মবসন্ত্রাসের শিকার বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনের পাশে এসে দাঁড়ালেন নাগরিক সমাজ। করোনাযোদ্ধা হিসেবে সুপরিচিত এই চিকিৎসককে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হলে তা নিয়ে আপত্তি তোলেন ড্যাবের একটি অংশ। এবং এই অংশটি নেপথ্যে থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি মোর্চা গঠন করে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর আখ্যায়িত করাসহ তাকে জুলাই আন্দোলনবিরোধী তকমা দেওয়া হয়। পাশাপশি ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে তাকে অপসারণকে একটি সাজানো ছকে আন্দোলনময় পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। ফলে নিরুপায় চিকিৎসক কোনো উপায়ান্ত পাচ্ছিলেন না, আগামীতে কোন দিকে যাবেন এবং কি পদক্ষেপ রাখবেন।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার তার স্বপক্ষে মাঠে নামে নাগরিক সমাজ, যা চিকিৎসকের জন্য স্বস্তিদায়ক। শহরের অশি^নী কুমার হলের সম্মুখে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে চিকিৎসক মনিরুজ্জামান শাহীনের বিরুদ্ধে বহুমুখী ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচারের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন।
সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহিনের পেশাগত দক্ষতা, সততা এবং করোনাকালীন দুর্যোগে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করা হয়। বক্তারা বলেন, ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন একজন পেশাদার ও দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। অথচ দুঃখজনকভাবে, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিগত সরকারের মন্ত্রীদের সাথে দাপ্তরিক কাজের কিছু ছবিকে পুঁজি করে একটি কুচক্রীমহল তাকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্যক্তিগত আক্রোশ, ইর্ষা এবং পদ-পদবির লোভ থেকে যাকে তাকে স্বৈরাচারের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার যে নোংরা মব কালচার দেশে শুরু হয়েছে, তা চরম অন্যায় এবং কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বক্তারা আরও বলেন, করোনাকালীন চরম সংকটের সময়ে যখন সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন নিজের জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে মানবসেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তার সেই মানবিক ও নিষ্ঠাপূর্ণ অবদানকে বরিশালের মানুষ আজও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। অথচ আজ একটি মহল চিকিৎসকদের একাংশকে বিভ্রান্ত করে বিক্ষোভের নামে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত নাগরিকরা সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উস্কানি ও মিথ্যা অপপ্রচারে কান না দিয়ে ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের মতো একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তাকে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হোক। একই সাথে যারা স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে (বরিশাল) মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি, মস্তব্য পাওয়া যায়।
মানববন্ধনে বরিশালের বিভিন্ন পেশাজীবী, সমাজকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
অবশ্য আন্দোলনরতদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলেন ডা মনিরুজ্জামান শাহীন। এমনকি তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সমর্থিতদের আয়োজিত শান্তি সমাবেশেও অংশ নিয়েছেন। তার জুলাই বিরোধী অবস্থানের কারণে ড্যাবে বরিশাল শাখার একটি অংশ তাকে বরিশালে পদায়নে খুশি নয়। তাছাড়া জুলাইয়ের ভ‚মিকা নিয়েও তার ওপর অনেকে সংক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এক্ষেত্রে ডা মনিরুজ্জামান শাহীনের ভাষ্য হচ্ছে, তৎকালীন তিনি শেবাচিমের উপ-পরিচালক ছিলেন, পদাধিকার বলে তাকে শান্তি সমাবেশে অংশ নিতে হয়। কিন্তু সেখানে তিনি জুলাইবিরোধী তেমন কিছু বলেননি। কারণ এই চিকিৎসক ছাত্রজীবনে বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ড্যাবের আজীবন সদস্য বলে জানা গেছে।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, যোগ্যতার কারণে মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পদায়ন করেছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। কিন্তু তিনি যোগদানের একদিন পরেই মবসন্ত্রাসের শিকার হয়েছে, যা উদ্বেগ এবং আতঙ্কের। বিষয়টিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শনিবার মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নাগরিক সমাজ।’

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনা এবং নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি।
একপর্যায়ে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনা এবং নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি।
একপর্যায়ে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
‘মাদককে বলি না, শিক্ষা ও সৃষ্টিশীলতায় এগিয়ে চলি সর্বদা’ -এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন শুরু করেছে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার কলেজ মিলনায়তনে এক মাদকবিরোধী সচেতনতা ও উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা।
রোববার সকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহে আলম, সহকারী অধ্যাপক মো. গোলাম হোসেন, কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য হারুন অর রশীদ, বাবুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহ-ই আলম হাওলাদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, 'মাদক আজ এক সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। মাদকের জন্য ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই সবার আগে আমাদের শিক্ষার্থী এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু আইন প্রয়োগ করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য পারিবারিক, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি।'
