Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে ঝালকাঠি-২ আসনে (সদর-নলছিটি) বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বিজয়ী হয়েছেন।
তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে ১২৪ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র দুজন, যা শতকরা ২ ভাগেরও কম। তাঁরা হলেন ঝালকাঠি-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো এবং বরিশাল-৫ (সিটি করপোরেশন-সদর) আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী।
ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বলেন, জনমত জরিপ ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টোকে মনোনীত করেন। তাঁর চলার পথ সহজ ছিল না। জেলা বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের বিরোধিতার কারণে ভোটের আগে দলীয় কর্মীরা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছিল। কিন্তু তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে ভোটারদের মন জয় করে বিজয়ী হয়েছেন।
ইসরাত সুলতানা এলাকায় ইলেন ভুট্টো নামেই পরিচিত। তাঁর প্রয়াত স্বামী জুলফিকার আলী ভুট্টো একসময় জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে এরশাদের ডাকে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে তিনি ঝালকাঠি-২ আসনে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
পরে তাঁর মৃত্যুতে এ আসনে ২০০০ সালের উপনির্বাচনে ইলেন ভুট্টো বিএনপির প্রার্থী হয়ে নৌকার প্রার্থী আমির হোসেন আমুর কাছে পরাজিত হন। তবে এক বছরের মধ্যে ২০০১ সালের নির্বাচনে ইলেন ভুট্টো আওয়ামী লীগের আমির হোসেন আমুকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন।
ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন, ‘ঝালকাঠি সদর ও নলছিটির জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। এ জন্য তাঁদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমার প্রতি যে আস্থা রেখেছেন, তার প্রতিদান দিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। আগামীতে এলাকার উন্নয়নই হবে আমার আসল কাজ।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে ঝালকাঠি-২ আসনে (সদর-নলছিটি) বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বিজয়ী হয়েছেন।
তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে ১২৪ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র দুজন, যা শতকরা ২ ভাগেরও কম। তাঁরা হলেন ঝালকাঠি-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো এবং বরিশাল-৫ (সিটি করপোরেশন-সদর) আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী।
ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বলেন, জনমত জরিপ ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টোকে মনোনীত করেন। তাঁর চলার পথ সহজ ছিল না। জেলা বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের বিরোধিতার কারণে ভোটের আগে দলীয় কর্মীরা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছিল। কিন্তু তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে ভোটারদের মন জয় করে বিজয়ী হয়েছেন।
ইসরাত সুলতানা এলাকায় ইলেন ভুট্টো নামেই পরিচিত। তাঁর প্রয়াত স্বামী জুলফিকার আলী ভুট্টো একসময় জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে এরশাদের ডাকে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে তিনি ঝালকাঠি-২ আসনে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
পরে তাঁর মৃত্যুতে এ আসনে ২০০০ সালের উপনির্বাচনে ইলেন ভুট্টো বিএনপির প্রার্থী হয়ে নৌকার প্রার্থী আমির হোসেন আমুর কাছে পরাজিত হন। তবে এক বছরের মধ্যে ২০০১ সালের নির্বাচনে ইলেন ভুট্টো আওয়ামী লীগের আমির হোসেন আমুকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন।
ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন, ‘ঝালকাঠি সদর ও নলছিটির জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। এ জন্য তাঁদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমার প্রতি যে আস্থা রেখেছেন, তার প্রতিদান দিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। আগামীতে এলাকার উন্নয়নই হবে আমার আসল কাজ।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৬
দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা। এই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) না থাকায় প্রশাসনিক কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় জনগণ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো.নজরুল ইসলাম।পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ লাভলী ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।এর ২ মাসের মধ্যেই ২৬ নভেম্বর জোবায়ের হাবিব নলছিটির নতুন ইউএনও হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি প্রশিক্ষণে চলে যান এরপর থেকেই ইউএনও পদটি শূন্য থাকায় বর্তমানে সদর উপজেলার ইউএনও সেগুফতা মেহনাজকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। উপজেলার পাশাপাশি নলছিটি পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও তাকে দেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দুই উপজেলার ও নলছিটি পৌরসভার দায়িত্ব পালন করায় সব কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা কাওসার সিকদার,মামুন হোসেন,রাকিব হোসেন, বাপ্পি হাওলাদার বলেন, আমাদের উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কোন ইউএনও দেওয়া হচ্ছে না। নতুন দেওয়া হলেও দুএক মাসের মধ্যে বদলী হয়ে চলে যায়।
