জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চাঁনখানপুলে ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুলাল।
আজ রবিবার ট্রাইব্যুলাল এ আদেশ দেয়।
এদিন শুনানির শুরুতেই শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ইতিহাস তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চাঁনখারপুলের ওই হত্যায় সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমারচক্রবর্তীসহ অন্য সাত আসামি মাঠ পর্যায়ে হত্যার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন।
তাই আসামির সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করেন চিফ প্রসিকিউটর।
পরে এ মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম, মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক। গ্রেফতার ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো- উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকার বাসিন্দা রাহাত, জিসান এবং ইমন।
জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তদের একজন জরুরি কথা বলার কথা বলে তাকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও চার কিশোর অবস্থান করছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী চিৎকার করার চেষ্টা করলে একজন তার মুখ চেপে ধরে এবং অন্যরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় অভিযুক্তদের একজন মোবাইলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাহাত, ইমন, জিহাদ, রহিম এবং জিসান নামে পাঁচ কিশোরকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাহাত, জিসান ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে ঘটনাটির সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো- উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকার বাসিন্দা রাহাত, জিসান এবং ইমন।
জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তদের একজন জরুরি কথা বলার কথা বলে তাকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও চার কিশোর অবস্থান করছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী চিৎকার করার চেষ্টা করলে একজন তার মুখ চেপে ধরে এবং অন্যরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় অভিযুক্তদের একজন মোবাইলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাহাত, ইমন, জিহাদ, রহিম এবং জিসান নামে পাঁচ কিশোরকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাহাত, জিসান ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে ঘটনাটির সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৯
ভোলার নদী ভাঙনের একমাত্র কারণ হচ্ছে মেঘনা - তেতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। আর সেই বালু উত্তোলন বন্ধে এবার সরকারি ১৯ টি দপ্তরে আইনি নোটিশ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন। ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অবৈধ ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযান জব্দ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট ১০টি সরকারি দপ্তরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন নোটিশটি পাঠান। নোটিশে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর চেয়ারম্যান, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমুদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ ভোলা কার্যালয়কে নোটিশ প্রাপক করা হয়েছে।
আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর বিধান লঙ্ঘন করে দীর্ঘদিন ধরে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযানের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ নদীভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন গন মাধ্যমে ও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণের বিষয়টি উঠে এসেছে। এর ফলে জেলার বিস্তীর্ণ ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে এবং হাজার হাজার বসতবাড়ি, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কবরস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ধারা অনুযায়ী, যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি বা খাস জমি, নদীর তলদেশ কিংবা চরভূমি থেকে বালু, পাথর বা মাটি উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি ও দন্ডনীয় অপরাধ। এরপরও সংশ্লিষ্টদের নীরবতার সুযোগে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে অবিলম্বে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, ব্যবহৃত ড্রেজার, বালুবাহী নৌযান ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ, জড়িত ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদীতীর রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে।
এতে নোটিশ প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় জনগণের মৌলিক অধিকার এবং পরিবেশ রক্ষায় উচ্চ আদালতে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করেছেন নোটিশ প্রেরক।
নোটিশ প্রেরক অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন বলেন, “ভোলার মানুষ বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আইন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিবেশ ও জনস্বার্থে আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হব।
স্থানীয় জনগন এ নোটিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। ভোলাবাসীর একটাই দাবী "ভোলার বালু উত্তোলন বন্ধ করুন, ভোলাকে রক্ষা করুন "। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জোরালো ভুমিকা পালন করার উপর গুরুত্ব দিয়ে ভোলাকে রক্ষা করার দাবী জানান।
বরিশাল টাইমস
ভোলার নদী ভাঙনের একমাত্র কারণ হচ্ছে মেঘনা - তেতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। আর সেই বালু উত্তোলন বন্ধে এবার সরকারি ১৯ টি দপ্তরে আইনি নোটিশ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন। ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অবৈধ ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযান জব্দ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট ১০টি সরকারি দপ্তরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন নোটিশটি পাঠান। নোটিশে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর চেয়ারম্যান, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমুদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ ভোলা কার্যালয়কে নোটিশ প্রাপক করা হয়েছে।
আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর বিধান লঙ্ঘন করে দীর্ঘদিন ধরে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযানের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ নদীভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন গন মাধ্যমে ও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণের বিষয়টি উঠে এসেছে। এর ফলে জেলার বিস্তীর্ণ ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে এবং হাজার হাজার বসতবাড়ি, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কবরস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ধারা অনুযায়ী, যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি বা খাস জমি, নদীর তলদেশ কিংবা চরভূমি থেকে বালু, পাথর বা মাটি উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি ও দন্ডনীয় অপরাধ। এরপরও সংশ্লিষ্টদের নীরবতার সুযোগে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে অবিলম্বে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, ব্যবহৃত ড্রেজার, বালুবাহী নৌযান ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ, জড়িত ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদীতীর রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে।
এতে নোটিশ প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় জনগণের মৌলিক অধিকার এবং পরিবেশ রক্ষায় উচ্চ আদালতে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করেছেন নোটিশ প্রেরক।
নোটিশ প্রেরক অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন বলেন, “ভোলার মানুষ বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আইন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিবেশ ও জনস্বার্থে আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হব।
স্থানীয় জনগন এ নোটিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। ভোলাবাসীর একটাই দাবী "ভোলার বালু উত্তোলন বন্ধ করুন, ভোলাকে রক্ষা করুন "। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জোরালো ভুমিকা পালন করার উপর গুরুত্ব দিয়ে ভোলাকে রক্ষা করার দাবী জানান।
বরিশাল টাইমস

০২ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৩
বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মিত হলে জাতীয় গ্রিডে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের পথ সহজ হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, বাড়বে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ।
সরকারের লক্ষ্য, ২০৩৩ সালের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করা। এরমধ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
বাংলাদেশ সেতু বিভাগ ও পিপিপি কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে অনুষ্ঠিত অষ্টম বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্মের সভায় ভোলা-বরিশাল ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু প্রকল্পকে নতুন অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ওই সভায় মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেড দুটি সেতু নির্মাণে আনুষ্ঠানিকভাবে আগ্রহ প্রকাশ করে।
পিপিপি মডেলে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত দুটি প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ভোলা-বরিশাল সেতুর ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। পিপিপি নীতিমালা অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার।
সেতু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ভোলা-বরিশাল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ১০ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার।
নির্মাণ শেষ হলে এটি হবে দেশের দীর্ঘতম সেতু। দ্বীপজেলা ভোলার সঙ্গে বরিশালের স্থায়ী সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এটি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনবে।
২০২৪ সালে সম্পন্ন হওয়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সেতুটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আগামী ৩০ বছরে প্রকল্পটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রায় শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ অবদান রাখতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সেতুটি নির্মিত হলে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং গ্যাসভিত্তিক শিল্প সম্প্রসারণের সুযোগ বাড়বে।
সেতু বিভাগ ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, মিয়াগাওয়া এককভাবে অথবা অন্য জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশ নিতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচনের আগে ট্রানজিশন পরামর্শক নিয়োগ, সম্ভাব্যতা যাচাই এবং পরবর্তী ধাপে রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি) আহ্বান করা হবে। মূল্যায়ন শেষে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে সরকার।
বাংলাদেশে মিয়াগাওয়ার স্থানীয় অংশীদার হিসেবে কাজ করছে স্ট্যালিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু শুধু একটি যোগাযোগ অবকাঠামো নয়; এটি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।’
একই সভায় শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু প্রকল্পকেও বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্মের নতুন প্রকল্প হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা। এটি নির্মিত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১ জেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পাশাপাশি খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যকার সড়কপথ প্রায় ৯০ কিলোমিটার কমে আসবে এবং ঢাকার ওপর যানবাহনের চাপও হ্রাস পাবে।
