টাকা উত্তোলন ব্যায় বাড়লেও বরিশালে বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথে গ্রাহক হয়রানি কমছেনা। সাপ্তাহিক ছুটি সহ যেকোন বন্ধের দিনগুলোতে বুথ থেকে টাকা তুলতে নাকাল হচ্ছেন গ্রাহকরা। তারল্য সংকট আড়াল করতে গত বছর আগষ্ট থেকে বিভিন্ন ব্যাংক নানা অজুহাতে এটিএম বুথ থেকে গ্রাহকদের টাকা প্রদান সীমিতকরণের পাশাপাশি নানাভাবে নিরুৎসাহিত করছে। যা গ্রাহক হয়রানিকে ক্রমশ বৃদ্ধি করে চললেও বিষয়গুলো নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনেকটাই নির্বিকার। এমনকি বরিশাল অঞ্চলের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ঠিক কতগুলো এটিএম বুথ রয়েছে তাও জানে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বরিশাল অফিস।
বিদ্যমান বুথগুলোতে গ্রাহক হয়রানির বিষয়গুলোও কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির কাছে অনেকটাই অবান্তর বলেই মনে হয়েছে। এ বিষয় নিয়ে যতবারই বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসের দায়িত্বশীল মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়েছে,ততবারই নানাভাবে এড়িয়ে গেছেন দয়িত্বশীল কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে মতামত জানতে গত কয়েকদিন ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির বরিশাল অফিসের নির্বাহী পরিচালকের দাপ্তরিক সেলফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোন সাড়া মেলেনি।
তবে একাধিক সূত্রের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসের আওতাভুক্ত এলাকায় সরকারি-বেসরকারী ৩৬টি ব্যাংকের সহ¯্রাধিক ফাষ্ট ট্র্যাক সহ এটিএম বুথে প্রতিদিন লক্ষাধিক গ্রাহক নগদ টাকা উত্তোলন ও জমা করে থাকেন। কিন্তু গত বছর আগষ্টের পটপরিবর্তনের পরে প্রায় সব ব্যাংকই তাদের এটিএম বুথ থেকে অন্য ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা প্রদান সীমিত করেছে। ইতোপূর্বে বুথগুলো থেকে গ্রাহকদের একবারে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হলেও এখন দশ হাজার টাকার বেশী দেয়া হচ্ছেনা । এমনকি নিজ ব্যাংকের বাইরে অন্য ব্যাংকের বুথ থেকে গ্রাহকদের আগে প্রতিবারের লেনদেনে ২০ হাজার টাকা উত্তোলনে ১৫ টাকা চার্জ ধার্য্য থাকলেও এখন ১০ হাজার টাকা উত্তোলনেই ২০ টাকা চার্জ প্রদান করতে হচ্ছে। কিন্ত সে চার্জ প্রদান করেও এখন বেশীরভাগ ব্যাংকের বুথ থেকে অন্য ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকা তুলতে পারছেন না।
শুধুমাত্র ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বুথ এবং ফাষ্ট ট্র্যাকের এটিএম ও সিআরএম মেশিন থেকে প্রায় সব ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা প্রদান করা হলেও সেসব স্থাপনায়ও রাত ৯টার পরে ১টি মেশিন চালু রেখে অন্যগুলোতে গ্রাহকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। এমনকি ঈদ সহ যে কোন লম্বা ছুটির সময়ও ব্যাংকটির সব ফাষ্ট ট্র্যাকেই মাত্র ১টি করে সিআরএম মেশিন চালু রেখে অন্যসবগুলো আটকে দেয়া হয়। ডাচ-বাংলার বুথ ও ফাষ্ট ট্র্যাকগুলোতে প্রায় সব ব্যাংকের কার্ডের বিপরিতে টাকা প্রদান করা হলেও সেখানেও ইতোপূর্বের ২০ হাজার টাকার পরিবর্তে ১০ হাজার টাকায় সীমিত করা হয়েছে।
ডাচ-বাংলার পরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে’এর এটিএম বুথের সংখ্যা বেশী থাকলেও গত বছর আগষ্ট থেকে সেখানেও অন্য সব ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের বিপরিতে টাকা প্রদান বন্ধ রাখা হচ্ছে প্রায়শই। তবে রাষ্ট্রীয় রূপালী ব্যাংকের হাতেগোনা কয়কটি বুথে বেশীরভাগ ব্যাংকের কার্ডের বিপরিতে টাকা পরিশোধ করা হলেও অনেক নামিদামী ব্যাংগুলোও এক্ষেত্রে রক্ষনশীল ভূমিকা পালন করায় সাধারন মানুষের দুর্ভোগ সব বর্ণনার বাইরে। এমনকি সীমিত কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে অন্যসব ব্যাংকের এটিএম কার্ডের বিপরিতে টাকা প্রদান করা হলেও কোন বুথ থেকেই এককালীন ১০ হাজারের বেশী টাকা প্রদান করা হচ্ছে না।
