নিজ কর্মগুনে উপজেলাবাসীর কাছে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছিলেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আব্দুল্লাহ খান। গত ১৭ এপ্রিল আকস্মিক তাকে এ উপজেলা থেকে অন্যত্র বদলী করা হয়। তার বদলী ঠেকাতে উপজেলা চত্বরে সমাবেশ করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও প্রত্যাহার হয়নি বদলীর আদেশ।
পরবর্তীতে এ উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন বিসিএস ৩৬ ব্যাচের কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি। যোগদানের পর থেকেই আইন শৃংখলার উন্নতির পাশাপাশি উপজেলা ও পৌর এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ শুরু করেন।
জনকল্যানমুখী কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে জনমানুষের মনে স্থান করে নেন তিনি। তবে যোগদানের ৫ মাস যেতে না যেতেই গত ২২ সেপ্টেম্বর তাকেও (রিফাত আরা মৌরি) ঝালকাঠীর রাজাপুরে বদলী করা হয়েছে। বুধবার তার শেষ কর্ম দিবসে উপজেলা অফিসার্স ক্লাব থেকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে ইউএনও রিফাত আরা’র বদলীর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরার পরপরই স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোস দেখা দিয়েছে। ৫ মাসের ব্যবধানে দুইজন জনপ্রিয় ইউএনও বদলী’র ঘটনাকে অস্বাভাবিক হিসেবে বর্ননা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন অনেকেই।
“ভাল মানুষ গৌরনদীতে এসে বেশিদিন থাকতে পারেনা” বলে অনেকই মন্তব্য করেছেন। তবে ওই দুই ইউএনও’র বদলী প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ভাবে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা বলেন, দক্ষ কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ খানের বদলীর পর আমরা তার মতই একজন দক্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক পেয়েছিলাম। যিনি স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সকলের মন জয় করে নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ইউএনও রিফাত আরা মৌরিকেও আকস্মিক বদলী করা হলো। তার এ বদলীতে আমরা হতবাক।
বরিশঅল জেলা বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম জহির বলেন, সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বদলী এটা রুটিন অনুযায়ী হচ্ছে। পূর্বের দুই ইউএনও জনগনের স্বার্থে কাজ করে গেছেন। বর্তমানে যিনি আসবেন তিনিও জনগনের স্বার্থে কাজ করবেন বলে আমরা মনে করি।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. আহসান হাবীব বলেন, তারা দুইজনই ভাল অফিসার ছিলো। বদলী দুইটিও স্বাভাবিক ভাবে হয়েছে। এখানে অন্য কোন কারন নেই। গৌরনদীতে যে অফিসার যোগদান করবেন তিনিও খুব ভাল অফিসার।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩৯
নিজ কর্মগুনে উপজেলাবাসীর কাছে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছিলেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আব্দুল্লাহ খান। গত ১৭ এপ্রিল আকস্মিক তাকে এ উপজেলা থেকে অন্যত্র বদলী করা হয়। তার বদলী ঠেকাতে উপজেলা চত্বরে সমাবেশ করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও প্রত্যাহার হয়নি বদলীর আদেশ।
পরবর্তীতে এ উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন বিসিএস ৩৬ ব্যাচের কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি। যোগদানের পর থেকেই আইন শৃংখলার উন্নতির পাশাপাশি উপজেলা ও পৌর এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ শুরু করেন।
জনকল্যানমুখী কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে জনমানুষের মনে স্থান করে নেন তিনি। তবে যোগদানের ৫ মাস যেতে না যেতেই গত ২২ সেপ্টেম্বর তাকেও (রিফাত আরা মৌরি) ঝালকাঠীর রাজাপুরে বদলী করা হয়েছে। বুধবার তার শেষ কর্ম দিবসে উপজেলা অফিসার্স ক্লাব থেকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে ইউএনও রিফাত আরা’র বদলীর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরার পরপরই স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোস দেখা দিয়েছে। ৫ মাসের ব্যবধানে দুইজন জনপ্রিয় ইউএনও বদলী’র ঘটনাকে অস্বাভাবিক হিসেবে বর্ননা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন অনেকেই।
“ভাল মানুষ গৌরনদীতে এসে বেশিদিন থাকতে পারেনা” বলে অনেকই মন্তব্য করেছেন। তবে ওই দুই ইউএনও’র বদলী প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ভাবে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা বলেন, দক্ষ কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ খানের বদলীর পর আমরা তার মতই একজন দক্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক পেয়েছিলাম। যিনি স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সকলের মন জয় করে নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ইউএনও রিফাত আরা মৌরিকেও আকস্মিক বদলী করা হলো। তার এ বদলীতে আমরা হতবাক।
বরিশঅল জেলা বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম জহির বলেন, সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বদলী এটা রুটিন অনুযায়ী হচ্ছে। পূর্বের দুই ইউএনও জনগনের স্বার্থে কাজ করে গেছেন। বর্তমানে যিনি আসবেন তিনিও জনগনের স্বার্থে কাজ করবেন বলে আমরা মনে করি।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. আহসান হাবীব বলেন, তারা দুইজনই ভাল অফিসার ছিলো। বদলী দুইটিও স্বাভাবিক ভাবে হয়েছে। এখানে অন্য কোন কারন নেই। গৌরনদীতে যে অফিসার যোগদান করবেন তিনিও খুব ভাল অফিসার।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