Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ মে, ২০২৬ ১৫:৪৩
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে একটি জেলে নৌকা ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধান এখনও মেলেনি। রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন হিজলা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ (পরিদর্শক) গৌতম চন্দ্র মন্ডল।
এর আগে শনিবার (২ মে) বিকেলে উপজেলার দাদপুর পুরাতন ফেরিঘাটসংলগ্ন নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন- মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরএককরিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরচর গ্রামের আলম মালতিয়ারের ছেলে শিপন (২০) এবং একই গ্রামের আবদুর রহিম সরদারের ছেলে জুয়েল সরদার (২১)।
নৌকা থেকে জীবিত ফেরত জেলে মামুন সাংবাদিকদের জানান, বিকেলে তারা চারজন মিলে নদীতে জাল তুলছিলেন। হঠাৎ আকাশ কালো করে প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী শুরু হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঢেউয়ের তোড়ে নৌকাটি উল্টে যায় এবং চারজনই নদীতে ছিটকে পড়েন।
মামুন এবং আজিম নামে দুই জেলে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও চোখের পলকেই শিপন ও জুয়েল উত্তাল মেঘনায় তলিয়ে যায়।
নিখোঁজ জুয়েলের স্বজন মো. আফসার হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ট্রলার নিয়ে তারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। কিন্তু নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় রাত ১২টা পর্যন্ত তল্লাশী চালিয়েও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. স্বপন বাঘা সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও বিশেষজ্ঞ ডুবুরি দলের সহায়তা চেয়েছেন।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিয়াজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। নিখোঁজ দুই জেলেকে উদ্ধারে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
হিজলা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক (ওসি) গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধার নদী তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং ও নদীতে তল্লাশী অভিযান চলমান রয়েছে।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে একটি জেলে নৌকা ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধান এখনও মেলেনি। রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন হিজলা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ (পরিদর্শক) গৌতম চন্দ্র মন্ডল।
এর আগে শনিবার (২ মে) বিকেলে উপজেলার দাদপুর পুরাতন ফেরিঘাটসংলগ্ন নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন- মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরএককরিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরচর গ্রামের আলম মালতিয়ারের ছেলে শিপন (২০) এবং একই গ্রামের আবদুর রহিম সরদারের ছেলে জুয়েল সরদার (২১)।
নৌকা থেকে জীবিত ফেরত জেলে মামুন সাংবাদিকদের জানান, বিকেলে তারা চারজন মিলে নদীতে জাল তুলছিলেন। হঠাৎ আকাশ কালো করে প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী শুরু হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঢেউয়ের তোড়ে নৌকাটি উল্টে যায় এবং চারজনই নদীতে ছিটকে পড়েন।
মামুন এবং আজিম নামে দুই জেলে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও চোখের পলকেই শিপন ও জুয়েল উত্তাল মেঘনায় তলিয়ে যায়।
নিখোঁজ জুয়েলের স্বজন মো. আফসার হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ট্রলার নিয়ে তারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। কিন্তু নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় রাত ১২টা পর্যন্ত তল্লাশী চালিয়েও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. স্বপন বাঘা সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও বিশেষজ্ঞ ডুবুরি দলের সহায়তা চেয়েছেন।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিয়াজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। নিখোঁজ দুই জেলেকে উদ্ধারে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
হিজলা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক (ওসি) গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধার নদী তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং ও নদীতে তল্লাশী অভিযান চলমান রয়েছে।’

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:০০
সেশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে আদায়কৃত অর্থ ফেরতসহ চার দফা দাবিতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। তাদের নির্ধারিত সেশন ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর মধ্যে ৭৮০ টাকার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যেসব খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেসব সুবিধা তারা গত কয়েক বছরে বাস্তবে পাননি। তাই আদায়কৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং অপ্রয়োজনীয় ফি বাতিলের দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেশন ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে নেওয়া অর্থ ফেরত, সকল ফি’র স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ফি কাঠামো নিশ্চিত করা।
একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সেশন ফি বছরে একবার নেওয়া হয়। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যাতে তারা পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মাঠজুড়ে এখন পাকা ইরি ধানের সোনালি আভা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধান কাটছেন কৃষকেরা। ধান পাকার পর কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো থাকলেও এরই মধ্যে শুরু হয়েছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব।
