
০৩ মে, ২০২৬ ১৫:১২
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে জনপ্রশাসনে পদায়ন ও বদলির নীতি। তিনি বলেন, জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাবুন। দেশের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রাখুন।
রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি জনপ্রশাসনের কোনো পদও চিরস্থায়ী নয়। দেশে দারিদ্র্য বেড়েছে, বেকারত্ব বেড়েছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধংস করা হয়েছে। তবে জনগণের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করছে সরকার।
একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান জানান, নির্বাচনি ইশতেহার ও জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের সব কিছু পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জেলা প্রশাসকদের প্রতি সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট-শপিংমলে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের বিষয়ে নজর রাখার আহ্বান জানান। এদিন সকাল সোয়া ১০টার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনস্থলে পৌঁছান। এ সময় রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওতাধীন সংস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং আইন মন্ত্রণালয় বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের অধিবেশন শেষে ডিসিরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
দ্বিতীয় দিনে (সোমবার, ৪ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ-সম্পর্কিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন ডিসিরা।
তৃতীয় দিনে (মঙ্গলবার, ৫ মে) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা হবে। একই দিনে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ডিসিরা। এদিন নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনার কথা রয়েছে।
সম্মেলনের শেষ দিনে (বুধবার, ৬ মে) স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন রাতে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় ডিসিসহ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাতের খাবার খাবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে জনপ্রশাসনে পদায়ন ও বদলির নীতি। তিনি বলেন, জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাবুন। দেশের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রাখুন।
রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি জনপ্রশাসনের কোনো পদও চিরস্থায়ী নয়। দেশে দারিদ্র্য বেড়েছে, বেকারত্ব বেড়েছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধংস করা হয়েছে। তবে জনগণের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করছে সরকার।
একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান জানান, নির্বাচনি ইশতেহার ও জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের সব কিছু পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জেলা প্রশাসকদের প্রতি সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট-শপিংমলে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের বিষয়ে নজর রাখার আহ্বান জানান। এদিন সকাল সোয়া ১০টার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনস্থলে পৌঁছান। এ সময় রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওতাধীন সংস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং আইন মন্ত্রণালয় বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের অধিবেশন শেষে ডিসিরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
দ্বিতীয় দিনে (সোমবার, ৪ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ-সম্পর্কিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন ডিসিরা।
তৃতীয় দিনে (মঙ্গলবার, ৫ মে) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা হবে। একই দিনে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ডিসিরা। এদিন নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনার কথা রয়েছে।
সম্মেলনের শেষ দিনে (বুধবার, ৬ মে) স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন রাতে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় ডিসিসহ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাতের খাবার খাবেন।

০৮ মে, ২০২৬ ১৩:৫৯
