
১২ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৩৩
আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ভোলায় সরব হয়ে উঠেছেন রাজনৈতিক নেতারা। এখনও জামায়াত ছাড়া বড় দল বিএনপিসহ অধিকাংশ দলের প্রার্থী চূড়ান্ত না হলেও মাঠে সক্রিয় রয়েছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোলায় তৃণমূল পর্যায়ে দল গোছাচ্ছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, বিজেপিসহ সব দল। তবে এখনও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী চূড়ান্ত না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো জেলা। মাঠ গোছাতেও ব্যস্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, কেন্দ্র কমিটি গঠন এবং সদস্য সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে বিএনপি থেকে একাধিক নেতার মনোনয়ন প্রত্যাশা থাকায় দলের ভেতরে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং নেতাকর্মীরা জানান, কেন্দ্র থেকে যাকে মনোনয়ন দেবে এবং কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশনা দেবে, সেটা তারা মেনে নিয়ে তার পক্ষেই কাজ করবেন। এখন সবার অপেক্ষা কেন্দ্র থেকে চূড়ান্তভাবে কার নাম ঘোষণা আসে।
জানা গেছে, বিএনপি, জামায়াত, বিজেপি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ অনেকটাই বেশি। তবে প্রার্থিতার বিষয়ে আপাতত এ জেলায় জাপা এবং এনসিপিসহ অন্যান্য দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা নেই।
এদিকে সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে শহরের অলিগলি, পাড়া-মহল্লা। চারটি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত দ্বীপজেলা ভোলার রাজনৈতিক মাঠ এখন অনেকটাই সরগরম। বিএনপি, বিজেপি এবং জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চোখে পড়ার মতো। তারাই এখন তৃণমূলে মাঠ গোছাতে ব্যস্ত। দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন নেতাকর্মীরা।
ভোলা-১ (সদর) আসনে বিএনপি থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীরের নাম শোনা যাচ্ছে। তার পক্ষে দলীয় শুভেচ্ছা ব্যানার টানিয়ে রাখা হয়েছে শহরের অলিগলিতে।
বিজেপি থেকে দলের চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থের পক্ষে কাজ করছেন নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে জামায়াত থেকে দলের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মাওলানা ওবায়দুর রহমান বিন মোস্তফার নাম শোনা যাচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ ও বিএনপি গোলাম নবী আলমগীর। পিছিয়ে নেই জামায়াত প্রার্থীও।
ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসন থেকে বিএনপির একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। এছাড়া একই দল থেকে এবিএম ইব্রাহিম খলিলসহ একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। তারাও বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে চান। এ আসনে জামায়াত থেকে প্রার্থী হচ্ছেন মাওলানা ফজলুল করিম। তবে বিজেপি বা অন্যদলের প্রার্থীদের নাম নিয়ে আলোচনা নেই।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসন থেকে বিএনপিতে এককভাবে মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈমের শোনা গেলেও বিজেপি, জাপা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম আলোচনায় নেই।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির একাধিক প্রার্থীর নাম আলোচনায় রয়েছে। যাদের মধ্যে সাবেক সংসদ নাজিম উদ্দিম আলম, অ্যাডভোকেট ছিদ্দিকুল্লা, নুরুল ইসলামাম নয়ন রয়েছেন। এছাড়াও জামায়াত থেকে অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে কামাল উদ্দিন আলোচনায় রয়েছেন। অন্যান্য দলের প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বিএনপিতে একাধিক প্রার্থীর বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর বলেন, বিএনপি একটি বড় দল, এ দল থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন চাইতেই পারেন। তবে এখন পর্যন্ত যারা মনোনয়ন চাইছেন, তারা কেউ শক্তিশালী প্রার্থী নন। সবচেয়ে বড় কথা কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশনা আসবে, আমরা তাই মেনে নেব। তার পক্ষেই কাজ করব।
জানতে চাইলে জামায়াতের ভোলা জেলা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, ভোলার চারটি আসনেই আমাদের প্রার্থী চূড়ান্ত। আমাদের কেন্দ্র কমিটি গঠন করা শেষ, চলছে সদস্য সংগ্রহ। দল পুরোপুরি গোছানো আছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
