Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ জুন, ২০২৫ ০২:৪৭
বরিশালের বাবুগঞ্জে কথিত বৈশাখী আনন্দ মেলার নামে জুয়া, মাদক ও অশ্লীল নৃত্যের প্যান্ডেলে শুক্রবার রাতে জনতার ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনার জের ধরে এবার পাল্টা হামলা চালিয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীকে মারপিট করেছে জুয়াড়িরা। এছাড়াও অসামাজিক কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী এলাকার সুশীল সমাজের মানুষদের ক্রমাগত খুন-জখম আর গ্রামছাড়া করার হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। এমন অভিযোগে জুয়াড়িদের এসব ঔদ্ধত্য আস্ফালনের প্রতিবাদে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সর্বস্তরের এলাকাবাসী। রোববার রাতে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূতেরদিয়া খেয়াঘাটে সহস্রাধিক গ্রামবাসী ঘন্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় মানববন্ধন কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ থানার ওসি জহিরুল আলমও।
ক্ষুদ্রকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সভাপতিত্বে রোববার রাত সাড়ে ৭টা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, শিক্ষক সমিতির নেতা নুরুজ্জামান পুলু, আবদুর রশিদ মাস্টার, ইমাম মাওলানা এনায়েতুর রহমান, মাওলানা আক্কাস আলী, ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
বিক্ষোভ কর্মসূচির সভাপতি ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতা মাসুদ আহমেদ বলেন, 'গত ১৪ এপ্রিল থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট সংলগ্ন বোয়ালিয়া এলাকায় কথিত বৈশাখী আনন্দ মেলার নামে রাতভর জুয়া, মাদক আর অশ্লীল নাচগানের অনুষ্ঠান চালাতে থাকে একটি চিহ্নিত জুয়াড়ি সিন্ডিকেট। জেলা প্রশাসন ১৪ মে পর্যন্ত একমাসের বৈশাখী মেলার অনুমোদন দিলেও তারা মেলার পরিবর্তে দুই মাস ধরে সেখানে বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। এর প্রতিবাদে স্থানীয় গ্রামবাসী গত ২৮ এপ্রিল কেদারপুর খেয়াঘাটে মানববন্ধন এবং বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিলেও বন্ধ হয়নি জুয়াড়িদের অসামাজিক কার্যকলাপ। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমেদ দুই দফায় অভিযান চালিয়ে তাদের জুয়া এবং অশ্লীল নাচগানের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরের দিনেই আবার তা চালু করে তারা। এসএসসি পরীক্ষার মধ্যেও সারারাত মাইক বাজিয়ে জুয়াড়িদের এসব নাচগান, জুয়া আর মাদক কেনাবেচার উৎসবে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে গত ১৩ জুন রাতে কেদারপুরে জনবিস্ফোরণ ঘটে। বিক্ষুব্ধ শতশত গ্রামবাসী রাস্তায় নেমে এসে তাদের প্যান্ডেল ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে।'
মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, 'কেদারপুরের পরিবেশ সম্পূর্ণ নষ্ট করে দিয়েছিল এই কথিত বৈশাখী আনন্দ মেলা। নিরুপায় হয়ে এসব সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্যান্ডেল উচ্ছেদ করেছে গ্রামবাসী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাবেক ইউপি মেম্বার আবদুল আলীম ওরফে আবদুল জুয়াড়ি, বিএনপি নেতা নূর বেল্লাল ওরফে ভুলু জুয়াড়ি এবং শ্রমিকদল নেতা অপু এখন সবাইকে খুন-জখমের হুমকি দিচ্ছে। যারা তাদের অন্যায়-অপকর্মের প্রতিবাদ করেছে তাদের ডেকে নিয়ে চড়-থাপ্পড় দিচ্ছে এবং ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তারা শনিবার রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমানকে ধরে নিয়ে মারপিট করেছে। বিএনপির ছাত্রছায়ায় জুয়াড়ি সিন্ডিকেট এখন বেপরোয়া। মৌন সম্মতি আছে বলেই জামায়াত ইসলামী নীরব দর্শকের ভূমিকায়। অথচ জামায়াতের বরিশাল মহানগরের আমীরের বাড়ি এই কেদারপুর ইউনিয়নে। তার ইউনিয়নেই দুই মাস ধরে চলছিল জুয়া, অশ্লীলতা আর বেশ্যাবৃত্তি। জনগণের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় উচ্ছেদ হয়েছে জুয়াড়িরা। অথচ উল্টা জুয়াড়িরা এখন হয়রানি করছে এলাকাবাসীকে। তাই এসবের প্রতিবাদে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ রোববার রাতে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।'