প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে জেলা শহরের ভাদুঘরে পারিবারিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শায়খ সাজিদুর রহমানের ছেলে তারেকুর রহমান। তিনি বলেন, আম্মুর মৃত্যুর পর, এই বয়সে আব্বুর অসুস্থ ও কর্মব্যস্ত জীবনে একজন একান্ত সঙ্গী ও ব্যক্তিগত সহযোগী থাকা আমাদের কাছে আবশ্যক মনে হয়েছে। তাই আমাদের সকল ভাই-বোনদের পরামর্শে ও ইচ্ছায়, আব্বু বিবাহে রাজি হন।
তিনি বলেন, কনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কয়েক মাস আগে তার স্বামী মারা যান।
ওই ঘরে তার এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। তাদের বিয়ে হয়েছে। দুই পরিবারের সদস্য ও জেলার কয়েকজন শীর্ষ আলেমের উপস্থিতিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কনে আমাতুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভাদুঘর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা মাকবুল হাসানের মেয়ে। তিনি পাঁচ বোনের মধ্যে সবার বড়। এটি আমাতুর রহমানেরও দ্বিতীয় বিয়ে।
কয়েক মাস আগে তার প্রথম স্বামী মারা যান। সেই সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি মেনেই তাদের এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
আল্লামা সাজিদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী গত ৩০ মার্চ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পাঁচ সপ্তাহের মাথায় তিনি এই নতুন সংসার শুরু করলেন।
প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে জেলা শহরের ভাদুঘরে পারিবারিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শায়খ সাজিদুর রহমানের ছেলে তারেকুর রহমান। তিনি বলেন, আম্মুর মৃত্যুর পর, এই বয়সে আব্বুর অসুস্থ ও কর্মব্যস্ত জীবনে একজন একান্ত সঙ্গী ও ব্যক্তিগত সহযোগী থাকা আমাদের কাছে আবশ্যক মনে হয়েছে। তাই আমাদের সকল ভাই-বোনদের পরামর্শে ও ইচ্ছায়, আব্বু বিবাহে রাজি হন।
তিনি বলেন, কনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কয়েক মাস আগে তার স্বামী মারা যান।
ওই ঘরে তার এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। তাদের বিয়ে হয়েছে। দুই পরিবারের সদস্য ও জেলার কয়েকজন শীর্ষ আলেমের উপস্থিতিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কনে আমাতুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভাদুঘর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা মাকবুল হাসানের মেয়ে। তিনি পাঁচ বোনের মধ্যে সবার বড়। এটি আমাতুর রহমানেরও দ্বিতীয় বিয়ে।
কয়েক মাস আগে তার প্রথম স্বামী মারা যান। সেই সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি মেনেই তাদের এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
আল্লামা সাজিদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী গত ৩০ মার্চ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পাঁচ সপ্তাহের মাথায় তিনি এই নতুন সংসার শুরু করলেন।

০৮ মে, ২০২৬ ১২:৪১
জুলাইযোদ্ধা ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নাফসিন মেহনাজ আজিরিন বলেছেন, ‘এহসানুল হক মিলনকে দেখলে আমার উগ্র মনে হয়।
ওনার আচার ব্যবহার এমন যে উনি একাই সুপেরিয়ার আর সবাই চিটার-বাটপার। মানে উনি একাই পিউর সওল আর সবাই চিটার-বাটপার দিয়ে ভরা। কিন্তু ওনার যেসব আচরণ সেগুলো আসলে খুবই উগ্রবাদী আচরণ।
ওনার নিজের ভাষা ঠিক করা এবং ওনার নিজের যে কথাবার্তা, আচার ব্যবহার ডেভেলপ করা উচিত বলে আমি মনে করি।’
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জুলাইযোদ্ধা নাফসিন মেহেনাজ আজিরিন।
শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা করে মেহেনাজ বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রী দুই দিন আগে এক বক্তব্যে বলেছেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যদি বেশি ফ্রিডম দেওয়া হয় তখন তারা জঙ্গি প্রডিউস করবে।
প্রথম কথা হচ্ছে, ১৮ তারিখ যদি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা না নামত তাহলে আপনারা কোথায় থাকতেন এটা আপনারা চিন্তা করেন।
’
তিনি বলেন, ‘যখন এহসানুল মিলন সাহেব এ কথাটা বললেন যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক বেশি ফ্রিডম দেওয়া হলে জঙ্গি প্রডিউস করা হবে।
আসলে শিক্ষাটা আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রশ্ন আসে না, শিক্ষাটা হচ্ছে তার নিজের শিক্ষা নিয়ে। আপনার কি শিক্ষা যে আপনি এরকম টাইপের ল্যাংগুয়েজ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে করেন?’
