
২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০২:২০
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার টেকনগপাড়া এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে ২৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল হোটেলটিতে এই অভিযান পরিচালনা করে।
বাসন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন খান সাংবাদিকদের জানান, জিএমপি মোবাইল–২ ও কিলো–২ টিম যৌথভাবে হোটেলটিকে ঘিরে ফেলে। এ সময় হোটেলের কিছু কক্ষে নারী–পুরুষের উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে তল্লাশি চালানো হয়। তারা প্রকাশ্যে দেহ প্রদর্শনের মাধ্যমে অনৈতিক কাজের জন্য অন্যদের প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছিল বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়।
অভিযানে মোট ২৪ জন—১৭ জন পুরুষ ও ৭ জন নারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ওসি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন নং ২৭৫/২০২৫, তারিখ ২৫/১১/২০২৫–এর মাধ্যমে জিএমপি অধ্যাদেশ ৭৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং এলাকায় শান্তি–শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিতভাবে এমন অভিযান চলবে।
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার টেকনগপাড়া এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে ২৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল হোটেলটিতে এই অভিযান পরিচালনা করে।
বাসন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন খান সাংবাদিকদের জানান, জিএমপি মোবাইল–২ ও কিলো–২ টিম যৌথভাবে হোটেলটিকে ঘিরে ফেলে। এ সময় হোটেলের কিছু কক্ষে নারী–পুরুষের উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে তল্লাশি চালানো হয়। তারা প্রকাশ্যে দেহ প্রদর্শনের মাধ্যমে অনৈতিক কাজের জন্য অন্যদের প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছিল বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়।
অভিযানে মোট ২৪ জন—১৭ জন পুরুষ ও ৭ জন নারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ওসি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন নং ২৭৫/২০২৫, তারিখ ২৫/১১/২০২৫–এর মাধ্যমে জিএমপি অধ্যাদেশ ৭৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং এলাকায় শান্তি–শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিতভাবে এমন অভিযান চলবে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫১
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন। পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনশনরত তিনজনের মধ্যে সাদিক মনোয়ার মুনেম ও সাকিবুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনশনরত অন্যজন শেখ মুস্তাফিজ ঢামেক থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় জুলাইয়ের শহীদ জাবিরের বাবা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবাসহ একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিক মুনেম অনশনে বসেন। পরে সন্ধ্যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং পরদিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ মুস্তাফিজ অনশনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও তারা অনশন চালিয়ে যান।
অনশনে বসার পর তাদের সঙ্গে পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ সংহতি জানান।
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন। পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনশনরত তিনজনের মধ্যে সাদিক মনোয়ার মুনেম ও সাকিবুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অনশনরত অন্যজন শেখ মুস্তাফিজ ঢামেক থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় জুলাইয়ের শহীদ জাবিরের বাবা, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবাসহ একাধিক শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিক মুনেম অনশনে বসেন। পরে সন্ধ্যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং পরদিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ মুস্তাফিজ অনশনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও তারা অনশন চালিয়ে যান।
অনশনে বসার পর তাদের সঙ্গে পাবনা-১ আসনের এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ সংহতি জানান।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় কথিত পীর শামীম (জাহাঙ্গীর) ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর) স্থানীয়ভাবে ‘ভণ্ডপীর’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ধর্মবিরোধী কথাবার্তা বলার অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজার ইসলামবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসীর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছেন, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
শনিবার সকালে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
জানা যায়, ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা ঢাকায় মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকায় ফিরে এসে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২১ সালের মে মাসে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সে সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা তারা দেখেছেন। ভিডিওটি পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওটি দেখে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। এমন কর্মকাণ্ড চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এলাকাবাসীর দাবি, সমাজে ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে এক কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় কথিত পীর শামীম (জাহাঙ্গীর) ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর) স্থানীয়ভাবে ‘ভণ্ডপীর’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ধর্মবিরোধী কথাবার্তা বলার অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শামীম রেজার ইসলামবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসীর ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছেন, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
শনিবার সকালে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
জানা যায়, ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা ঢাকায় মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকায় ফিরে এসে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু করেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২১ সালের মে মাসে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সে সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা তারা দেখেছেন। ভিডিওটি পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওটি দেখে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। এমন কর্মকাণ্ড চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এলাকাবাসীর দাবি, সমাজে ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪২
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পাঁচ নবজাতক এবং তাদের মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে একে একে পৃথিবীর আলো দেখে পাঁচ নবজাতক। জন্ম নেয়া এই পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে।
সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের ওজন ও স্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। চিকিৎসকরা একে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানিয়েছেন, নবজাতকদের সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি। প্রতিটি শিশুর ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। যা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
এদিকে বিরল এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্তানদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে আসতে চাননি বাবা-মা ও স্বজনরা।
জানা গেছে, বর্তমানে মা-শিশুরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন। একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার এই ঘটনাকে দেশের চিকিৎসা খাতের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পাঁচ নবজাতক এবং তাদের মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে একে একে পৃথিবীর আলো দেখে পাঁচ নবজাতক। জন্ম নেয়া এই পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে।
সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের ওজন ও স্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। চিকিৎসকরা একে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানিয়েছেন, নবজাতকদের সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি। প্রতিটি শিশুর ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। যা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
এদিকে বিরল এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্তানদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে আসতে চাননি বাবা-মা ও স্বজনরা।
জানা গেছে, বর্তমানে মা-শিশুরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন। একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার এই ঘটনাকে দেশের চিকিৎসা খাতের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.