প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের খামখেয়ালী আচরণ, শিক্ষক লাঞ্ছনা ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর দুমকিতে ঐতিহ্যবাহী গোলাম সরোয়ার হাফেজিয়া ও নূরানী মাদ্রাসা ছেড়ে শিক্ষকমণ্ডলী ও অভিভাবকদের উদ্যোগে নতুন একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের নাম রাখা হয়েছে ‘কোরআন গার্ডেন রুহানিয়া মাদ্রাসা’।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই গোলাম সরোয়ার হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আল মামুন ও শিক্ষক হাফেজ মাসুদুর রহমানকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় সহকর্মী শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সবুর, মাওলানা আবু জাফর ও মাওলানা আতাউল্লাহ প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও মাদ্রাসার দাতা সদস্য মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার এ ঘটনার মূল উদ্যোক্তা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে কার্যকর কোনো পরিচালনা কমিটি নেই বলেও জানা গেছে।
প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আল মামুন বলেন,
“সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্য এনে আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে ইস্তফায় স্বাক্ষর করানো হয়। আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল আমরা যেন অপরাধী! কোনো প্রমাণ ছাড়াই আমাদের বিরুদ্ধে নানা অপবাদ রটানো হয়েছে।”
এই ঘটনার পর শিক্ষক ও শতাধিক অভিভাবকের উদ্যোগে মাদ্রাসার পাশেই ‘কোরআন গার্ডেন রুহানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
সম্প্রতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি’র সহকারী রেজিস্ট্রার জসিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মেহেদী হাসান পলাশ, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীন, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জাফর আকন, দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামের দুমকি বন্দর সেক্রেটারি মিরাজ হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সহ-ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল-আমিন বক্স প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অভিভাবক মনিয়ারা আক্তার, রুনিয়া আক্তার, হামদিয়া আক্তার, নুসরাত জাহান, আব্দুল জলিল ও সৈয়দ নাজিমুদ্দিন বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন,
“প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের অন্যায় আচরণ ও শিক্ষক লাঞ্ছনা আমরা মেনে নিতে পারি না। সন্তানদের সম্মান ও শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় বিকল্প প্রতিষ্ঠান গড়তে বাধ্য হয়েছি।”
অভিভাবকরা আরও জানান, এর আগেও প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের এমন আচরণের প্রতিবাদে আন্দোলনের চেষ্টা হয়েছিল, তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতিবাদে তা ব্যর্থ হয়। এবার পরিস্থিতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে বিকল্প মাদ্রাসার যাত্রা শুরু হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পাঠদান চালিয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন হাওলাদারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৫
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম কে এম বাচ্চু। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার, স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন কেএম বাচ্চুর ছোট ভাই সোহাগ খলিফা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বায়জিদসহ অভিযুক্ত কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে তাঁর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে বায়জিদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলাকারীরা বাচ্চুকে আহত অবস্থায় ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, কে এম বাচ্চুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।
ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই কথা বলেছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুকও।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম কে এম বাচ্চু। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার, স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন কেএম বাচ্চুর ছোট ভাই সোহাগ খলিফা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বায়জিদসহ অভিযুক্ত কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে তাঁর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে বায়জিদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলাকারীরা বাচ্চুকে আহত অবস্থায় ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, কে এম বাচ্চুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।
ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই কথা বলেছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুকও।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:২১
পটুয়াখালীর মহিপুরে ছোয়ামনি (১১) নামের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল ওই শিশু। এ সময় তার মা জরুরি কাজে এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগে একই এলাকার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির বসতঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় লোকজন চলে আসতে দেখে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। দীর্ঘদিন স্থানীয়ভাবে সুবিচার পাওয়ার চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় বুধবার (২২ জুলাই) শিশুটির মা মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মহিপুর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে ছোয়ামনি (১১) নামের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল ওই শিশু। এ সময় তার মা জরুরি কাজে এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগে একই এলাকার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির বসতঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় লোকজন চলে আসতে দেখে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। দীর্ঘদিন স্থানীয়ভাবে সুবিচার পাওয়ার চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় বুধবার (২২ জুলাই) শিশুটির মা মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মহিপুর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এ সড়কে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেছেন। সেই সাঁকোই এখন এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সংযোগকারী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতার কারণে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি দিয়ে মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা, একটি নূরানি মাদ্রাসা ও একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান কেরানি মাওলানা মহিবুল্লাহ সবুজ বলেন, “এটি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”
