দরজায় কড়া নাড়ছে ইউপি নির্বাচন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এসব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুলের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বাইশারী গ্রামের মরহুম আঃ রশিদ তালুকদার ও হাচানবানু দম্পতির ছেলে।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান রেজাউল কবির মুকুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি।
তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যবসায় নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এই সময়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করেন। ২০১৭ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি তিনি রাজধানীতে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকেই তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মুকুল একজন পরোপকারী, সদালপি, সৎ,নিষ্ঠাবান, নির্ভীক, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় সর্বমহলে সুপরিচিত। তিনি সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ান এবং সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে সুমিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে রেজাউল কবির মুকুল
বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ রেজাউল কবির মুকুল রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুল বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ,শ্রেণী-পেশা
নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা পক্ষপাতহীন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দখলবাজি ,চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস, অনিয়ম, ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ সর্বোপরি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত এক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৬
দরজায় কড়া নাড়ছে ইউপি নির্বাচন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এসব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুলের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বাইশারী গ্রামের মরহুম আঃ রশিদ তালুকদার ও হাচানবানু দম্পতির ছেলে।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান রেজাউল কবির মুকুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি।
তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যবসায় নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এই সময়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করেন। ২০১৭ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি তিনি রাজধানীতে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকেই তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মুকুল একজন পরোপকারী, সদালপি, সৎ,নিষ্ঠাবান, নির্ভীক, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় সর্বমহলে সুপরিচিত। তিনি সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ান এবং সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে সুমিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে রেজাউল কবির মুকুল
বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ রেজাউল কবির মুকুল রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুল বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ,শ্রেণী-পেশা
নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা পক্ষপাতহীন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দখলবাজি ,চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস, অনিয়ম, ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ সর্বোপরি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত এক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