
১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৪
পাথরঘাটায় টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের ধরণসমূহ এবং প্রকল্প সমাপ্তি পরিকল্পনা বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে পাথরঘাটা সংকল্প ট্রাস্ট সেমিনার কক্ষে-এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস এবং একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এফোরটি প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এনএসএস-এর পরিচালক (কার্যক্রম) মো: শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, শিক্ষক, নেটওয়ার্ক প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক ও কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ও বিগত বছরের অর্জনসমূহ তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো:মনিরুজ্জামান। এছাড়া কর্মশালা থেকে প্রত্যাশা ও টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন একশন এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার (ইয়ুথ হাব মোবিলাইজেশন এন্ড ক্লাইমেট একশান) মো: মাসুদ পারভেজ। কর্মশালায় সার্বিক সহায়তা করেন একশানএইড’র ইন্সপিরেটর মো: রোকনুজ্জামান।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিমেল আল ইসলাম, সমাজসেবা দপ্তরের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হাওলাদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.কবির আহমেদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জিন্নাত জাহান, পরিবেশ নেটওয়ার্কের সভাপতি মো.শফিকুল ইসলাম খোকন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: মেহেদী হাসান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান, সচিববৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি ও যুব সদস্যরা।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়ন স্থায়িত্ব সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা সুদৃঢ় করা এবং এর ব্যবহারিক প্রয়োগে যৌথ বোঝাপড়া তৈরি করা। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক, আর্থিক, নেতৃত্ব ও নেটওয়ার্কভিত্তিক স্থায়িত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্রকল্প-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের ভূমিকা ও দায়িত্ব চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
কর্মশালায় একটি যৌথ টেকসইতা ভিশন ও রূপান্তর রোডম্যাপ প্রণয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুব সদস্য মো: জাকির হোসেন নাইম ও মুক্তি রানী।
পাথরঘাটায় টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের ধরণসমূহ এবং প্রকল্প সমাপ্তি পরিকল্পনা বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে পাথরঘাটা সংকল্প ট্রাস্ট সেমিনার কক্ষে-এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস এবং একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এফোরটি প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এনএসএস-এর পরিচালক (কার্যক্রম) মো: শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, শিক্ষক, নেটওয়ার্ক প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক ও কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ও বিগত বছরের অর্জনসমূহ তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো:মনিরুজ্জামান। এছাড়া কর্মশালা থেকে প্রত্যাশা ও টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন একশন এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার (ইয়ুথ হাব মোবিলাইজেশন এন্ড ক্লাইমেট একশান) মো: মাসুদ পারভেজ। কর্মশালায় সার্বিক সহায়তা করেন একশানএইড’র ইন্সপিরেটর মো: রোকনুজ্জামান।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিমেল আল ইসলাম, সমাজসেবা দপ্তরের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হাওলাদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.কবির আহমেদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জিন্নাত জাহান, পরিবেশ নেটওয়ার্কের সভাপতি মো.শফিকুল ইসলাম খোকন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: মেহেদী হাসান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান, সচিববৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি ও যুব সদস্যরা।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়ন স্থায়িত্ব সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা সুদৃঢ় করা এবং এর ব্যবহারিক প্রয়োগে যৌথ বোঝাপড়া তৈরি করা। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক, আর্থিক, নেতৃত্ব ও নেটওয়ার্কভিত্তিক স্থায়িত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্রকল্প-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের ভূমিকা ও দায়িত্ব চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
কর্মশালায় একটি যৌথ টেকসইতা ভিশন ও রূপান্তর রোডম্যাপ প্রণয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুব সদস্য মো: জাকির হোসেন নাইম ও মুক্তি রানী।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৩
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

০৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:১৮
বরগুনায় এক মধ্যবয়সী গৃহবধূকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের আঘাতে ওই নারীর মুখমণ্ডল সম্পূর্ণ থেঁতলে বিভৎস হয়ে গেছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে ঘটনাস্থলে জেলা পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
শুত্রবার (৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার ১০ নম্বর নলটোনা ইউনিয়নের গোড়াপদ্মা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূর নাম আলম তাজ (৪৫)। তিনি কৃষক আবুল হোসেনের স্ত্রী। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
