জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চাঁনখানপুলে ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুলাল।
আজ রবিবার ট্রাইব্যুলাল এ আদেশ দেয়।
এদিন শুনানির শুরুতেই শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ইতিহাস তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চাঁনখারপুলের ওই হত্যায় সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমারচক্রবর্তীসহ অন্য সাত আসামি মাঠ পর্যায়ে হত্যার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন।
তাই আসামির সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করেন চিফ প্রসিকিউটর।
পরে এ মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম, মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক। গ্রেফতার ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি (পাস) পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা ঠেকানোকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও কেন্দ্র পরিদর্শকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে জাহিদ (২২) ও রাসেল (২০) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী নকলের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। দায়িত্ব পালনরত কেন্দ্র পরিদর্শকরা বিষয়টি শনাক্ত করে নকলের খাতা জব্দ করেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও তাদের সহযোগিতা করেন।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নকল করতে বাধা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে থাকা বহিরাগত যুবকরা কলেজের বাইরে জড়ো হন। পরে কেন্দ্র থেকে দায়িত্ব শেষে বেরিয়ে আসা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয় এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
দুলারহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে থানার পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা মিলিয়ে মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন আলম চৌধুরী বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশের ওপর পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি (পাস) পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা ঠেকানোকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও কেন্দ্র পরিদর্শকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে জাহিদ (২২) ও রাসেল (২০) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী নকলের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। দায়িত্ব পালনরত কেন্দ্র পরিদর্শকরা বিষয়টি শনাক্ত করে নকলের খাতা জব্দ করেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও তাদের সহযোগিতা করেন।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নকল করতে বাধা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে থাকা বহিরাগত যুবকরা কলেজের বাইরে জড়ো হন। পরে কেন্দ্র থেকে দায়িত্ব শেষে বেরিয়ে আসা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয় এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
দুলারহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে থানার পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা মিলিয়ে মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন আলম চৌধুরী বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশের ওপর পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
ভোলার বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর সাত বছরের শিশু মো. ইসমাইল হোসেনের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক শিশুটিকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া রোকনের (২২) বাড়ি বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি নান্নু মিয়ার ছেলে। বুধবার দুপুরে ভোলা জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার বোরহানউদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা একই এলাকার একটি খালে বস্তাবন্দী মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি ভোলা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর শিশুটির বাবা মো. আকবর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শুরু করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোকনকে আটক করে।
জেলা পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে রোকন জানান, পূর্বশত্রুতা ও পাওনা টাকা নিয়ে ক্ষোভের জেরে তিনি ইসমাইলকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে খালের পানিতে ফেলে দেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদ্ঘাটনে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
ভোলার বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর সাত বছরের শিশু মো. ইসমাইল হোসেনের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক শিশুটিকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া রোকনের (২২) বাড়ি বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি নান্নু মিয়ার ছেলে। বুধবার দুপুরে ভোলা জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার বোরহানউদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা একই এলাকার একটি খালে বস্তাবন্দী মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি ভোলা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর শিশুটির বাবা মো. আকবর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শুরু করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোকনকে আটক করে।
জেলা পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে রোকন জানান, পূর্বশত্রুতা ও পাওনা টাকা নিয়ে ক্ষোভের জেরে তিনি ইসমাইলকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে খালের পানিতে ফেলে দেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদ্ঘাটনে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৩৮
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চর মোজাম্মেল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, ধারালো অস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিন ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
সোমবার ভোর ৪টা থেকে চর মোজাম্মেলে এ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলার একটি দল।
কোস্ট গার্ডের দাবি, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে চরাঞ্চলে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—চর মোজাম্মেলের আলমগীর, আব্বাস মাঝি ও আলমগীর মাঝি।
কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন চর মোজাম্মেলে একদল ডাকাত অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে সন্দেহভাজনদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ, দুই রাউন্ড খালি কার্তুজ, চারটি দেশীয় অস্ত্র এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশাল টাইমসকে বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চর মোজাম্মেল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, ধারালো অস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিন ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
সোমবার ভোর ৪টা থেকে চর মোজাম্মেলে এ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলার একটি দল।
কোস্ট গার্ডের দাবি, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে চরাঞ্চলে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—চর মোজাম্মেলের আলমগীর, আব্বাস মাঝি ও আলমগীর মাঝি।
কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন চর মোজাম্মেলে একদল ডাকাত অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে সন্দেহভাজনদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ, দুই রাউন্ড খালি কার্তুজ, চারটি দেশীয় অস্ত্র এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশাল টাইমসকে বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২৫ মে, ২০২৫ ২১:১১
জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চাঁনখানপুলে ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুলাল।
আজ রবিবার ট্রাইব্যুলাল এ আদেশ দেয়।
এদিন শুনানির শুরুতেই শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ইতিহাস তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চাঁনখারপুলের ওই হত্যায় সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমারচক্রবর্তীসহ অন্য সাত আসামি মাঠ পর্যায়ে হত্যার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন।
তাই আসামির সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করেন চিফ প্রসিকিউটর।
পরে এ মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম, মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক। গ্রেফতার ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