
০৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৩৩
ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় ফের ত্রাণ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর জোট ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি)।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে জোটটি এই ঘোষণা দেয়। খবর আনাদুলু এজেন্সি। এফএফসি জানায়, ইতালি ও ফ্রান্সের পতাকাবাহী দুটি জাহাজ গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইতালির ওৎরান্তো বন্দর থেকে গাজার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
পরে ৩০ সেপ্টেম্বর আরও ৯টি নৌযান যোগ দেয় বহরে। সবমিলিয়ে ১১টি জাহাজে প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবী ও ক্রু রয়েছেন, যারা শিগগিরই একত্র হয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বহর হিসেবে গাজার দিকে অগ্রসর হবেন।
২০০৮ সালে গঠিত ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনে রয়েছে ফ্রিডম ফ্লোটিলা ফাউন্ডেশন, গ্লোবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা এবং সুমুদ নুসানতারা। এর আগে চলতি বছরের আগস্টে এই জোট ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামে একটি বড় আকারের ত্রাণ মিশন শুরু করে।
তাতে অংশ নেন সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা, এবং ৪৪টি দেশের প্রায় ৫০০ জন পার্লামেন্ট সদস্য, আইনজীবী, স্বেচ্ছাসেবী ও অধিকারকর্মী।
সেই বহরটি ৩১ আগস্ট স্পেন থেকে যাত্রা শুরু করে। তবে গাজার জলসীমার কাছাকাছি পৌঁছতেই ইসরায়েলি নৌবাহিনী একটি ব্যতীত সব নৌযান আটক করে নিয়ে যায়। জাহাজের আরোহীদের জোরপূর্বক ইসরায়েলের বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়, যার প্রতিবাদে বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
তবু তাতে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি নেতানিয়াহুর সরকার। বরং আন্তর্জাতিক সমালোচনার তোয়াক্কা না করেই ইসরায়েল আগের মতোই অবরোধ জারি রেখেছে। এই অবস্থার মধ্যেই ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ফের ত্রাণ পাঠানোর ঘোষণা দিলো, যা নতুন করে নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক মানবিক মহলে।
ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় ফের ত্রাণ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর জোট ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি)।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে জোটটি এই ঘোষণা দেয়। খবর আনাদুলু এজেন্সি। এফএফসি জানায়, ইতালি ও ফ্রান্সের পতাকাবাহী দুটি জাহাজ গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইতালির ওৎরান্তো বন্দর থেকে গাজার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
পরে ৩০ সেপ্টেম্বর আরও ৯টি নৌযান যোগ দেয় বহরে। সবমিলিয়ে ১১টি জাহাজে প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবী ও ক্রু রয়েছেন, যারা শিগগিরই একত্র হয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বহর হিসেবে গাজার দিকে অগ্রসর হবেন।
২০০৮ সালে গঠিত ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনে রয়েছে ফ্রিডম ফ্লোটিলা ফাউন্ডেশন, গ্লোবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা এবং সুমুদ নুসানতারা। এর আগে চলতি বছরের আগস্টে এই জোট ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামে একটি বড় আকারের ত্রাণ মিশন শুরু করে।
তাতে অংশ নেন সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা, এবং ৪৪টি দেশের প্রায় ৫০০ জন পার্লামেন্ট সদস্য, আইনজীবী, স্বেচ্ছাসেবী ও অধিকারকর্মী।
সেই বহরটি ৩১ আগস্ট স্পেন থেকে যাত্রা শুরু করে। তবে গাজার জলসীমার কাছাকাছি পৌঁছতেই ইসরায়েলি নৌবাহিনী একটি ব্যতীত সব নৌযান আটক করে নিয়ে যায়। জাহাজের আরোহীদের জোরপূর্বক ইসরায়েলের বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়, যার প্রতিবাদে বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
তবু তাতে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি নেতানিয়াহুর সরকার। বরং আন্তর্জাতিক সমালোচনার তোয়াক্কা না করেই ইসরায়েল আগের মতোই অবরোধ জারি রেখেছে। এই অবস্থার মধ্যেই ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ফের ত্রাণ পাঠানোর ঘোষণা দিলো, যা নতুন করে নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক মানবিক মহলে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:২৪
বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান অব্যাহত রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স এন্ড ট্রেড (ডিএফএটি) পরিচালিত সরকারি ভ্রমণ পরামর্শ পোর্টাল স্মার্টট্রাভেলার গত ৯ এপ্রিল হালনাগাদ করে ১০ এপ্রিলও বাংলাদেশের জন্য পূর্বে জারি করা ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ বহাল রেখেছে।
সতর্কতা বার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চলমান নাগরিক অস্থিরতা, বিক্ষোভ এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত। বিশেষ করে বড় ধরনের জমায়েত ও বিক্ষোভ যে কোনো সময় পূর্বসতর্কতা ছাড়াই সহিংস রূপ নিতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল এড়িয়ে চলা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতি নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চিটাগাং হিল ট্রাক্টস অঞ্চলের জন্য আলাদা ও আরও কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে অপহরণ, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ভ্রমণ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মিয়ানমার বর্ডার এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কাও তুলে ধরা হয়েছে।
