বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নের কদমবাড়ী গ্রামে দু'হাতে বিয়ের মেহেদীর রঙ না মুছতেই মুনিয়া আক্তার (২২) নামের এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কদমবাড়ী গ্রামের হাওলাদার বাড়ির প্রকৌশলী মেহেদী হাসানের (৩০) স্ত্রী। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে ।
জানা গেছে, মাত্র দুই মাস পূর্বে বানারীপাড়ার কদমবাড়ী গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসানের সঙ্গে স্বরূপকাঠী উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মোশারফ হোসেনের মেয়ে মুনিয়া আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল।
ঘটনার পর থেকে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হয়। মেহেদী হাসানের পিতা-মাতা (মুনিয়ার শ্বশুর ও শাশুড়ি) জানান, ঘটনার দিন শনিবার সকাল থেকেই মুনিয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলেন। তবে দুপুরের দিকে হঠাৎ করে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে তাদের সন্দেহ হয়।
বেশ কিছুক্ষণ ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে পরবর্তীতে দরজা ঘরের ভেতর মুনিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। তারপরেও তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, নিহতের ননদ তামান্না ঘটনাটিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিয়ের কিছুদিন পর একদিন মুনিয়া তার (তামান্না) সাথে একই রুমে একত্রে ঘুমিয়েছিলেন।
ওই রাতে ঘুমের মধ্যে আচমকাই মুনিয়া তার গলা চেপে ধরেন। এই ঘটনার সূত্র ধরে তামান্না ও তার পরিবারের দাবি—মুনিয়া সম্ভবত কোনো তীব্র মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার (১৭ মে ) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত সম্পন্ন শেষে বাবার কাছে মুনিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে মুনিয়ার পরিবারের কোন অভিযোগ নেই ,তার বাবা বাদী হয়ে মেয়ে স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছে মর্মে থানায় ইউডি মামলা করেছেন।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:২৯
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সাদ্দাম হাওলাদার সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও তিনি ওই ভিডিওর কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না সে ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাদ্দাম হাওলাদার লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি মো. সাদ্দাম হাওলাদার জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।
আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারো কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানের মতো সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয়, আমার চাইতে হাজারো লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারো ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই।’
সবশেষে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক, ভেবেছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরেও যে মানবসেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিব আল্লাহ ভরসা। বিগত দিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সাদ্দাম হাওলাদার সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও তিনি ওই ভিডিওর কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না সে ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাদ্দাম হাওলাদার লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি মো. সাদ্দাম হাওলাদার জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।
আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারো কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানের মতো সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয়, আমার চাইতে হাজারো লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারো ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই।’
সবশেষে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক, ভেবেছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরেও যে মানবসেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিব আল্লাহ ভরসা। বিগত দিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৪০
বরিশালে প্রতারণা মামলায় নারগিজ আক্তার (৪৫) নামের এক কৃষি কর্মকর্তা কারাগারে গেছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সোমবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ আদেশ। নারগিজ আক্তার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা এবং তিনি স্থানীয় ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিনের স্ত্রী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিএম কলেজ সম্মুখে একটি ভূমি বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন সোলনা গ্রামের জনৈক বাসিন্দাকে দেওয়ার কথা বলে নারগিজ আক্তার নগদ ৮ লাখ টাকা নেন। কিন্তু তাকে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে তিনি অপর আরেকজনের কাছে বিক্রি করে দেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫০৬/৪২০ ধারায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন এবং এর প্রেক্ষিতে একই বছরের ২৩ ডিসেম্বর তিনি আদালতে হাজির হয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু আদালতে দেওয়া সেই অঙ্গীকার তিনি রক্ষা করেননি। এরপরে আদালত চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে পালিয়ে ছিলেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) কৃষি কর্মকর্তা বরিশাল আদালতে এসে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
এই বিষয়ে জানতে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে অধীনস্থ কর্মকর্তার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টিতে এক ধরনের বিস্ময়প্রকাশ করেছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসা: মরিয়ম। তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, খোঁজখবর নিয়ে এই ঘটনায় প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে ব্যবস্থাগ্রহণ করনা হবে।’