তিনি আরো বলেন, ‘টেরোরিস্টের কোনো বাবা-মা নেই, কোনো সোসাইটি নেই, কোনো ইনস্টিটিউশন নেই। একটা ইন্ডিভিজুয়াল ঘটনা দিয়ে আপনি তো পুরো ইনস্টিটিউশনে জাজ করতে পারেন না।
আমাদের পলিটিক্স করার কোনো স্ট্রাকচার নেই, আমাদের তো ডাকসু নেই, আমাদের কোনো ছাত্র সংগঠন নেই, কিন্তু আমরা আপনারা দেখেছেন যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে রাজপথে ছিল এবং জুলাই অভ্যুত্থান সফল করেছিল।’
জুলাইযোদ্ধা ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নাফসিন মেহনাজ আজিরিন বলেছেন, ‘এহসানুল হক মিলনকে দেখলে আমার উগ্র মনে হয়।
ওনার আচার ব্যবহার এমন যে উনি একাই সুপেরিয়ার আর সবাই চিটার-বাটপার। মানে উনি একাই পিউর সওল আর সবাই চিটার-বাটপার দিয়ে ভরা। কিন্তু ওনার যেসব আচরণ সেগুলো আসলে খুবই উগ্রবাদী আচরণ।
ওনার নিজের ভাষা ঠিক করা এবং ওনার নিজের যে কথাবার্তা, আচার ব্যবহার ডেভেলপ করা উচিত বলে আমি মনে করি।’
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জুলাইযোদ্ধা নাফসিন মেহেনাজ আজিরিন।
শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা করে মেহেনাজ বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রী দুই দিন আগে এক বক্তব্যে বলেছেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যদি বেশি ফ্রিডম দেওয়া হয় তখন তারা জঙ্গি প্রডিউস করবে।
প্রথম কথা হচ্ছে, ১৮ তারিখ যদি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা না নামত তাহলে আপনারা কোথায় থাকতেন এটা আপনারা চিন্তা করেন।
’
তিনি বলেন, ‘যখন এহসানুল মিলন সাহেব এ কথাটা বললেন যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক বেশি ফ্রিডম দেওয়া হলে জঙ্গি প্রডিউস করা হবে।
আসলে শিক্ষাটা আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রশ্ন আসে না, শিক্ষাটা হচ্ছে তার নিজের শিক্ষা নিয়ে। আপনার কি শিক্ষা যে আপনি এরকম টাইপের ল্যাংগুয়েজ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে করেন?’
তিনি আরো বলেন, ‘টেরোরিস্টের কোনো বাবা-মা নেই, কোনো সোসাইটি নেই, কোনো ইনস্টিটিউশন নেই। একটা ইন্ডিভিজুয়াল ঘটনা দিয়ে আপনি তো পুরো ইনস্টিটিউশনে জাজ করতে পারেন না।
আমাদের পলিটিক্স করার কোনো স্ট্রাকচার নেই, আমাদের তো ডাকসু নেই, আমাদের কোনো ছাত্র সংগঠন নেই, কিন্তু আমরা আপনারা দেখেছেন যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে রাজপথে ছিল এবং জুলাই অভ্যুত্থান সফল করেছিল।’

০৭ মে, ২০২৬ ২০:০৭
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন নিহত শিক্ষার্থীর উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা। আদালত তখন বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন।
বিকেলে মামলা গ্রহণ করার মতো তথ্য না থাকায় খারিজের আদেশ দেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পেশকার শাহাদাত হোসেন খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২০২৫ সালের ২১ জুলাই উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৬ জন নিহত হয়, এর মধ্যে ২৮ জনই শিক্ষার্থী। বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও নিহত হন।
মামলায় বাদী করা আবেদনে বলা হয়, মুহাম্মদ ইউনূস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান ছিলেন এবং ওই সময় তিনি সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তার অধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ওই দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত। দুর্ঘটনার পর তিনি গণমাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান এবং প্রেসসচিব শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তারা দুর্ঘটনার পর আহতদের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ এবং উদ্ধার কার্যক্রমে কার্যকর নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হন।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তাদের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পথ ও মানসম্মত সিঁড়ি নিশ্চিত করা হয়নি। খামখেয়ালিভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কারণেই এত প্রাণহানি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন নিহত শিক্ষার্থীর উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা। আদালত তখন বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন।
বিকেলে মামলা গ্রহণ করার মতো তথ্য না থাকায় খারিজের আদেশ দেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পেশকার শাহাদাত হোসেন খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২০২৫ সালের ২১ জুলাই উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৬ জন নিহত হয়, এর মধ্যে ২৮ জনই শিক্ষার্থী। বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও নিহত হন।
মামলায় বাদী করা আবেদনে বলা হয়, মুহাম্মদ ইউনূস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান ছিলেন এবং ওই সময় তিনি সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তার অধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ওই দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত। দুর্ঘটনার পর তিনি গণমাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান এবং প্রেসসচিব শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তারা দুর্ঘটনার পর আহতদের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ এবং উদ্ধার কার্যক্রমে কার্যকর নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হন।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তাদের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পথ ও মানসম্মত সিঁড়ি নিশ্চিত করা হয়নি। খামখেয়ালিভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কারণেই এত প্রাণহানি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.