ফলে পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকিয়ে ঘরে তোলার কাজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা দলবদ্ধভাবে ধান কাটছেন। কোথাও হাতে, আবার কোথাও আধুনিক হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। মাঠের পাশে কিংবা বাড়ির আঙিনায় ধান মাড়াই ও শুকানোর দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। নতুন ইরি ধানের ঘ্রাণে ভরে উঠেছে গ্রামের পরিবেশ।
উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক বাবু সরদার বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর ফসল ভালো হয়েছে। তবে শুরুতে জ্বালানি তেলের সংকটে কৃষকেরা বিপাকে পড়লেও এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
কৃষক হান্নান সরদার বলেন, এমনিতেই খরা, তার ওপর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা উচ্চ মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে কালবৈশাখীর তাণ্ডব নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আগৈলঝাড়া উপজেলায় ৯ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সময়মতো পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ায় কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসা জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫০ হেক্টর জমির পাকা ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কৃষকদের মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের ফুয়েল সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং কিছু কৃষকের মধ্যে ধান মাড়াইয়ের মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
ধান কাটার এই মৌসুমে কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোথাও যাতে ধান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।
এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত ধান কাটা ও ঘরে তোলা শেষ করতে চান কৃষকেরা। অকাল বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় তারা কোনো ঝুঁকি নিতে চান না।
সব মিলিয়ে আগৈলঝাড়ার কৃষকদের মধ্যে এখন ব্যস্ততা ও স্বস্তির এক মিশ্র চিত্র বিরাজ করছে। ভালো ফলনের আশায় তারা ঘরে তুলছেন সোনালি ফসল।

০৩ মে, ২০২৬ ১৩:৪০
বরিশাল মহানগর এবং জেলাসহ বিভাগের চারটি সাংগঠনিক ইউনিটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। অন্য দুটি জেলা হলো ভোলা এবং ঝালকাঠি। শনিবার (২ মে) রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এসব কমিটির অনুমোদন করেন। ঘোষিত কমিটির মধ্যে ভোলা জেলায় আংশিক পূর্ণাঙ্গ এবং বাকি তিনটিতে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে।
নতুন কমিটির নেতাদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংসদ।
আহ্বায়ক কমিটিগুলোতে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের পাশাপাশি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ককে সাইনিং পাওয়ার দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলে এনামুল হক তাসনিমকে আহ্বায়ক এবং মো. নাভিদ রহমান খান তুষারকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন মাহামুদ হাসান তানজিল।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– আহাদ হোসাইন আবির, মাজারুল ইসলাম মনিম, সজল তালুকদার, মো. খালেদ হোসেন বাবর, মো. হুমায়ুন কবির খান ফেরদৌস, জহির রায়হান, মো. সাদ্দাম হোসেন, মো. সিহাব (ববি), আল আমিন হাসান এবং মো. রাকিব তালুকদার।
বরিশাল জেলা ছাত্রদলে তৌফিকুল ইসলাম ইমরানকে আহ্বায়ক, মো. আল আমীন মৃধাকে সদস্য সচিব ও আসিফ আল মামুনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– আব্দুল কাদের মোল্লা, মো. ইমরান আহমেদ ইব্রাহিম, মো. জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, জাহিদ সাকিন (ববি), মহসিন শিকদার, আরিফ হোসেন (ববি), মো. ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম এবং সৈয়দ মাহমুদ হাসান।
ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলে ঝালকাঠি জেলায় ৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। এতে সৈয়দ আলী হাসানকে আহ্বায়ক, সাইদুল ইসলাম রনিকে সদস্য সচিব এবং আহম্মেদ সালাউদ্দীনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– যুবায়ের তালুকদার মিসকাত, কেশব সুমন সরকার, তাওহিদ হোসেন এবং মো. মুবিনুল ইসলাম সাদ্দাম।
ভোলা জেলা ছাত্রদলে ভোলায় ঘোষণা করা হয়েছে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এতে আবদুল্লাহ আল রাসেল সভাপতি, নূর মো. রুবেল সাধারণ সম্পাদক ও মেহেদী হাসান আসিফ সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। এছাড়া সাজ্জাদ হোসেন মুন্না সিনিয়র সহসভাপতি, নুরুল ইসলাম বাপ্পি সহসভাপতি, জাকারিয়া মঞ্জু সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মো. জাকারিয়া বেলাল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।’
সেশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে আদায়কৃত অর্থ ফেরতসহ চার দফা দাবিতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। তাদের নির্ধারিত সেশন ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর মধ্যে ৭৮০ টাকার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যেসব খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেসব সুবিধা তারা গত কয়েক বছরে বাস্তবে পাননি। তাই আদায়কৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং অপ্রয়োজনীয় ফি বাতিলের দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেশন ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে নেওয়া অর্থ ফেরত, সকল ফি’র স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ফি কাঠামো নিশ্চিত করা।
একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সেশন ফি বছরে একবার নেওয়া হয়। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যাতে তারা পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মাঠজুড়ে এখন পাকা ইরি ধানের সোনালি আভা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধান কাটছেন কৃষকেরা। ধান পাকার পর কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো থাকলেও এরই মধ্যে শুরু হয়েছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব।
ফলে পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকিয়ে ঘরে তোলার কাজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা দলবদ্ধভাবে ধান কাটছেন। কোথাও হাতে, আবার কোথাও আধুনিক হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। মাঠের পাশে কিংবা বাড়ির আঙিনায় ধান মাড়াই ও শুকানোর দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। নতুন ইরি ধানের ঘ্রাণে ভরে উঠেছে গ্রামের পরিবেশ।
উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক বাবু সরদার বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর ফসল ভালো হয়েছে। তবে শুরুতে জ্বালানি তেলের সংকটে কৃষকেরা বিপাকে পড়লেও এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
কৃষক হান্নান সরদার বলেন, এমনিতেই খরা, তার ওপর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা উচ্চ মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে কালবৈশাখীর তাণ্ডব নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আগৈলঝাড়া উপজেলায় ৯ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সময়মতো পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ায় কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসা জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫০ হেক্টর জমির পাকা ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কৃষকদের মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের ফুয়েল সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং কিছু কৃষকের মধ্যে ধান মাড়াইয়ের মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
ধান কাটার এই মৌসুমে কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোথাও যাতে ধান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।
এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত ধান কাটা ও ঘরে তোলা শেষ করতে চান কৃষকেরা। অকাল বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় তারা কোনো ঝুঁকি নিতে চান না।
সব মিলিয়ে আগৈলঝাড়ার কৃষকদের মধ্যে এখন ব্যস্ততা ও স্বস্তির এক মিশ্র চিত্র বিরাজ করছে। ভালো ফলনের আশায় তারা ঘরে তুলছেন সোনালি ফসল।
বরিশাল মহানগর এবং জেলাসহ বিভাগের চারটি সাংগঠনিক ইউনিটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। অন্য দুটি জেলা হলো ভোলা এবং ঝালকাঠি। শনিবার (২ মে) রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এসব কমিটির অনুমোদন করেন। ঘোষিত কমিটির মধ্যে ভোলা জেলায় আংশিক পূর্ণাঙ্গ এবং বাকি তিনটিতে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে।
নতুন কমিটির নেতাদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংসদ।
আহ্বায়ক কমিটিগুলোতে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের পাশাপাশি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ককে সাইনিং পাওয়ার দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলে এনামুল হক তাসনিমকে আহ্বায়ক এবং মো. নাভিদ রহমান খান তুষারকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন মাহামুদ হাসান তানজিল।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– আহাদ হোসাইন আবির, মাজারুল ইসলাম মনিম, সজল তালুকদার, মো. খালেদ হোসেন বাবর, মো. হুমায়ুন কবির খান ফেরদৌস, জহির রায়হান, মো. সাদ্দাম হোসেন, মো. সিহাব (ববি), আল আমিন হাসান এবং মো. রাকিব তালুকদার।
বরিশাল জেলা ছাত্রদলে তৌফিকুল ইসলাম ইমরানকে আহ্বায়ক, মো. আল আমীন মৃধাকে সদস্য সচিব ও আসিফ আল মামুনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– আব্দুল কাদের মোল্লা, মো. ইমরান আহমেদ ইব্রাহিম, মো. জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, জাহিদ সাকিন (ববি), মহসিন শিকদার, আরিফ হোসেন (ববি), মো. ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম এবং সৈয়দ মাহমুদ হাসান।
ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলে ঝালকাঠি জেলায় ৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। এতে সৈয়দ আলী হাসানকে আহ্বায়ক, সাইদুল ইসলাম রনিকে সদস্য সচিব এবং আহম্মেদ সালাউদ্দীনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।
যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন– যুবায়ের তালুকদার মিসকাত, কেশব সুমন সরকার, তাওহিদ হোসেন এবং মো. মুবিনুল ইসলাম সাদ্দাম।
ভোলা জেলা ছাত্রদলে ভোলায় ঘোষণা করা হয়েছে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এতে আবদুল্লাহ আল রাসেল সভাপতি, নূর মো. রুবেল সাধারণ সম্পাদক ও মেহেদী হাসান আসিফ সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। এছাড়া সাজ্জাদ হোসেন মুন্না সিনিয়র সহসভাপতি, নুরুল ইসলাম বাপ্পি সহসভাপতি, জাকারিয়া মঞ্জু সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মো. জাকারিয়া বেলাল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।’