
০৫ মে, ২০২৬ ১৭:১০
সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ দুইজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের মামলায় পলাতক থাকায় ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ গত ১৯ এপ্রিল এই পরোয়ানা জারি করেন। আজ (৫ মে) মামলাটি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
এদিন তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা আদালতকে জানান তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার। তিনি আদালতকে জানান, তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম।
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম এই মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত শেষে তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।
এখন হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, দুই আসামি পলাতক থাকায় গত ১৯ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আজ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
এদিন তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতে আবেদন দিয়ে বলেন, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এজন্য তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। বাস্তবিক অর্থে তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে শারীরিকভাবে অক্ষম। তার মানসিক অসুস্থতা, স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। এজন্য তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষার আবেদন করার প্রার্থনা করেন তিনি। পাশাপাশি অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাতে আবেদন করেন।
বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানান, আসামি পলাতক থাকাবস্থায় এমন আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। আসামিকে আদালতে হাজির হয়ে আবেদন করতে হবে। আদালত তোফায়েল আহমেদের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন নামে একজন জামিনে থেকে আজ (৫ মে) আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।’
সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ দুইজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের মামলায় পলাতক থাকায় ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ গত ১৯ এপ্রিল এই পরোয়ানা জারি করেন। আজ (৫ মে) মামলাটি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
এদিন তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা আদালতকে জানান তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার। তিনি আদালতকে জানান, তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম।
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম এই মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত শেষে তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।
এখন হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, দুই আসামি পলাতক থাকায় গত ১৯ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আজ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
এদিন তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতে আবেদন দিয়ে বলেন, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এজন্য তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। বাস্তবিক অর্থে তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে শারীরিকভাবে অক্ষম। তার মানসিক অসুস্থতা, স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। এজন্য তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষার আবেদন করার প্রার্থনা করেন তিনি। পাশাপাশি অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাতে আবেদন করেন।
বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানান, আসামি পলাতক থাকাবস্থায় এমন আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। আসামিকে আদালতে হাজির হয়ে আবেদন করতে হবে। আদালত তোফায়েল আহমেদের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন নামে একজন জামিনে থেকে আজ (৫ মে) আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।’

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তার স্বামী পালিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রসুলপুর কলোনীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগী বেগম (২৮) রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে তার স্বামী রেজাউল শিকদার রেজা (৩০) পালিয়ে গেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোহাগী বেগম এবং রেজাউল শিকদার রেজার টিনের চালা ও টিনের বেড়াযুক্ত দোতলা বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১ কেজি ১৩০ গ্রাম লুজ গাঁজা এবং ৮২টি গাঁজার পুড়িয়া, যার ওজন ৪৫০ গ্রাম, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি পার্স ব্যাগের ভেতর থেকে ৪টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ১ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ১০৫ দশমিক ৮০ গ্রাম। একই স্থান থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে, নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক।
বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তার স্বামী পালিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রসুলপুর কলোনীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগী বেগম (২৮) রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে তার স্বামী রেজাউল শিকদার রেজা (৩০) পালিয়ে গেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোহাগী বেগম এবং রেজাউল শিকদার রেজার টিনের চালা ও টিনের বেড়াযুক্ত দোতলা বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১ কেজি ১৩০ গ্রাম লুজ গাঁজা এবং ৮২টি গাঁজার পুড়িয়া, যার ওজন ৪৫০ গ্রাম, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি পার্স ব্যাগের ভেতর থেকে ৪টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ১ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ১০৫ দশমিক ৮০ গ্রাম। একই স্থান থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে, নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক।

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ায় ৫ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী রঞ্জন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর শুক্রবার (৮মে) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রঞ্জন মজুমদারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে। তার বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেবা কল্যাণ সঞ্চয় ঋনদান সমিতি নামের এনজিও ব্যবসার নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় রঞ্জন।
পরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে তার গ্রেফতার ও আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তার গ্রেফতারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ায় ৫ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী রঞ্জন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর শুক্রবার (৮মে) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রঞ্জন মজুমদারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে। তার বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেবা কল্যাণ সঞ্চয় ঋনদান সমিতি নামের এনজিও ব্যবসার নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় রঞ্জন।
পরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে তার গ্রেফতার ও আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তার গ্রেফতারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নে ৫ মাদকসেবীকে আটক করে মোবাইল কোর্টে ১০ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) রাত ১২ টার দিকে গাঁজা সেবনকালে লবণসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মোঃ
আরাফাতের নেতৃত্বে তাদের আটক করার পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের ১০ দিন করে সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপাড় গ্রামের মোঃ মিল্লাত হোসেন হাওলাদার (১৯) ও মোঃ পারভেজ মাঝি (১৯), বিশারকান্দি গ্রামের মোঃ নাঈম হাসান (২১), পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলার উত্তর বলদিয়া গ্রামের
মোঃ আল-আমিন (২৫) এবং রহমাতুল্লাহ (১৯)। শনিবার (৯ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, গাঁজাসেবনকালে তাদের আটক করে মোবাইল কোর্টে দশ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শনিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নে ৫ মাদকসেবীকে আটক করে মোবাইল কোর্টে ১০ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) রাত ১২ টার দিকে গাঁজা সেবনকালে লবণসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মোঃ
আরাফাতের নেতৃত্বে তাদের আটক করার পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের ১০ দিন করে সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপাড় গ্রামের মোঃ মিল্লাত হোসেন হাওলাদার (১৯) ও মোঃ পারভেজ মাঝি (১৯), বিশারকান্দি গ্রামের মোঃ নাঈম হাসান (২১), পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলার উত্তর বলদিয়া গ্রামের
মোঃ আল-আমিন (২৫) এবং রহমাতুল্লাহ (১৯)। শনিবার (৯ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, গাঁজাসেবনকালে তাদের আটক করে মোবাইল কোর্টে দশ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শনিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৩
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