এই সতর্কতা নতুন নয়। ২০২৪ সালের আগস্টে ডিএফএটি বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ ‘লেভেল-৪: ভ্রমণ করবেন না’ সতর্কতা জারি করেছিল, যেখানে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থির ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে সতর্কতা নামিয়ে বর্তমান ‘লেভেল-৩’-এ আনা হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি সপ্তাহে মিল্টন ডিকের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার উচ্চপর্যায়ের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করেছে। সফরকালে দুই দেশ সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করা এবং আন্তঃসংসদীয় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একদিকে ভ্রমণ সতর্কতা বজায় রাখা এবং অন্যদিকে উচ্চপর্যায়ের সফর পরিচালনা দুইয়ের সমন্বয়ই ইঙ্গিত দেয় যে, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তবে সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগ এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান অব্যাহত রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স এন্ড ট্রেড (ডিএফএটি) পরিচালিত সরকারি ভ্রমণ পরামর্শ পোর্টাল স্মার্টট্রাভেলার গত ৯ এপ্রিল হালনাগাদ করে ১০ এপ্রিলও বাংলাদেশের জন্য পূর্বে জারি করা ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ বহাল রেখেছে।
সতর্কতা বার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চলমান নাগরিক অস্থিরতা, বিক্ষোভ এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত। বিশেষ করে বড় ধরনের জমায়েত ও বিক্ষোভ যে কোনো সময় পূর্বসতর্কতা ছাড়াই সহিংস রূপ নিতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল এড়িয়ে চলা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতি নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চিটাগাং হিল ট্রাক্টস অঞ্চলের জন্য আলাদা ও আরও কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে অপহরণ, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ভ্রমণ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মিয়ানমার বর্ডার এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কাও তুলে ধরা হয়েছে।
এই সতর্কতা নতুন নয়। ২০২৪ সালের আগস্টে ডিএফএটি বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ ‘লেভেল-৪: ভ্রমণ করবেন না’ সতর্কতা জারি করেছিল, যেখানে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থির ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে সতর্কতা নামিয়ে বর্তমান ‘লেভেল-৩’-এ আনা হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি সপ্তাহে মিল্টন ডিকের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার উচ্চপর্যায়ের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করেছে। সফরকালে দুই দেশ সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করা এবং আন্তঃসংসদীয় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একদিকে ভ্রমণ সতর্কতা বজায় রাখা এবং অন্যদিকে উচ্চপর্যায়ের সফর পরিচালনা দুইয়ের সমন্বয়ই ইঙ্গিত দেয় যে, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তবে সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগ এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি।
বরিশাল টাইমস

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
মালয়েশিয়ার পেরাক অঙ্গরাজ্যের চেমোরের কান্থান শিল্প এলাকায় দুটি রাবার গ্লাভস কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৭৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে শ্রমশক্তি বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন।
পেরাক অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক জেমস লি জানান, প্রথম কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পরে দ্বিতীয় কারখানায় শিফট পরিবর্তনের সময় আরও ২৩ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা ভিজিট পাসের অপব্যবহার করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
অভিযান শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, মূল কোম্পানির অধীনে থাকা দুটি কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য কোম্পানি বা খাতে নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর একই প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত অভিযানের পর এটি ছিল দ্বিতীয় অভিযান।
বরিশাল টাইমস
মালয়েশিয়ার পেরাক অঙ্গরাজ্যের চেমোরের কান্থান শিল্প এলাকায় দুটি রাবার গ্লাভস কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৭৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে শ্রমশক্তি বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন।
পেরাক অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক জেমস লি জানান, প্রথম কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পরে দ্বিতীয় কারখানায় শিফট পরিবর্তনের সময় আরও ২৩ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা ভিজিট পাসের অপব্যবহার করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
অভিযান শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, মূল কোম্পানির অধীনে থাকা দুটি কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য কোম্পানি বা খাতে নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর একই প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত অভিযানের পর এটি ছিল দ্বিতীয় অভিযান।
বরিশাল টাইমস

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০২
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