বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ৩টি আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ স্টেশন এয়ারপোর্ট থানা। মাদক উদ্ধার, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে হারানো মোবাইল উদ্ধারে অনন্য সফলতা অর্জন করায় এয়ারপোর্ট থানা পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) মাসিক অপরাধ দমন ও পর্যালোচনা সভায় এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের ওসি ইন্সপেক্টর মোঃ জাকির শিকদারের হাতে ওই পুরস্কারের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন বিএমপি কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খন্দকার শামীম হোসেনসহ বিএমপি'র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মে মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণে মাদক উদ্ধার, সর্বোচ্চ সংখ্যক ওয়ারেন্টি আসামি গ্রেফতার এবং হারানো মোবাইল উদ্ধারে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে ৩টি আলাদা সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয় এয়ারপোর্ট থানাকে।
একসঙ্গে ৩টি পুরস্কার লাভের অনন্য গৌরব অর্জনের পরে বিএমপি'র এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাকির শিকদার নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, 'বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও গবেষক জোনাস সাল্ক বলেছিলেন- "ভালো কাজ করার জন্য পুরস্কার হলো আরও ভালো কিছু করার সুযোগ।" ভালো কাজে পুরস্কার পেলে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি বেড়ে যায় এগিয়ে চলার প্রবণতা। এয়ারপোর্ট থানাধীন সকল সুনাগরিকদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনে বরিশালের সেরা জনসেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই এয়ারপোর্ট থানাকে।'

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:০৩
গত দুই বছর ধরে বরিশালসহ দেশের কয়েকটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে নিয়মিত যাত্রীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমছে।
২০২৩ অর্থবছরে এ বিমানবন্দর দিয়ে প্রায় ৫৮ হাজার যাত্রী যাতায়াত করলেও দুই বছরের ব্যবধানে তা অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে।
২০২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত ১১ মাসে বরিশাল বিমানবন্দরে যাত্রী যাতায়াত করেছে মাত্র ৮ হাজার ৭০০ জন। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ৬৫ শতাংশ কম।
এয়ার অ্যাস্ট্রার চিফ কমার্শিয়াল অফিসার (সিসিও) মেসবাহ-উল ইসলাম বলেন, অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী কমে যাওয়ার প্রধান কারণ ফ্লাইট ভাড়া বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন গন্তব্যে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি। বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালুর পর বরিশালের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগ সহজ হওয়ায় আকাশপথে যাত্রীর চাপ কমেছে।
তিনি বলেন, বরিশাল রুটে বর্তমানে যাত্রী প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে রুটটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
গত দুই বছর ধরে বরিশালসহ দেশের কয়েকটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে নিয়মিত যাত্রীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমছে।
২০২৩ অর্থবছরে এ বিমানবন্দর দিয়ে প্রায় ৫৮ হাজার যাত্রী যাতায়াত করলেও দুই বছরের ব্যবধানে তা অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে।
২০২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত ১১ মাসে বরিশাল বিমানবন্দরে যাত্রী যাতায়াত করেছে মাত্র ৮ হাজার ৭০০ জন। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ৬৫ শতাংশ কম।
এয়ার অ্যাস্ট্রার চিফ কমার্শিয়াল অফিসার (সিসিও) মেসবাহ-উল ইসলাম বলেন, অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী কমে যাওয়ার প্রধান কারণ ফ্লাইট ভাড়া বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন গন্তব্যে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি। বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালুর পর বরিশালের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগ সহজ হওয়ায় আকাশপথে যাত্রীর চাপ কমেছে।
তিনি বলেন, বরিশাল রুটে বর্তমানে যাত্রী প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে রুটটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:২৮
মুক্তিযুদ্ধের যে সত্য, তা লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ত দিয়ে গড়া সত্য বলে মন্তব্য করেছেন লেখক, সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিডিও কনফারেন্স কক্ষে জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক বিশেষ সেমিনার ‘লেখকের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কলে যুক্তে হয়ে এসব কথা বলেন।
হারুন হাবীব বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি সুবিশাল জাতীয় ইতিহাসকে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কখনো কখনো পরিবর্তিত হতে দেখি। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। একটি শ্রেণির কাছে মুক্তিযুদ্ধ যেন শুধু একটি গোলমালের বিষয় মানে ওই বছরটায় শুধু গোলমাল হয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ কোনো গোলমাল নয়। মুক্তিযুদ্ধ একটি স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধ একটি জীবন এবং মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় স্বাধীনতার প্রতীক।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে যখন বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। যাদের জন্ম মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরে, তারা প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। আর সেই বিভ্রান্তির ফলেই জাতীয় গৌরবের যে অস্তিত্ব, তা তাদের কাছে ম্লান হয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, খুব সচেতনভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অবদমনের চেষ্টা করা হয়েছে। যুগে যুগে হয়েছে, এখনো হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পুনর্লিখনের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন করে তো মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা ঘটবে না। ইতিহাস তো ইতিহাস। নতুন করে ইতিহাস লেখা যায় না। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্ভাগ্য যে আমরা ইতিহাস পুনর্লিখনের চেষ্টা করি। এটা শুধু অন্যায় নয়, জাতীয় অপরাধ।
