
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০১
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ইসলামের পতাকা উড়লে তা দক্ষিণাঞ্চলের সাগরপাড় থেকেই প্রথম উড়বে। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের কোথাও যদি হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী নাও হয়, বরগুনা-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার আমতলী পৌরসভা ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠনের আশায় নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে, কেউ সোনার বাংলা, কেউ সবুজ বা ডিজিটাল বাংলার কথা বলে। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অতিরিক্ত আশ্বাস না দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বিজয়ী হলে আল্লাহর রহমতে দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো কোনো পথ বেছে নেওয়া যাবে না।
তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সভ্য মানুষ। আমাদের বিরক্ত করবেন না, ভালো থাকতে দেন, আপনারাও ভালো থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী হলে বরগুনাকে দেশের একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ইসলামের পতাকা উড়লে তা দক্ষিণাঞ্চলের সাগরপাড় থেকেই প্রথম উড়বে। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের কোথাও যদি হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী নাও হয়, বরগুনা-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার আমতলী পৌরসভা ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠনের আশায় নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে, কেউ সোনার বাংলা, কেউ সবুজ বা ডিজিটাল বাংলার কথা বলে। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অতিরিক্ত আশ্বাস না দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বিজয়ী হলে আল্লাহর রহমতে দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো কোনো পথ বেছে নেওয়া যাবে না।
তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সভ্য মানুষ। আমাদের বিরক্ত করবেন না, ভালো থাকতে দেন, আপনারাও ভালো থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী হলে বরগুনাকে দেশের একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৯:১৭
মাত্র এক’শ টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে বরগুনার আমতলীতে নৃশংস হামলায় আহত পোশাক শ্রমিক সজিব আকন (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের আয়নালী আকন প্রতিবেশী সোনা মিয়া প্যাদার কাছ থেকে ৭০০ টাকায় দুই মণ কুড়া (ধানের খশি) ক্রয় করেন। পরে সোনা মিয়া আরও এক’শ টাকা দাবি করলে এ নিয়ে গত ৫ মার্চ উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আয়নালী আকনকে মারধর করা হয়।
এর জের ধরে গত ২১ মার্চ, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ১০টার দিকে আয়নালী আকনের ছেলেরা বিষয়টি নিয়ে সোনা মিয়া প্যাদার কাছে জানতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর সোনা মিয়া প্যাদার নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী আয়নালী আকনের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আয়নালী আকন, তার ছেলে সজিব আকন, আল আমিন আকন, রোকেয়া বেগমসহ মোট ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহতদের প্রথমে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর সোমবার দুপুরে সজিব আকন মারা যান। অন্য আহতরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ২২ মার্চ নিহতের বড় ভাই রুহুল আমিন আকন বাদী হয়ে সোনা মিয়া প্যাদাকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে ২৪ মার্চ মামলার ৮ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
নিহত সজিব আকন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২০ মার্চ তিনি বাড়িতে আসেন।নিহতের ভগ্নিপতি আশরাফুল ইসলাম জুয়েল জানান, “এক’শ টাকার জন্যই আমার শ্বশুরকে মারধর করা হয় এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আমার শ্যালকসহ পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করা হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “৮ জন আসামি আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
মাত্র এক’শ টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে বরগুনার আমতলীতে নৃশংস হামলায় আহত পোশাক শ্রমিক সজিব আকন (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের আয়নালী আকন প্রতিবেশী সোনা মিয়া প্যাদার কাছ থেকে ৭০০ টাকায় দুই মণ কুড়া (ধানের খশি) ক্রয় করেন। পরে সোনা মিয়া আরও এক’শ টাকা দাবি করলে এ নিয়ে গত ৫ মার্চ উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আয়নালী আকনকে মারধর করা হয়।
এর জের ধরে গত ২১ মার্চ, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ১০টার দিকে আয়নালী আকনের ছেলেরা বিষয়টি নিয়ে সোনা মিয়া প্যাদার কাছে জানতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর সোনা মিয়া প্যাদার নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী আয়নালী আকনের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আয়নালী আকন, তার ছেলে সজিব আকন, আল আমিন আকন, রোকেয়া বেগমসহ মোট ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহতদের প্রথমে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর সোমবার দুপুরে সজিব আকন মারা যান। অন্য আহতরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ২২ মার্চ নিহতের বড় ভাই রুহুল আমিন আকন বাদী হয়ে সোনা মিয়া প্যাদাকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে ২৪ মার্চ মামলার ৮ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
নিহত সজিব আকন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২০ মার্চ তিনি বাড়িতে আসেন।নিহতের ভগ্নিপতি আশরাফুল ইসলাম জুয়েল জানান, “এক’শ টাকার জন্যই আমার শ্বশুরকে মারধর করা হয় এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আমার শ্যালকসহ পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করা হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “৮ জন আসামি আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪২
বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য বন্দরে ১ কেজি ৭শ’ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মণ দরে। যার খুচরা মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের মুন্নি ফিশ আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হলে খোলা ডাকে অংশ নেন একাধিক পাইকার। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পাইকার ও মার্চেন্ট ফিস ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।
পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের ইমরান হোসেন জানান, বর্তমানে বাজারে ইলিশের সরবরাহ অত্যন্ত কম। সাগরে মাছ ধরা পড়ছে না বললেই চলে। আজ সকালে বলেশ্বর নদীতে ধরা পড়ে এই ইলিশ। তাই এটি বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে বড় আকারের ইলিশের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। যার কারণে দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। একইসঙ্গে ছোট আকারের জাটকা ইলিশও প্রতি মণ প্রায় ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা জাকির হোসেন বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বড় ইলিশের চাহিদা থাকায় আমি খোলা ডাকে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে মাছটি কিনেছি। ইতোমধ্যে এটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সেখানে ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে এ ধরনের উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে।
বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য বন্দরে ১ কেজি ৭শ’ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মণ দরে। যার খুচরা মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের মুন্নি ফিশ আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হলে খোলা ডাকে অংশ নেন একাধিক পাইকার। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পাইকার ও মার্চেন্ট ফিস ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।
পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের ইমরান হোসেন জানান, বর্তমানে বাজারে ইলিশের সরবরাহ অত্যন্ত কম। সাগরে মাছ ধরা পড়ছে না বললেই চলে। আজ সকালে বলেশ্বর নদীতে ধরা পড়ে এই ইলিশ। তাই এটি বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে বড় আকারের ইলিশের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। যার কারণে দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। একইসঙ্গে ছোট আকারের জাটকা ইলিশও প্রতি মণ প্রায় ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা জাকির হোসেন বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বড় ইলিশের চাহিদা থাকায় আমি খোলা ডাকে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে মাছটি কিনেছি। ইতোমধ্যে এটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সেখানে ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে এ ধরনের উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. আরিফ বলেন, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। অসুস্থ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে।
স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী হারুন ফরাজি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
তালতলী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আঃ হালিম সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হয়। একইসঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তালতলী থানার ওসি আসাদুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে শুধু যান চলাচল নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. আরিফ বলেন, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। অসুস্থ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে।
স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী হারুন ফরাজি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
তালতলী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আঃ হালিম সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হয়। একইসঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তালতলী থানার ওসি আসাদুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে শুধু যান চলাচল নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.