
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৮:৪৭
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মশাল মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে বিএনপি একাংশের নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) উপজেলার রহমতপুরে বরিশাল বিমানবন্দর মোড় এলাকায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় রাস্তার উভয় দিকে শতশত যানবাহন আটকা পড়ে।
সোমবার বিকেল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে সেলিমা রহমান সমর্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা রহমতপুর ব্রিজের ঢালে এসে জড়ো হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ থেকে বরিশাল বিমানবন্দর মোড়ে এসে সড়ক অবরোধ করে। মহাসড়ক অবরোধ করে সেখানে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক সেলিম সরদার, কামাল সরদার, সদস্য মনিরুজ্জামান মিল্টন, পারভেজ মৃধা, রিপন খান, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, বরিশাল জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবিন, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশ করে বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের মনোনয়ন বাতিল করে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানায়। বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন বলেন, 'বিএনপির দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যিনি মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁর চেয়েও জ্যেষ্ঠ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান দলের দুঃসময়ে বাবুগঞ্জে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাঁকে মনোনয়নবঞ্চিত করা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা আশা করি কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন।'
উল্লেখ্য গত ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করে বিএনপি। এতে বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন পান বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এদিকে এই আসনে প্রথম থেকেই অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল বিএনপির একাংশ। গত ২৮ নভেম্বর একই দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা। #
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মশাল মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে বিএনপি একাংশের নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) উপজেলার রহমতপুরে বরিশাল বিমানবন্দর মোড় এলাকায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় রাস্তার উভয় দিকে শতশত যানবাহন আটকা পড়ে।
সোমবার বিকেল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে সেলিমা রহমান সমর্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা রহমতপুর ব্রিজের ঢালে এসে জড়ো হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ থেকে বরিশাল বিমানবন্দর মোড়ে এসে সড়ক অবরোধ করে। মহাসড়ক অবরোধ করে সেখানে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক সেলিম সরদার, কামাল সরদার, সদস্য মনিরুজ্জামান মিল্টন, পারভেজ মৃধা, রিপন খান, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, বরিশাল জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবিন, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশ করে বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের মনোনয়ন বাতিল করে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানায়। বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন বলেন, 'বিএনপির দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যিনি মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁর চেয়েও জ্যেষ্ঠ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান দলের দুঃসময়ে বাবুগঞ্জে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাঁকে মনোনয়নবঞ্চিত করা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা আশা করি কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন।'
উল্লেখ্য গত ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করে বিএনপি। এতে বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন পান বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এদিকে এই আসনে প্রথম থেকেই অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল বিএনপির একাংশ। গত ২৮ নভেম্বর একই দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা। #

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৬
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট জিতলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদেশের মানুষ মেধাবী এবং পরিশ্রমী। অতীতের নেতৃত্বের মধ্যে সততার অভাব ছিল। তাদের মধ্যে দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সেই শপথ ছিল না।
দেশের প্রতি দায় ছিল না। এই জন্যেই বাংলাদেশ আগাতে পারেনি। আমরা আশা করবো, যুবকরা আমাদের হতাশ করবে না। তারা আমাদের সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এখানে দুইজন প্রার্থী আছেন, দুইজনকে আপনারা চিনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠাও। এখানে আমি মার কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না।
আমার চাইতে নাহিদকে আপনারা ভালো চিনেন। কিন্তু এটা বলতে চাই, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি অর্জিত হয়, তাহলে সেই সরকারে অবশ্যই নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন, ইনশাআল্লাহ।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট জিতলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদেশের মানুষ মেধাবী এবং পরিশ্রমী। অতীতের নেতৃত্বের মধ্যে সততার অভাব ছিল। তাদের মধ্যে দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সেই শপথ ছিল না।
দেশের প্রতি দায় ছিল না। এই জন্যেই বাংলাদেশ আগাতে পারেনি। আমরা আশা করবো, যুবকরা আমাদের হতাশ করবে না। তারা আমাদের সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এখানে দুইজন প্রার্থী আছেন, দুইজনকে আপনারা চিনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠাও। এখানে আমি মার কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না।
আমার চাইতে নাহিদকে আপনারা ভালো চিনেন। কিন্তু এটা বলতে চাই, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি অর্জিত হয়, তাহলে সেই সরকারে অবশ্যই নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন, ইনশাআল্লাহ।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৯
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.