হারুন হাবীব বলেন, সত্য যা, ঘটনা যা তার নিজস্ব একটা শক্তি থাকে। সেই সত্যকে, সত্যের ইতিহাসকে বা ইতিহাসের সত্যকে যদি কখনো চাপা দিতে চান, তাহলে কয়েক দিন, কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছরের জন্য তা করা সম্ভব। কিন্তু সত্যের নিজস্ব শক্তি আছে, তার প্রতিরোধের শক্তি আছে। সেই শক্তি দিয়েই সত্য আবার ফিরে আসে।
সমাজ নিয়ে যারা চিন্তা করেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সত্যকে রক্ষা করে আপনারা সবকিছু করতে পারেন, কিন্তু ইতিহাসকে আঘাত করে নয়। আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা ইতিহাসকে আঘাত করছি। মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি সুবিশাল জাতীয় ইতিহাসকে আমরা আক্রান্ত করছি এবং তরুণ প্রজন্মকে সত্যিকার ইতিহাস থেকে দূরে রাখছি।
সেমিনারে লেখক, সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস 'প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম' নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ। এবং অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মোহসিনা হোসাইন।
মুক্তিযুদ্ধের যে সত্য, তা লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ত দিয়ে গড়া সত্য বলে মন্তব্য করেছেন লেখক, সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিডিও কনফারেন্স কক্ষে জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক বিশেষ সেমিনার ‘লেখকের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কলে যুক্তে হয়ে এসব কথা বলেন।
হারুন হাবীব বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি সুবিশাল জাতীয় ইতিহাসকে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কখনো কখনো পরিবর্তিত হতে দেখি। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। একটি শ্রেণির কাছে মুক্তিযুদ্ধ যেন শুধু একটি গোলমালের বিষয় মানে ওই বছরটায় শুধু গোলমাল হয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ কোনো গোলমাল নয়। মুক্তিযুদ্ধ একটি স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধ একটি জীবন এবং মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় স্বাধীনতার প্রতীক।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে যখন বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। যাদের জন্ম মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরে, তারা প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। আর সেই বিভ্রান্তির ফলেই জাতীয় গৌরবের যে অস্তিত্ব, তা তাদের কাছে ম্লান হয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, খুব সচেতনভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অবদমনের চেষ্টা করা হয়েছে। যুগে যুগে হয়েছে, এখনো হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পুনর্লিখনের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন করে তো মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা ঘটবে না। ইতিহাস তো ইতিহাস। নতুন করে ইতিহাস লেখা যায় না। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্ভাগ্য যে আমরা ইতিহাস পুনর্লিখনের চেষ্টা করি। এটা শুধু অন্যায় নয়, জাতীয় অপরাধ।
হারুন হাবীব বলেন, সত্য যা, ঘটনা যা তার নিজস্ব একটা শক্তি থাকে। সেই সত্যকে, সত্যের ইতিহাসকে বা ইতিহাসের সত্যকে যদি কখনো চাপা দিতে চান, তাহলে কয়েক দিন, কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছরের জন্য তা করা সম্ভব। কিন্তু সত্যের নিজস্ব শক্তি আছে, তার প্রতিরোধের শক্তি আছে। সেই শক্তি দিয়েই সত্য আবার ফিরে আসে।
সমাজ নিয়ে যারা চিন্তা করেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সত্যকে রক্ষা করে আপনারা সবকিছু করতে পারেন, কিন্তু ইতিহাসকে আঘাত করে নয়। আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা ইতিহাসকে আঘাত করছি। মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি সুবিশাল জাতীয় ইতিহাসকে আমরা আক্রান্ত করছি এবং তরুণ প্রজন্মকে সত্যিকার ইতিহাস থেকে দূরে রাখছি।
সেমিনারে লেখক, সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস 'প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম' নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ। এবং অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মোহসিনা হোসাইন।

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:১২
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১৩ শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) প্রকাশিত ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ শিক্ষাবর্ষের তালিকায় নিজ নিজ অনুষদে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের মনোনীত করা হয়েছে।
ইউজিসির প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঁচজন, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে চারজন এবং ২০২১ শিক্ষাবর্ষে চারজন শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
২০১৯ শিক্ষাবর্ষে মনোনীত পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন জীববিজ্ঞান অনুষদের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের মো. আল ইমরান (সিজিপিএ ৩.৯৮), বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চন্দ্রিকা সাহা (৩.৯৫), সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের রনি গোপাল দাস (৩.৮৬), আইন অনুষদের আইন বিভাগের তহমিনা আক্তার মুন (৩.৮৬) এবং কলা ও মানবিক অনুষদের ইংরেজি বিভাগের শ্যামলিমা শহীদ খান (৩.৬৭)।
২০২০ শিক্ষাবর্ষে মনোনীত হয়েছেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ওয়াহিদা ইসলাম (৩.৯২), বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের রসায়ন বিভাগের অরিন্দম কর্মকার (৩.৮৭), আইন অনুষদের আইন বিভাগের দিলরুবা খান মৌ (৩.৭৫) এবং কলা ও মানবিক অনুষদের বাংলা বিভাগের অন্তরা হালদার (৩.৫৯)।
