Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:৪৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের দরিদ্র নারী মুকুলী বেগম নিজের জীবনের সব কষ্ট ভুলে পরিবারটিকে টিকিয়ে রেখেছেন ভিক্ষার ওপর নির্ভর করে। সাত সদস্যের এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনিই।
এক মাস বয়সের শিশু সন্তানকে কাঁধে নিয়ে প্রতিদিন ভোরে তিনি বের হন ভিক্ষার ঝুলি হাতে, ফিরেন সন্ধ্যায় ক্লান্ত শরীরে। তবুও মুখে থাকে অদম্য হাসি, কারণ তাঁর ভিক্ষার টাকাতেই চলছে সাতজনের জীবনযুদ্ধ।
পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডে ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করেন ওই নারী ও তাঁর পরিবার। স্বামী দীর্ঘদিন অসুস্থ, চিকিৎসার অভাবে শয্যাশায়ী। সন্তানদের কারও পড়াশোনা করার সুযোগ নেই অভাবের তাড়নায়। দিনের খাবার জুটলে রাতের চিন্তা, আবার রাতের পর সকালে কী খাবেন সেই অনিশ্চয়তা তাদের নিত্যসঙ্গী।
মুকুলী বেগমের প্রথম বিবাহ হয়েছিল ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার খোকন নামের এক হকার ব্যবসায়ির সাথে। সেখানে তার দুই সন্তানের জন্ম হয়।
স্বামী স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করলে দুই কন্যা সন্তান সুমাইয়া ও হালিমাকে নিয়ে তখন অসহায় হয়ে পরেন মুকুল বেগম। কোন উপায়ান্তর না পেয়ে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ভ্যানগাড়ি চালক আলমগীর হোসেন এর সাথে দ্বিতীয় বিয়ে আবদ্ধ হয়।
সুখের ঘরে দুখের আগুন ভুলে নতুন করে বাঁচতে সংসার শুরু করলেও সুখ জোটেনি মুকুলী বেগমের কপালে। দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে তিন সন্তানের জন্ম হয় মুকুলী বেগমের।
স্বামী আলমগীর হোসেন ভ্যানগাড়ি চালাতেন। সড়ক দুর্ঘটনায় দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগে কর্মহীন হয়ে পরেছেন। এখন ৭ জনের এই সংসারের হাল ধরেছেন সংগ্রামী এই নারী মুকুলী বেগম।
মানবতার এই কঠিন বাস্তবতায় সমাজের বিত্তবান ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী অসহায় এই নারী ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভিক্ষুক মুকুলী বেগমের ৭ সদস্যের পরিবারটি ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করেন। ঘরের উপরে নেই টিনের চালা। ঝড়-বৃষ্টিতে ছিড়ে গিয়ে পলিথিনের চালার ফাক দিয়ে আকাশ দেখা যায়।
খরকুটার তৈরি ঘরে বৃষ্টিতে পানি ঢুকে পরে ঘরের ভিতরে। অসহায় পরিবারের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি কোন বিত্তশালী মানুষ। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য হলেও পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের অসাহায় পরিবারটির বেলায় কথাটি সম্পূর্ণ বিপরীত। পরিবারটির কাছে এসে দেখা যায় জীবন দুর্দশার করুন চিত্র।
কথা হয় মুকুলী বেগমের স্বামী আলমগীর হোসেনের সাথে তিনি জানান, দীর্ঘদিন অসুস্থতার কারনে কাজে যেতে পারছি না। সড়ক দুর্ঘটনায় আমার মেরুদণ্ডে সমস্যা হয়। গ্রাম থেকে মাঝে মধ্যে শাকসবজি নিয়ে বাজারে বিক্রি করতাম।
শারীরিক অসুস্থতা ও অর্থের অভাবে তাও এখন করতে পারতেছি না। স্ত্রীর ভিক্ষায় আমাদের সংসার চলে। খেয়ে না খেয়ে অসুখে - বিসুখে মানবেতর দিন কাটছে আমাদের পরিবারের। অর্থের অভাবে পারিনি মাথা গোঁজার ঠাঁই করতে।
গোয়ার ঘরের মত একটি ঝুপড়ি ঘরে ঝড় বৃষ্টিতে ভিজে শেষ বয়সে মানবেতর জীবন যাপন করতেছি পরিবার নিয়ে। সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত আমরা।
দারিদ্র্যের কাছে হার না মানা এই নারীর সংগ্রাম আজও নিঃশব্দে বলে যায় জীবন যত কঠিনই হোক, ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধের বন্ধনই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, অসহায় মুকুলী বেগমের পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের দরিদ্র নারী মুকুলী বেগম নিজের জীবনের সব কষ্ট ভুলে পরিবারটিকে টিকিয়ে রেখেছেন ভিক্ষার ওপর নির্ভর করে। সাত সদস্যের এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনিই।
এক মাস বয়সের শিশু সন্তানকে কাঁধে নিয়ে প্রতিদিন ভোরে তিনি বের হন ভিক্ষার ঝুলি হাতে, ফিরেন সন্ধ্যায় ক্লান্ত শরীরে। তবুও মুখে থাকে অদম্য হাসি, কারণ তাঁর ভিক্ষার টাকাতেই চলছে সাতজনের জীবনযুদ্ধ।
পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডে ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করেন ওই নারী ও তাঁর পরিবার। স্বামী দীর্ঘদিন অসুস্থ, চিকিৎসার অভাবে শয্যাশায়ী। সন্তানদের কারও পড়াশোনা করার সুযোগ নেই অভাবের তাড়নায়। দিনের খাবার জুটলে রাতের চিন্তা, আবার রাতের পর সকালে কী খাবেন সেই অনিশ্চয়তা তাদের নিত্যসঙ্গী।
মুকুলী বেগমের প্রথম বিবাহ হয়েছিল ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার খোকন নামের এক হকার ব্যবসায়ির সাথে। সেখানে তার দুই সন্তানের জন্ম হয়।
স্বামী স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করলে দুই কন্যা সন্তান সুমাইয়া ও হালিমাকে নিয়ে তখন অসহায় হয়ে পরেন মুকুল বেগম। কোন উপায়ান্তর না পেয়ে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ভ্যানগাড়ি চালক আলমগীর হোসেন এর সাথে দ্বিতীয় বিয়ে আবদ্ধ হয়।
সুখের ঘরে দুখের আগুন ভুলে নতুন করে বাঁচতে সংসার শুরু করলেও সুখ জোটেনি মুকুলী বেগমের কপালে। দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে তিন সন্তানের জন্ম হয় মুকুলী বেগমের।
স্বামী আলমগীর হোসেন ভ্যানগাড়ি চালাতেন। সড়ক দুর্ঘটনায় দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগে কর্মহীন হয়ে পরেছেন। এখন ৭ জনের এই সংসারের হাল ধরেছেন সংগ্রামী এই নারী মুকুলী বেগম।
মানবতার এই কঠিন বাস্তবতায় সমাজের বিত্তবান ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী অসহায় এই নারী ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভিক্ষুক মুকুলী বেগমের ৭ সদস্যের পরিবারটি ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করেন। ঘরের উপরে নেই টিনের চালা। ঝড়-বৃষ্টিতে ছিড়ে গিয়ে পলিথিনের চালার ফাক দিয়ে আকাশ দেখা যায়।
খরকুটার তৈরি ঘরে বৃষ্টিতে পানি ঢুকে পরে ঘরের ভিতরে। অসহায় পরিবারের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি কোন বিত্তশালী মানুষ। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য হলেও পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের অসাহায় পরিবারটির বেলায় কথাটি সম্পূর্ণ বিপরীত। পরিবারটির কাছে এসে দেখা যায় জীবন দুর্দশার করুন চিত্র।
কথা হয় মুকুলী বেগমের স্বামী আলমগীর হোসেনের সাথে তিনি জানান, দীর্ঘদিন অসুস্থতার কারনে কাজে যেতে পারছি না। সড়ক দুর্ঘটনায় আমার মেরুদণ্ডে সমস্যা হয়। গ্রাম থেকে মাঝে মধ্যে শাকসবজি নিয়ে বাজারে বিক্রি করতাম।
শারীরিক অসুস্থতা ও অর্থের অভাবে তাও এখন করতে পারতেছি না। স্ত্রীর ভিক্ষায় আমাদের সংসার চলে। খেয়ে না খেয়ে অসুখে - বিসুখে মানবেতর দিন কাটছে আমাদের পরিবারের। অর্থের অভাবে পারিনি মাথা গোঁজার ঠাঁই করতে।
গোয়ার ঘরের মত একটি ঝুপড়ি ঘরে ঝড় বৃষ্টিতে ভিজে শেষ বয়সে মানবেতর জীবন যাপন করতেছি পরিবার নিয়ে। সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত আমরা।
দারিদ্র্যের কাছে হার না মানা এই নারীর সংগ্রাম আজও নিঃশব্দে বলে যায় জীবন যত কঠিনই হোক, ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধের বন্ধনই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, অসহায় মুকুলী বেগমের পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৩

১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:২৪
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
বরিশালে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক বিশোর্ধ্ব নাজমুল হোসেনের সন্দেহভাজন খুনির বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) খুব সকালে বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের নতুনের হাট এলাকায় বসতঘরটিতে আগুন দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে অভিযুক্ত মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) সকালে একই এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা চালক নাজমুল হোসেনের লাশটি পার্শ্ববর্তী কালিজিরা নদীর পূর্বপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশিদ মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এদিন দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাননি। ছেলে নিখোঁজের এই ঘটনায় রোববার (১৪ জুন) আব্দুল রশিদ মোল্লা সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির একদিন বাদে ১৫ জুন যুবক নাজমুলের লাশটি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড ও জাগুয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কালিজিরা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এবং নাজমুলের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, অটোরিকশা চালক নাজমুল খুনের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশপাশি সন্ধিগ্ধ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বরিশাল শহর বিভিন্ন স্থানসমূহে দুদিন ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে নতুন হাট এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে পঁচিশোর্ধ্ব মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব সকালে অভিযুক্ত মিরাজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এসময় ঘরের অভ্যন্তরের কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল হান্নান জানান, অটোচালক নাজমুল হোসেনের মৃত্যুর সাথে মিরাজের যোগসূত্র থাকতে পারে, এই ধরনের কিছু আলামত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের খবরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিরাজের বাসায় আগুন দিয়েছে। অটোরিকশা চালক খুন এবং সন্দেভাজন খুনির বাসায় আগুন দেওয়ার দুটি ঘটনাই তদন্ত করা হচ্ছে, জানান এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশালে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক বিশোর্ধ্ব নাজমুল হোসেনের সন্দেহভাজন খুনির বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) খুব সকালে বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের নতুনের হাট এলাকায় বসতঘরটিতে আগুন দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে অভিযুক্ত মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) সকালে একই এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা চালক নাজমুল হোসেনের লাশটি পার্শ্ববর্তী কালিজিরা নদীর পূর্বপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশিদ মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এদিন দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাননি। ছেলে নিখোঁজের এই ঘটনায় রোববার (১৪ জুন) আব্দুল রশিদ মোল্লা সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির একদিন বাদে ১৫ জুন যুবক নাজমুলের লাশটি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড ও জাগুয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কালিজিরা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এবং নাজমুলের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, অটোরিকশা চালক নাজমুল খুনের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশপাশি সন্ধিগ্ধ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বরিশাল শহর বিভিন্ন স্থানসমূহে দুদিন ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে নতুন হাট এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে পঁচিশোর্ধ্ব মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব সকালে অভিযুক্ত মিরাজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এসময় ঘরের অভ্যন্তরের কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল হান্নান জানান, অটোচালক নাজমুল হোসেনের মৃত্যুর সাথে মিরাজের যোগসূত্র থাকতে পারে, এই ধরনের কিছু আলামত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের খবরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিরাজের বাসায় আগুন দিয়েছে। অটোরিকশা চালক খুন এবং সন্দেভাজন খুনির বাসায় আগুন দেওয়ার দুটি ঘটনাই তদন্ত করা হচ্ছে, জানান এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।’
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।