অপরদিকে অতি সম্প্রতি যে ৫টি রুগ্ন ব্যাংক নিয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক চালু করা হচ্ছে,সেসব ব্যাংকগুলোর সব বুথই ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঐসব ব্যাংক গ্রাহকদের দুর্ভোগ এখন সব বর্ণনার বাইরে। ফলে অন্য ব্যাংকের বুথে চাপ বাড়ছে। ডাচ-বাংলা সহ কয়েকটি ব্যাংকের বুথে দিন-রাতই গ্রাহকের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়না। এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসের নির্বাহী পরিচালকের সাথে আলাপ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩২
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৫৪
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের অশ্বিনীকুমার ছাত্রাবাসের সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। তবে কাজ বন্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হচ্ছিল না। প্রাক্কলন ও দরপত্রের শর্ত অনুসরণ না করে বালু ফেলার পর নির্ধারিত সময় অপেক্ষা না করেই ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ছাত্রাবাসের প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট সড়ক নির্মাণের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘অহনা এন্টারপ্রাইজ’। প্রতিষ্ঠানটির সাবঠিকাদার সাদ রহমান কাজটি করাচ্ছেন।
সাবঠিকাদার সাদ রহমানের দাবি, সড়কের প্রায় পুরো নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল। মাত্র ৩০ ফুট অংশে ঢালাই বাকি থাকতেই কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি আরও দাবি করেন, নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে কলেজের অধ্যক্ষ, প্রকৌশলী ও হল সুপার সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
ঠিকাদারের অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের দুই নেতা বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি দেখে শিক্ষার্থীরা সংক্ষুব্ধ হন। তাঁরাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোন করে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, কাজ বন্ধ হওয়ায় ঠিকাদার বিপাকে পড়ার পর একটি পক্ষ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে তারা গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন দাবি করেন, একটি গণমাধ্যমে ছাত্রাবাসের হল সুপার এস এম আসাদুজ্জামানের নামে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তিনি তা দেননি।
এ বিষয়ে বরিশালটাইমসের কাছে আসা একটি ভিডিও বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ওয়ালিদ বলেন, ভিডিওতে হল সুপারকে বলতে শোনা যায়, তিনি বরিশালের বাইরে থাকায় নির্মাণকাজের মান কীভাবে দেখবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কাজের মান যাচাইয়ের দায়িত্ব তার নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষক।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এনামুল হক তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি ছিল এবং দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ হচ্ছিল না। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, তা অধ্যক্ষ দেখবেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী জাবের আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
নির্মাণকাজ বন্ধের ঘটনাটি নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিএম কলেজে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগও করেননি।
এদিকে, সোমবার গভীর রাতে বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনাটি নিয়ে তথ্য যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সড়ক নির্মাণের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঠিকাদারের পাল্টা দাবি এবং ছাত্রদলের দুই নেতাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নির্মাণকাজের মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই বিতর্ক এড়াতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল আগামীতে কি পদক্ষেপ রাখে সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।’
