ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৪০
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৯
সাইবার সুরক্ষা আইনসহ গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইন সংশোধনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। আইনগুলোকে যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে গণমাধ্যমের মালিক, সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, সাইবার সিকিউরিটিসহ প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমন একটি টেকসই নীতিমালা প্রণয়ন করতে চায় সরকার, যাতে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ সমানভাবে সুরক্ষা পান। আইন সংশোধনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অচিরেই এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সম্প্রতি নেত্রকোনায় এক সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু সাংবাদিক বা নির্দিষ্ট কোনো পেশাজীবী নয়, রাষ্ট্রীয় আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অপরাধ সংঘটিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আনন্দ ও সম্প্রীতির পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন। হিন্দু-মুসলমানসহ দেশের সব নাগরিক পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাচ্ছেন—এটি আনন্দের বিষয়। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
পূজা কমিটির নেতাদের বরাত দিয়ে তথ্যমন্ত্রী জানান, এবার পূজা চলাকালে ভোলায় কোথাও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে, ভোলা সদরের ২৯টি পূজামণ্ডপে ব্যক্তিগতভাবে মোট ২৯ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। বুধবার রাতে তিনি জেলা শহরের বিকাশ মজুমদার বাড়ির পূজামণ্ডপ, অনুজকাহালী লেনের পূজামণ্ডপ, মদনমোহন মন্দির, শতদল বিকাশ ক্লাবসংলগ্ন পূজামণ্ডপ, মিহিরলাল সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপ, লক্ষ্মী গোবিন্দ মন্দির, বাপ্তা মহাজনের পোল পূজামণ্ডপ, বাপ্তা শক্তি সংঘ পূজামণ্ডপ ও সার্কুলার রোডের পূজামণ্ডপসহ মোট নয়টি মন্দির পরিদর্শন করেন।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
সাইবার সুরক্ষা আইনসহ গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইন সংশোধনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। আইনগুলোকে যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে গণমাধ্যমের মালিক, সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, সাইবার সিকিউরিটিসহ প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমন একটি টেকসই নীতিমালা প্রণয়ন করতে চায় সরকার, যাতে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ সমানভাবে সুরক্ষা পান। আইন সংশোধনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অচিরেই এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সম্প্রতি নেত্রকোনায় এক সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু সাংবাদিক বা নির্দিষ্ট কোনো পেশাজীবী নয়, রাষ্ট্রীয় আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অপরাধ সংঘটিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আনন্দ ও সম্প্রীতির পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন। হিন্দু-মুসলমানসহ দেশের সব নাগরিক পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাচ্ছেন—এটি আনন্দের বিষয়। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
পূজা কমিটির নেতাদের বরাত দিয়ে তথ্যমন্ত্রী জানান, এবার পূজা চলাকালে ভোলায় কোথাও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে, ভোলা সদরের ২৯টি পূজামণ্ডপে ব্যক্তিগতভাবে মোট ২৯ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। বুধবার রাতে তিনি জেলা শহরের বিকাশ মজুমদার বাড়ির পূজামণ্ডপ, অনুজকাহালী লেনের পূজামণ্ডপ, মদনমোহন মন্দির, শতদল বিকাশ ক্লাবসংলগ্ন পূজামণ্ডপ, মিহিরলাল সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপ, লক্ষ্মী গোবিন্দ মন্দির, বাপ্তা মহাজনের পোল পূজামণ্ডপ, বাপ্তা শক্তি সংঘ পূজামণ্ডপ ও সার্কুলার রোডের পূজামণ্ডপসহ মোট নয়টি মন্দির পরিদর্শন করেন।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৮
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে লুটপাট হয়েছে তা বিশ্বের কোথাও হয়নি। পৃথিবীর ইতিহাসে এত বড় চোরের দল কেউ দেখেনি। তারা দেশের সম্পদ লুট করে বিদেশে প্রাসাদ গড়েছে। এখন সেখানে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে লালমোহন উপজেলা হলরুমে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত গণসংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। হিন্দু সম্প্রদায়কে নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপনে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
আইপিইউ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তানজানিয়ায় ১৬৭টি দেশের সংসদ সদস্যদের সম্মেলনে তাকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ থেকে কেউ এ পদে আসেননি। এটি দেশের জন্য সম্মানের।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে আট মাস। এর মধ্যেই দখলবাজির অভিযোগে একজন নারী সংসদ সদস্য এবং অস্ত্র হাতে ছবি প্রকাশের পর একজন প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। বিএনপি ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল পাঞ্চায়েতের সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ, থানার ওসি নজরুল ইসলামসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্পিকার ১৫০ জন অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন।
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে লুটপাট হয়েছে তা বিশ্বের কোথাও হয়নি। পৃথিবীর ইতিহাসে এত বড় চোরের দল কেউ দেখেনি। তারা দেশের সম্পদ লুট করে বিদেশে প্রাসাদ গড়েছে। এখন সেখানে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে লালমোহন উপজেলা হলরুমে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত গণসংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। হিন্দু সম্প্রদায়কে নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপনে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
আইপিইউ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তানজানিয়ায় ১৬৭টি দেশের সংসদ সদস্যদের সম্মেলনে তাকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ থেকে কেউ এ পদে আসেননি। এটি দেশের জন্য সম্মানের।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে আট মাস। এর মধ্যেই দখলবাজির অভিযোগে একজন নারী সংসদ সদস্য এবং অস্ত্র হাতে ছবি প্রকাশের পর একজন প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। বিএনপি ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল পাঞ্চায়েতের সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ, থানার ওসি নজরুল ইসলামসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্পিকার ১৫০ জন অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’