লেবুখালী মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফরিদ উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
সমাজসেবক রেজাউল করিম বাবুল মৃধা বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত রাস্তা নয়; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।”
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাকির হোসেন খান বলেন, “দৈনন্দিন চলাচলে এ রাস্তার দুরবস্থা এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ইমদাদুল মৃধা বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো খাতের আওতাভুক্ত। সেখানে প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। আগামী জুন মাসে বাজেট এলে কোনো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে।”
এদিকে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এ সড়কে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেছেন। সেই সাঁকোই এখন এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সংযোগকারী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতার কারণে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি দিয়ে মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা, একটি নূরানি মাদ্রাসা ও একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান কেরানি মাওলানা মহিবুল্লাহ সবুজ বলেন, “এটি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”
লেবুখালী মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফরিদ উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
সমাজসেবক রেজাউল করিম বাবুল মৃধা বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত রাস্তা নয়; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।”
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাকির হোসেন খান বলেন, “দৈনন্দিন চলাচলে এ রাস্তার দুরবস্থা এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ইমদাদুল মৃধা বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো খাতের আওতাভুক্ত। সেখানে প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। আগামী জুন মাসে বাজেট এলে কোনো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে।”
এদিকে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

০২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৭
প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের খামখেয়ালী আচরণ, শিক্ষক লাঞ্ছনা ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর দুমকিতে ঐতিহ্যবাহী গোলাম সরোয়ার হাফেজিয়া ও নূরানী মাদ্রাসা ছেড়ে শিক্ষকমণ্ডলী ও অভিভাবকদের উদ্যোগে নতুন একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের নাম রাখা হয়েছে ‘কোরআন গার্ডেন রুহানিয়া মাদ্রাসা’।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই গোলাম সরোয়ার হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আল মামুন ও শিক্ষক হাফেজ মাসুদুর রহমানকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় সহকর্মী শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সবুর, মাওলানা আবু জাফর ও মাওলানা আতাউল্লাহ প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও মাদ্রাসার দাতা সদস্য মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার এ ঘটনার মূল উদ্যোক্তা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে কার্যকর কোনো পরিচালনা কমিটি নেই বলেও জানা গেছে।
প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আল মামুন বলেন,
“সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্য এনে আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে ইস্তফায় স্বাক্ষর করানো হয়। আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল আমরা যেন অপরাধী! কোনো প্রমাণ ছাড়াই আমাদের বিরুদ্ধে নানা অপবাদ রটানো হয়েছে।”
এই ঘটনার পর শিক্ষক ও শতাধিক অভিভাবকের উদ্যোগে মাদ্রাসার পাশেই ‘কোরআন গার্ডেন রুহানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
সম্প্রতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি’র সহকারী রেজিস্ট্রার জসিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মেহেদী হাসান পলাশ, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীন, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জাফর আকন, দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামের দুমকি বন্দর সেক্রেটারি মিরাজ হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সহ-ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল-আমিন বক্স প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অভিভাবক মনিয়ারা আক্তার, রুনিয়া আক্তার, হামদিয়া আক্তার, নুসরাত জাহান, আব্দুল জলিল ও সৈয়দ নাজিমুদ্দিন বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন,
“প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের অন্যায় আচরণ ও শিক্ষক লাঞ্ছনা আমরা মেনে নিতে পারি না। সন্তানদের সম্মান ও শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় বিকল্প প্রতিষ্ঠান গড়তে বাধ্য হয়েছি।”
অভিভাবকরা আরও জানান, এর আগেও প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের এমন আচরণের প্রতিবাদে আন্দোলনের চেষ্টা হয়েছিল, তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতিবাদে তা ব্যর্থ হয়। এবার পরিস্থিতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে বিকল্প মাদ্রাসার যাত্রা শুরু হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পাঠদান চালিয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন হাওলাদারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।