
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
চুয়াডাঙ্গা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মমিনপুর কবরস্থানের কাছে তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
নিহত রমজান আলী (৭০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মোরাদ আলীর ছেলে। তিনি বেতবাড়িয়া মসজিদের ইমাম ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জিআরপি ফাঁড়ির কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র বসু জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আপ সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে আসছিল। এ সময় রমজান আলী রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মমিনপুর কবরস্থানের কাছে তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
নিহত রমজান আলী (৭০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মোরাদ আলীর ছেলে। তিনি বেতবাড়িয়া মসজিদের ইমাম ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জিআরপি ফাঁড়ির কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র বসু জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আপ সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে আসছিল। এ সময় রমজান আলী রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২১
ভুয়া চাহিদাপত্রে ফিলিং স্টেশন থেকে অফিসের নামে ৩০০ লিটার পেট্রোল ও অকটেন নিতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহীর নওহাটা স্টেশন থেকে তাদের প্রত্যাহার করে ঢাকায় সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া পাঁচজন হলেন: লিডার রবিউল আলম, গাড়িচালক আজিজুর রহমান এবং ফায়ার ফাইটার জাকির হোসেন, ইয়াসির আরাফাত ও আব্বাস আলী।
ফায়ার সার্ভিসের নওহাটা স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে অফিসে এসেছি। এসে তাদের শোকজ করা কিংবা ব্যাখ্যা তলব করার মতো সময়ও পাইনি। ঘটনাটি জানাজানি হলে সদর দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচজনকে ক্লোজড করে হেডকোয়ার্টারে নিয়েছে। গতকাল (বুধবার) রাত ৯টায় তারা স্টেশন ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।’
নিরঞ্জন সরকার বলেন, ‘আমি রাজশাহীতে এসে পৌঁছেছি, আর তারা ঢাকায় গিয়ে নেমেছেন। ওদের সঙ্গে আমার দেখাও হয়নি। এখন তদন্ত হবে। তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, স্টেশন প্রধান নিরঞ্জন সরকার ছুটিতে গেলে লিডার রবিউল আলমকে দায়িত্ব দিয়ে যান। বুধবার তিনি অফিসের নামে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করেন। এরপর একটি সরকারি গাড়িতে ড্রাম ও ব্যারেল তুলে পার্শ্ববর্তী একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যান।
তারা প্রথমে ২০০ লিটার পেট্রোল নেন। এরপর আরও ১০০ লিটার অকটেন নেন। এ সময় সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হয়। তারা ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেনের প্রয়োজন নেই।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ওই ৩০০ লিটার তেল ফেরত নেওয়া হয়। এই পাঁচজন ভুয়া চাহিদাপত্র দিয়ে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নিজেদের ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য তেল নিতে গিয়েছিলেন বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।
ভুয়া চাহিদাপত্রে ফিলিং স্টেশন থেকে অফিসের নামে ৩০০ লিটার পেট্রোল ও অকটেন নিতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহীর নওহাটা স্টেশন থেকে তাদের প্রত্যাহার করে ঢাকায় সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া পাঁচজন হলেন: লিডার রবিউল আলম, গাড়িচালক আজিজুর রহমান এবং ফায়ার ফাইটার জাকির হোসেন, ইয়াসির আরাফাত ও আব্বাস আলী।
ফায়ার সার্ভিসের নওহাটা স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে অফিসে এসেছি। এসে তাদের শোকজ করা কিংবা ব্যাখ্যা তলব করার মতো সময়ও পাইনি। ঘটনাটি জানাজানি হলে সদর দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচজনকে ক্লোজড করে হেডকোয়ার্টারে নিয়েছে। গতকাল (বুধবার) রাত ৯টায় তারা স্টেশন ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।’
নিরঞ্জন সরকার বলেন, ‘আমি রাজশাহীতে এসে পৌঁছেছি, আর তারা ঢাকায় গিয়ে নেমেছেন। ওদের সঙ্গে আমার দেখাও হয়নি। এখন তদন্ত হবে। তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, স্টেশন প্রধান নিরঞ্জন সরকার ছুটিতে গেলে লিডার রবিউল আলমকে দায়িত্ব দিয়ে যান। বুধবার তিনি অফিসের নামে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করেন। এরপর একটি সরকারি গাড়িতে ড্রাম ও ব্যারেল তুলে পার্শ্ববর্তী একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যান।
তারা প্রথমে ২০০ লিটার পেট্রোল নেন। এরপর আরও ১০০ লিটার অকটেন নেন। এ সময় সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হয়। তারা ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেনের প্রয়োজন নেই।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ওই ৩০০ লিটার তেল ফেরত নেওয়া হয়। এই পাঁচজন ভুয়া চাহিদাপত্র দিয়ে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নিজেদের ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য তেল নিতে গিয়েছিলেন বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৮
যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম।
আহতরা হলেন- কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) কে গ্রেপ্তারে ওই রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায় কেশবপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ এমন মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার পরপরই ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নেয়।
আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আসামিকে আটকের পর হঠাৎ লোকজন হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে আসামিও মাথা দিয়ে আঘাত করে। পরে হামলাকারীরা তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম।
আহতরা হলেন- কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) কে গ্রেপ্তারে ওই রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায় কেশবপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ এমন মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার পরপরই ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নেয়।
আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আসামিকে আটকের পর হঠাৎ লোকজন হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে আসামিও মাথা দিয়ে আঘাত করে। পরে হামলাকারীরা তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১০
নওগাঁর পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মামুন ফিলিং স্টেশন এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশন মালিকের ছেলে অভি বলেন, গতকাল রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল।
এ সময় সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রি এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। হঠাৎ করে বোরখা পরে এক যুবক তেল নিতে আসে পাম্পে। বিষয়টি প্রথমেই ধরে ফেলেন সাধারণ মানুষ। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে যুবককে দ্রুত সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
অভি আরও বলেন, তেল সংকটের ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নারী সেজে আগে তেল পাওয়ার আশায় হয়তো তিনি এই কাজ করেছেন।
নওগাঁর পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মামুন ফিলিং স্টেশন এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশন মালিকের ছেলে অভি বলেন, গতকাল রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল।
এ সময় সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রি এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। হঠাৎ করে বোরখা পরে এক যুবক তেল নিতে আসে পাম্পে। বিষয়টি প্রথমেই ধরে ফেলেন সাধারণ মানুষ। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে যুবককে দ্রুত সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
অভি আরও বলেন, তেল সংকটের ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নারী সেজে আগে তেল পাওয়ার আশায় হয়তো তিনি এই কাজ করেছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২১
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪২
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৪
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৫