এ ব্যাপারে এনসিপির ভোলা জেলার প্রধান সমন্বয়ক মেহেদী হাসান শরীফ বলেন, ভোলার চার সংসদীয় আসনে এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, তবে নির্বাচনকে সমানে রেখে আমরা মাঠ গোছাতে ব্যস্ত আছি।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ভোলায় সরব হয়ে উঠেছেন রাজনৈতিক নেতারা। এখনও জামায়াত ছাড়া বড় দল বিএনপিসহ অধিকাংশ দলের প্রার্থী চূড়ান্ত না হলেও মাঠে সক্রিয় রয়েছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোলায় তৃণমূল পর্যায়ে দল গোছাচ্ছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, বিজেপিসহ সব দল। তবে এখনও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী চূড়ান্ত না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো জেলা। মাঠ গোছাতেও ব্যস্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, কেন্দ্র কমিটি গঠন এবং সদস্য সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে বিএনপি থেকে একাধিক নেতার মনোনয়ন প্রত্যাশা থাকায় দলের ভেতরে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং নেতাকর্মীরা জানান, কেন্দ্র থেকে যাকে মনোনয়ন দেবে এবং কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশনা দেবে, সেটা তারা মেনে নিয়ে তার পক্ষেই কাজ করবেন। এখন সবার অপেক্ষা কেন্দ্র থেকে চূড়ান্তভাবে কার নাম ঘোষণা আসে।
জানা গেছে, বিএনপি, জামায়াত, বিজেপি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ অনেকটাই বেশি। তবে প্রার্থিতার বিষয়ে আপাতত এ জেলায় জাপা এবং এনসিপিসহ অন্যান্য দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা নেই।
এদিকে সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে শহরের অলিগলি, পাড়া-মহল্লা। চারটি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত দ্বীপজেলা ভোলার রাজনৈতিক মাঠ এখন অনেকটাই সরগরম। বিএনপি, বিজেপি এবং জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চোখে পড়ার মতো। তারাই এখন তৃণমূলে মাঠ গোছাতে ব্যস্ত। দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন নেতাকর্মীরা।
ভোলা-১ (সদর) আসনে বিএনপি থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীরের নাম শোনা যাচ্ছে। তার পক্ষে দলীয় শুভেচ্ছা ব্যানার টানিয়ে রাখা হয়েছে শহরের অলিগলিতে।
বিজেপি থেকে দলের চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থের পক্ষে কাজ করছেন নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে জামায়াত থেকে দলের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মাওলানা ওবায়দুর রহমান বিন মোস্তফার নাম শোনা যাচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ ও বিএনপি গোলাম নবী আলমগীর। পিছিয়ে নেই জামায়াত প্রার্থীও।
ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসন থেকে বিএনপির একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। এছাড়া একই দল থেকে এবিএম ইব্রাহিম খলিলসহ একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। তারাও বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে চান। এ আসনে জামায়াত থেকে প্রার্থী হচ্ছেন মাওলানা ফজলুল করিম। তবে বিজেপি বা অন্যদলের প্রার্থীদের নাম নিয়ে আলোচনা নেই।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসন থেকে বিএনপিতে এককভাবে মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব নিজামুল হক নাঈমের শোনা গেলেও বিজেপি, জাপা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম আলোচনায় নেই।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির একাধিক প্রার্থীর নাম আলোচনায় রয়েছে। যাদের মধ্যে সাবেক সংসদ নাজিম উদ্দিম আলম, অ্যাডভোকেট ছিদ্দিকুল্লা, নুরুল ইসলামাম নয়ন রয়েছেন। এছাড়াও জামায়াত থেকে অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে কামাল উদ্দিন আলোচনায় রয়েছেন। অন্যান্য দলের প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বিএনপিতে একাধিক প্রার্থীর বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর বলেন, বিএনপি একটি বড় দল, এ দল থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন চাইতেই পারেন। তবে এখন পর্যন্ত যারা মনোনয়ন চাইছেন, তারা কেউ শক্তিশালী প্রার্থী নন। সবচেয়ে বড় কথা কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশনা আসবে, আমরা তাই মেনে নেব। তার পক্ষেই কাজ করব।
জানতে চাইলে জামায়াতের ভোলা জেলা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, ভোলার চারটি আসনেই আমাদের প্রার্থী চূড়ান্ত। আমাদের কেন্দ্র কমিটি গঠন করা শেষ, চলছে সদস্য সংগ্রহ। দল পুরোপুরি গোছানো আছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
এ ব্যাপারে এনসিপির ভোলা জেলার প্রধান সমন্বয়ক মেহেদী হাসান শরীফ বলেন, ভোলার চার সংসদীয় আসনে এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, তবে নির্বাচনকে সমানে রেখে আমরা মাঠ গোছাতে ব্যস্ত আছি।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.