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন প্রসঙ্গে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আব্দুল হালিম জানান, মাদক আজ সর্বত্র সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে নিরাপদ রাখতে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে এই সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের সাথে এ বিষয়ে নিয়মিত মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম করা হবে। বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস মাদকমুক্ত রাখাসহ অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে সেজন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের নিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। #
‘মাদককে বলি না, শিক্ষা ও সৃষ্টিশীলতায় এগিয়ে চলি সর্বদা’ -এ স্লোগানকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন শুরু করেছে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার কলেজ মিলনায়তনে এক মাদকবিরোধী সচেতনতা ও উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা।
রোববার সকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক সামসুল আলম ফকির, কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহে আলম, সহকারী অধ্যাপক মো. গোলাম হোসেন, কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য হারুন অর রশীদ, বাবুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহ-ই আলম হাওলাদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, 'মাদক আজ এক সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। মাদকের জন্য ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই সবার আগে আমাদের শিক্ষার্থী এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু আইন প্রয়োগ করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য পারিবারিক, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি।'
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন প্রসঙ্গে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আব্দুল হালিম জানান, মাদক আজ সর্বত্র সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে নিরাপদ রাখতে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে এই সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের সাথে এ বিষয়ে নিয়মিত মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম করা হবে। বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস মাদকমুক্ত রাখাসহ অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে সেজন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের নিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। #

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
বরিশালে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এলজিইডির সাবেক প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসতাক আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। পরে তাদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মহাসিন মন্টু রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার সুত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নগরের সদর রোডে অবস্থিত হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে স্ত্রী নাজমা জহির শোভাকে নিয়ে যান জহিরুল ইসলাম। সেখানে ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করে শোভাকে হত্যা করা হয়।
ঘটনার দিনই নিহতের বোন নিলুফা আইরিন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় জহিরুল ইসলাম ও হোটেলটির ম্যানেজার আবদুল মালেককে আসামি করা হয়।
পরে পুলিশ তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার আদালত রায় ঘোষণা করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন মিজান জানান, নিহত শোভার ছোট বোন রুমা আক্তারের সঙ্গে জহিরুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি শোভা জানতে পারার পর তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের সময় জহিরুল ইসলাম বরিশাল এলজিইডিতে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
অন্যদিকে, হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে হোটেল পরিচালনায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী।
প্রায় ১৬ বছর ধরে চলা বিচারপ্রক্রিয়ার পর দেওয়া এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজন ও বাদীপক্ষ।
আইনজীবী আনোয়ার হোসেন মিজান বলেন, আদালতের রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই রায়ের বিরুদ্ধে তারা আপিল করবেন না।
বরিশালে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এলজিইডির সাবেক প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসতাক আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। পরে তাদের বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মহাসিন মন্টু রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার সুত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নগরের সদর রোডে অবস্থিত হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে স্ত্রী নাজমা জহির শোভাকে নিয়ে যান জহিরুল ইসলাম। সেখানে ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করে শোভাকে হত্যা করা হয়।
ঘটনার দিনই নিহতের বোন নিলুফা আইরিন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় জহিরুল ইসলাম ও হোটেলটির ম্যানেজার আবদুল মালেককে আসামি করা হয়।
