তার বন্ধু লিমন দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে মাদক সেবন করে আসছিল। মার্জিয়া তার স্বামীকে মাদক সেবন ও বন্ধু লিমনের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেল মার্জিয়াকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। পরবর্তীতে মার্জিয়া বিষয়টি তার শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে জানালে তারা বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে (মার্জিয়া) বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা শুনাত।
মামলায় আরো বলা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাসেলের বন্ধু লিমন তাদের (রাসেলের) ঘরে আসে। তখন মার্জিয়া লিমনকে ঘরে দেখতে পেয়ে স্বামীর কাছে জানতে চায়-লিমন কেন ঘরে এসেছে? তখন রাসেল উত্তেজিত হয়ে মার্জিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথাবার্তা বলেন।
এর পর বন্ধু লিমনকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার সময় মার্জিয়া যেতে বাধা দেয়। এ সময় রাসেল আবারও মার্জিয়াকে গালাগাল করে।
ঘটনাটি শ্বশুর ও শাশুড়িকে জানালে তারাও গালাগালসহ অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এতে অভিমানে মার্জিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা আলতাফ হোসেন গলাচিপা থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মার্জিয়া নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর সুহুরী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মার্জিয়া (২০) গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা মো. আলতাফ হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে শুক্রবার গলাচিপা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় মার্জিয়ার স্বামী রাসেল হাওলাদার ও রাসেলের বন্ধু লিমনকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।
মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার।
আসামিরা হলেন স্বামী রাসেল হাওলাদার (২৫), রাসেলের বন্ধু লিমন (২৫) রাসেলের বাবা মো. বাচ্চু হাওলাদার (৪৭) ও মা মোসা. মাসুমা বেগম (৪৪)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের মো. রাসেল হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে মার্জিয়ার প্রায় আড়াই বছর আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকেই রাসেলের বাবা বাচ্চু হাওলাদার ও মা মাসুমা বেগম প্রায়ই মার্জিয়াকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। এতে মার্জিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
এদিকে, মার্জিয়ার স্বামী রাসেল ও তার বন্ধু লিমন দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে মাদক সেবন করে আসছিল। মার্জিয়া তার স্বামীকে মাদক সেবন ও বন্ধু লিমনের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেল মার্জিয়াকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। পরবর্তীতে মার্জিয়া বিষয়টি তার শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে জানালে তারা বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে (মার্জিয়া) বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা শুনাত।
মামলায় আরো বলা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাসেলের বন্ধু লিমন তাদের (রাসেলের) ঘরে আসে। তখন মার্জিয়া লিমনকে ঘরে দেখতে পেয়ে স্বামীর কাছে জানতে চায়-লিমন কেন ঘরে এসেছে? তখন রাসেল উত্তেজিত হয়ে মার্জিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথাবার্তা বলেন।
এর পর বন্ধু লিমনকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার সময় মার্জিয়া যেতে বাধা দেয়। এ সময় রাসেল আবারও মার্জিয়াকে গালাগাল করে।
ঘটনাটি শ্বশুর ও শাশুড়িকে জানালে তারাও গালাগালসহ অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এতে অভিমানে মার্জিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা আলতাফ হোসেন গলাচিপা থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