
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।
০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩২
০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩০
০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৩৪

০২ মে, ২০২৬ ১২:১৭
কুয়েত সিটির ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটে বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তাররা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। জেলিব আল-শুয়ুখ পুলিশ স্টেশনের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। একটি গণপরিবহন কোম্পানির টিকিট পরিদর্শকের অভিযোগের পর এ অভিযান শুরু হয়। ওই পরিদর্শক জানান, বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছিল।
অভিযোগ পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারি বাড়ায় এবং যাচাই-বাছাই শুরু করে। বাসের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৩৩৩ কুয়েতি দিনার উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ডাকাতির অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত অর্থসহ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে যে কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য জরুরি নম্বর ১১২-এ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : আরব টাইমস
কুয়েত সিটির ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটে বাসযাত্রীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তাররা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। জেলিব আল-শুয়ুখ পুলিশ স্টেশনের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। একটি গণপরিবহন কোম্পানির টিকিট পরিদর্শকের অভিযোগের পর এ অভিযান শুরু হয়। ওই পরিদর্শক জানান, বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছিল।
অভিযোগ পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারি বাড়ায় এবং যাচাই-বাছাই শুরু করে। বাসের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয় এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৩৩৩ কুয়েতি দিনার উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ডাকাতির অর্থ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত অর্থসহ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে যে কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য জরুরি নম্বর ১১২-এ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : আরব টাইমস

০১ মে, ২০২৬ ১৪:৩০
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সম্পর্কিত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অদ্ভুত দাবি ছড়িয়ে পড়েছে—যুক্তরাষ্ট্র নাকি ‘মেঘ চুরি’ করত, আর যুদ্ধের কারণে সেই কার্যক্রম এখন বন্ধ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
সম্প্রতি ইরাকের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-খাইকানি এক টিভি সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, তুরস্ক ও ইরান অভিযোগ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র নাকি বিমান ব্যবহার করে মেঘ ধ্বংস বা সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানকে ঘিরে সংঘাতে ব্যস্ত থাকায় ইরাকে আবার বৃষ্টি ফিরেছে। যদিও এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
এ বিষয়ে ইরাকের আবহাওয়া অধিদপ্তরের মুখপাত্র আমের আল-জাবিরি স্পষ্টভাবে জানান, এমন ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে অযৌক্তিক। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালে ইরাকে বেশি বৃষ্টিপাত হবে এমন পূর্বাভাস অনেক আগেই দেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-খাইকানি আবারও ‘বায়ুমণ্ডলীয় অস্ত্র’ ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারেননি। একই ধরনের দাবি সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।
তুরস্কেও কিছু ব্যবহারকারী সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির সঙ্গে ইরান যুদ্ধের সম্পর্ক টানার চেষ্টা করছেন। অথচ সরকারি তথ্য বলছে, দেশটিতে গত কয়েক দশকের মধ্যে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতেই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা প্রাকৃতিক আবহাওয়ার অংশ হিসেবেই বিবেচিত।
এ ছাড়া ইরানের দীর্ঘস্থায়ী খরা নাকি হঠাৎ কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে এমন দাবিও ঘুরে বেড়াচ্ছে অনলাইনে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ কাবে মাদানি বলেন, এসব গুজবের পেছনে মূলত মানুষের অবিশ্বাস এবং জলবায়ু সম্পর্কে সীমিত জ্ঞান কাজ করছে।
এই আলোচনায় বারবার উঠে আসছে ‘ক্লাউড সিডিং’ নামের একটি পদ্ধতির কথা। এটি এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে বিদ্যমান মেঘে বিশেষ কণা ছড়িয়ে বৃষ্টিপাত বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, এর প্রভাব খুবই সীমিত সাধারণত সর্বোচ্চ ১০–১৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত বাড়ানো সম্ভব।
আবুধাবির খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডায়ানা ফ্রান্সিস বলেন, এটি মূলত মেঘকে সামান্য ‘উদ্দীপিত’ করে, পুরো আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার মতো শক্তিশালী নয়।