নলটোনা ইউনিয়নের বাবুগঞ্জ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিপন জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। খুনের রহস্য উদঘাটনে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলকে ক্রাইম সিন ঘোষণা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে এবং নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নিহত নারীর মুখমণ্ডল থেঁতলে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা লোহার রড বা ধাতব কোনো বস্তু দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তাকে হত্যা করেছে।
তিনি বলেন, তদন্ত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। হত্যার পেছনের কারণ উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনায় এক মধ্যবয়সী গৃহবধূকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের আঘাতে ওই নারীর মুখমণ্ডল সম্পূর্ণ থেঁতলে বিভৎস হয়ে গেছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে ঘটনাস্থলে জেলা পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
শুত্রবার (৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার ১০ নম্বর নলটোনা ইউনিয়নের গোড়াপদ্মা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূর নাম আলম তাজ (৪৫)। তিনি কৃষক আবুল হোসেনের স্ত্রী। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
নলটোনা ইউনিয়নের বাবুগঞ্জ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিপন জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। খুনের রহস্য উদঘাটনে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলকে ক্রাইম সিন ঘোষণা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে এবং নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নিহত নারীর মুখমণ্ডল থেঁতলে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা লোহার রড বা ধাতব কোনো বস্তু দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তাকে হত্যা করেছে।
তিনি বলেন, তদন্ত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। হত্যার পেছনের কারণ উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৬
র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-০৬, সিপিএসসি, খুলনা এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ মার্চ (২০২৬) আনুমানিক রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে পাথরঘাটা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অভিযুক্ত, বরগুনা বামনা থানার সোনাখালী বাজার বাস স্ট্যান্ড হতে (১) মোঃ জালাল (৫৫) পিতা আঃ মান্নান হাওলাদার( ২)মোঃ কালু (২০) পিতা মিঠু হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনা এবং খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে (৩) মোঃ সবুজ হাওলাদার (৩০) পিতা আঃ হাকিম হাওলাদার (৪) মোঃ মিরাজ হাওলাদার (৪০) পিতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মৃত ভিকটিম বাদীর ভাই। অভিযুক্তরা বাদীর প্রতিবেশী হওয়ায় পূর্ব হতে তাদের মধ্যে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ইং ১৩/০২/২০২৬ তারিখ ভিকটিম বাড়ীতে একা থাকার সুবাদে অভিযুক্তগণ একত্রিত হয়ে একে অন্যের সহযোগীতায় দেশীয় অস্ত্র দ্বারা ভিকটিমকে এলোপাথারি ভাবে রক্তাক্ত যখম করে ও ভিকটিমের বাম চোখ উপরে ফেলে।
ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তগণ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।
এই ঘটনায় ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।উল্লেখ্য যে গত ১৩/০২/২০২৬ তারিখ দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে।
অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু র্যাব-৮ এর চৌখস আভিযানিক দল তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ।গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বরগুনা পাথরঘাটা থানা ও কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। র্যাব পটুয়াখালী ক্যাম্প কর্তৃক প্রেস বিজ্ঞপ্তি সুত্রে এ সংবাদ টি প্রকাশ করা হয়েছে।
র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-০৬, সিপিএসসি, খুলনা এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ মার্চ (২০২৬) আনুমানিক রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে পাথরঘাটা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অভিযুক্ত, বরগুনা বামনা থানার সোনাখালী বাজার বাস স্ট্যান্ড হতে (১) মোঃ জালাল (৫৫) পিতা আঃ মান্নান হাওলাদার( ২)মোঃ কালু (২০) পিতা মিঠু হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনা এবং খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে (৩) মোঃ সবুজ হাওলাদার (৩০) পিতা আঃ হাকিম হাওলাদার (৪) মোঃ মিরাজ হাওলাদার (৪০) পিতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মৃত ভিকটিম বাদীর ভাই। অভিযুক্তরা বাদীর প্রতিবেশী হওয়ায় পূর্ব হতে তাদের মধ্যে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ইং ১৩/০২/২০২৬ তারিখ ভিকটিম বাড়ীতে একা থাকার সুবাদে অভিযুক্তগণ একত্রিত হয়ে একে অন্যের সহযোগীতায় দেশীয় অস্ত্র দ্বারা ভিকটিমকে এলোপাথারি ভাবে রক্তাক্ত যখম করে ও ভিকটিমের বাম চোখ উপরে ফেলে।
ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তগণ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।
এই ঘটনায় ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।উল্লেখ্য যে গত ১৩/০২/২০২৬ তারিখ দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে।
অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু র্যাব-৮ এর চৌখস আভিযানিক দল তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ।গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বরগুনা পাথরঘাটা থানা ও কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। র্যাব পটুয়াখালী ক্যাম্প কর্তৃক প্রেস বিজ্ঞপ্তি সুত্রে এ সংবাদ টি প্রকাশ করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.