অন্যদিকে, ২০২১ শিক্ষাবর্ষে মনোনীত চার শিক্ষার্থী হলেন, জীববিজ্ঞান অনুষদের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনামিকা বিশ্বাস (৩.৯২), বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মোসাঃ অনন্যা সুলতানা (৩.৯২), বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তসলিমা আক্তার (৩.৯১) এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের লোক প্রশাসন বিভাগের আব্দুল কাদের (৩.৬৭)।
নিজ নিজ অনুষদে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের ভিত্তিতে এসব শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। তাদের এ অর্জনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ মেধাবী শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হওয়ায় তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ।
শুভেচ্ছা বার্তায় উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন তাঁদের স্ব স্ব একাডেমিক সাফল্যের এক অনন্য স্বীকৃতি। তাঁদের এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীকেও ভালো ফলাফল অর্জন, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণামুখী হতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন , শিক্ষার্থীদের এই কৃতি ও অর্জন ভবিষ্যতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক একাডেমিক সাফল্যের ধারাকে আরও সমৃদ্ধ ও বেগবান করবে।
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১৩ শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) প্রকাশিত ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ শিক্ষাবর্ষের তালিকায় নিজ নিজ অনুষদে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের মনোনীত করা হয়েছে।
ইউজিসির প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঁচজন, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে চারজন এবং ২০২১ শিক্ষাবর্ষে চারজন শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
২০১৯ শিক্ষাবর্ষে মনোনীত পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন জীববিজ্ঞান অনুষদের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের মো. আল ইমরান (সিজিপিএ ৩.৯৮), বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চন্দ্রিকা সাহা (৩.৯৫), সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের রনি গোপাল দাস (৩.৮৬), আইন অনুষদের আইন বিভাগের তহমিনা আক্তার মুন (৩.৮৬) এবং কলা ও মানবিক অনুষদের ইংরেজি বিভাগের শ্যামলিমা শহীদ খান (৩.৬৭)।
২০২০ শিক্ষাবর্ষে মনোনীত হয়েছেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ওয়াহিদা ইসলাম (৩.৯২), বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের রসায়ন বিভাগের অরিন্দম কর্মকার (৩.৮৭), আইন অনুষদের আইন বিভাগের দিলরুবা খান মৌ (৩.৭৫) এবং কলা ও মানবিক অনুষদের বাংলা বিভাগের অন্তরা হালদার (৩.৫৯)।
অন্যদিকে, ২০২১ শিক্ষাবর্ষে মনোনীত চার শিক্ষার্থী হলেন, জীববিজ্ঞান অনুষদের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনামিকা বিশ্বাস (৩.৯২), বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মোসাঃ অনন্যা সুলতানা (৩.৯২), বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তসলিমা আক্তার (৩.৯১) এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের লোক প্রশাসন বিভাগের আব্দুল কাদের (৩.৬৭)।
নিজ নিজ অনুষদে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনের ভিত্তিতে এসব শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। তাদের এ অর্জনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ মেধাবী শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হওয়ায় তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ।
শুভেচ্ছা বার্তায় উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন তাঁদের স্ব স্ব একাডেমিক সাফল্যের এক অনন্য স্বীকৃতি। তাঁদের এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীকেও ভালো ফলাফল অর্জন, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণামুখী হতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন , শিক্ষার্থীদের এই কৃতি ও অর্জন ভবিষ্যতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক একাডেমিক সাফল্যের ধারাকে আরও সমৃদ্ধ ও বেগবান করবে।

২০ জুন, ২০২৫ ১৮:০৫
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ৩টি আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ স্টেশন এয়ারপোর্ট থানা। মাদক উদ্ধার, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে হারানো মোবাইল উদ্ধারে অনন্য সফলতা অর্জন করায় এয়ারপোর্ট থানা পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) মাসিক অপরাধ দমন ও পর্যালোচনা সভায় এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের ওসি ইন্সপেক্টর মোঃ জাকির শিকদারের হাতে ওই পুরস্কারের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন বিএমপি কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খন্দকার শামীম হোসেনসহ বিএমপি'র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মে মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণে মাদক উদ্ধার, সর্বোচ্চ সংখ্যক ওয়ারেন্টি আসামি গ্রেফতার এবং হারানো মোবাইল উদ্ধারে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে ৩টি আলাদা সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয় এয়ারপোর্ট থানাকে।
একসঙ্গে ৩টি পুরস্কার লাভের অনন্য গৌরব অর্জনের পরে বিএমপি'র এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাকির শিকদার নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, 'বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও গবেষক জোনাস সাল্ক বলেছিলেন- "ভালো কাজ করার জন্য পুরস্কার হলো আরও ভালো কিছু করার সুযোগ।" ভালো কাজে পুরস্কার পেলে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি বেড়ে যায় এগিয়ে চলার প্রবণতা। এয়ারপোর্ট থানাধীন সকল সুনাগরিকদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনে বরিশালের সেরা জনসেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই এয়ারপোর্ট থানাকে।'
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১০
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৫
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫২
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৬