Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩২
কুষ্টিয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার (২৬ এপ্রিল) আনুমানিক দুপুর ১২ টা ১৫ মিনিটে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল মিরপুর বাস স্ট্যান্ডে মেহেরপুর হতে কুষ্টিয়াগামী আলহাজ্ব এন্টারপ্রাইজ বাসে তল্লাশি করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
কুষ্টিয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার (২৬ এপ্রিল) আনুমানিক দুপুর ১২ টা ১৫ মিনিটে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল মিরপুর বাস স্ট্যান্ডে মেহেরপুর হতে কুষ্টিয়াগামী আলহাজ্ব এন্টারপ্রাইজ বাসে তল্লাশি করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪২

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২০
রাজশাহীর দুর্গাপুরের দাওকান্দি সরকারি কলেজে বিএনপি নেতার সঙ্গে মারামারির ঘটনায় আলোচিত শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে দুর্গাপুরে উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজ পরিদর্শন শেষে রাজশাহী অঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মোহা. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ সময় আসাদুজ্জামান বলেন, তদন্তের স্বার্থে ওই শিক্ষককে সমায়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) কলেজশিক্ষক আলেয়া খাতুন হীরার সঙ্গে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার হাতাহাতির একটি কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে পড়ে। সেটি নজরে আসার পর তদন্ত শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার হলে সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে আহত হওয়া পরীক্ষার্থীর খোঁজ নিতে দুপুরে তার বাসায় গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান।
এরআগে, রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১১ নম্বর কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে ওই পরীক্ষার্থীর মাথা পড়ে কেটে রক্তাক্ত হয়।
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত সময়ও বরাদ্দ দেওয়া হয়। আহত পরীক্ষার্থী মো. নিয়ামুল হাসান (১৭)। তার রোল নম্বর ১৯২২৬৭। তিনি জাফরুল হুসাইনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা চলাকালে হঠাৎ কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে সরাসরি পরীক্ষার্থীর মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান। এ ঘটনায় পরীক্ষার কক্ষে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একটি মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। চিকিৎসা ও দুর্ঘটনার কারণে সময় নষ্ট হওয়ায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।
পরে দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান আহত নিয়ামুল হাসানের খোঁজ নিতে তার বাসায় যান এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় ইউএনও মো. কায়েসুর রহমান বলেন, পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহপাকের রহমতে আমাদের নিয়ামুল হাসান (১৭), এসএসসি পরীক্ষার্থী, দারুল ইসলাম মডেল একাডেমির শিক্ষার্থী, এখন সুস্থ আছে। মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে মহান আল্লাহ পাক তাকে রক্ষা করেছেন। উপজেলা প্রশাসন তার পরিবারের পাশে আছে এবং থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার্থী নিয়ামুল ঘুম থেকে উঠে চা-নাস্তা করে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে এবং এই ছোট্ট দুর্ঘটনাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাবে—এটাই প্রত্যাশা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিয়ামুল বর্তমানে সুস্থ আছে এবং মানসিকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে। চিকিৎসা শেষে সে আবার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রের কিছু কক্ষে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিলিং ফ্যান থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা চলাকালে ফ্যান খুলে পড়ে এক পরীক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার হলে সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে আহত হওয়া পরীক্ষার্থীর খোঁজ নিতে দুপুরে তার বাসায় গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান।
এরআগে, রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১১ নম্বর কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে ওই পরীক্ষার্থীর মাথা পড়ে কেটে রক্তাক্ত হয়।
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত সময়ও বরাদ্দ দেওয়া হয়। আহত পরীক্ষার্থী মো. নিয়ামুল হাসান (১৭)। তার রোল নম্বর ১৯২২৬৭। তিনি জাফরুল হুসাইনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা চলাকালে হঠাৎ কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে সরাসরি পরীক্ষার্থীর মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান। এ ঘটনায় পরীক্ষার কক্ষে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একটি মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। চিকিৎসা ও দুর্ঘটনার কারণে সময় নষ্ট হওয়ায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।
পরে দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান আহত নিয়ামুল হাসানের খোঁজ নিতে তার বাসায় যান এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় ইউএনও মো. কায়েসুর রহমান বলেন, পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহপাকের রহমতে আমাদের নিয়ামুল হাসান (১৭), এসএসসি পরীক্ষার্থী, দারুল ইসলাম মডেল একাডেমির শিক্ষার্থী, এখন সুস্থ আছে। মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে মহান আল্লাহ পাক তাকে রক্ষা করেছেন। উপজেলা প্রশাসন তার পরিবারের পাশে আছে এবং থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার্থী নিয়ামুল ঘুম থেকে উঠে চা-নাস্তা করে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে এবং এই ছোট্ট দুর্ঘটনাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাবে—এটাই প্রত্যাশা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিয়ামুল বর্তমানে সুস্থ আছে এবং মানসিকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে। চিকিৎসা শেষে সে আবার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রের কিছু কক্ষে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিলিং ফ্যান থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা চলাকালে ফ্যান খুলে পড়ে এক পরীক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