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের অশ্বিনীকুমার ছাত্রাবাসের সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। তবে কাজ বন্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হচ্ছিল না। প্রাক্কলন ও দরপত্রের শর্ত অনুসরণ না করে বালু ফেলার পর নির্ধারিত সময় অপেক্ষা না করেই ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ছাত্রাবাসের প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট সড়ক নির্মাণের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘অহনা এন্টারপ্রাইজ’। প্রতিষ্ঠানটির সাবঠিকাদার সাদ রহমান কাজটি করাচ্ছেন।
সাবঠিকাদার সাদ রহমানের দাবি, সড়কের প্রায় পুরো নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল। মাত্র ৩০ ফুট অংশে ঢালাই বাকি থাকতেই কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি আরও দাবি করেন, নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে কলেজের অধ্যক্ষ, প্রকৌশলী ও হল সুপার সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
ঠিকাদারের অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের দুই নেতা বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি দেখে শিক্ষার্থীরা সংক্ষুব্ধ হন। তাঁরাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোন করে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, কাজ বন্ধ হওয়ায় ঠিকাদার বিপাকে পড়ার পর একটি পক্ষ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে তারা গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন দাবি করেন, একটি গণমাধ্যমে ছাত্রাবাসের হল সুপার এস এম আসাদুজ্জামানের নামে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তিনি তা দেননি।
এ বিষয়ে বরিশালটাইমসের কাছে আসা একটি ভিডিও বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ওয়ালিদ বলেন, ভিডিওতে হল সুপারকে বলতে শোনা যায়, তিনি বরিশালের বাইরে থাকায় নির্মাণকাজের মান কীভাবে দেখবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কাজের মান যাচাইয়ের দায়িত্ব তার নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষক।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এনামুল হক তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি ছিল এবং দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ হচ্ছিল না। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, তা অধ্যক্ষ দেখবেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী জাবের আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
নির্মাণকাজ বন্ধের ঘটনাটি নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিএম কলেজে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগও করেননি।
এদিকে, সোমবার গভীর রাতে বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনাটি নিয়ে তথ্য যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সড়ক নির্মাণের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঠিকাদারের পাল্টা দাবি এবং ছাত্রদলের দুই নেতাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নির্মাণকাজের মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই বিতর্ক এড়াতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল আগামীতে কি পদক্ষেপ রাখে সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।’

২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:০৪
টাকা উত্তোলন ব্যায় বাড়লেও বরিশালে বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথে গ্রাহক হয়রানি কমছেনা। সাপ্তাহিক ছুটি সহ যেকোন বন্ধের দিনগুলোতে বুথ থেকে টাকা তুলতে নাকাল হচ্ছেন গ্রাহকরা। তারল্য সংকট আড়াল করতে গত বছর আগষ্ট থেকে বিভিন্ন ব্যাংক নানা অজুহাতে এটিএম বুথ থেকে গ্রাহকদের টাকা প্রদান সীমিতকরণের পাশাপাশি নানাভাবে নিরুৎসাহিত করছে। যা গ্রাহক হয়রানিকে ক্রমশ বৃদ্ধি করে চললেও বিষয়গুলো নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনেকটাই নির্বিকার। এমনকি বরিশাল অঞ্চলের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ঠিক কতগুলো এটিএম বুথ রয়েছে তাও জানে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বরিশাল অফিস।