কিছু মানুষ মনে করেন, এক অঞ্চলে ক্লাউড সিডিং করলে পাশের এলাকায় বৃষ্টির ঘাটতি তৈরি হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এ ধরনের প্রভাবের কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, বর্তমানে এমন কোনো প্রযুক্তি নেই যা সরাসরি আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বরং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত আবহাওয়ার পেছনে বড় কারণ হলো জলবায়ু পরিবর্তন।
আইপিআইসির তথ্য অনুযায়ী, মানুষের কার্যকলাপজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হচ্ছে, এবং বৃষ্টিপাত আরও অনিয়মিত হয়ে পড়ছে। কখনো দীর্ঘ খরা, আবার হঠাৎ ভারি বৃষ্টিতে বন্যার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
জর্ডানের এক গবেষক ড. এসরা তারাওনেহ বলেন, এসব কারণে মানুষের মধ্যে পানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আর এই অনিশ্চয়তার সুযোগেই নানা ষড়যন্ত্রমূলক ব্যাখ্যা সহজে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. সারা স্মিথের মতে, জটিল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে মানুষ সহজ ব্যাখ্যার দিকে ঝুঁকে পড়ে, যা প্রায়ই বাস্তবতা থেকে দূরে থাকে।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সম্পর্কিত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অদ্ভুত দাবি ছড়িয়ে পড়েছে—যুক্তরাষ্ট্র নাকি ‘মেঘ চুরি’ করত, আর যুদ্ধের কারণে সেই কার্যক্রম এখন বন্ধ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
সম্প্রতি ইরাকের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-খাইকানি এক টিভি সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, তুরস্ক ও ইরান অভিযোগ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র নাকি বিমান ব্যবহার করে মেঘ ধ্বংস বা সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানকে ঘিরে সংঘাতে ব্যস্ত থাকায় ইরাকে আবার বৃষ্টি ফিরেছে। যদিও এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
এ বিষয়ে ইরাকের আবহাওয়া অধিদপ্তরের মুখপাত্র আমের আল-জাবিরি স্পষ্টভাবে জানান, এমন ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে অযৌক্তিক। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালে ইরাকে বেশি বৃষ্টিপাত হবে এমন পূর্বাভাস অনেক আগেই দেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-খাইকানি আবারও ‘বায়ুমণ্ডলীয় অস্ত্র’ ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারেননি। একই ধরনের দাবি সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।
তুরস্কেও কিছু ব্যবহারকারী সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির সঙ্গে ইরান যুদ্ধের সম্পর্ক টানার চেষ্টা করছেন। অথচ সরকারি তথ্য বলছে, দেশটিতে গত কয়েক দশকের মধ্যে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতেই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা প্রাকৃতিক আবহাওয়ার অংশ হিসেবেই বিবেচিত।
এ ছাড়া ইরানের দীর্ঘস্থায়ী খরা নাকি হঠাৎ কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে এমন দাবিও ঘুরে বেড়াচ্ছে অনলাইনে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ কাবে মাদানি বলেন, এসব গুজবের পেছনে মূলত মানুষের অবিশ্বাস এবং জলবায়ু সম্পর্কে সীমিত জ্ঞান কাজ করছে।
এই আলোচনায় বারবার উঠে আসছে ‘ক্লাউড সিডিং’ নামের একটি পদ্ধতির কথা। এটি এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে বিদ্যমান মেঘে বিশেষ কণা ছড়িয়ে বৃষ্টিপাত বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, এর প্রভাব খুবই সীমিত সাধারণত সর্বোচ্চ ১০–১৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত বাড়ানো সম্ভব।
আবুধাবির খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডায়ানা ফ্রান্সিস বলেন, এটি মূলত মেঘকে সামান্য ‘উদ্দীপিত’ করে, পুরো আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার মতো শক্তিশালী নয়।
কিছু মানুষ মনে করেন, এক অঞ্চলে ক্লাউড সিডিং করলে পাশের এলাকায় বৃষ্টির ঘাটতি তৈরি হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এ ধরনের প্রভাবের কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, বর্তমানে এমন কোনো প্রযুক্তি নেই যা সরাসরি আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বরং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত আবহাওয়ার পেছনে বড় কারণ হলো জলবায়ু পরিবর্তন।
আইপিআইসির তথ্য অনুযায়ী, মানুষের কার্যকলাপজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হচ্ছে, এবং বৃষ্টিপাত আরও অনিয়মিত হয়ে পড়ছে। কখনো দীর্ঘ খরা, আবার হঠাৎ ভারি বৃষ্টিতে বন্যার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
জর্ডানের এক গবেষক ড. এসরা তারাওনেহ বলেন, এসব কারণে মানুষের মধ্যে পানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আর এই অনিশ্চয়তার সুযোগেই নানা ষড়যন্ত্রমূলক ব্যাখ্যা সহজে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. সারা স্মিথের মতে, জটিল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে মানুষ সহজ ব্যাখ্যার দিকে ঝুঁকে পড়ে, যা প্রায়ই বাস্তবতা থেকে দূরে থাকে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.