সারাদেশে বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, সিরাজগঞ্জে দুইজন, জামালপুরে দুইজন, বগুড়ায়ে একজন, নাটোরের সিংড়ায় একজন ও পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সদর, সুন্দরগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে এক শিক্ষার্থীসহ তিনজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। পাশাপাশি বজ্রপাতে একটি গরুও মারা গেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মন্ডল।
বজ্রপাতে নিহতরা হলেন, দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ (১৪), আল মোজাহিদ চৌধুরী ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (১২) এবং নবীন হোসেনের ছেলে মিজানুর (২০)। এ ঘটনায় আহত শামীম (১৮) একই গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে। নিহত রাফি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। এ সময় ওই দুই তরুণ ও শিশু শিক্ষার্থী বাড়ির পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ তাদের ওপর সরাসরি বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তারা তিনজন মারা যায়। একই সময়ে পাশে থাকা একটি গরুও মারা যায়। আহত শামীমকে স্বজনরা উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে বলেন, সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে তিনজন মারা গেছে। একটি গরুও মারা গেছে এবং একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
এ ছাড়া, সদর উপজেলা ও মেলান্দহ উপজেলায় বজ্রপাতে গৃহবধূসহ আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার লক্ষীরচর ইউনিয়নের চরযথার্থপুর এলাকার হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে হাসমত আলী হাসু (৫৫) ও মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌর এলাকার কড়ইচুড়া গ্রামের রাজিব কুলির স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (২২)।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজির কুলির নিজ বাড়ি ও শরিফপুর নদী পাড়ের চরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মর্জিনা আক্তারের স্বামী রাজিব কুলি বলেন, রোববার বিকেলে বাড়ির উঠানে খোলা আকাশের নিচে চুলায় রান্না করছিল তার স্ত্রী মর্জিনা আক্তার। এমন সময় পাশেই বজ্রপাত হয়। এতে মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান মর্জিনা। পরে বাড়ির আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। অপর আহত ব্যক্তি শেফালী বেগমকে আহত অবস্থায় জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত হাসুর ভাই রুহুল আমীন (৪৮) বলেন, হাসু রোববার সকালে তার গৃহপালিত গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নদী পাড়ে যান। তারপর বিকেলে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে বজ্রপাতে হাসু গুরুতর আহত হয়। তার একটি গরু মারা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমি কোনো তথ্য পাইনি। আপনাদের মাধ্যমেই শুনতে পেলাম।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, বজ্রপাতে মর্জিনা আক্তার নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ তার মতো করে কাজ করছে।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি বজ্রপাতের ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে, তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। নিহত আব্দুল হামিদ ওই গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাবিবুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে কৃষক মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
একই দিন বিকেল ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান এলাকায় বজ্রপাতে হাসান শেখ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। নিহত হাসান শেখ ওই এলাকার আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজ জমিতে কাটা ধান এক পাশে জড়ো করছিলেন হাসান। এ সময় হঠাৎ আকাশে মেঘ জমে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
রায়গঞ্জ থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বগুড়া
বগুড়ার গাবতলীতে জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন মুচিখালী গ্রামের মো. আবদুল করিমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বাড়ির পাশের একটি জমিতে থাকা নিজের ছাগল আনতে যান সুমন। কিছুক্ষণ পর বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
গাবতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু মুসা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পেয়ে এসআই মো. মাহবুবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নাটোর
নাটোরের সিংড়ায় চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সম্রাট হোসেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নগরডালা গ্রামের সাজা ফকিরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্রাট হোসেনসহ বেশ কয়েকজন শ্রমিক ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামের মাঠে ধান কাটছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশেই একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে সম্রাট গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অন্য শ্রমিকরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে সিংড়ায় ধান কাটতে এসে বজ্রপাতে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিস্তারিত আসছে...