বরিশালে প্রতারণা মামলায় নারগিজ আক্তার (৪৫) নামের এক কৃষি কর্মকর্তা কারাগারে গেছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সোমবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ আদেশ। নারগিজ আক্তার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা এবং তিনি স্থানীয় ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিনের স্ত্রী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিএম কলেজ সম্মুখে একটি ভূমি বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন সোলনা গ্রামের জনৈক বাসিন্দাকে দেওয়ার কথা বলে নারগিজ আক্তার নগদ ৮ লাখ টাকা নেন। কিন্তু তাকে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে তিনি অপর আরেকজনের কাছে বিক্রি করে দেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫০৬/৪২০ ধারায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন এবং এর প্রেক্ষিতে একই বছরের ২৩ ডিসেম্বর তিনি আদালতে হাজির হয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু আদালতে দেওয়া সেই অঙ্গীকার তিনি রক্ষা করেননি। এরপরে আদালত চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে পালিয়ে ছিলেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) কৃষি কর্মকর্তা বরিশাল আদালতে এসে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
এই বিষয়ে জানতে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে অধীনস্থ কর্মকর্তার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টিতে এক ধরনের বিস্ময়প্রকাশ করেছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসা: মরিয়ম। তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, খোঁজখবর নিয়ে এই ঘটনায় প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে ব্যবস্থাগ্রহণ করনা হবে।’

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:০৫
বরিশালের মুলাদীতে অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদকবিক্রেতাকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার সকালে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের তেরচর রানার বাড়ি এলাকার জনৈক নাসিরের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে পারভেজ রাঢ়ী (৩৩) এবং মো. আজিজুল হাকিমকে (২৪) আটকে সফলতা পায় বাহিনীটি। মাদক উদ্ধার এবং আটকের বিষয়টি দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করে মাদক মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
সংস্থাটি জানায়, স্থানীয় বাবুল রাঢ়ীর ছেলে পারভেজ এবং সহিদ খানের ছেলে আজিজুল হাকিম দীর্ঘদিন মাদক ক্রয়বিক্রয় করে আসছিলেন। সোমবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের তেরচর রানার বাড়ি এলাকার জনৈক নাসিরের ভাড়াটিয়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের দুজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এবং তাদের কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জানান, এই ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে মুলাদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।’
বরিশালের মুলাদীতে অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদকবিক্রেতাকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার সকালে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের তেরচর রানার বাড়ি এলাকার জনৈক নাসিরের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে পারভেজ রাঢ়ী (৩৩) এবং মো. আজিজুল হাকিমকে (২৪) আটকে সফলতা পায় বাহিনীটি। মাদক উদ্ধার এবং আটকের বিষয়টি দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করে মাদক মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
সংস্থাটি জানায়, স্থানীয় বাবুল রাঢ়ীর ছেলে পারভেজ এবং সহিদ খানের ছেলে আজিজুল হাকিম দীর্ঘদিন মাদক ক্রয়বিক্রয় করে আসছিলেন। সোমবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের তেরচর রানার বাড়ি এলাকার জনৈক নাসিরের ভাড়াটিয়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের দুজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এবং তাদের কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জানান, এই ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে মুলাদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।’

১৮ মে, ২০২৬ ১৫:০৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নের কদমবাড়ী গ্রামে দু'হাতে বিয়ের মেহেদীর রঙ না মুছতেই মুনিয়া আক্তার (২২) নামের এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কদমবাড়ী গ্রামের হাওলাদার বাড়ির প্রকৌশলী মেহেদী হাসানের (৩০) স্ত্রী। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে ।
জানা গেছে, মাত্র দুই মাস পূর্বে বানারীপাড়ার কদমবাড়ী গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসানের সঙ্গে স্বরূপকাঠী উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মোশারফ হোসেনের মেয়ে মুনিয়া আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল।
ঘটনার পর থেকে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হয়। মেহেদী হাসানের পিতা-মাতা (মুনিয়ার শ্বশুর ও শাশুড়ি) জানান, ঘটনার দিন শনিবার সকাল থেকেই মুনিয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলেন। তবে দুপুরের দিকে হঠাৎ করে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে তাদের সন্দেহ হয়।
বেশ কিছুক্ষণ ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে পরবর্তীতে দরজা ঘরের ভেতর মুনিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। তারপরেও তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, নিহতের ননদ তামান্না ঘটনাটিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিয়ের কিছুদিন পর একদিন মুনিয়া তার (তামান্না) সাথে একই রুমে একত্রে ঘুমিয়েছিলেন।
ওই রাতে ঘুমের মধ্যে আচমকাই মুনিয়া তার গলা চেপে ধরেন। এই ঘটনার সূত্র ধরে তামান্না ও তার পরিবারের দাবি—মুনিয়া সম্ভবত কোনো তীব্র মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার (১৭ মে ) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত সম্পন্ন শেষে বাবার কাছে মুনিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে মুনিয়ার পরিবারের কোন অভিযোগ নেই ,তার বাবা বাদী হয়ে মেয়ে স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছে মর্মে থানায় ইউডি মামলা করেছেন।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০