জুয়াড়িদের হামলায় আহত স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, 'এলাকায় বৈশাখী আনন্দ মেলা শুরু হয়েছে শুনে মেলা দেখতে যাই। কিন্তু গিয়ে দেখি সেখানে মেলার কিছুই নাই। পুরাটাই জুয়া, মাদক, অশ্লীল অর্ধ-উলঙ্গ নর্তকীদের নাচগানের রাতভর অনুষ্ঠান আর দেহব্যবসা। সেজন্য আমি সমাজ নষ্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে এলাকাবাসীর সাথে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করি। শুক্রবার রাতে গ্রামবাসী জুয়ার প্যান্ডেল উচ্ছেদের ঘটনায় দায়ী করে শনিবার রাতে মেলা কমিটির নির্দেশে আমাকে মারপিট করে জুয়াড়িরা। যারা বিরোধিতা করেছে তাদের সবাইকে গ্রামছাড়া করারও হুমকি দেয় জুয়াড়িরা। তারা একজন একজন ধরবে আর কোপাবে বলেও আমাকে ভয়ভীতি দেখায়।'
বাবুগঞ্জ থানার (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের। কেদারপুরে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে সেটা অবশ্যই দুঃখজনক। জুয়া, মাদক, অশ্লীলতাসহ সকল ধরনের সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ সর্বদা জনগণের পাশে থাকবে। কেউ সমাজ নষ্ট করতে চাইলে, পরিবেশ নষ্ট করতে চাইলে, শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি, ভয়ভীতি দেখালে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।' #
বাবুগঞ্জে জুয়াড়িদের হামলা ও হুমকি-ধামকির প্রতিবাদে কেদারপুর গ্রামবাসীর মানববন্ধন।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কথিত বৈশাখী আনন্দ মেলার নামে জুয়া, মাদক ও অশ্লীল নৃত্যের প্যান্ডেলে শুক্রবার রাতে জনতার ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনার জের ধরে এবার পাল্টা হামলা চালিয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীকে মারপিট করেছে জুয়াড়িরা। এছাড়াও অসামাজিক কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী এলাকার সুশীল সমাজের মানুষদের ক্রমাগত খুন-জখম আর গ্রামছাড়া করার হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। এমন অভিযোগে জুয়াড়িদের এসব ঔদ্ধত্য আস্ফালনের প্রতিবাদে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সর্বস্তরের এলাকাবাসী। রোববার রাতে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূতেরদিয়া খেয়াঘাটে সহস্রাধিক গ্রামবাসী ঘন্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় মানববন্ধন কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ থানার ওসি জহিরুল আলমও।
ক্ষুদ্রকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সভাপতিত্বে রোববার রাত সাড়ে ৭টা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, শিক্ষক সমিতির নেতা নুরুজ্জামান পুলু, আবদুর রশিদ মাস্টার, ইমাম মাওলানা এনায়েতুর রহমান, মাওলানা আক্কাস আলী, ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