বৈঠকে ভোলা-লক্ষ্মীপুর সেতু প্রকল্পও উপস্থাপন করা হয়। জাপানি প্রতিনিধি দল প্রকল্পটির প্রতিও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সেতু বিভাগ মনে করছে, মেঘনা নদীর ওপর এ সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় আরও বড় পরিবর্তন আসবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্ম বড় অবকাঠামো প্রকল্পে মানসম্মত বিনিয়োগ আকর্ষণের কার্যকর মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি আরও বাড়ানো হবে।’
সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার বলেন, ‘অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ ও জাপান যৌথভাবে কাজ করে যাবে।’
বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মিত হলে জাতীয় গ্রিডে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের পথ সহজ হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, বাড়বে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ।
সরকারের লক্ষ্য, ২০৩৩ সালের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করা। এরমধ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
বাংলাদেশ সেতু বিভাগ ও পিপিপি কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে অনুষ্ঠিত অষ্টম বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্মের সভায় ভোলা-বরিশাল ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু প্রকল্পকে নতুন অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ওই সভায় মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেড দুটি সেতু নির্মাণে আনুষ্ঠানিকভাবে আগ্রহ প্রকাশ করে।
পিপিপি মডেলে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত দুটি প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ভোলা-বরিশাল সেতুর ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। পিপিপি নীতিমালা অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার।
সেতু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ভোলা-বরিশাল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ১০ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার।
নির্মাণ শেষ হলে এটি হবে দেশের দীর্ঘতম সেতু। দ্বীপজেলা ভোলার সঙ্গে বরিশালের স্থায়ী সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এটি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনবে।
২০২৪ সালে সম্পন্ন হওয়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সেতুটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আগামী ৩০ বছরে প্রকল্পটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রায় শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ অবদান রাখতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সেতুটি নির্মিত হলে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং গ্যাসভিত্তিক শিল্প সম্প্রসারণের সুযোগ বাড়বে।
সেতু বিভাগ ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, মিয়াগাওয়া এককভাবে অথবা অন্য জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশ নিতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচনের আগে ট্রানজিশন পরামর্শক নিয়োগ, সম্ভাব্যতা যাচাই এবং পরবর্তী ধাপে রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি) আহ্বান করা হবে। মূল্যায়ন শেষে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে সরকার।
বাংলাদেশে মিয়াগাওয়ার স্থানীয় অংশীদার হিসেবে কাজ করছে স্ট্যালিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু শুধু একটি যোগাযোগ অবকাঠামো নয়; এটি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।’
একই সভায় শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু প্রকল্পকেও বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্মের নতুন প্রকল্প হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা। এটি নির্মিত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১ জেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পাশাপাশি খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যকার সড়কপথ প্রায় ৯০ কিলোমিটার কমে আসবে এবং ঢাকার ওপর যানবাহনের চাপও হ্রাস পাবে।
বৈঠকে ভোলা-লক্ষ্মীপুর সেতু প্রকল্পও উপস্থাপন করা হয়। জাপানি প্রতিনিধি দল প্রকল্পটির প্রতিও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সেতু বিভাগ মনে করছে, মেঘনা নদীর ওপর এ সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় আরও বড় পরিবর্তন আসবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্ম বড় অবকাঠামো প্রকল্পে মানসম্মত বিনিয়োগ আকর্ষণের কার্যকর মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি আরও বাড়ানো হবে।’
সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার বলেন, ‘অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ ও জাপান যৌথভাবে কাজ করে যাবে।’

২৫ মে, ২০২৫ ২১:১১
জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চাঁনখানপুলে ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুলাল।
আজ রবিবার ট্রাইব্যুলাল এ আদেশ দেয়।
এদিন শুনানির শুরুতেই শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ইতিহাস তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চাঁনখারপুলের ওই হত্যায় সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমারচক্রবর্তীসহ অন্য সাত আসামি মাঠ পর্যায়ে হত্যার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন।
তাই আসামির সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করেন চিফ প্রসিকিউটর।
পরে এ মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম, মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক। গ্রেফতার ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮
১১ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৬