
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:১৩
ভোলার তজুমুদ্দিন-মনপুরা নৌরুটে যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাতে টানা ৭ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে যাত্রীবাহী সি-ট্রাক এসটি ইলিশা। জেলার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন উপজেলা মনপুরার যোগাযোগের একমাত্র নিরাপদ সি-ট্রাকটি বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে অনুমোদনহীন ট্রলারে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, বিআইডব্লিউটিসি থেকে টেন্ডারে পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইয়ানুর এন্টারপ্রাইজের কর্ণধর মো. নুরউদ্দিন সি-ট্রাকটি মেরামত না করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অবৈধ ট্রলারে যাত্রী পারাপার করছেন। সুযোগ পেলেই তারা যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাতে সি-ট্রাক বন্ধ রাখেন বলেও অভিযোগ করেন।
এতে যেকোনো সময় মেঘনার ডেঞ্জার জোনে দুর্ঘটনায় ট্রলার ডুবে প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন যাত্রীরা। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা ট্রলারে যাতায়াত করছেন।
গত মঙ্গলবার থেকে আজ অবধি নৌরুটে চলাচলকারী সি-ট্রাক এসটি ইলিশা বন্ধ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সি-ট্রাক কর্তৃপক্ষের নিয়োজিত সুকানি মো. নিরব। তিনি জানান, ঢাকা থেকে যন্ত্রাংশ আসলেই মেরামত করে সি-ট্রাকটি চালু করা হবে।
যাত্রী সুজন, মো. আমির, আলমগীর ও রীতা রানীসহ অনেকে জানান, বাধ্য হয়ে তারা মালপত্র ও যাত্রী গাদাগাদি করে ট্রলারে যাতায়াত করছেন। গর্ভবতী মা ও রোগীরা জেলা সদরে গিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে না পারায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। যাত্রীরা এই নৌরুটে নিরাপদ সি-ট্রাক সবসময় চালু রাখার দাবি জানান।
এই বিষয়ে টেন্ডার পাওয়া ঠিকাদার নুরউদ্দিনের পক্ষে মো. নিরব উদ্দিন জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির মেরামতের কাজ চলছে, দুই-এক দিনের মধ্যে সি-ট্রাক চালু হবে। তবে অনুমোদনহীন ট্রলারে যাত্রী পারাপারের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জানা যায়, বিআইডব্লিউটিসি থেকে মো. নুরউদ্দিন মিয়া ইয়ানুর এন্টারপ্রাইজ-এর নামে ইজারা নিয়ে তজুমুদ্দিন-মনপুরা নৌরুটে সি-ট্রাকটি পরিচালনা করছেন।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা বিআইডব্লিউটিসি-এর ব্যবস্থাপক কাওছার হোসেন জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের কাজ শেষ হলে সি-ট্রাক পুনরায় চালু হবে। যাত্রীদের অভিযোগের ব্যাপারে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
বিআইডব্লিউটিসি-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (বরিশাল অঞ্চল) খন্দকার তানভীর মুঠোফোনে জানান, দুই দিন আগে ঠিকাদার নুরউদ্দিনকে অফিসে ডেকে সি-ট্রাক চালুর কথা বলেছি। আজ আবারও ডেকে দ্রুত চালুর জন্য বলা হবে। সি-ট্রাক দ্রুত চালু না হলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলার তজুমুদ্দিন-মনপুরা নৌরুটে যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাতে টানা ৭ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে যাত্রীবাহী সি-ট্রাক এসটি ইলিশা। জেলার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন উপজেলা মনপুরার যোগাযোগের একমাত্র নিরাপদ সি-ট্রাকটি বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে অনুমোদনহীন ট্রলারে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, বিআইডব্লিউটিসি থেকে টেন্ডারে পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইয়ানুর এন্টারপ্রাইজের কর্ণধর মো. নুরউদ্দিন সি-ট্রাকটি মেরামত না করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অবৈধ ট্রলারে যাত্রী পারাপার করছেন। সুযোগ পেলেই তারা যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাতে সি-ট্রাক বন্ধ রাখেন বলেও অভিযোগ করেন।
এতে যেকোনো সময় মেঘনার ডেঞ্জার জোনে দুর্ঘটনায় ট্রলার ডুবে প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন যাত্রীরা। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা ট্রলারে যাতায়াত করছেন।
গত মঙ্গলবার থেকে আজ অবধি নৌরুটে চলাচলকারী সি-ট্রাক এসটি ইলিশা বন্ধ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সি-ট্রাক কর্তৃপক্ষের নিয়োজিত সুকানি মো. নিরব। তিনি জানান, ঢাকা থেকে যন্ত্রাংশ আসলেই মেরামত করে সি-ট্রাকটি চালু করা হবে।
যাত্রী সুজন, মো. আমির, আলমগীর ও রীতা রানীসহ অনেকে জানান, বাধ্য হয়ে তারা মালপত্র ও যাত্রী গাদাগাদি করে ট্রলারে যাতায়াত করছেন। গর্ভবতী মা ও রোগীরা জেলা সদরে গিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে না পারায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। যাত্রীরা এই নৌরুটে নিরাপদ সি-ট্রাক সবসময় চালু রাখার দাবি জানান।
এই বিষয়ে টেন্ডার পাওয়া ঠিকাদার নুরউদ্দিনের পক্ষে মো. নিরব উদ্দিন জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির মেরামতের কাজ চলছে, দুই-এক দিনের মধ্যে সি-ট্রাক চালু হবে। তবে অনুমোদনহীন ট্রলারে যাত্রী পারাপারের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জানা যায়, বিআইডব্লিউটিসি থেকে মো. নুরউদ্দিন মিয়া ইয়ানুর এন্টারপ্রাইজ-এর নামে ইজারা নিয়ে তজুমুদ্দিন-মনপুরা নৌরুটে সি-ট্রাকটি পরিচালনা করছেন।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা বিআইডব্লিউটিসি-এর ব্যবস্থাপক কাওছার হোসেন জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের কাজ শেষ হলে সি-ট্রাক পুনরায় চালু হবে। যাত্রীদের অভিযোগের ব্যাপারে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
বিআইডব্লিউটিসি-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (বরিশাল অঞ্চল) খন্দকার তানভীর মুঠোফোনে জানান, দুই দিন আগে ঠিকাদার নুরউদ্দিনকে অফিসে ডেকে সি-ট্রাক চালুর কথা বলেছি। আজ আবারও ডেকে দ্রুত চালুর জন্য বলা হবে। সি-ট্রাক দ্রুত চালু না হলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৮
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৪
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