বিদ্যমান বুথগুলোতে গ্রাহক হয়রানির বিষয়গুলোও কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির কাছে অনেকটাই অবান্তর বলেই মনে হয়েছে। এ বিষয় নিয়ে যতবারই বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসের দায়িত্বশীল মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়েছে,ততবারই নানাভাবে এড়িয়ে গেছেন দয়িত্বশীল কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে মতামত জানতে গত কয়েকদিন ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির বরিশাল অফিসের নির্বাহী পরিচালকের দাপ্তরিক সেলফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোন সাড়া মেলেনি।
তবে একাধিক সূত্রের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসের আওতাভুক্ত এলাকায় সরকারি-বেসরকারী ৩৬টি ব্যাংকের সহ¯্রাধিক ফাষ্ট ট্র্যাক সহ এটিএম বুথে প্রতিদিন লক্ষাধিক গ্রাহক নগদ টাকা উত্তোলন ও জমা করে থাকেন। কিন্তু গত বছর আগষ্টের পটপরিবর্তনের পরে প্রায় সব ব্যাংকই তাদের এটিএম বুথ থেকে অন্য ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা প্রদান সীমিত করেছে। ইতোপূর্বে বুথগুলো থেকে গ্রাহকদের একবারে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হলেও এখন দশ হাজার টাকার বেশী দেয়া হচ্ছেনা । এমনকি নিজ ব্যাংকের বাইরে অন্য ব্যাংকের বুথ থেকে গ্রাহকদের আগে প্রতিবারের লেনদেনে ২০ হাজার টাকা উত্তোলনে ১৫ টাকা চার্জ ধার্য্য থাকলেও এখন ১০ হাজার টাকা উত্তোলনেই ২০ টাকা চার্জ প্রদান করতে হচ্ছে। কিন্ত সে চার্জ প্রদান করেও এখন বেশীরভাগ ব্যাংকের বুথ থেকে অন্য ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকা তুলতে পারছেন না।
শুধুমাত্র ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বুথ এবং ফাষ্ট ট্র্যাকের এটিএম ও সিআরএম মেশিন থেকে প্রায় সব ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা প্রদান করা হলেও সেসব স্থাপনায়ও রাত ৯টার পরে ১টি মেশিন চালু রেখে অন্যগুলোতে গ্রাহকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। এমনকি ঈদ সহ যে কোন লম্বা ছুটির সময়ও ব্যাংকটির সব ফাষ্ট ট্র্যাকেই মাত্র ১টি করে সিআরএম মেশিন চালু রেখে অন্যসবগুলো আটকে দেয়া হয়। ডাচ-বাংলার বুথ ও ফাষ্ট ট্র্যাকগুলোতে প্রায় সব ব্যাংকের কার্ডের বিপরিতে টাকা প্রদান করা হলেও সেখানেও ইতোপূর্বের ২০ হাজার টাকার পরিবর্তে ১০ হাজার টাকায় সীমিত করা হয়েছে।
ডাচ-বাংলার পরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে’এর এটিএম বুথের সংখ্যা বেশী থাকলেও গত বছর আগষ্ট থেকে সেখানেও অন্য সব ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের বিপরিতে টাকা প্রদান বন্ধ রাখা হচ্ছে প্রায়শই। তবে রাষ্ট্রীয় রূপালী ব্যাংকের হাতেগোনা কয়কটি বুথে বেশীরভাগ ব্যাংকের কার্ডের বিপরিতে টাকা পরিশোধ করা হলেও অনেক নামিদামী ব্যাংগুলোও এক্ষেত্রে রক্ষনশীল ভূমিকা পালন করায় সাধারন মানুষের দুর্ভোগ সব বর্ণনার বাইরে। এমনকি সীমিত কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে অন্যসব ব্যাংকের এটিএম কার্ডের বিপরিতে টাকা প্রদান করা হলেও কোন বুথ থেকেই এককালীন ১০ হাজারের বেশী টাকা প্রদান করা হচ্ছে না।
অপরদিকে অতি সম্প্রতি যে ৫টি রুগ্ন ব্যাংক নিয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক চালু করা হচ্ছে,সেসব ব্যাংকগুলোর সব বুথই ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঐসব ব্যাংক গ্রাহকদের দুর্ভোগ এখন সব বর্ণনার বাইরে। ফলে অন্য ব্যাংকের বুথে চাপ বাড়ছে। ডাচ-বাংলা সহ কয়েকটি ব্যাংকের বুথে দিন-রাতই গ্রাহকের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়না। এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসের নির্বাহী পরিচালকের সাথে আলাপ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৭
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