বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী এসাইনমেন্টে শিক্ষকের নামের বানান ভুল করায় তিনশো বার নিজের নাম লিখিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনা। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ঐ শিক্ষার্থী নিজের ফেসবুক ওয়ালে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। এর পরেই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার নাম এসাইনমেন্টে ভুল করায় তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের সাইদুল ইসলাম সাইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে এমন অভিনব কাজ দেন ওই শিক্ষক।
অভিনব এই এসাইনমেন্টের পিকচার নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে সাইদুল নামের ঐ শিক্ষার্থী লিখেছেন, "গত রাতটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। একটি শব্দের বানানে মাত্র একটি অতিরিক্ত অক্ষর"Morium"এর পরিবর্তে "Morioum" লেখার কারণে আমাকে পুরো লেখাটি ৩০০ বার সংশোধন করতে হয়েছে।"
অভিনব এসাইনমেন্টের বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান সরকার এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, "কত কত অযাচিত assignment করছি তার হিসেব নাই, ক্রিয়েটিভিটি বলতে দেখে দেখে এ্যাসাইনমেন্ট এর এই ধরনের র্যাগিং ই হয় এখানে, শিক্ষক কর্তৃক নানান র্যাগিং এর সম্মুখীন হওয়া খুবই মামুলি বিষয় এই বিভাগে।"
ইসরাত জাহান নামে এক শিক্ষার্থী কমেন্টে শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করেছেন, "তৃতীয় বর্ষে পড়ে একজন ফ্যাকাল্টি মেম্বারের নাম ভুল করেন, তাও আবার পোস্ট করেন নূন্যতম বিবেক বোধ থাকা উচিত।"
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকার কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

০১ আগস্ট, ২০২৬ ২২:৫১
বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ২টি ড্রেজার, ২টি বাল্কহেড এবং ৭ জন বালু উত্তোলনকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের কাছ থেকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) মধ্যরাতে বরিশাল সদর উপজেলার কাউনিয়া থানাধীন চরমোনাই নাইন্দার চর সংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন বরিশাল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ২টি ড্রেজার, ২টি বাল্কহেড এবং ৭ জন বালু উত্তোলনকারীকে আটক করা হয়।
পরে বরিশাল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে, যা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, আটক বালু উত্তোলনকারীদের মুচলেকা নিয়ে ড্রেজার ও বাল্কহেডসহ ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নদী তীরবর্তী জনগণের ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ২টি ড্রেজার, ২টি বাল্কহেড এবং ৭ জন বালু উত্তোলনকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের কাছ থেকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) মধ্যরাতে বরিশাল সদর উপজেলার কাউনিয়া থানাধীন চরমোনাই নাইন্দার চর সংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন বরিশাল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ২টি ড্রেজার, ২টি বাল্কহেড এবং ৭ জন বালু উত্তোলনকারীকে আটক করা হয়।
পরে বরিশাল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে, যা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, আটক বালু উত্তোলনকারীদের মুচলেকা নিয়ে ড্রেজার ও বাল্কহেডসহ ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নদী তীরবর্তী জনগণের ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১
নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় তৃণমূলভিত্তিক আন্দোলন আরও শক্তিশালী করা, নিরাপদ জনপরিসর নিশ্চিত করা এবং নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নারী মুক্তির আন্দোলন বিস্তৃতিকরণ’ বিভাগীয় সম্মেলনের সংবাদ সম্মেলন। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার তৃণমূল নারী সংগঠন, জনপ্রতিনিধি, তরুণ নারী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নারী নেত্রীসহ প্রায় ১২০ জন অংশ নেন।
আয়োজক সংস্থা নারীপক্ষ জানায়, নারীর রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাঠামোগত পরিবর্তনের পাশাপাশি তৃণমূল ও নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্রাক লার্নিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নারীপক্ষের প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার। নারীপক্ষের সদস্য সামিয়া আফরিন এবং দুর্বার নেটওয়ার্কের সদস্য ও শুভ’র নির্বাহী পরিচালক হাসিনা বেগম নীলাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের ৪৩৩টি সুপারিশের মধ্য থেকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ৫১টি সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে পৃথক আইন প্রণয়ন, বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি সক্রিয় করা, কর্মজীবী নারীদের জন্য হোস্টেল ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন এবং বাস টার্মিনালসহ জনপরিসরে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি তুলে ধরা হয়।
সংস্থাটি বলছে, সম্মেলনে গৃহীত সুপারিশগুলো স্থানীয় ও জাতীয়পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ে নারী অধিকার আন্দোলন আরও বিস্তৃত করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় তৃণমূলভিত্তিক আন্দোলন আরও শক্তিশালী করা, নিরাপদ জনপরিসর নিশ্চিত করা এবং নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নারী মুক্তির আন্দোলন বিস্তৃতিকরণ’ বিভাগীয় সম্মেলনের সংবাদ সম্মেলন। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার তৃণমূল নারী সংগঠন, জনপ্রতিনিধি, তরুণ নারী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নারী নেত্রীসহ প্রায় ১২০ জন অংশ নেন।
আয়োজক সংস্থা নারীপক্ষ জানায়, নারীর রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাঠামোগত পরিবর্তনের পাশাপাশি তৃণমূল ও নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্রাক লার্নিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নারীপক্ষের প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার। নারীপক্ষের সদস্য সামিয়া আফরিন এবং দুর্বার নেটওয়ার্কের সদস্য ও শুভ’র নির্বাহী পরিচালক হাসিনা বেগম নীলাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের ৪৩৩টি সুপারিশের মধ্য থেকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ৫১টি সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে পৃথক আইন প্রণয়ন, বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি সক্রিয় করা, কর্মজীবী নারীদের জন্য হোস্টেল ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন এবং বাস টার্মিনালসহ জনপরিসরে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি তুলে ধরা হয়।