পরে পুলিশ তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার আদালত রায় ঘোষণা করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন মিজান জানান, নিহত শোভার ছোট বোন রুমা আক্তারের সঙ্গে জহিরুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি শোভা জানতে পারার পর তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের সময় জহিরুল ইসলাম বরিশাল এলজিইডিতে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
অন্যদিকে, হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে হোটেল পরিচালনায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী।
প্রায় ১৬ বছর ধরে চলা বিচারপ্রক্রিয়ার পর দেওয়া এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজন ও বাদীপক্ষ।
আইনজীবী আনোয়ার হোসেন মিজান বলেন, আদালতের রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই রায়ের বিরুদ্ধে তারা আপিল করবেন না।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩১
মবসন্ত্রাসের শিকার বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনের পাশে এসে দাঁড়ালেন নাগরিক সমাজ। করোনাযোদ্ধা হিসেবে সুপরিচিত এই চিকিৎসককে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হলে তা নিয়ে আপত্তি তোলেন ড্যাবের একটি অংশ। এবং এই অংশটি নেপথ্যে থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি মোর্চা গঠন করে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর আখ্যায়িত করাসহ তাকে জুলাই আন্দোলনবিরোধী তকমা দেওয়া হয়। পাশাপশি ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে তাকে অপসারণকে একটি সাজানো ছকে আন্দোলনময় পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। ফলে নিরুপায় চিকিৎসক কোনো উপায়ান্ত পাচ্ছিলেন না, আগামীতে কোন দিকে যাবেন এবং কি পদক্ষেপ রাখবেন।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার তার স্বপক্ষে মাঠে নামে নাগরিক সমাজ, যা চিকিৎসকের জন্য স্বস্তিদায়ক। শহরের অশি^নী কুমার হলের সম্মুখে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে চিকিৎসক মনিরুজ্জামান শাহীনের বিরুদ্ধে বহুমুখী ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচারের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন।
সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহিনের পেশাগত দক্ষতা, সততা এবং করোনাকালীন দুর্যোগে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করা হয়। বক্তারা বলেন, ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন একজন পেশাদার ও দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। অথচ দুঃখজনকভাবে, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিগত সরকারের মন্ত্রীদের সাথে দাপ্তরিক কাজের কিছু ছবিকে পুঁজি করে একটি কুচক্রীমহল তাকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্যক্তিগত আক্রোশ, ইর্ষা এবং পদ-পদবির লোভ থেকে যাকে তাকে স্বৈরাচারের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার যে নোংরা মব কালচার দেশে শুরু হয়েছে, তা চরম অন্যায় এবং কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বক্তারা আরও বলেন, করোনাকালীন চরম সংকটের সময়ে যখন সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন নিজের জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে মানবসেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তার সেই মানবিক ও নিষ্ঠাপূর্ণ অবদানকে বরিশালের মানুষ আজও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। অথচ আজ একটি মহল চিকিৎসকদের একাংশকে বিভ্রান্ত করে বিক্ষোভের নামে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত নাগরিকরা সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উস্কানি ও মিথ্যা অপপ্রচারে কান না দিয়ে ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের মতো একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তাকে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হোক। একই সাথে যারা স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে (বরিশাল) মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি, মস্তব্য পাওয়া যায়।
মানববন্ধনে বরিশালের বিভিন্ন পেশাজীবী, সমাজকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
অবশ্য আন্দোলনরতদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলেন ডা মনিরুজ্জামান শাহীন। এমনকি তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সমর্থিতদের আয়োজিত শান্তি সমাবেশেও অংশ নিয়েছেন। তার জুলাই বিরোধী অবস্থানের কারণে ড্যাবে বরিশাল শাখার একটি অংশ তাকে বরিশালে পদায়নে খুশি নয়। তাছাড়া জুলাইয়ের ভ‚মিকা নিয়েও তার ওপর অনেকে সংক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এক্ষেত্রে ডা মনিরুজ্জামান শাহীনের ভাষ্য হচ্ছে, তৎকালীন তিনি শেবাচিমের উপ-পরিচালক ছিলেন, পদাধিকার বলে তাকে শান্তি সমাবেশে অংশ নিতে হয়। কিন্তু সেখানে তিনি জুলাইবিরোধী তেমন কিছু বলেননি। কারণ এই চিকিৎসক ছাত্রজীবনে বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ড্যাবের আজীবন সদস্য বলে জানা গেছে।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, যোগ্যতার কারণে মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পদায়ন করেছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। কিন্তু তিনি যোগদানের একদিন পরেই মবসন্ত্রাসের শিকার হয়েছে, যা উদ্বেগ এবং আতঙ্কের। বিষয়টিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শনিবার মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নাগরিক সমাজ।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৩
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০০
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৯
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৭