তাছাড়া পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইউএনওকে। যিনি বর্তমানে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি সদর উপজেলার ইউএনও। তাকে সদর উপজেলার দায়িত্ব সামলিয়ে নলছিটি উপজেলা এরপর পৌরসভার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। আমরা নিয়মিত প্রশাসক না পাওয়ায় ভোগান্তি পেতে হচ্ছে। আমারা দ্রুত স্থায়ী ইউএনও ও প্রশাসক দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মমিন উদ্দিন বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শূন্য পদে দ্রুত স্থায়ী ইউএনও পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২২
সাম্প্রতিক হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দেশব্যাপী জরুরি এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১২ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সংক্রমণ রোধ ও আরও প্রাণহানি প্রতিরোধ করা যায়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১টায় এ উপলক্ষে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হলরুমে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমাউন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট আক্কাস সিকদার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, দৈনিক গাউছিয়া পত্রিকার সম্পাদক অলোক সাহাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রেস কনফারেন্সে টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় জানানো হয়, আগামীকাল ২০ এপ্রিল সকাল ৮টায় ঝালকাঠি ওহাব গাজী শিশু বিদ্যালয়ে টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হবে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা। এই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) না থাকায় প্রশাসনিক কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় জনগণ বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নলছিটির ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো.নজরুল ইসলাম।পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ লাভলী ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।এর ২ মাসের মধ্যেই ২৬ নভেম্বর জোবায়ের হাবিব নলছিটির নতুন ইউএনও হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি প্রশিক্ষণে চলে যান এরপর থেকেই ইউএনও পদটি শূন্য থাকায় বর্তমানে সদর উপজেলার ইউএনও সেগুফতা মেহনাজকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। উপজেলার পাশাপাশি নলছিটি পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও তাকে দেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দুই উপজেলার ও নলছিটি পৌরসভার দায়িত্ব পালন করায় সব কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা কাওসার সিকদার,মামুন হোসেন,রাকিব হোসেন, বাপ্পি হাওলাদার বলেন, আমাদের উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কোন ইউএনও দেওয়া হচ্ছে না। নতুন দেওয়া হলেও দুএক মাসের মধ্যে বদলী হয়ে চলে যায়।
তাছাড়া পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইউএনওকে। যিনি বর্তমানে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি সদর উপজেলার ইউএনও। তাকে সদর উপজেলার দায়িত্ব সামলিয়ে নলছিটি উপজেলা এরপর পৌরসভার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। আমরা নিয়মিত প্রশাসক না পাওয়ায় ভোগান্তি পেতে হচ্ছে। আমারা দ্রুত স্থায়ী ইউএনও ও প্রশাসক দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মমিন উদ্দিন বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শূন্য পদে দ্রুত স্থায়ী ইউএনও পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।
সাম্প্রতিক হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দেশব্যাপী জরুরি এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১২ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সংক্রমণ রোধ ও আরও প্রাণহানি প্রতিরোধ করা যায়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১টায় এ উপলক্ষে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হলরুমে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমাউন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট আক্কাস সিকদার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, দৈনিক গাউছিয়া পত্রিকার সম্পাদক অলোক সাহাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রেস কনফারেন্সে টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় জানানো হয়, আগামীকাল ২০ এপ্রিল সকাল ৮টায় ঝালকাঠি ওহাব গাজী শিশু বিদ্যালয়ে টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হবে।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