সংস্থাটি বলছে, সম্মেলনে গৃহীত সুপারিশগুলো স্থানীয় ও জাতীয়পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ে নারী অধিকার আন্দোলন আরও বিস্তৃত করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:০২
বরিশাল ও মাদারীপুরে দায়ের হওয়া একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি ইলিয়াস ফকিরকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। শনিবার তাকে বরিশালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এর আগে শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ থেকে র্যাব-১২ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে রাত ১০টার দিকে তাকে বরিশালের গৌরনদী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তার ইলিয়াস গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার রাঘদী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে বরিশাল ও মাদারীপুরে অন্তত চারটি মানবপাচারের মামলা রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা গ্রামের বারেক বেপারীর ছেলে রাসেল বেপারীকে (২৯) ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে ইলিয়াস ফকিরের সঙ্গে ২০ লাখ টাকায় চুক্তি করা হয়। গত বছরের ২৩ নভেম্বর রাসেলের পরিবার দালালচক্রের হাতে ওই টাকা তুলে দেয়। পরদিন তাকে প্রথমে শ্রীলঙ্কা, পরে সৌদি আরব, কুয়েত ও মিশর হয়ে লিবিয়ায় নেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর রাসেলকে একটি চক্র জিম্মি করে নির্যাতন চালায়। নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও নগদে আরও ২৪ লাখ টাকা আদায় করা হয়। তবুও তাকে ইতালিতে না পাঠিয়ে গত ১৬ জুন বিমানে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
দেশে ফিরে গত ১২ জুলাই রাসেল বরিশালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ইলিয়াস ফকিরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামি ইলিয়াসকে সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইলিয়াস ফকিরের বিরুদ্ধে মাদারীপুরেও তিনটি মানবপাচারের মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল সাংবাদিকদের জানান, লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার এক যুবকের করা মামলায় মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য ইলিয়াস ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত। তার বিরুদ্ধে অন্য মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলে সেসব মামলায়ও তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে।’
বরিশাল ও মাদারীপুরে দায়ের হওয়া একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি ইলিয়াস ফকিরকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। শনিবার তাকে বরিশালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এর আগে শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ থেকে র্যাব-১২ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে রাত ১০টার দিকে তাকে বরিশালের গৌরনদী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তার ইলিয়াস গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার রাঘদী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে বরিশাল ও মাদারীপুরে অন্তত চারটি মানবপাচারের মামলা রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা গ্রামের বারেক বেপারীর ছেলে রাসেল বেপারীকে (২৯) ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে ইলিয়াস ফকিরের সঙ্গে ২০ লাখ টাকায় চুক্তি করা হয়। গত বছরের ২৩ নভেম্বর রাসেলের পরিবার দালালচক্রের হাতে ওই টাকা তুলে দেয়। পরদিন তাকে প্রথমে শ্রীলঙ্কা, পরে সৌদি আরব, কুয়েত ও মিশর হয়ে লিবিয়ায় নেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর রাসেলকে একটি চক্র জিম্মি করে নির্যাতন চালায়। নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও নগদে আরও ২৪ লাখ টাকা আদায় করা হয়। তবুও তাকে ইতালিতে না পাঠিয়ে গত ১৬ জুন বিমানে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
দেশে ফিরে গত ১২ জুলাই রাসেল বরিশালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ইলিয়াস ফকিরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামি ইলিয়াসকে সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইলিয়াস ফকিরের বিরুদ্ধে মাদারীপুরেও তিনটি মানবপাচারের মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল সাংবাদিকদের জানান, লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার এক যুবকের করা মামলায় মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য ইলিয়াস ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত। তার বিরুদ্ধে অন্য মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলে সেসব মামলায়ও তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে।’

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী এসাইনমেন্টে শিক্ষকের নামের বানান ভুল করায় তিনশো বার নিজের নাম লিখিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনা। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ঐ শিক্ষার্থী নিজের ফেসবুক ওয়ালে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। এর পরেই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার নাম এসাইনমেন্টে ভুল করায় তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের সাইদুল ইসলাম সাইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে এমন অভিনব কাজ দেন ওই শিক্ষক।
অভিনব এই এসাইনমেন্টের পিকচার নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে সাইদুল নামের ঐ শিক্ষার্থী লিখেছেন, "গত রাতটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। একটি শব্দের বানানে মাত্র একটি অতিরিক্ত অক্ষর"Morium"এর পরিবর্তে "Morioum" লেখার কারণে আমাকে পুরো লেখাটি ৩০০ বার সংশোধন করতে হয়েছে।"
অভিনব এসাইনমেন্টের বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান সরকার এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, "কত কত অযাচিত assignment করছি তার হিসেব নাই, ক্রিয়েটিভিটি বলতে দেখে দেখে এ্যাসাইনমেন্ট এর এই ধরনের র্যাগিং ই হয় এখানে, শিক্ষক কর্তৃক নানান র্যাগিং এর সম্মুখীন হওয়া খুবই মামুলি বিষয় এই বিভাগে।"
ইসরাত জাহান নামে এক শিক্ষার্থী কমেন্টে শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করেছেন, "তৃতীয় বর্ষে পড়ে একজন ফ্যাকাল্টি মেম্বারের নাম ভুল করেন, তাও আবার পোস্ট করেন নূন্যতম বিবেক বোধ থাকা উচিত।"
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকার কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ২২:৫১
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