বিক্ষোভ কর্মসূচির সভাপতি ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতা মাসুদ আহমেদ বলেন, 'গত ১৪ এপ্রিল থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট সংলগ্ন বোয়ালিয়া এলাকায় কথিত বৈশাখী আনন্দ মেলার নামে রাতভর জুয়া, মাদক আর অশ্লীল নাচগানের অনুষ্ঠান চালাতে থাকে একটি চিহ্নিত জুয়াড়ি সিন্ডিকেট। জেলা প্রশাসন ১৪ মে পর্যন্ত একমাসের বৈশাখী মেলার অনুমোদন দিলেও তারা মেলার পরিবর্তে দুই মাস ধরে সেখানে বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। এর প্রতিবাদে স্থানীয় গ্রামবাসী গত ২৮ এপ্রিল কেদারপুর খেয়াঘাটে মানববন্ধন এবং বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিলেও বন্ধ হয়নি জুয়াড়িদের অসামাজিক কার্যকলাপ। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমেদ দুই দফায় অভিযান চালিয়ে তাদের জুয়া এবং অশ্লীল নাচগানের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরের দিনেই আবার তা চালু করে তারা। এসএসসি পরীক্ষার মধ্যেও সারারাত মাইক বাজিয়ে জুয়াড়িদের এসব নাচগান, জুয়া আর মাদক কেনাবেচার উৎসবে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে গত ১৩ জুন রাতে কেদারপুরে জনবিস্ফোরণ ঘটে। বিক্ষুব্ধ শতশত গ্রামবাসী রাস্তায় নেমে এসে তাদের প্যান্ডেল ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে।'
মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, 'কেদারপুরের পরিবেশ সম্পূর্ণ নষ্ট করে দিয়েছিল এই কথিত বৈশাখী আনন্দ মেলা। নিরুপায় হয়ে এসব সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্যান্ডেল উচ্ছেদ করেছে গ্রামবাসী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাবেক ইউপি মেম্বার আবদুল আলীম ওরফে আবদুল জুয়াড়ি, বিএনপি নেতা নূর বেল্লাল ওরফে ভুলু জুয়াড়ি এবং শ্রমিকদল নেতা অপু এখন সবাইকে খুন-জখমের হুমকি দিচ্ছে। যারা তাদের অন্যায়-অপকর্মের প্রতিবাদ করেছে তাদের ডেকে নিয়ে চড়-থাপ্পড় দিচ্ছে এবং ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তারা শনিবার রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমানকে ধরে নিয়ে মারপিট করেছে। বিএনপির ছাত্রছায়ায় জুয়াড়ি সিন্ডিকেট এখন বেপরোয়া। মৌন সম্মতি আছে বলেই জামায়াত ইসলামী নীরব দর্শকের ভূমিকায়। অথচ জামায়াতের বরিশাল মহানগরের আমীরের বাড়ি এই কেদারপুর ইউনিয়নে। তার ইউনিয়নেই দুই মাস ধরে চলছিল জুয়া, অশ্লীলতা আর বেশ্যাবৃত্তি। জনগণের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় উচ্ছেদ হয়েছে জুয়াড়িরা। অথচ উল্টা জুয়াড়িরা এখন হয়রানি করছে এলাকাবাসীকে। তাই এসবের প্রতিবাদে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ রোববার রাতে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।'
জুয়াড়িদের হামলায় আহত স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, 'এলাকায় বৈশাখী আনন্দ মেলা শুরু হয়েছে শুনে মেলা দেখতে যাই। কিন্তু গিয়ে দেখি সেখানে মেলার কিছুই নাই। পুরাটাই জুয়া, মাদক, অশ্লীল অর্ধ-উলঙ্গ নর্তকীদের নাচগানের রাতভর অনুষ্ঠান আর দেহব্যবসা। সেজন্য আমি সমাজ নষ্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে এলাকাবাসীর সাথে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করি। শুক্রবার রাতে গ্রামবাসী জুয়ার প্যান্ডেল উচ্ছেদের ঘটনায় দায়ী করে শনিবার রাতে মেলা কমিটির নির্দেশে আমাকে মারপিট করে জুয়াড়িরা। যারা বিরোধিতা করেছে তাদের সবাইকে গ্রামছাড়া করারও হুমকি দেয় জুয়াড়িরা। তারা একজন একজন ধরবে আর কোপাবে বলেও আমাকে ভয়ভীতি দেখায়।'
বাবুগঞ্জ থানার (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের। কেদারপুরে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে সেটা অবশ্যই দুঃখজনক। জুয়া, মাদক, অশ্লীলতাসহ সকল ধরনের সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ সর্বদা জনগণের পাশে থাকবে। কেউ সমাজ নষ্ট করতে চাইলে, পরিবেশ নষ্ট করতে চাইলে, শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি, ভয়ভীতি দেখালে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।' #

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১