সারাদেশে বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, সিরাজগঞ্জে দুইজন, জামালপুরে দুইজন, বগুড়ায়ে একজন, নাটোরের সিংড়ায় একজন ও পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সদর, সুন্দরগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে এক শিক্ষার্থীসহ তিনজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। পাশাপাশি বজ্রপাতে একটি গরুও মারা গেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মন্ডল।
বজ্রপাতে নিহতরা হলেন, দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ (১৪), আল মোজাহিদ চৌধুরী ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (১২) এবং নবীন হোসেনের ছেলে মিজানুর (২০)। এ ঘটনায় আহত শামীম (১৮) একই গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে। নিহত রাফি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। এ সময় ওই দুই তরুণ ও শিশু শিক্ষার্থী বাড়ির পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ তাদের ওপর সরাসরি বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তারা তিনজন মারা যায়। একই সময়ে পাশে থাকা একটি গরুও মারা যায়। আহত শামীমকে স্বজনরা উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে বলেন, সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে তিনজন মারা গেছে। একটি গরুও মারা গেছে এবং একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
এ ছাড়া, সদর উপজেলা ও মেলান্দহ উপজেলায় বজ্রপাতে গৃহবধূসহ আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার লক্ষীরচর ইউনিয়নের চরযথার্থপুর এলাকার হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে হাসমত আলী হাসু (৫৫) ও মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌর এলাকার কড়ইচুড়া গ্রামের রাজিব কুলির স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (২২)।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজির কুলির নিজ বাড়ি ও শরিফপুর নদী পাড়ের চরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মর্জিনা আক্তারের স্বামী রাজিব কুলি বলেন, রোববার বিকেলে বাড়ির উঠানে খোলা আকাশের নিচে চুলায় রান্না করছিল তার স্ত্রী মর্জিনা আক্তার। এমন সময় পাশেই বজ্রপাত হয়। এতে মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান মর্জিনা। পরে বাড়ির আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। অপর আহত ব্যক্তি শেফালী বেগমকে আহত অবস্থায় জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত হাসুর ভাই রুহুল আমীন (৪৮) বলেন, হাসু রোববার সকালে তার গৃহপালিত গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নদী পাড়ে যান। তারপর বিকেলে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে বজ্রপাতে হাসু গুরুতর আহত হয়। তার একটি গরু মারা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমি কোনো তথ্য পাইনি। আপনাদের মাধ্যমেই শুনতে পেলাম।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, বজ্রপাতে মর্জিনা আক্তার নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ তার মতো করে কাজ করছে।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি বজ্রপাতের ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে, তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। নিহত আব্দুল হামিদ ওই গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাবিবুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে কৃষক মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
একই দিন বিকেল ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান এলাকায় বজ্রপাতে হাসান শেখ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। নিহত হাসান শেখ ওই এলাকার আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজ জমিতে কাটা ধান এক পাশে জড়ো করছিলেন হাসান। এ সময় হঠাৎ আকাশে মেঘ জমে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
রায়গঞ্জ থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বগুড়া
বগুড়ার গাবতলীতে জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন মুচিখালী গ্রামের মো. আবদুল করিমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বাড়ির পাশের একটি জমিতে থাকা নিজের ছাগল আনতে যান সুমন। কিছুক্ষণ পর বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
গাবতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু মুসা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পেয়ে এসআই মো. মাহবুবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নাটোর
নাটোরের সিংড়ায় চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সম্রাট হোসেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নগরডালা গ্রামের সাজা ফকিরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্রাট হোসেনসহ বেশ কয়েকজন শ্রমিক ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামের মাঠে ধান কাটছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশেই একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে সম্রাট গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অন্য শ্রমিকরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে সিংড়ায় ধান কাটতে এসে বজ্রপাতে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিস্তারিত আসছে...
রাজশাহীর দুর্গাপুরের দাওকান্দি সরকারি কলেজে বিএনপি নেতার সঙ্গে মারামারির ঘটনায় আলোচিত শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে দুর্গাপুরে উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজ পরিদর্শন শেষে রাজশাহী অঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মোহা. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ সময় আসাদুজ্জামান বলেন, তদন্তের স্বার্থে ওই শিক্ষককে সমায়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) কলেজশিক্ষক আলেয়া খাতুন হীরার সঙ্গে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার হাতাহাতির একটি কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে পড়ে। সেটি নজরে আসার পর তদন্ত শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।